Artificial Intilligence(AI) – একজন অক্ষম সন্তান ও এক নীলপরীর গল্প……
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

images

২১ শতকের শেষ দিকে পৃথিবী ক্রমেই মানুষের বসবাসের অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে।ফলাফল মানব প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে এক নতুন মডেলের অত্যাধুনিক সকল কাজে পারদর্শী রোবট তৈরি করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় পরীক্ষামূলকভাবে ডেভিড নামের এক ছোট্ট যন্ত্রমানবকে পাঠানো হয় হেনরি ও মনিকার সংসারে। উদ্দেশ্য নিরাময়অযোগ্য এক রোগে আক্রান্ত মারটিন(হেনরি ও মনিকার সন্তান) এর স্থানপুরন। কিন্তু প্রশ্ন হল একটা যন্ত্র কিভাবে সন্তানের অভাব পুরন করতে পারে? আসলে ডেভিডকে দেয়া হয়েছিল এমন এক ক্ষমতা যা শুধু মানুষেরই আছে। তা হল ভালবাসার ক্ষমতা এবং প্রিয় মানুষের জন্য প্রয়োজনে স্রোতের বিরুদ্ধে দাড়িয়ে একা লড়াই করার ক্ষমতা।

images (3)

Artificial_Intelligence_Poem

বিপত্তিটা বাধে তখন যখন মারটিন ফিরে আসে। মায়ের কোলে সন্তানের ফিরে আসার মত এমন এক অভাবিত আনন্দময় ঘটনা ডেভিডকে দাঁড় করিয়ে দেয় এক ভয়াবহ বাস্তবতার সামনে। যেঁ বাস্তবতা তার সামনে শুধু একটা পথই খোলা রাখে। তাকে এক নীলপরী খুজে বের করতে হবে। একমাত্র সেই পারে তাকে সাহায্য করতে । কিন্তু তাকে কি ডেভিড খুজে পাবে?? কেউ কি কোনদিন পায়??? images (4)

air26

Brian Aldiss এর শর্ট স্টোরি Super-Toys Last All Summer Long থেকে অনুপ্রানিত হয়ে তৈরি করা Steven Spielberg এর চিত্রনাট্যে এবং তার প্রযোজনা ও পরিচালনায় ২০০১ সালে “এ আই(Artificial Intelligence)” মুক্তি পায়। এটি প্রথমে ছিল কুবরিক বসের ড্রিম প্রজেক্ট। ১৯৭০ সালে প্রথম তিনি ব্রায়ানের কাছ গল্পটা শুনে আগ্রহী হয়ে তাকেই চিত্রনাট্য তৈরির বানাতে বলেন। ১৯৮৫ সালে তিনি তার পুরনো বন্ধু স্পিলবারগকে এই প্রজেক্টে যুক্ত করেন। কিন্তু কিছু অদ্ভুত ভুলবোঝাবুঝির কারণে মূল গল্পের স্রষ্টা ব্রায়ান আলডিসকে ১৯৮৯ সালে এই প্রজেক্ট থেকে কুবরিক বহিস্কার করলে প্রজেক্টের কাজে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। কুবরিক তখন ব্রায়ানের প্রতিপক্ষ রাইটার Ian Watsonকে এই গল্পটা নিয়ে চিত্রনাট্য বানাতে বলেন। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে একটা মোটামুটি খসড়া চিত্রনাট্য দাঁড় করিয়ে ফেলেন ইয়ান এবং ১৯৯১ সালের মধ্যে চিত্রনাট্যের কাজ পুরোপুরি শেষ করে ফেলেন। কিন্তু তখনকার সময়ের প্রযুক্তি চলচ্চিত্রের মূল চরিত্র ডেভিডকে তৈরি করার মত অগ্রসর ও অত্যাধুনিক না হওয়ায় কুবরিক তার এই প্রজেক্ট স্থগিত করে রাখেন। তারপর ১৯৯৩ সালে স্পিল্বারগ যখন জুরাসিক পার্ক বানিয়ে সারা পৃথিবীতে হইচই ফেলে দেন, তখন কুবরিক আবারও উৎসাহী হন। ঘোষণা দেন ১৯৯৪ সালের প্রথম দিকেই তার এই প্রজেক্টের কাজ শুরু হবে। কিন্তু ব্যর্থতা পিছু ছাড়ে না। তৎকালীন সবচেয়ে চমৎকার ভিজুয়াল ইফেক্ট সুপারভাইজার Chris Cunningham নিয়োগ দেয়া হয় কুব্রিকের এই প্রজেক্টে, কিন্তু তিনি কুবরিকের ডিরেকশন অনুযায়ী রোবটের মত দেখতে একটা মানুষ বানাতে ব্যর্থ হন। তার ভাষ্যে,

c12dfaa01dbbec915c49e2364cc898a2-400x265

We tried to construct a little boy with a movable rubber face to see whether we could make it look appealing,” । “But it was a total failure, it looked awful.

হতাশ কুবরিক শেষপর্যন্ত মনে করলেন যেহেতু স্পিল্বারগের রিসেন্ট জুরাসিক পার্ক বানাবার অভিজ্ঞতা আছে, তাই পরিচালনার কাজটা সেই করুক। বলাই বাহুল্য, বন্ধুর এইরকম একটা অনুরোধ শুনে স্পিল্বারগ খুব অবাক হয়েছিলেন। এ ব্যাপারে উইকিতে থাকা একটা কোট প্রমান করে, এই প্রজেক্ট কুব্রিকের কতটা আকাঙ্ক্ষিত ছিল।

Stanley [Kubrick] showed Steven [Spielberg] 650 drawings which he had, and the script and the story, everything. Stanley said, “Look, why don’t you direct it and I’ll produce it.” Steven was almost in shock.

সবিনয়ে প্রস্তাবটা প্রত্যাখ্যান করে স্পিলবারগ কুবরিককে বোঝাতে সক্ষম হন যে এই চলচ্চিত্রের জন্য সবচেয়ে যোগ্য পরিচালক তিনিই(কুব্রিক) শেষপর্যন্ত কুবরিক দৃঢ় সংকল্প করেন যে Eyes Wide Shut চলচ্চিত্রটি শেষ করেই তিনি এ আই বানাবেন। কিন্তু আফসোস, এই মুভিটিই ছিল এই লিজেন্ডের শেষ মুভি। ১৯৯৯ সালে তার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। প্রয়াত বন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্নের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং কুবরিকের স্ত্রীর অনুরোধে এই চলচ্চিত্রটির ডিরেকশনে আসেন স্পিল্বারগ। সেই স্ক্রিপ্ট থেকে অ্যাডালট বেশ কিছু জিনিস বাদ দিয়ে নতুনভাবে নিজেই লেখেন চিত্রনাট্য। জুলাই ১০, ২০০০ সালে শুরু হয় দি গ্রেট স্টানলি কুব্রিকের এক অসমাপ্ত স্বপ্ন পূরণের কাজ। এক অভাবিত মাস্টারমাইন্ডের স্বপ্ন স্পিলবারগ খুব সফলভাবেই বাস্তবায়ন করেছেন। চলচ্চিত্র শেষে অভিনয়শিল্পীদের পরিচয় দেখানোর সময় “For Stanley Kubrick.” লাইনটি কুবরিকের প্রতি সম্মান জানাবার এক সামান্য চেষ্টামাত্র। ১০০ মিলিয়ন ডলারের মুভিটি মুক্তির পর ২৩৮ মিলিওন ডলারেরও বেশী ব্যবসা করেছে। কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল দর্শক, পরিচালক, সমালোচক, চলচ্চিত্র বোদ্ধা নির্বিশেষে সবাই এই চলচ্চিত্রটি দেখে তৃপ্তি পেয়েছেন,অকুণ্ঠ প্রশংসা করেছেন কোনরকম কার্পণ্য ছাড়াই। রটেন টমেটোতে ৭৩% রেটিং পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি আইএমডিবিতে পেয়েছে ৭/১০ চলচ্চিত্রটির গল্প প্রথম যিনি লিখেছিলেন, সেই Brian Aldiss কুবরিকের এই মুভি পরিচালনা না করতে পারা এবং স্পিলবারগের পরিচালনা সম্পর্কে সম্পর্কে আক্ষেপ করে বলেছেন,

“That is one of the ‘ifs’ of film history – at least the ending indicates Spielberg adding some sugar to Kubrick’s wine. The actual ending is overly sympathetic and moreover rather overtly engineered by a plot device that does not really bear credence. But it’s a brilliant piece of film and of course it’s a phenomenon because it contains the energies and talents of two brilliant filmmakers

বিখ্যাত মুভি ক্রিটিক রজার এবারট এই মুভিকে চারে চার রেটিং দিয়ে বলেছেন…

Audacious, technically masterful, challenging, sometimes moving [and] ceaselessly watchable. [But] the movie’s conclusion is too facile and sentimental, given what has gone before. It has mastered the artificial, but not the intelligence.

হয়তোবা কুবরিক পরিচালনা করলে এটা এক অন্যরকম কিছু হতে পারত, কিন্তু স্পিলবারগও কোন অংশে কম যাননি। ২০০২ সালে লন্ডনে স্পিলবারগ এই মুভির পেছনে তার আর কুব্রিকের অবদান সম্পর্কে স্পীচে অনেক সংশয়ের সমাধান করে দেন। এর থেকে বোঝা যায়, বন্ধুর স্বপ্ন তার কাছে কতটা আবেগের ছিল…

images (2)

People pretend to think they know Stanley Kubrick, and think they know me, when most of them don’t know either of us,” “And what’s really funny about that is, all the parts of A.I. that people assume were Stanley’s were mine. And all the parts of A.I. that people accuse me of sweetening and softening and sentimentalizing were all Stanley’s. The teddy bear was Stanley’s. The whole last 20 minutes of the movie was completely Stanley’s. The whole first 35, 40 minutes of the film – all the stuff in the house – was word for word, from Stanley’s screenplay. This was Stanley’s vision.

একটা বাচ্চা ছেলে যেঁ ঠিক কতটুকু জিনিয়াস হলে এত চমৎকার অভিনয় করতে পারে তা Haley Joel Osment কে না দেখলে বোঝা যাবে না। পুরো মুভিতে তার অভিনয় দেখে বোঝার উপায় ছিল না এটা অভিনয়, মনে হচ্ছিল সত্যিই একটা বাচ্চা তার মাকে কাঁদতে কাঁদতে খুঁজে বেড়াচ্ছে। দাঁ সিক্স সেন্স দিয়েই ওঁর ক্লাস বুঝেছিলাম কিন্তু কাল রাতে যখন মুভিটা দেখছিলাম তখন ওঁর অভিনয় দেখে আমার কেন যেন মনে হল এটা কোন মুভি না, এটা যেন খুব রুঢ় বাস্তব আর দৃঢ় বিশ্বাসের মধ্যে সৃষ্টির আদি থেকে চলে আসা সেই চিরবৈরি দ্বন্দ্বের এক অনুপম রুপায়ন।

মুভি দেখে কেঁদেছি এটা খুব বিরল। হয়তোবা চোখে পানি এসেছে কিন্তু গড়িয়ে পড়েনি। ট্রাস্ট মি, আমি কাল কাঁদতে চাইনি কিন্তু এই বাচ্চাটা আমায় কাঁদিয়ে ছাড়ল। যারা দেখেননি, দেখবেন।জীবনে বেঁচে থাকার জন্য আনন্দের অশ্রুর প্রয়োজন আছে। ইট’স ম্যানডেটরি…

http://www.imdb.com/title/tt0212720/

http://yify-torrents.com/movie/Artificial_Intelligence_AI_2001

এই পোস্টটিতে ৩১ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. অ্যান্থনি এডওয়ার্ড স্টার্ক says:

    তুই এত কান্নাকাটির মুভি দেখস ক্যা? :p

  2. আমি যেই মুভিগুলা দেখিনাই ঐগুলা নিয়াই আপনার লেখতে হইব ??? >_<

    লেখা ভালো হইছে , ল্যাপটপে আছেও । রাতে দেখুম আজকে 🙂

  3. গ্রীন ড্রিমার says:

    আপনার লেখা আমার কাছে বরাবরই ভালো লাগে…তাই আপনার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি কথা বলব
    লেখার শুরুতে প্রথমেই কাহিনী না বলে একটু ভূমিকা টানলে ভালো হয় যেমনটা আপনি ‘গ্রীন মাইল’ এর রিভিউ-এ করেছেন…লেখায় ইংরেজী বাক্য প্রয়োগ করলে আলাদা একটা মাত্রা আসে এটা সত্য…কিন্তু অধিক প্রয়োগে লেখার প্রাঞ্জলতা তথা শিল্পগুন নষ্ট হয়…তাই আপনার চমৎকার রিভিউ আরো সমৃদ্ধ করার জন্যে এই বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ রইল

    • ডন মাইকেল করলিয়নে says:

      আগে রিভিউর শুরুতে ভূমিকা দিতাম… কিন্তু কোন এক অদ্ভুত কারণে হঠাৎ নিজের অজান্তেই সেই নিয়মটা বাদ পড়ে গেলো। 🙁 গত রিভিউতে হঠাৎ কিভাবে যেন সেটা ফিরে এসেছিল। মনে করিয়ে দেয়ার জন্য অশেষ ধন্যবাদ ড্রিমার ভাই 🙂 .. আর আজ ইংলিশ কোট বেশী দেবার ইচ্ছা ছিল না, কিন্তু কোনটা রেখে কোনটা দেব, সেটা ঠিক করতে করতে দেখি সবগুলো দিয়ে দিয়েছি। 😛 পরবর্তীতে ব্যাপারটা খেয়াল থাকবে… এতো মনোযোগ দিয়ে পড়ার জন্য এবং আরও ভালো করার এইরকম উৎসাহ দেবার জন্য আবারও অশেষ ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন ভাই… 🙂 🙂

  4. James Bond says:

    আমি দেখেছি অনেক আগেই। অনেক ভালো লেগেছে, আবার অনেক কষ্ট লেগেছে মুভিটা দেখে। লেখা তো ভালো লেগেছেই।।

  5. পছন্দের মুভি… স্পিলবার্গ আমার অন্যতম ফেভারিট। কিন্তু মুভির লেন্থ নিয়ে আমার অভিযোগ আছে। মুভিটা বেশি লেন্থি মনে হয়েছে আমার কাছে। আসলে ৬ ঘণ্টার মুভিও আমার কাছে কোনও সমস্যা না যদি সেখানে ৬ ঘণ্টা দেখাবার মতো উপাদান থাকে। এই মুভির শেষের দিকে অনেক অপ্রয়োজনীয় দৃশ্য রয়েছে বলে মনে হয়েছে। শুধু শুধুই টেনে মুভিটার দৈর্ঘ্য বাড়ানো হয়েছে বলে মনে হইছে। তবে হ্যাঁ, মুভিটা এরপরেও আমার হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে।

    আপনার লেখাটাও অনেক আগে পড়া। এবং ভালো লেগেছে। তবে গ্রীন ড্রিমারের কথাও একটু মাথায় রাখবেন আশা করি। 🙂

    • ডন মাইকেল করলিয়নে says:

      এটা অবশ্য আমারও কিছুটা মনে হয়েছিল, কিন্তু ডেভিডের সিমপ্লি মাইন্ডব্লোইং অভিনয়ে সেটা মাফ করে দিয়েছি। 🙂 লেখাটা আজ একটু রিবুট করার চেষ্টা করলাম আরকি… গ্রিন ড্রিমার ভাইয়ের কথাগুলো অবশ্যই মাথায় থাকবে… ভালো থেক তুমি… 😛 🙂

  6. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    আমি এই মুভিটা দেখেছি অনেক আগে। কিন্তু নামটা মনে ছিলনা।রিভিউ পড়ে মনে পড়েছে যে দেখেচি।তোমার লিখা দিন দিন কঠিন থেকে কঠিন হচ্ছে। মানে হচ্ছে অনেক উঁচুমানের লেখা।

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      প্রথমবার যখন এই রিভিউটা দিয়েছিলাম তখন বোধহয় আপনি এই মুভিটা দেখেছিলেন… যাক আজে আবার মনে করিয়ে দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে… 😛 🙂 গোলাপ রইল… 🙂

    • পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

      ও ও এখন বুঝলাম মাইকেল ফ্রান্সিস কে। 😉

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      আপু কাল পর্যন্ত ডন মাইকেলের আসল নাম জানতেন না!! 😛 তাই ভাবলাম ডনকে চিনিয়ে দেই… 😛 🙂

  7. মুশাসি says:

    গল্প পড়লাম যেনো। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলেছি। ধন্যবাদ আপনাকে। আরো গল্প চাই- আরো মুগ্ধ হতে চাই

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      জেনে প্রচণ্ড খুশি হলাম। 😛 চেষ্টা করবো ভালো কিছু করার। উৎসাহ দেবার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ… 🙂 🙂

  8. তানিয়া says:

    মুভিটা দেখছিলাম অনেক আগে তোমার রিভিউ পড়েই, বেশ ভাল লাগছিল ।

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      ধইন্না নিবা না গোলাব নিবা, বল? 😛 যদি দুইটাই চাও, দুইটাই দেয়া যাবে। নো প্রব।। 😛 🙂

  9. শাতিল আফিন্দি says:

    মুভিটা ভালো হলেও, সাইফাই হিসেবে স্পিলবারগ এর অন্যান্য কাজের চেয়ে এটাকে পিছিয়ে রাখবো।

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      স্পিলবারগের এই মুভিটা আমি সাইফাই হিসাবে না দেখে বরং হার্টটাচিং ড্রামা হিসাবে দেখবো শাতিল ভাই। 🙂 এতো অভাবিত চমৎকার অভিনয়ে ডেভিড জয় করে নিয়েছিল দর্শক, সমালোচক নির্বিশেষে সবার হৃদয়… 😛 🙂

  10. প্রফেসর মরিয়ার্টি প্রফেসর মরিয়ার্টি says:

    মাইকেল সাহেবের রিভিউ পড়ে অবাক হচ্ছি! কত সুন্দর তাঁর উপস্থাপন! 🙂

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      শুনে খুব ভালো লাগছে ভাই… মুভিটা কি দেখা হয়েছে? আশা করি মুভিটা দেখতে বসলে এই ভাললাগা শতগুনে বেড়ে যাবে… অশেষ ধইন্নাপাতা সহ গোলাপ রইল প্রফেসর ভাই… 😛 🙂 🙂

  11. অনিক চৌধুরী says:

    ডন সাহেবের রিভিউ দুর্দান্ত না হয়ে আর যায় কই! খুঁজতে হবে মুভিটা সার্ভারে।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন