মুগ্ধতার এক নাম ― দুলকার সালমান (পর্ব – ১)
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

একটা সময় ছিল যখন ভারতে অনেক সুন্দর সুন্দর বাংলা চলচ্চিত্র বের হত। আমাদের দেশের পুরানো বাংলা চলচ্চিত্রের মত ভারতের বাংলা চলচ্চিত্রও খুব প্রিয় ছিল। অজয় কর, সত্যজিৎ  রায়,  মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক দের মত বিখ্যাত সব পরিচালকদের ছবি দেখে বিমোহিত হতাম। এখনও রুপালী পর্দায় উত্তম-সুচিত্রা জুটি দেখে বিমুগ্ধ নয়নে তাকিয়ে থাকি। কালক্রমে বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সময়টা চলে গেল। এরপরে নব্বইয়ের দশকের মুভিগুলোর ভিতর পছন্দ ছিল হিন্দি ফিল্মগুলো। ঐ সময়টা আর তার পরবর্তী দশকে বেশ কিছু ভালো ভালো হিন্দি মুভি পেয়েছি। আমরা বড়ই হয়েছি এগুলো দেখে তাই এগুলো আলাদা স্থান দখল করে থাকবে সব সময়। কিন্তু এখনকার হিন্দি মুভিগুলো দেখার জন্য তেমন একটা আগ্রহ বোধ করি না। তাই সেইভাবে আর দেখা হয়ে উঠে না। বেছে বেছে বছর শেষে জাতীয় পুরস্কার আর ফিল্মফেয়ার জিতে নেওয়া অল্প কয়েকটা ফিল্ম দেখি। কারণ হিন্দি মুভি গুলোর ক্ষেত্রে এখন আর আইএমডিবি রেটিং এর উপর ভরসা করা যায় না। বেছে বেছে অল্প কিছু দেখলেও সেখানেও মাঝে মাঝে খুব হতাশ হতে হয়। তবে এখনও একটা ইন্ডাস্ট্রি আছে ভারতে যাদের ফিল্মের বাজেট খুব বেশি হয় না ঠিকই, কিন্তু সেই লেভেলের মুভি দিয়ে যাচ্ছে প্রতি বছর বছর যেটা আগে বাংলা আর হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি থেকে পেতাম। চোখ বন্ধ করে আইএমডিবি রেটিং এর উপর ভরসা করে তাদের মুভি দেখা যায়। মাঝে মাঝে এভারেজ রেটিং এর ফিল্মগুলো দেখতেও বেশ ভালো লাগে। হ্যাঁ, বলছিলাম মালায়ালাম চলচ্চিত্রের কথা। কেরালা রাজ্যের কোচিতে গড়ে উঠেছে এই ইন্ডাস্ট্রি। যারা থ্রিলার এবং আর্টফিল্ম পছন্দ করেন তাদের মালায়ালাম মুভিগুলো ভালো লাগবে। অনেক সুন্দর সুন্দর ড্রামা ফিল্মও বানিয়ে থাকে তারা। এই মূহুর্তে ভারতের এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি আমার সবচেয়ে বেশি পছন্দের।

 

মালায়ালাম ফিল্ম দেখা শুরু করি গত বছর থেকে।  কিন্তু  এর মধ্যেই আমি এই ইন্ডাস্ট্রির ফ্যান হয়ে গিয়েছি। এই ইন্ডাস্ট্রি তে আমার অন্যতম প্রিয় অভিনেতা দুলকার সালমান। যারা নিয়মিত মালায়ালাম মুভি দেখেন তাদের কাছে অতি পরিচিত একটি নাম। যারা দেখেন না তাদের ভিতরও অনেকে চিনেন ফেসবুকে মুভি রিলেটেড বিভিন্ন গ্রুপের কল্যাণে। তাকে নিয়ে নতুন করে বলার আসলে কিছুই নেই। পুরানো কথা গুলোই নতুন করে বলার জন্য এই পোস্ট। ১৯৮৬ সালে ২৮ জুলাই কেরালা রাজ্যের কোচিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। মলিউডের মেগাস্টার মাম্মুতি এবং সুলফাত এর দ্বিতীয় সন্তান দুলকার। ভক্তদের মাঝে ডিকিউ (DQ) এবং কুঞ্জিক্কা (Kunjikka) নামেও পরিচিত তিনি। পড়ালেখা করেছেন কোচিতে এবং পরবর্তীতে চেন্নাইতে। স্নাতক করেছেন বিজনেস ম্যানেজমেন্টে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। এরপরে কিছুদিন আমেরিকাতে  চাকুরী ও দুবাইতে ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সবকিছুতেই একটা একঘেয়েমি টের পাচ্ছিলেন। যার জন্য বাবার মত ফিল্মজগতে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন।

 

 

তার প্রথম মুভি Second Show মুক্তি পায় ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ তে।  এই ফিল্মে গ্যাংস্টার হরিলাল চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য তিনি তার প্রথম ফিল্মফেয়ার জিতে নেন বেস্ট ডেব্যু (মালায়ালাম) ক্যাটেগরি তে। এরপরে আর তাকে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১২ থেকে এখন পর্যন্ত এই ছয় বছরে একের পর এক কাজ করে গেছেন মোট ২২ টি চলচ্চিত্রে। পেয়েছেন একটি কেরালা স্টেট অ্যাওয়ার্ড এবং তিনটি ফিল্মফেয়ার সহ অসংখ্য পুরস্কার, কুড়িয়েছেন ভক্ত এবং সমালোচকদের অজস্র প্রশংসা। মূলত মালায়ালাম অভিনেতা হলেও তামিলে কাজ করেছেন অল্প কয়েকটি। এ বছর তেলুগু এবং হিন্দি তে তার প্রথম ফিল্ম রিলিজ পেল। অন্য ইন্ডাস্ট্রি তে ভালো মুভির অফার পেলে করবেন, কিন্তু মূল ফোকাস মালায়ালামই থাকবে সবসময় বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

অভিনয়ের পাশাপাশি ছয়টি ফিল্ম এবং একটি বিজ্ঞাপনের জন্য মোট আটটি গান গেয়েছেন। এর ভিতর চারটি তার নিজের অভিনীত চলচ্চিত্র ছিল। একজন সফল ব্যবসায়ীও তিনি। তার প্রথম ফিল্ম রিলিজ পাওয়ার আগেই ২২ ডিসেম্বর ২০১১ তে পরিবারের পছন্দে বিয়ে করেন স্থপতি অমল সুফিয়া কে। গত বছর ৫ মে এই দম্পতির প্রথম সন্তান মারিয়াম আমীরাহ সালমান পৃথিবীতে আসে। সফল অভিনেতা এবং ব্যবসায়ী ছাড়াও একজন সন্তান, স্বামী এবং বাবা হিসেবে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি।

 

আজ দুলকার অভিনীত আমার প্রিয় তিনটি চলচ্চিত্র নিয়ে লিখছি। পরবর্তী পর্বে আরও লেখার চেষ্টা করবো। ফিল্মগুলো হয়তো অনেকেরই দেখা। আর যাদের দেখা নেই, তারাও হয়তো মুভি রিলেটেড গ্রুপ গুলোতে এর সুন্দর সুন্দর রিভিউ পড়ে ফেলেছেন। আমি অল্প কয়েকটি লাইনে শুধু ভাললাগা ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছি।

 

১) Ustad Hotel:

 

ঞ্জলি মেননের অসাধারণ গল্পে নির্মিত আনোয়ার রশীদের অসম্ভব সুন্দর একটি চলচ্চিত্র। মুভির জনরা কামিং অফ এজ ড্রামা। অসাধারণ এই মুভিতে ফাইজির চরিত্রে দুলকার ছাড়া অন্য কাউকে আসলেই কল্পনা করা যায় না। কিন্তু প্রথমে এমনটাই হয়েছিল। যেহেতু দুলকারের তখন ফিল্মে ডেব্যু হয় নি, প্রথমে ফিল্মটা অফার করা হয়েছিল সিদ্ধার্থ কে। সে অফার টি ফিরিয়ে দিলে চলে যায় দুলকারের কাছে। দুলকার এক মূহুর্ত চিন্তা না করে তার দ্বিতীয় মুভি হিসেবে এটি সাইন করেন। কামিং অফ এজ ড্রামা তার সব সময়ই খুব পছন্দ। Wake Up Sid, Udaan দেখার পর এই ধরণের ফিল্মের প্রতি একটা অন্য রকম আকর্ষণ বোধ করতেন। তবে উস্তাদ হোটেলের স্টোরি এই দুটোর কোনটার সাথেই যেমন মিলবে না, তেমনি Salt N’ Peeper এর সাথেও এর কোন মিল নেই। অঞ্জলি মেনন আর আনোয়ার রশীদ চিন্তা করছিলেন ফুড রিলেটেড কোন মুভি বানাবেন যেখানে সুফি দর্শনের হালকা ছোঁয়া থাকবে। ঠিক তখনই রিলিজ পেল সল্ট এন পিপার। দুটো মুভি খাদ্য সম্পর্কিত হলেও কাহিনী আর চিত্রনাট্য সম্পূর্ণ আলাদা।

 

“অনেকেই অন্যের জন্য খাবার তৈরি করতে পারে। কিন্তু পরিতৃপ্ত করার ক্ষমতা সবার নেই।”

 

উস্তাদ হোটেল ফাইজি নামের একটি তরুণের গল্প। এটি তার দাদা করিম ইক্কার গল্প। ফাইজি হোটেল ম্যানেজমেন্ট পড়ার জন্য সুইজারল্যান্ড যায়। ফিরে আসার পর সে জানায় সে লন্ডনের আইভি রেস্টুরেন্টে শেফ হিসেবে জব পেয়েছে এবং এক সপ্তাহের ভিতর জয়েন করতে চায়। এরপর কিছুটা অ্যাজ ইউজ্যুয়াল কাহিনী। ফাইজির বাবা সেটা মেনে নিতে পারেন না, তাই তার পাসপোর্ট নিজের কাছে রেখে দেন। ফলশ্রুতিতে ফাইজি বাসা ছেড়ে তার দাদা করিম ইক্কার কাছে চলে আসে আর এখান থেকেই শুরু হয় মুভির কাহিনী। আমরা অনেকেই হয়ত অনেক কিছু ঠিক করে রাখি ফাইজির মত। কিন্তু হয়ে যায় হিতে বিপরীত। হয়ত এর থেকে ভালো কোন সুযোগ আমাদের হাতের কাছেই আছে। যা আমরা চাইলেই কাজে লাগাতে পারি। কিন্তু সেটা উপলব্ধি করতে পারি না। ফিল্মের শেষের দিকে নারায়ণ কৃষ্ণন নামের একটি চরিত্র আছে যেটা ভারতের একজন সোশ্যাল ওয়ার্কার এর জীবনের উপর বেইজ করে বানানো। তাঁর নামও নারায়ণ কৃষ্ণন।

 

উস্তাদ হোটেল, চার্লি এবং ব্যাঙ্গালোর ডেইজ আমার দেখা শুধু দুলকারের নয়, এই পর্যন্ত দেখা সব থেকে প্রিয় তিনটি মালায়ালাম ফিল্ম। শুধু আমার নয়, উস্তাদ হোটেল অনেক মুভি লাভারদের সব থেকে প্রিয় মুভি। আর হবে না কেন? আনোয়ার রশীদের পরিচালনা সবসময়ই দুর্দান্ত, আর সাথে রয়েছে অঞ্জলি মেননের গল্প। অঞ্জলির কাহিনীতে সবসময় সম্পর্কের গুরুত্ব প্রাধান্য পায়। আর সম্পর্কের গল্পগুলো সবসময়ই সুন্দর।

 

এই মুভিটি তিনটি ক্যাটেগরিতে জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এর ভিতর একটি করিম ইক্কা ওরফে থিলাকান কে স্পেশাল মেনশনে মরণোত্তর পুরষ্কৃত করা হয়।

 

মুক্তির তারিখ – ১৩ জুলাই ২০১২
আইএমডিবি রেটিং – ৮.৩/১০
ব্যক্তিগত রেটিং – ১০/১০

 

 

২) Neelakasham Pachakadal Chuvanna Bhoomi:

 

নীল আকাশ, সবুজ সমুদ্র, লাল পৃথিবী !!

 

নামটা আমার অনেক পছন্দের। নামটা দেখেই মুভিটি দেখতে ইচ্ছা হয়েছিল। কে আছে অত কিছু জানতাম না। পরে দেখি ব্যাঙ্গালোর ডেইজ এর আজু আছে এতে। তাই নামিয়ে ফেলেছিলাম। এটি ভারতের প্রথম পূর্ণ রোড ট্রিপ ভিত্তিক মুভি । বিপ্লবী চে গেভারা’র জীবনী নিয়ে নির্মিত স্প্যানিশ মুভি The Motorcycle Diaries দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে পরিচালক এই মুভিটি বানিয়েছিলেন। তবে কাহিনীর দিক দিয়ে এই দুটো চলচ্চিত্রের মাঝে কোন মিল পাবেন না।

 

“দূরে বহুদূরে, আকাশের ওপারে
যাই আমি চলে, অন্তবিহীন পথ ধরে।”

 

কাসি নামের একটি যুবক তার বন্ধু সুনিকে নিয়ে কেরালা থেকে নাগাল্যান্ডে যাওয়ার প্ল্যান বানায়। হ্যাঁ, নাগাল্যান্ড!!! উত্তর-পূর্ব ভারতের সেভেন সিস্টার্স এর একটি। এই ৩,৬৬৮ কিলোমিটার বা তার চেয়ে বেশি পথ তারা প্লেন, ট্রেন কিংবা বাসে করে যাওয়ার চিন্তা করেনি। তারা বাইকে করে পাড়ি জমায়। পথিমধ্যে বিভিন্ন ঘটনা আর তাদের অভিজ্ঞতা নিয়ে মুভিটির কাহিনী। অবশ্য কিছু ফ্ল্যাশব্যাক সিনও আছে যেটা কাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু মুভিটি রোড ট্রিপ নিয়ে তাই শুটিং হয়েছে ভারতের সাতটি রাজ্যে – কেরালা, কর্ণাটক, অন্ধ্র প্রদেশ, উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, নাগাল্যান্ড এবং সিকিম। ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে – মালায়ালাম, হিন্দি, ইংরেজি, তামিল, বাংলা এবং নাগাল্যান্ডের কোন একটি ভাষা (যেহেতু নাগাল্যান্ডে কয়েকটি ভাষার প্রচলন আছে, এই ফিল্মে কোনটি দেখিয়েছে সেটা সম্পর্কে আমার ভাল ধারণা নেই)। বাংলাভাষীদের ফিল্মটি দেখতে ভালো লাগবে হয়ত, যেহেতু অল্প কিছু বাংলা সংলাপ এবং দুইটি বাংলা গান রয়েছে। যার একটি উপরে দিয়েছি আর অন্যটি অতি জনপ্রিয় “তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেব না”

 

ফিল্মটির পরিচালনায় ছিলেন সামীর তাহির। এই মুভির পর দুলকারের সাথে তিনি একটি থ্রিলার ফিল্মে (Kali) কাজ করেছেন। কালিও বেশ ভালো লেগেছিল।

 

*** মুভিটি দেখার পর আমারও এভাবে পুরো বাংলাদেশ ঘোরার শখ জেগেছিল।

 

মুক্তির তারিখ – ৯ আগস্ট ২০১৩
আইএমডিবি রেটিং – ৭.৭/১০
ব্যক্তিগত রেটিং – ৯/১০

 

 

৩) Bangalore Days:

 

আমার দেখা প্রথম মালায়ালাম ফিল্ম। অঞ্জলি মেননের কাহিনী আর পরিচালনা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। আর সাথে রয়েছে প্রযোজনায় আনোয়ার রশীদ। তিনজন কাজিন আজু, কুঞ্জু আর কুট্টান এর গল্প এটি। ছোটবেলা থেকেই ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব তাদের ভিতর। ব্যাঙ্গালোরে তাদের জীবনের আনন্দ বিধুর কাহিনী নিয়ে গড়ে উঠেছে ফিল্মের কাহিনী। যারা মালায়ালাম ফিল্ম আগে কখনও দেখেননি, তাদের আমি এটা দিয়েই সবসময় শুরু করতে বলি। যেহেতু এটি একটি মাল্টি-স্টারার ফিল্ম, তাই অনেকজনকে একসাথে চেনা হয়ে যায়। অনেকের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে এই মুভিটি। যারা মালায়ালাম দেখতে চান না, কিন্তু বন্ধুত্ব আর সম্পর্কের কাহিনী পছন্দ করেন তাদেরও এটি দেখতে সাজেস্ট করি।

 

যারা এই মুভিটি এখনও দেখেন নি, তারা প্লিজ অরিজিনাল মালায়ালাম ভার্সন টাই দেখবেন। শুধু এই মুভি না অন্যান্য মালায়ালাম মুভিও (যেমনঃ চার্লি, প্রেমাম ইত্যাদি) মালায়ালাম ভার্সন টা না দেখলে মুভি গুলোর আসল সৌন্দর্য বুঝতে পারবেন না। এই মুভি গুলো অন্য ইন্ডাস্ট্রি তে রিমেক হয়েছে। বলিউডেও রিমেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় অরিজিনাল টার মত কোনটাই এত ভালো লাগবে না।

 

মুভিটি মোট তিনটি ক্যাটেগরিতে কেরালা স্টেট পুরস্কার এবং চারটি ক্যাটেগরিতে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করে। আর অন্যান্য অ্যাওয়ার্ড তো আছেই।

 

মুক্তির তারিখ – ৩০ মে ২০১৪
আইএমডিবি রেটিং – ৮.৩/১০
ব্যক্তিগত রেটিং – ১০/১০

 

 

এই ছিল দুলকার অভিনীত আমার প্রিয় তিনটি চলচ্চিত্র। পরবর্তী পর্বে আরও তিনটি  ফিল্ম নিয়ে লেখার চেষ্টা করবো।

 

“It’s funny how the colors of the real world only seem really real when you watch them on a screen.” ― Anthony Burgess

Error:

এই পোস্টটিতে ৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Imran Mir says:

    charlie movie koi…???
    charlie movie is the best….
    na dekhle biswas korben na..
    darun ekta movie….

  2. Imran Mir says:

    vai Jakaria Hossain apnar je kono movie link lagle amake bolben…active thakun amar blog er sathe…

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন