The right kind of wrong

1আমার কথা ছিলো লিখবার “ব্রিলিয়ান্ট বাট আন্ডাররেটেড আ্যকট্রেস” কিন্তু ধর্য্য নামক গুণটার সাথে আমার কিণ্চিত মনমালিন্য আছে, কিন্তু কিছু একটা লিখবো ভেবেই লিখতে বসলাম। একটু আগেই শেষ করলাম “The right kind of wrong” কানাডিয়ান মুভি। পরিচিত কেউই নেই, রেটিং ও বেশ ভালো না। কিন্তু ঐ যে এক স্বভাব, পপুলার মুভিগুলা কেন জানি ভালো লাগে না কিন্তু চিপায় চুপায় থাকা মুভিগুলাতা বেশ ভালো লাগে, সেরকম একটা মুভি। মুভিটা অবশ্যই সেরকম আহামরি রকমের কিছুনা তবে কিছুটা ভিন্ন ধরণের (আবার ভাববেন না শিল্পসম্মত একদম সেইরকমের ভিন্ন) মুভিটার শুরু হয় ব্লগের মাধ্যমে। স্বামীর প্রতি তিক্ত বিরক্ত এক মহিলা লেখা শুরু করলো ব্লগ “Why you suck” এবং আস্তে আস্তে সেই ব্লগে জায়গা করে নেয় সেরা কিছু ব্লগের মধ্যে, স্ত্রী হয়ে যায় সুপারস্টার এবং ব্লগ বের হয় বই হিসেবে। কিন্তু গল্পটা স্ত্রীর নয়। গল্পটা স্বামীর যে কিনা একজন ব্যার্থ লেখক এবং একজন ডিশওয়াশার। এমনি একটা বিতিকিচ্ছিড়ি দিনে বাড়ির পাশেই এক বিয়েতে, প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ে যায় লিও, বিয়ের কণের সাথে। কিন্তু নাহ! ড্রামার মাধ্যমে বিয়েটা ভাঙে না। বিয়ে ঠিকঠাক হয়, কিন্তু লিও আশা ছাড়েনা। পুরাই “পারফেক্ট” লয়্যার স্বামীর সাথে পাল্লা লাগে আমাদের গল্পের ডিশওয়াশার নায়ক লিও যে কিনা ইতিমধ্যেই বিখ্যাত তার স্ত্রীর ব্লগের মাধ্যমে…. বাকিটা মুভি। মুভিটার যেই দিকটা বেশী চোখে লাগছে, যে প্রতিটা বার যখনি মনে হয় “ওহ আচ্ছা! নায়ক আকাশে উড়ছে, এখনি নায়িকা প্রেমে পড়ে যাবে” তা না! বরং কিছুটা ড্রামার মধ্য দিয়েও কিছুটা বাস্তবতা আছে। যেমন; কতগুলা মুভি আছে না! নায়ক নায়িকা ছোটবেলা থেকে বেস্ট-ফ্রেন্ড কিন্তু আরেকজনের সাথে প্রেম করতে গিয়ে টের পায় আসলে তারা একজন আরেকজনকে ভালোবাসে! মুভি শেষ হয়, কিন্তু বাকি দুই প্রেমিক প্রেমিকার প্রতি যে অবিচার করা হয়, সেটা কেউ দেখে না। এটা ওরকম না, বরং কিছুটা বাস্তবসম্মত কারণ আছে “শুধুই প্রেমে অন্ধ হয়ে” দৌড়ানো না, এই দিকটা একটু ভালো লাগছে তবে পুরাপুরি ড্রামাবিহীন মুভি না। মুভিটার মধ্যে কিছু অতিরিক্ত কাহিনী, যেগুলার কোনো মানেই হয়না!! খুব একটা ভালো মুডে না থাকলে, এই মুভি তেমন কাজে আসবে না। আপনে হয় “ফুরফুরা উড়াউড়া” মুডে থাকতে হবে, অথবা “সামনে পরীক্ষা, কিন্তু আমি যে কোনো কিছু করবো পড়া ছাড়া” মুডে থাকতে হবে। মুভির রেটিং টা খুবি খারাপ, কিন্তু আমার মনে হয়, মুভিটার কিছুটা প্রচার হওয়া উচিৎ ছিলো! কে জানে হয়তো এই মুভিতে হলিউডের চ্যানিং ট্যাটুম আর রাচেল ম্যাকআড্যামস কে নিলে আরেকটু সাড়া পাইলেও পাইতে পাড়তো। মুভিটা আমি দেখতেও বলতেছি না কাউকে জোর করে, কিন্তু দেখে পছন্দ না হইলে, আমি দায়ী নই।

বিদ্র: কীবোর্ডে বহুত বানান কিভাবে লিখতে হয় ভুলে গেছি। অতএব বানান ভুল ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন।

 

 

 

(Visited 25 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. জলিল ভাই says:

    ব্লগ নিয়ে কাহিনী শুরু, ব্লগ লিখেই সুপারস্টার, ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে। দেখতে হবে মুভিটা।

    • বিচ্ছু says:

      গল্পটা কিন্তু মোটেও ব্লগার স্ত্রীর না! গল্পটা স্বামীর! ওটা শুধু স্বামীর জীবণের একটা পার্ট হিসেবে দেখানো! কিন্তু ঐ কাহিনী নিয়ে একটা মুভি হলে খারাপ হতো না।

  2. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    মুভির নামটাই তো ইন্টারেস্টিং wrong abar right হয় কিভাবে? :p কাহিনীও অন্য রকম লেগেছে।

  3. মুশাসি says:

    দেখে জানাতে হবে কেমন লেগেছে। সুন্দর শেয়ার বিচ্ছু

  4. রিফাত আহমেদ রিফাত আহমেদ says:

    মুভির নামটা ইন্টারেস্টিং

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন