Ocean Waves (1993) – ভালোবাসাময় জাপানিজ এনিম মুভি

স্কুল জীবন !!! জীবনে সব থেকে অর্থবহ একটি শব্দ। যে শব্দের সাথে মিশে আছে ভালোলাগা, না বলা অনুভূতি। জীবনের সব থেকে সুন্দর ১০ টি বছর পার করে দেয় মানুষ হাঁসি, কান্না ও অনেক রোমাঞ্চকর দিনের মধ্য দিয়ে। হাটি-হাটি পা পা করে মায়ের বা বাবার হাত ধরে শুরু হয় একজন ছাত্রের স্কুল জীবন। বিভিন্ন ধাপ, চাপ অতিক্রম করে এগিয়ে যাই সামনের দিকে । গড়ে তুলে বন্ধু মহলের সাম্রাজ্য। এক,দুই,তিন অনেক অনেক বন্ধু। ভালো বন্ধু, বেশি ভাল বন্ধু এভাবে বন্ধুত্ব বারতে থাকে, কিন্তু ধাক্কা তখন ই লাগে যখন একই বেঞ্চে বসা এই বন্ধুদের বিদায় জানানোর সময় চলে আসে।

দূর অতীতকে জীবন্ত করে বর্তমানকে ভুলিয়ে দিতে চায় স্মৃতি। ভালো লাগে অতীতের স্মৃতিচারণ করতে। স্মৃতিচারণে সে অধ্যায়টি আমার কাছে সবচেয়ে আনন্দের। আর স্কুলের কোন কথা বা কোন বন্ধুর সাথে দেখা হলে যে অনুভূতি আসে তা হয়ত আর কোনকিছু মাঝ দিয়ে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই স্কুলের কোন কথা বা রিইউনিয়নের সুযোগ হলে মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে চলে আসে তার সেই বাল্যকালের শেকড়ে।

MV5BMTcxNjY4MjA5MF5BMl5BanBnXkFtZTcwNTk2MDYxNw@@._V1_SX640_SY720_

ঠিক তেমনি বন্ধুত্বের টানে টাকু মরিসাকি টোকিও থেকে রিইউনিয়নের জন্য প্লেনে উঠে কোচির উদ্দেশ্যে। মনে পড়ে যায় ২ বছর আগের স্কুল জীবনের কাহিনী। বন্ধু বলতে সবাই হলেও টাকুর কাছে খুব কাছে বন্ধু ছিলো মাত্র একজন ইউটুকা। একদিন সে জানায় স্কুলে এসেছে নতুন একটি মেয়ে, যে কিনা টোকিও থেকে চলে এসেছে। তার পিতা মাতার ডিভোর্স হয়ে গেছে। রিকাকুর নাম জানা পর্যন্তই ছিলো টাকুর ব্যাপ্তী। হঠাৎ একদিন চলে সবাই মিনে স্কুল থেকে ভ্রমনে যায় সেখানে রিকাকু টাকুর কাছে টাকা ধার চায়। সে জানায় তার সব টাকা হারিয়ে গেছে। টাকু ধার দেয় টাকা। কিন্তু পরে টাকু জানতে পারে রিকাকু মিথ্যা বলেছিল, সে টোকিওতে তার বাবার সাথে দেখা করার জন্য টাকা ধার নিয়েছে। ঘটনাক্রমে টাকুর ও যেতে হয় তার সাথে। মনের কষ্টে টাকুর কাছেই ফিরে আসে রিকাকু। একই হোটেল রাত কাটায় তারা। কিন্তু এই বন্ধুত্ব কখন যে ভালোবাসায় রূপ নেয় তারা কেউ জানে না 🙂 কি হবে পরে? আদৌ কি জানাতে পারবে তারা যে তারা দুজনকে ভালোবাসে?

SGEyV

দেখে ফেলুন তাহলে ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জাপানিজ এনিম টিভি ফিল্ম “Ocean Waves.” দারুণ এই টিনএজ রোমান্টিক মুভিটি আপনার মন ছুয়ে যাবে। সব থেকে ভালো লাগবে যখন টাকু ফ্ল্যাশ ব্যাকে তার সব কথা বলা শুরু করে নিজে নিজেকে। স্ক্রীনপ্লে ও বেশ লেগেছে।

স্কুল জীবনে হয়তো আমাদের অনেককে ভালো লাগে, হয়তো বয়সের অপরিপক্কতার কারনে আমরা বুঝতে পারি না তা ভালোলাগা না ভালোবাসা। কিন্তু দূরে যেয়ে যখন তাকে অনুভব করা শুরু হয় তখন যে বড় দেরী হয়ে গেছে তা ভেবে অনুতাপ করা ছাড়া আর কিছু থাকে না। কিন্তু যখন কারো মুখ থেকে শোনা যায়, ‘আমি সেই বাথট্যাবে ঘুমানো মানুষটার জন্য অপেক্ষা করছি”, তখন তো তাকে খুজে নেওয়াটা হয়ে পড়ে জীবনের সব থেকে বড় লক্ষ্য। অসাধারণ একটি অনুভূতি ভর করেছিলো শেষ দৃশ্যটি দেখার পর।

➔ ডাউনলোড লিংকঃ ক্লিক করুণ  (সাব সহ)

(Visited 159 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন