ডিরেক্টরদের পাগলামি, অস্থির করা কিছু কাজ যা আপনার চোখের নিচ দিয়ে গেছে।

আপনারা আগে থেকেই জানেন হলিউডি ডিরেক্টরদের মাথায়ে হালকা পাতলা ছিট আছে, (:P)। কিছু কিছু তো এমনই উদাহরণ দেখান যে টাসকি লেগে থাকা ছাড়া সাধারণ দর্শকদের কোনো কাজ থাকে না, আজকে এমন কিছু বিষয় আপনাদের সামনে উপস্থাপন করব যা দেখলে আপনার টাসকি খাওয়ার সম্ভবনা শতভাগ। মুভিতে ব্যবহৃত এমন কিছু ডিটেইলস আপনার চোখ মিস করেছে কিন্তু যা বানাতে কাঠখড় পুড়িয়েছে ডিরেক্টর ও প্রডাকশন ক্রু উভয়েই। স্পিকিং অফ কাঠ খড়।।।।

 

>The Lord of the Rings: প্রত্যেকটা বর্মের পিছনের কাহিনী

যেকোনো সাই-ফাই ফ্যান্টাসি মুভিতে স্যুট বা বডি আর্মর দেখতে বিশ্বাসযোগ্য করা এক কথা, কিন্তু নিখুত নিখুত ডিটেইল দিয়ে সেটা ভরানো যা দর্শকরা সারা জীবনেও লক্ষ্য করবে না এমনকি প্রতিটা ফ্রেম ফ্রিজ করে আতশ কাঁচ দিয়ে দেখলেও পাবেন না, এমন কাজের পিছনে সময় ব্যয় করা অনেকে বোকামি মনে করতে পারবেন। উদাহরণ দিতে গেলে বলা যায় The Lord of the Rings: The Two Towers এর কথা, মনে আছে সেই Helm's Deep এর মারামারির সিনটির কথা? যেখানে প্রাসাদের দরজা ভেঙ্গে হাজার হাজার দানব সদৃশ প্রাণী ঢুকে যায়, আপনি কি লক্ষ্য করেছেন যে ওই প্রানিগুলা তাদের বর্মের নিচে চেইনের আরেকটা কাপড় পরে আছে?

সেই বর্ম এখান থেকে খুঁজে পেলে দশ টাকা

কস কি মমিন? খেয়াল করেন নাই? তা করবেন কেমতে? কারণ সিনটি ধারণ করা হয়েছে বিশাল ভিড়ে তার উপরে সিনটি হলো রাতের বেলা এবং বৃষ্টি পরছে, এর মধ্যে বর্মের নিচের চেইন আপনার চোখে পরার কথা না। আপনারা তো এমনি সময়েই হাতের জিনিস খুঁজে পান না। 😀

 

যে চেইন আপনি দেখেন নি অর্থাত আপনার নজরে আসেনি সেটা কস্টিউম ডিপার্টমেন্ট এর তৈরী, জোড়ার পরে জোড়া দিয়ে।

বিরামহীন টানা দুইবছর কাজ করে, তারা ছয় মাইল দীর্ঘ ওই চেইন বানিয়েছে যা গড়ে বত্রিশ হাজার ফিট। তারা এটা এজন্যই বানিয়েছে যাতে আপনি দেখতে না পারেন। :/

যাই হোক, ডিরেক্টর পিটার জ্যাকসনের এরকম অদরকারী ডিটেইল ওয়ালা কাজ আসলেই প্রশংসার দাবিদার, আপনাকে আরো জিনিস দেখতে হলে মুভির "অস্ত্র ও বর্ম" সেকশনটা আরেকটু ভালমত দেখতে হবে, প্রতিটা পরিবারের ও জাতির রয়েছে নিজস্ব ঐতিয্য ও সাহিত্য।

আচ্ছা প্রমান দেই, দেখে নিন লেগোলাসের তূণীর, যা অল্প কয়েক সেকেন্ডের জন্য মুভিতে দেখা যায়-

আপনার আমার বাড়িতে এত কাজ করা ফার্নিচার ও নাই

আচ্ছা মানলাম যে এখানে কয়েকশো ডিটেইল দেয়া, কিন্তু সে তো মেইন চরিত্রের একজন, পুরো ট্রিলজিতে সে একাই ছয় ঘন্টা ধরে রাখছে। অবশ্যই আপনি চাবেন যে তার জিনিসপত্র অস্থির লুকিং হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু মনে আছে উপরে বলেছিলাম যে একেকটা পরিবার ও জাতির একেকরকম বেশভূষা? এর কারণ কি? এর কারণ একটাই, পিটার জ্যাকসনের মাথায়ে ছিট আছে। দেখে নিন মুভিতে ব্যবহৃত অন্যান্য জাতদের বর্ম

এরকম ডিটেইল ওয়ালা আরও আটচল্লিশহাজার খানি পিস ব্যবহার করা হয়েছে এই ট্রিলজিতে, এছাড়াও প্রায় দশ হাজার হাতে বানানো অর্ক বেল্ট আছে যা প্রায় CGI মারামারির জন্য চোখে পরা অসম্ভব. বাস্তব জীবনেও তো আমরা কেউ কারো বেল্টের দিকে তাকাইনা, হেঃ হেঃ যদি না নিচে কোনো প্রবলেম থাকে 😛 :P.

Sean Bean নিজেও তো গিমলির বেল্ট দেখবার পারতেছে না.

>Coraline: কাপড়গুলো ছোট সুই এর সাহায্যে হাতে বুনা

জানি কি ভাবছেন, স্টপ মোশন মুভিতে এমনেই অনেক অসাধারণ সব ডিটেইল কাজে লাগানো হয়, একেকটা স্টপ মোশন বানাতে গড়ে বিশ মাস লাগে, কারণ আপনাকে ওই আকৃতিগুলো হাতে হাতে নাড়াতে হয় ও এবং একটি করে ফ্রেম শুট করতে হয়, দেখা যাবে যে সারাদিনের কাজ শেষ আপনি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মুভি বানিয়েছেন।

দিনশেষে মাত্র দশ সেকেন্ডের ফিল্মিং? আই কুইট

হ্যা, ২০০৯ এর Coraline বানাতে কম খাটনি দিতে হয় নি, কিন্তু এই খাটনি বিরক্তকর ফ্রেম বাই ফ্রেম শুট এর জন্য নয়, উদাহরণ দিলে কাপড়ের কথা বলা যায়, হ্যা চাইলেই পুতুলের কাপড় খুলে মুভির চরিত্রগুলোর গায়ে চড়িয়ে দায়সারা যেত।

অথবা ফিল্ম ক্রু দিয়ে মুভির কাপড় হাতে বানিয়ে নেয়া যায়, আর ফিল্ম ক্রু বলতে একজনের কথা বলছি। Althea Crome এই মুভিতে দেখানো প্রত্যেকটা কাপড় নিজের হাতে বানিয়েছেন চুলের মত সুই এর ব্যবহারে।

145311_v1 145313_v1 145317_v1

এমনকি সে তাদের জন্য আন্ডারগার্মেন্টস ও বানিয়েচিনেল, জেনারেলি স্পিকিং যা কেউ দেখতে পাবে না. 😀

145314

এটা যদি আপনাকে মুগ্ধ না করে, তাহলে মুভিতে দেখানো কয়েকটি  অসাধারণ রকমের কাপরয়ালা চরিত্রের কথা ভাবুন, আর ভাবুন ওই মহিলাটির কথা যে একটি রুমের কর্নারে বসে দশ ইঞ্চি লম্বা পুতুলের জ্যাকেটের পকেটের সেলাই দিয়েছেন।।

তয় জ্যাকেটটা ফাটাফাটি

 >V for Vendetta: অক্ষর "V" আর নাম্বার "5" এর রেফারেন্স

145349

জনতা চাইলেই একটা দেশের সিস্টেমকে গুড়িয়ে দিতে পারে, এই বার্তা বাদেও V for Vendetta মুভিতে ছিল লুকায়িত অনেক মেসেজ, এর পাশেও ছিল সুক্ষ কাজের বেশ কিছু উদাহরণ যার ফলে মুভিটির ও মুভির ডিরেক্টরের প্রতি আমার সম্মান কয়েকগুনে বেড়ে গেছে।

 

খেয়াল করে দেখবেন (নাহলে আমি দেখিয়ে দেই) মুভির জায়গায়ে জায়গায়ে ইংরেজি বর্ণমালার V ও নাম্বার সিস্টেমের 5 দেখা গেছে, রোমান 5 ও কিন্তু ইংরেজির V, আপনার চোখে হয়তবা উল্লেখযোগ্য গুলো ধরা পরেছে।

145315_v1 145323

আবার কিছু কিছু একদম সুক্ষ, উদাহরণস্বরূপ প্রথম দিকে যখন মুভির চরিত্র ক্রিডি ও ইন্সপেক্টর ফিঞ্চ কে দেখায় তারা একটা V দ্বারা বিভক্ত, আরেকটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখবেন ক্রিডি V কে ধরার জন্য লেগেছিল অপরদিকে ফিঞ্চ V এর কর্মকান্ডকে চুপচাপ সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছিল, প্রতিকি রুপে V এই দুজনকে আলাদা করা ফেলেছে।

145318

আবার ন্যাটালি পোর্টম্যান যখন V এর বাড়িতে জ্ঞান ফিরার পর উঠে (মুভির প্রথম দিকে), তার কপালের স্থানটা V আকৃতিতে কাটা।

145320_v1

আবার আরেকটি V নিজেকে আত্মপ্রকাশ করছে বজ্জাত ঔষুধ কোম্পানির মালিক ওরফে টিভি শো হোস্ট এর ব্যাকগ্রাউন্ড এ।

145321_v1

শেষের দিকে মারামারির সময়ে, V একসময়ে তার দুটো ছোড়া ক্রিডির সৈন্যদের উদ্দেশ্য করে ছুড়ে মারার জন্য হাতে নেয়, যা V আকার ধারণ করে।

145348_v1

এবং সেই ছোড়া দুটো উড়ন্ত অবস্থায়ে V এর আকার নেয়

145322_v1

এরপরে, ক্রিডি V কে পাঁচটা গুলি করে {মাইন্ড ইট পাঁচ (V) টা}, সেই গুলির আঘাতে আহত V দেয়ালে একটি V আকৃতির রক্তের ছাপ রেখে যায়।

145324_v1

 

ভাবলাম আপনার চোখ ঈগলের মতন শার্প আর আপনি এগুলো সবই দেখে ফেলছেন, ঠিক আছে চলেন আরেক লেভেল নিচে যাই।

Evey (পোর্টম্যানের নাম) টা খেয়াল করেন, E হলো ইংরেজি বর্ণমালার পঞ্চম অক্ষর, V হলো উল্টা দিক দিয়ে গলা দিলে বর্ণমালার পঞ্চম অক্ষর, Y হলো পচিশতম অক্ষর যা পাঁচ দ্বারা বিভাজ্য। ইন্সপেক্টর Finch যে পরে V এর দলে ভিড়ে, তার নামে পাঁচটি অক্ষর আছে। যখন V ভিলেন Creedy (যার নামেও E আর Y ভরা) কে মারতে থাকে তখন ব্যাকগ্রাউন্ড এ  Beethoven's 5th সিম্ফনি বাজতে থাকে।

145341

কেচিগেট যে V দিয়ে ভরে সেটা বা নাই বললাম

খাড়ান, আরও আছে, V এর সবচেয়ে পছন্দের ফ্রেজ হলো  "By the power of truth, I, while living, have conquered the universe," যা ল্যাটিনে রূপান্তর করলে দাড়ায় "Vi veri veniversum vivus vici," অথবা "five goddamned words that all begin with 'V'"

 আর সবচেয়ে টাসকি লাগানো তথ্য, মুভিটার মেইন চরিত্রের নাম হলো শুধুই "V "

>হ্যারি পটার এন্ড দি গবলেট অফ ফায়ার: Quidditch ওয়ার্ল্ড কাপের সাজসজ্জা

145344_v1

কেউই একমত হবে না যে হ্যারি পটার সিরিজ কখনই লর্ড অফ দি রিং এর মত এত ডিটেইল সহকারে বানানো হয়নি, পিটার জ্যাকসনের মত সিট ওয়ালা আর কেউই নাই। কিন্তু জনাব! হ্যারি পটার সিরিজ ও কিন্তু এক বিকালে বানানো হয় নি।

সিরিজের চতুর্থ মুভির Quidditch ওয়ার্ল্ড কাপের উদাহরণটাই ধরেন না?

145328_v1এবং মাঠ চলে গেল বলের বাহিরে

বেশ হাস্যকর রকমের ডিটেইল স্টেডিয়ামের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে যার অস্তিত্ব সম্পর্কে আপনি জানেনই না, বলতে গেলে, মুভি ক্রু রা Quidditch ওয়ার্ল্ড কাপের প্রোগ্রামের জন্য বেশ কিছু প্রোগ্রাম বানিয়েছে, আর আমি খেলার পূর্ণ নিয়মকানুন, গাইড ম্যাচ ফিক্চারের কথা বলছি। এমনকি বিভিন্ন টিম, তাদের শতকরা জয়, তাদের প্রোফাইলিং ইত্যাদি ইত্যাদি।।

145330

এমনকি প্রডাক্টের বিজ্ঞাপন ও আছে… লে হালুয়া

এখন আপনার মনে হতে পারে যে এত কিছু আপনার চোখে কেন পড়লনা, তাইনা? কারণ একটাই পুরা মুভিতে এই জিনিসগুলা খালি এই দৃশ্যেই মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখিয়েছিল

145333

টোটালি ওয়ার্থ ইট (!)

 >The Shining: জ্যাকের পাগলা করা পান্ডুলিপি

145350

মুভি ফ্রিকরাই জানেন স্ট্যানলি কুব্রিক মুভির ভিতরে সুক্ষ বিবরণ লুকিয়ে রাখার জন্য এক রকমের রেপুটেশন ক্রিয়েট করে ফেলেছেন, কোনটা এমনই ইনসেইন যে আপনি টাসকি খেয়ে যাবেন।

145343_v1

 

মুভিটির সেই সিনটার কথা মনে আছে যেখানে Shelley Duvall  Jack Nicholson এর লেখা উপন্যাসটি পড়ছিল? শুধুমাত্র এটা আবিস্কারের জন্য যে পুরো বইটি All work and no play makes Jack a dull boy বাক্যটি বারে বারে লেখা। তখনি আপনি তার কুড়াল ওয়ালা তান্ডবের পূর্বাভাস পেয়ে গিয়েছিলেন, কারণ কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এভাবে একই লাইন বার বার লেখতে পারেনা।

স্ট্যানলি কুব্রিক নিজেও সুস্থ ছিলেন কিনা সন্দেহ।

145334

ইহাকে কপি পেস্ট মনে করলে ভুল করবেন

 

The Shining এর এডিটর ও কুব্রিকের কন্যা ভিভিয়ান দাবি করেন যে, ডিরেক্টর তার নিজের সেক্রেটারিকে মাসের পর মাস (লিটারেলি) প্রতিটা পেইজে এই লাইনটি টাইপ করিয়েছেন, বেসিকালি বলতে গেলে সেক্রেটারিকে নিকলসনের চরিত্রের মতই পাগল বানিয়ে দিয়েছিলেন :P.

আবার আর দশটা মুভির মত দেশের বাহিরে দেখানোর জন্য Shining এর আরেক ভার্সন বানানো হয় অন্য ডিরেক্টর হলে সেখানে সাবটাইটেল ব্যবহার করত, কিন্তু আমরা কুব্রিকের কথা বলছি এখানে, মনে রাখতে হবে।145335

ওর সেক্রেটারি বাইচা আসে নি সন্দেহ

 >Finding Nemo: পিক্সারের সকল কর্মচারীদের কে মারিন বায়োলজি শিখতে হয়েছে

145347

পিক্সার স্টুডিও তাদের অলসতার জন্য দুনিয়াতে পরিচিত নয়, একটি পুরো CGI এনিমেটেড ফিল্ম বানাতে যে সময় লাগে (কোনো কোনো ক্ষেত্রে কয়েক বছর) এ সময়ের মধ্যে, তাদের পর্যাপ্ত সময় থাকে অসাধারণ স্ক্রিপ্ট তৈরী করার আর প্রতিটা ফ্রেমে অসাধারণ ডিটেইল এড করার। হয়তবা খেয়াল করে থাকবেন, তারা যখন কথা বলা মাছের মুভি বানানোর সিদ্ধান্ত নিলো, তারা নিজেদেরকে উত্সর্গ করে দেয় মাছের মুভমেন্ট যতটা সম্ভব বাস্তবিক করার জন্য, এতটাই ডেডিকেটেড যে পুরো পিক্সার স্টাফকে গ্রাজুয়েট লেভেলের ichthyology (মত্স বিদ্যা) কোর্স করানো হলো।।

145337

অন্য প্রডাকশনের মুভি গুলো, যেখানে আন্ডার ওয়াটার কে মহাশুন্যর মত ব্যবহার করা হয় ও প্রাণীরা যেখানে খুশি সেখানে সাতরে যেতে পারে, তাদের থেকে অনেকাংশে আলাদা ফাইন্ডিং নিমো, প্রতিটা প্রাণীর চলন বাস্তবিক, এমনকি চলার গতিপথের সাথে পাখনার ফিনের মুভমেন্টেরও মিল আছে।

জেলিফিসের সিনটার কথা মনে আছে?

145338

এই জেলিফিসের এনিমেশনটা এচিভ করার জন্য পিক্সারের একদম নতুন একটি সিস্টেম বানাতে হয় যার নাম transblurrency, এর মাধ্যমে জেলিফিসের গায়ে আলো আধারির যে খেলাটা দেখেছেন তা অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল।

অবশ্য এত নিখুত ডিটেইলের মধ্যে একটা মেজর ডিটেইল বাদ পরে গেছে, নিমো, মার্লিন হলো জাতে ক্লাউনফিশ, এরা sequential hermaphrodites, বাস্তব জীবনে যদি কোনো বারাকুদা মাছের আক্রমনে মার্লিনের স্ত্রী মারা যেত তাহলে মার্লিন তার লিঙ্গ পরিবর্তন করে আরেক পুরুষ ক্লাউনফিশের সাথে সংসার পাততো, এদিকে নিমোর যে আধা ভাঙ্গা একটা ডিম আছে সেটার দিকে তাকানোর টাইম বা সময় কোনটাই তার থাকতনা।

তথ্য ও ছবি সংগ্রহ: cracked.com

(Visited 206 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন