A time to kill : রেসিজম নিয়ে এক দারুন লিগ্যাল থ্রিলার মুভি।
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

ifbvvf3brbvndixHklUtXMZXlgJকু ক্লুক্স ক্লান , আমেরিকার এক ভয়ংকর বর্ণবাদী সংগঠন। মূলত ১৮৬০ এর দশকে আমেরিকার সিভিল ওয়ার এর মাধ্যমে কৃষ্ণাঙ্গদের সিভিল রাইট প্রতিষ্ঠা করার বিরুদ্ধে এই সংগঠনের জন্ম। কালোদের উপর নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করাই এদের মূল লক্ষ্য ছিল।বেশ কয়েক বছর খুন ,অগ্নিসংযোগ , দাঙ্গা – হাঙ্গামা করার পরে এ সংগঠন অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়ে।

এই সংগঠনের আবারো উত্থান ঘটে ১৯১৫ সালের The birth of a nation নামের এক ছবির মাধ্যমে( প্রচন্ড আলোচিত -সমালোচিত এই ছবিকে আমেরিকার চলচ্চিত্রের প্রথম দিকের এক মাস্টারপিস আর চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক ল্যান্ডমার্ক সিনেমা ধরা হয় )। এই ছবির ফলে আমেরিকার চারদিকে এই ক্লানের ক্রেজ শুরু হয়ে যায় , ফলে তারা হয়ে পড়ে আরো ভয়াবহ।মুখে আইকনিক এক মুখোশ ও সাদা আলখাল্লা পড়ে তারা চারদিকে দাঙ্গা হাঙ্গামা শুরু করে দেয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত এ ধরণের নাশকতা চলতে থাকে।

১৯৬০ এর দশকে এদের আবারো উত্থান ঘটে। এবারের মূল কারণ এদের কমিউনিজম ভীতি।এবারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিনের শহরগুলিতে এদের উথান ঘটে । ১৯৭৯ সালে এরা পাঁচজন কৃষ্ণাঙ্গকে গুলি করে হত্যা করে , টেনেসিতে ১৯৮০ সালে চার জন কৃষ্ণকায় বৃদ্ধ নারীকে গুলি করে। পুলিশ খুনের অভিযোগ করে মামলা দায়ের করলে দু’জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়, কারণ জুরীরা সবাই সাদা ছিল।একজনকে ৯ মাসের কারাদন্ড দিলেও তাকে তিন মাস পরেই মুক্তি দেওয়া হয়। এ মুক্তির পেছনে কু ক্লুক্স ক্লানের সরাসরি হাত ছিল। আর এ ধরণের এক ঘটনা নিয়েই পরিচালক Joel Schumacher নির্মাণ করেছেন “A time to kill” ।

মিসিসিপি রাজ্যের এক শহর ক্যান্টনে দুই জন শেতাঙ্গ এক ছোট কৃষ্ণাঙ্গ মেয়েকে কিডন্যাপ করে এর উপর নির্মম অত্যাচার চালায়। তাদের গ্রেফতারের পড়ে কোর্টে তোলার সময়ে মেয়েটির বাবা কার্ল লি তাদের উপর ওপেন ফায়ার করে।

ফলে চারদিকে তাকে ফাঁসি দেয়ার পক্ষে জনমত গড়ে উঠে।এদিকে তার পক্ষে দায়িত্ব নেয় জ্যাক ব্রিগেঞ্জ নামের এক শেতাঙ্গ আইনজীবী। এখন সে কি শেতাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ জুরিদের কাছে নির্দোষ প্রমাণিত হবে না দোষী ? এ ব্যাপারে কু ক্লুক্স ক্লান আর কৃষ্ণাঙ্গ কমিউনিটির ভূমিকা কি ? এ সব কিছু জানতে হলে দেখতে হবে “A time to kill”।

জন গ্রিশাম , বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা লিগ্যাল থ্রিলার লেখক। তার A time to kill নামক বইটি থেকেই এ মুভি এডাপ্ট করা হয়। লিগ্যাল থ্রিলারের আড়ালে মার্কিন সমাজের রেসিজমকে পরিচালক খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন এ ছবিতে।
A-Time-To-Kill-Carl-Lee-Hailey-4

ছবির অন্যতম সেরা জায়গা এর power packed performance . অবশ্য ছয়জন অস্কারজয়ী অভিনেতা (Sandra Bullock, Matthew McConaughey, Kevin Spacey, Brenda Fricker, Chris Cooper, and Octavia Spencer) যে ছবিতে অভিনয় করেছে তাতে এ ধরণের অভিনয় আশা করাই যায়। জ্যাক ব্রিগেঞ্জ চরিত্রে Matthew McConaughey দারুন , এছাড়াও Kevin Spacey আর Samuel L. Jackson এর অভিনয় ছিল চোখে পড়ার মত। বাকি চরিত্র গুলিও বেশ ভালো , তবে Sandra Bullock এর চরিত্রের ব্যাপ্তি আরো বড় হলে আরো ভালো লাগতো।

কোর্ট রুম ড্রামার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ স্ট্রং স্ক্রিনপ্লে আর ডায়ালগ। ছবির শেষ ভাগে দারুন screenplay and dialogue এ মুভিকে আরো আকর্ষণীয় করেছে। ছবির background সহ বাকি পার্ট গুলিও ঠিক ঠাক।

Controvercial plot , দুর্দান্ত অভিনয় আর emotional content এর এক টোটাল প্যাকেজ “A time to kill “। রেসিজম বা কোর্টরুম ড্রামা related movie যারা দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য highly recomend।

এক নজরে ” A time to kill ”

Directed by-Joel Schumacher
Screenplay by-Akiva Goldsman
Based on-A Time to Kill by John Grisham
Genre-Courtroom Drama /Legal Thriller
Starring-Sandra Bullock,Samuel L. Jackson,Matthew McConaughey,Kevin Spacey,Brenda Fricker,Ashley Judd,Donald Sutherland
Music by-Elliot Goldenthal
Cinematography-Peter Menzies Jr.

IMDB-7.4/10
My overall rating – 8.5/10

Download Link – https://yts.ag/movie/a-time-to-kill-1996

A Time to Kill (1996)
A Time to Kill poster Rating: 7.4/10 (103,663 votes)
Director: Joel Schumacher
Writer: John Grisham (novel), Akiva Goldsman (screenplay)
Stars: Matthew McConaughey, Sandra Bullock, Samuel L. Jackson, Kevin Spacey
Runtime: 149 min
Rated: R
Genre: Crime, Drama, Thriller
Released: 24 Jul 1996
Plot: In Canton, Mississippi, a fearless young lawyer and his assistant defend a black man accused of murdering two white men who raped his 10-year-old daughter, inciting a revolt by local racist groups.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন