মাই সিস্টার’স কীপার

একটা সুখী পরিবার বলতে যা লাগে তাই ছিলো সারা আর ব্রায়ানের। সমস্যাটা মাথা চাড়া দিলো যখন কেট তাদের মেয়ের ধরা পড়লো leukemia। ফলে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে তারা আরেকটি মেয়ে নিলো যার মধ্যে জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিংএর মাধ্যমে সব রকমের গুণাগুণ আছে পারফেক্ট ডোনার হওয়ার জন্য। অতএব ছোট থেকেই আ্যনা তার বড় বোনের ডোনার হিসেবে বড় হয়েছে। সব চলছিলো ঠিকমতোই। কিন্তু একদিন পরিস্থিতি বদলে গেলো। যখন আ্যনা একজন লয়ারের কাছে গেল এই বলে যে সে আর তার বোনের ডোনার হতে চায় না। সে একটা পারফেক্ট লাইফ চায়। ওদিনে সবাই এতে হতবাক হয়ে মেনে নিলেও মানতে পারে না সারা (তাদের মা) চলতে থাকে দ্বিধা দন্দ্ব।

আসলে এই পুরা মুভিটা নিয়ে বলার মতো তেমন কিছু নেই। সাসপেন্সও নেই তেমন আছে টুকরো টাকরো ঘটনা, অনুভূতি। তবে খুব মন দিয়ে দেখলে মনের ভিতর কেমন যেন লাগে। মনে হয় নীতি কি? সত্যি কি? মিথ্যা কি? ভুল কি সঠিক কি? ঠিক কি? বেঠিক কি??

সবকিছুই লজিকাল এবং আবেগময়। পৃথিবীতে অনেক কিছুই এখনো আছে, যা পৃথিবী নিজেই নির্ধারণ করে। আমরা যতো বুদ্ধিমান হই না কেন আমাদের পক্ষে পুরপুরি শুদ্ধ হওয়া সম্ভব না। হিসেব করলে পৃথিবীর সব আসামীও ক্ষমার যোগ্য। একজনের ফ্যামিলি নষ্টের কারণে আমরা কাউকে হাজতে ঢুকিয়ে আরেকটি ফ্যামিলি নষ্ট করি। পৃথিবী বড়ই রহস্যময়।

ফিলোসফি অনেক হইছে! মোদ্দা কথা, এইটা ভালো মুভি! দেখবেন!! খুশী হওয়ার মতো মুভি না, কিন্তু মনের ভিতর একটা চিন্তা বা একটা অনুভূতি যেই মুভি ঢুকাইতে পারে সেইটাই তো ভালো মুভি!! নাকি?? আমার মনে হয়না, কারো খারাপ লাগবে মুভিটা। দুঃখিত গুছায় বলতে পারিনাই। কিন্তু আমি রাটিং দিবো ৬.৮ (ভালো কথা, আমি রেটিং এ কিপটা। অতএব ভ্রাণ্ত হইয়েন না।)

(Visited 34 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন