A.I. Artificial Intelligence (2001) – পছন্দের কল্পবিজ্ঞান (১)

রোটেন টম্যাটোসের সার্টিফাইড ফ্রেস মুভিটির আইএমডিবি রেটিং ৭.১ । রচনা ও পরিচালনা করেছেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। ২০০১সালের এই এপিক কল্পবিজ্ঞান ছবিটি তৈরি হয় ব্রায়ান আল্ডিসের ছোট গল্প  Super-Toys Last All Summer Long এর উপর ভিত্তি করে।

ছবিটির রিভিও লিখছি কিন্তু আমি এমন একজন যে কখনো রিভিও পড়েনা। যার জন্য আমি জানিও না কী করে ভালো রিভিও লিখতে হয়। রিভিও পড়িনা কারণ- অনেক রিভিওয়ার আছেন যারা রিভিও লিখতে গিয়ে ছবির মূলগল্পই বলে ফেলেন। তাই আমার চেষ্টা থাকবে রিভিওকে প্রথম দশ মিনিটে সীমাবদ্ধ রাখতে!

 

২১’শতকের শেষের দিকে, যখন বৈশ্বিক উষ্ণতা থেকে সৃষ্ট বন্যায় মানব বসতির একটা বড় অংশ তলিয়ে যাচ্ছে, তখন মেকা নামের নতুন এক ধরনের রোবট তৈরি হয় যাদের এমনভাবে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে যে তারা মানুষের চিন্তা আর আবেগ বুঝতে সক্ষম! অবিকল বাচ্চাদের মতো চেহারার ‘ডেভিড’- এমন একটি প্রটোটাইপ রোবট। ছবির গল্পটি তাকে নিয়েই- যে স্বপ্ন দেখতে পারে, যার ভালোবাসা শতভাগ সত্যিকারের হলেও সে নিজে নয়!
A.I.

ডেভিডকে তৈরি করে নিউ জার্সির সাইবারট্রনিক্স। তাদেরই একজন কর্মচারী হেনরি, যার ছেলে ‘সিনক্লিয়ার ভাইরাস’ দ্বারা আক্রান্ত বিরল রোগে ভোগছে। এই রোগের কোন নিরাময় না থাকায় তাকে চিকিৎসাকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ছেলেকে সুস্থ করা সম্ভব এমন কোন নিশ্চয়তাই ডাক্তার দিতে পারছেনা। ফলে হেনরি তার স্ত্রীর সন্তানের অভাব পূরণ করতেই ডেভিডকে নিয়ে আসে তাদের বাসায়। কিন্তু নিজের ছেলের জায়গায় কিছুতেই ডেভিডকে মেনে নিতে পারেনা হেনরির স্ত্রী মনিকা। না, ছোট্ট ডেভিড তা হতে দেয়নি। ভালোবাসার জাদুতেই সে মনিকার মন জিতে নেয়। তবে কিছুদিন পরই ঘটে বিস্ময়কর ঘটনা। হেনরির ছেলে মার্টিন সুস্থ হয়ে ফিরে আসে তাদের জীবনে আর গল্প জমাট বাঁধে মায়ের ভালোবাসার ভাগাভাগি নিয়ে। গল্পের বাকিটা জানতে আপনাকে দেখতে হবে ছবিটি। নিশ্চিতভাবে বলছি, আপনার অবশ্যই ভালো লাগবে ছবিটি!

 

(Visited 64 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ২ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    এরকম কাহিনী নিয়ে আগেও কিছু মুভি আছে। এটা কেমন হয় কে জানে। দেখার ইচ্ছে রইল।

  2. রিফাত আহমেদ রিফাত আহমেদ says:

    মনে হল ভালোই মুভিটা

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন