অল্প কথায় “কেমন লাগলো হালদা”
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

 

ডিরেক্টর তৌকির আহমেদ আমার খুবই পছন্দের। তাঁর প্রত্যেকটা মুভিই আমার পছন্দের। নতুন মুভি ‘হালদা’র প্লট টা তাঁর নির্মিত সকল মুভির মধ্যে সবচেয়ে বেশি পছন্দ হয়েছে। কি চমৎকার গল্প! মাছের প্রজননের সাথে মানুষের কি দারুণ কো-রিলেশন! কিন্তু এটা শুধু গল্পেই আটকে আছে। এই মুভিটা নির্মাণের দিক থেকে তাঁর অন্য সকল মুভি থেকে পিছিয়ে আছে (আমার মতে)। মুভির সিনেমাটোগ্রাফী দূর্দান্ত, মিউজিক দারুণ, সম্পাদনা বেশ খারাপ, মোশারফ করিম ছাড়া অন্যদের পারফরমেন্স বেশ ভালো। স্পেশালি জাহিদ হাসান আর তিশা। কুলসুম বুয়া চরিত্রে অভিনয় করা মহিলাটিও দারুণ পারফর্ম করেছেন, পুরো মুভিতে তার তেমন কোন সংলাপ নেই কিন্তু চোখে মুখে সে কি চমৎকার অভিব্যক্তি! মুভিতে নাদের চৌধুরী চরিত্রটাতে আমার সবচেয়ে আপত্তি। মুভিতে চরিত্রটাকে ভিলেন হিসেবে প্রেজেন্ট করা হয়েছে, কিন্তু ভিলেন হিসেবে তাকে স্টাবলিশ করতে পারেনি। কয়েকটা দৃশ্যে তার প্রতি আমার কিছুটা রাগ হয়েছে কিন্তু ঘৃণা জন্মায়নি। এই রাগটা আমার অন্যান্য কিছু চরিত্রেও হয়েছে, তাদের বিভিন্ন কার্যকলাপের জন্য। নাদের চরিত্রটাকে আরো স্ট্রংলি ভিলেন হিসেবে প্রেজেন্ট করা যেত কিন্তু চরিত্রটা ঠিকমত ডেভলাপ করা হয়নি। এগুলো বাদে সাবজেক্টিভ এই মুভিটা বেশ চমৎকার, আমাদের অনেক কিছু ভাবায়। অনেকদিন পর এরকম চমৎকার একটা গল্প দেখলাম বাংলা মুভিতে। পাশাপাশি পুরো সময়ে চোখের আরাম দিয়ে গেছে চমৎকার সিনেমাটোগ্রাফী আর লোকেশন। এধরনের মুভি সাধারণত খুব কম হল পায়, কিন্তু আশার কথা মুভিটা প্রায় ১০০ হলে রিলিজ পেয়েছে, এবং হাউজফুলও যাচ্ছে। সব ধরনের দর্শক আবার হলে যাচ্ছে-যাবে এটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য খুবই পজেটিভ দিক।

 

এই পোস্টটিতে ৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন