“The Dollar Trilogy” ; Part-I : A fistful of dollars— অর্থ-বিত্ত-ক্ষমতা এবং জীবন-মৃত্যুর এক মহাকাব্যিক উপাখ্যান…

১৯৬১ সাল। চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম অবিস্মরণীয় দিকপাল জাপানী চলচ্চিত্র পরিচালক আকিরা কুরোসাওয়া Yojimbo নামক এক চলচ্চিত্র বানালেন। পৃথিবী বিখ্যাত মাস্টারপিস “রশোমন” এর পর এই মুভিটা ছিল আকিরার এক অনবদ্য অনুপ্রেরণাদায়ী সৃষ্টি। কেননা এই চলচ্চিত্রটি পৃথিবীর আরেকপ্রান্তে থাকা আরেক লিজেন্ডকে অনুপ্রানিত করল । ফলশ্রুতিতে জন্ম নিল পৃথিবীর চলচ্চিত্র ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেয়া এক অনবদ্য শিল্পকর্ম। যাকে আমরা চিনি “ডলার ট্রিলজি” বা “The Man With No Name Trilogy”. নামে। পৃথিবী বিখ্যাত চলচ্চিত্রগুরু Sergio Leone এর যুগান্তকারী পরিচালনা আর ক্লিন্ট ইস্টউডের অস্থিরতায় ভরা অনবদ্য অভিনয় শুধু পরবর্তীতে অসংখ্য চলচ্চিত্রের পথিকৃৎ বলেই গণ্য হল না, বিশ্ব চলচ্চিত্রশিল্পকেই নিয়ে গেলো এক অন্যমাত্রায়।

A Fistfull of Dollars

images (9)

অনেকক্ষন ধরে ঘোড়া ছুটিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়া আগুন্তুক যখন গলা ভেজাবার জন্য শহরের উপকণ্ঠের এই কুয়ায় বালতি ফেলল, খুব অবাক হয়ে হঠাৎ সে লক্ষ্য করল, তার সামনের একটা বাড়ি থেকে হঠাৎ একটা বাচ্চা দৌড়ে বেরিয়ে এল, যেন কারোর চোখ ফাঁকি দিয়ে। এবং এক দৌড়ে মুখোমুখি থাকা আরেকটা বাড়ির জানালা দিয়ে ভেতরে লাফ দিল। তার কিচ্ছুক্ষন পরেই দুজন ষণ্ডামার্কা পিস্তলবাজ বাচ্চাটাকে মারতে মারতে এবং ফাঁকা গুলি ছুড়তে ছুড়তে বের করে নিয়ে আসলো। এতক্ষনে বোঝা গেলো তারা ছিল পাহারাদার, আর তারা যা পাহারা দিচ্ছিল, তা হল একজন সুন্দরী রূপসী। বাচ্চাটার আকুল ‘মা’ ‘মা’ ডাক এবং তাকে থামিয়ে রাখতে চাওয়া তার পিতার ইঁদুরের মত কাপুরুষতা দেখে বোঝা গেলো বাচ্চাটা বাবার অসহায় কাপুরুষতা সহ্য করতে না পেরে মায়ের কাছে চলে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু কেন?? তাদের এই অসহায় অবস্থার কারন কি??? কে আছে এর পেছনে???

0

আগুন্তুক খুব ঠাণ্ডা মাথায় ব্যাপারটা লক্ষ্য করে এবং তার মনের অবদমিত কৌতূহলকে আপাত চাপা দিয়ে শহরে প্রবেশ করে। পশ্চিমের রুক্ষ, কঠোর এবং খুব নিষ্ঠুর আবহাওয়া তাকে প্রবেশমাত্র সাবধান করে দেয়। পশ্চিমের নিয়মানুযায়ী যেহেতু কখনই একজন আগুন্তুককে ভালোচোখে দেখা হয় না, সুতরাং বারুদের গন্ধে অভ্যস্ত নাক একটা গোলমালের গন্ধ পায়। কিন্তু আগুন্তুক কখনই তার ক্রোধকে পাত্তা দেয়নি। তাই চারজন নির্বোধ অস্ত্রধারী যখন অযথাই ফাকা গুলি ছুড়ে তাকে হেনস্থা করার চেষ্টা করল, উস্কানি দিল গুলি চালানোর, সে ব্যাপারটা খতিয়ে দেখার সিধান্ত নিয়ে নীরবে সেখান থেকে চলে আসলো। বারটেনডারের কাছে সে জানতে পারল এই শহর এক সময় প্রাচুর্যে আর লোকসমাগমে পূর্ণ এক জনপদ ছিল। কিন্তু শহরের প্রধান দুই পরিবারের ভয়ঙ্কর শত্রুতায় আর কাটাকাটিতে আজ এটা এক গোরস্থানে পরিনত হয়েছে। সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে শুধুমাত্র এই মদের বার আর ওই কফিন বানাবার দোকানটা ছাড়া। কেননা দিনশেষে শুধুমাত্র লাশের জন্য কফিন আর গলা ভেজাবার জন্য মদ ছাড়া এই শহরের গুটিকয় মানুষের আর কিছু প্রয়োজন হয় না। একদিকে Don Miguel এর নেতৃত্বে এবং তার ছোট ভাই Ramón এর আধিপত্যে এ শহরের এক ও অদ্বিতীয় গ্যাং , অন্যদিকে তাদের ঠেকাবার বৃথা চেষ্টায়রত সরকারী পুলিশ বা শেরিফ John Baxter এর বাহিনী। এখন আগুন্তুকের জন্য বারটেনডার যে উপদেশটা দিতে পারে, তা হল “মানে মানে এখান থেকে কেটে পড়” কেননা এই শহরে কোন আগুন্তুকই জীবন নিয়ে টিকে থাকতে পারেনি। কোন না কোন ভাবে শেরিফ কিংবা রেমনের গ্যাং এর কল্যাণে তার ঠিকানা হয়েছে শহরের গোরস্থানে। সমস্যাটা হল বারটেনডার আগুন্তুককে চিনতে পারে নি। চিনতে পারেনি শেরিফের ওই চারজন নির্বোধ লোকও। আমাদের আগুন্তুক কখনো কারোর ভয়ে পিছু হটেনি। এবং সবচেয়ে বড় কথা তাকে অপমান করে কেউ কোনদিন দুপায়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেনি। কফিনের ভেতর নির্মম নিস্তব্ধতাই হয়েছে অপমানকারীর শেষ আশ্রয়। বারটেনডারকে তার মদের দাম পরিশোধের ব্যাপারে নিশ্চয়তা দিয়ে আগুন্তুক বেরিয়ে এল, যাবার পথে কফিন প্রস্তুতকারীকে বলল চারটা কফিন বানাতে, গন্তব্য তার শেরিফের বাড়ি। মাথায় চলছে পরবর্তী ব্যবসায়ের খুঁটিনাটি হিসাব। শত হলেও পিস্তল ড্র আর গুলি চালানোয় তার অভাবিত ক্ষিপ্রতা ও নিখুঁত লক্ষ্যভেদের অকল্পনীয় সামর্থ্যের বাইরেও তার আরেকটি পরিচয় আছে। সে একজন ঠাণ্ডা মাথার ব্যবসায়ী। কিন্তু অকল্পনীয় কাঠিন্য আর ব্যক্তিত্বের বহিরাবরণে ঢাকা পড়া তার আরেকটি পরিচয়ের ব্যাপারে সে ভুলে গিয়েছিল। এই রুক্ষ পাথুরে নরক আর দুটো চিরবিবাদমান পরিবার তার মত এক সাক্ষাৎ শয়তানের ভেতর থেকে বের করে আনল এক অচেনা মানুষকে, তৈরি করল এক উপাখ্যান। হিংস্র লোলুপতার এবং বিশ্বাসঘাতকতার নির্মম ও নিষ্ঠুর যে উপাখ্যান মানবতার জয়গান গেয়ে গেলো অদ্ভুতভাবে।

fod_pane_2

ইতালীয় চলচ্চিত্রগুরু Sergio Leone এর পরিচালনায় এবং স্টাইলগুরু Clint Eastwood এর অনবদ্য অভিনয়ে A Fistful of Dollars ১৯৬৪ সালে ইতালিতে মুক্তি পায়। এতে আরও অভিনয় করেন Gian Maria Volonté, Marianne Koch, Wolfgang Lukschy, Sieghardt Rupp, José Calvo, Antonio Prieto, এবং Joseph Egger । ১৯৬৪ সালে মুক্তি পাবার পর যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬৭ সালে মুক্তি পায় spaghetti western film genre অগ্রপথিক এই মুভিটি। ইতালীয় বিখ্যাত spaghetti western জনরা মূলত প্রতিষ্ঠিত হয় এই মুভিটার মাধ্যমে। তারপর একে একে For a Few Dollars More (1965), The Good, the Bad and the Ugly (1966)) ,Once Upon a Time in the West , A Pistol for Ringo, Blood for a Silver Dollar, Vengeance Is a Dish Served Cold, Payment in Blood ইত্যাদি মুভিগুলো এই জনরাকে করেছে সমৃদ্ধ। আকিরা কুরোসাওয়া’র Yojimbo থেকে অনুপ্রানিত হয়ে Sergio Leone যে মাস্টারপিস ট্রিলজি শুরু করলেন, সেটা পরবর্তীতে একে For a Few Dollars More (1965), এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা The Good, the Bad and the Ugly এর মাধ্যমে হয়েছে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিশেষ করে এই মুভিতে তিনি যে ধরনের অভূতপূর্ব ভিজুয়াল ডিরেকশন দেখিয়েছেন, সেটা পরবর্তীতে এক বিশেষ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে চলচ্চিত্র জগতে। আকিরার পরিচালনা থেকে অনুপ্রানিত হয়ে নিজস্ব প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে হলিউডের গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে তিনি যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন, তা আজো অনুকরণীয় হয়ে আছে চলচ্চিত্রজগতে।

Clint Eastwood in fist full of dollars-1290938

নামপরিচয়হীন আগুন্তুকের চরিত্রে অভিনয় করা ক্লিন্ট ইস্টউডের এটা ছিল ক্যারিয়ারের এক টারনিং পয়েন্ট। কিন্তু মজার ব্যাপারটা হল তিনি প্রযোজকদের পছন্দের তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় কিংবা এর ধারেকাছেও ছিলেন না। প্রযোজকদের প্রথম পছন্দ ছিলেন Henry Fonda , কিন্তু পারিশ্রমিকের বনিবনা না হওয়ায় তিনি এটি ছেড়ে দেন। এরপর Charles Bronson থেকে শুরু করে তৎকালীন হলিউডের এবং অন্য ফিল্মইন্ডাস্ট্রির প্রায় সব হ্যান্ডসাম নায়কের কাছে ধরনা দেয়া হয়ে যায়। কিন্তু গল্প পছন্দ না হওয়া, সিডিউল না মেলা, পারিশ্রমিকে বনিবনা না হওয়া ইত্যাদি নানা কারণে শেষতক পরিচালক ও প্রযোজককে হতাশ হয়ে ফিরতে হয়। শেষচেষ্টা হিসেবে পরিচালক Gunfight at Red Sands (Duello nel Texas) মুভিতে অভিনয় করে বিখ্যাত হয়ে যাওয়া নায়ক Richard Harrison, কে অনুরোধ করেন এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে। তিনিও ব্যস্ততার কারণে না বলতে বাধ্য হন। তবে তিনি পরিচালককে Eastwood নামের এই ছেলেটাকে মুভিটিতে নেবার অনুরোধ করেন। আর তার পরে তো ইতিহাস। এ ব্যাপারে পরে Harrison বলেছিলেন,

“Maybe my greatest contribution to cinema was not doing Fistful of Dollars and recommending Clint for the part.”

সত্যিই চলচ্চিত্র দুনিয়া পরবর্তীতে তাকে তার অভিনয়ের জন্য যতটুকু না মনে রেখেছে, তার চেয়েও অনেক বেশী মনে রেখেছে এক স্টাইলগুরুর সাথে বিশ্ব চলচ্চিত্রকে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্য। ইস্টউড এতটাই অকল্পনীয় স্টাইলে এই চরিত্রটা ফুটিয়ে তুললেন যে, তিনি এবং তার স্টাইল অসংখ্য চলচ্চিত্র আর সেই চলচ্চিত্রের নায়কদের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে আজ পর্যন্ত। কি তার শীতল চাহনি, কি তার এক্সপ্রেশন, ওফফ… তার অমৃত বচনের কিছু শীতল নমুনা আপনাদের দেখাই,

I don’t think it’s nice, you laughin’. You see, my mule don’t like people laughing. He gets the crazy idea you’re laughin’ at him. Now if you apologize, like I know you’re going to, I might convince him that you really didn’t mean it.

movies quotes clint eastwood horses western a fistfull of dollars 1964 sergio leone spaghetti wester_www.wallpaperhi.com_20

সিগারেট বা সিগার টানার ব্যাপারটা পুরোপুরি শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন এই ভদ্রলোক। উনার সিগার টানার স্টাইল দেখলে যারা স্মোক করেন তারা তো বটেই ; যারা করেন না, তাদের জন্যও খুব কষ্টকর হয়ে যাবে নিজেকে সামলানো । অমিতাভ বচ্চন নিজে স্বীকার করেছেন, “অগ্নিপথ” মুভিটার রাফ অ্যান্ড টাফ লুকের জন্য ক্লিনট ইস্টউডের এই মুভিটার কাছে তিনি ঋণী ।

tumblr_mbfd26CltB1r1objs

ইতালির বক্স অফিস কাপিয়ে দেয়া এই মুভিটি যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় ১৯৬৭ এর জানুয়ারিতে। কাঁপাকাঁপিতে কোন পরিবর্তন এল না,বরং হলিউডের গতানুগতিক ধারাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই মুভি হয়ে উঠল এক আলাদা আইকন। রটেন টম্যাটোতে ৯৮% রেটিং এবং ৪৩টা রিভিউর পরবর্তীকালে অসংখ্য হলিউড, বলিউড এমনকি ঢালিউড মুভিতে এই মুভি কিংবা এর পরের দুটো মুভির কাহিনী, অ্যাকশন, ব্যাকগ্রাউনড মিউজিক, ক্যামেরার কাজ ইত্যাদি ব্যাপারগুলো অসংখ্যবার কাট, কপি কিংবা রিমেক হওয়া এটাই আমাদের অবাক বিস্ময়ে ভাবায়, তৎকালীন সময়ে কতটা উন্মাদনা তৈরি করেছিল এই মুভিগুলো। Ennio Morricone এর নিখুঁত নিপুণতায় তৈরি এই মুভির কালজয়ী মিউজিকগুলো এবং এ ব্যাপারে তার সরল স্বীকারোক্তি–

“Some of the music was written before the film, which is unusual. Leone’s films were made like that because he wanted the music to be an important part of it, and he often kept the scenes longer simply because he didn’t want the music to end.

প্রমান করে কতটা অসম্ভব যত্নে বানানো হয়েছে এই মাস্টারপিসগুলো। তাদের পরিশ্রম যে বৃথা যায়নি, আজো এই মুভিগুলোর অতুলনীয় জনপ্রিয়তা সেটাই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।

images (8)

আমার একটা মজার অভিজ্ঞতা বলি। আমি নরমালি হেডফোন ছাড়াই মুভি দেখি। এখন যেই মাত্র আমি A Fistful of Dollars ছেড়েছি, অমনি বাসার সমস্ত পুলাপাইন আমার ঘরে দৌড়ায়ে চলে আসছে। এমনকি আমার আম্মুও অবাক হয়ে আমাকে বলতেছে, “তুই বাঙলা সিনেমা কম্পিউটারে দেখা শুরু করলি কবের থেইকা??” আসলে ব্যাপারটা হইল, এই মুভির ব্যাকগ্রাউনড মিউজিক আমরা বহুবার অসংখ্য বাংলা মুভিতে শুনে আসছি। তাই খালি তারাই না, আমিও তব্দা খায়া গেছিলাম এই ব্যাকগ্রাউনড মিউজিক শুনে। পরে অবশ্য সবাই মিলেই মুভিটা দেখছি আর পুলাপাইন অবাক হয়া বলছে, ‘বাঙলা মুভি থেইকা নকল কইরা বানাইছেরে” 😛 😛

আজ তাহলে এ পর্যন্তই। ট্রিলজির বাকি দুটো মুভি নিয়ে আরেকদিন আলোচনা করা যাবে। ততক্ষন পর্যন্ত হ্যাপি মুভি ওয়াচিং… ^_^ ^_^ ^_^

মুভিটা সম্পর্কে আরও তথ্য ও ডাউনলোডের জন্য–

(Visited 183 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১০ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Pantha Pantha says:

    খুব প্রিয় ফিল্ম ট্রিলজি নিয়ে লিখেছেন ভাই… দারুন লাগলো 🙂
    ওয়েস্টার্ন দেখার হাতেখড়ি ছিল এটা দিয়েই, অনেক জানা কথা আবার মনে করিয়ে দিলেন, আবার অনেক কিছু জানতাম না-সেগুলো জানানোর জন্য এত্তবড় ধন্যবাদ 😀

    • ডন মাইকেল কর্লিওনি says:

      এইটা তো মাত্র প্রথম মুভিটা। ট্রিলজির বাকি দুইটা নিয়েও লিখব। ইস্টউডকে নিয়ে বলার মত ভাষা নাই… জাস্ট মাইন্ডব্লোইং অ্যান্ড সুপারব… 😛

      আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ পান্থদা… =D

  2. তানিয়া says:

    ওয়েস্টার্ন মুভি খুব বেশি দেখি নাই, তবে তোমার লিখা ভালো হইছে, দেখার ইচ্ছা জাগাতে পেরেছ 😀 কালেক্ট করতে পারলে দেখব 😛

    • ডন মাইকেল কর্লিওনি says:

      গডফাদার কৃতার্থ বোধ করছেন… 😛 তবে তোমার সংগ্রহ করে দেখার সম্ভাবনার ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে… 🙁 কবে নিবা বল… 😛

      ও আচ্ছা, গোলাপ নাও আগে… 😛

  3. যুবায়ের says:

    ডন সাহেব, পরের দুইটা কই? লেখেন না ক্যা?
    এই ট্রিলজির আরেক নাম পাঙ্খা ট্রিলজি। আই মিন দ্যাট স্টাইল, ব্লিউ মি। মুভিটা খুবই স্লো বাট পাঙ্খা। লিজেন্ড আর কি !
    আপনার লিখার জন্য ডবল প্লাস। আবার মনে করায়া দেওয়ার জন্য একটা সিগার, খান আর না খান।

  4. প্রফেসর মরিয়ার্টি প্রফেসর মরিয়ার্টি says:

    পোস্ট পড়ে আবাগে চোখে পানি চলে আসছে। অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা রিভিউ এর জন্যে।

    • মাইকেল ফ্রান্সিস করলিয়নে says:

      আপনার কথা শুনে আমি এবং আমার লেখা- দুটোই কৃতার্থ হয়ে গেল… 🙂 বুকে আসেন ভাই… :beer: :rose:

  5. James Bond says:

    স্যালুট ক্লিন্ট, স্যালুট ডন

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন