“ফিরে এসো বেহুলা” মুক্তির আগের দিন দেখার মজার অভিজ্ঞতা

405211_304877709554004_1402863949_n

এ বছরেরই ২০শে জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছিল তরুন পরিচালক তানিম নূরের “ফিরে এসো বেহুলা” চলচ্চিত্রটা। ১৯শে জানুয়ারি ১টা বিশেষ প্রদর্শনীতে এটা দেখার সময় কিছু লুলীয় অভিজ্ঞতার সম্মুক্ষীন হই। মুভিটি তখন সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ত্বদের সাথে কিছু সাধারণ দর্শকেরও দেখার সুযোগ হয়েছিল।এটা দেখতে গিয়ে আমি পুরাই অবাক!! এতো মানুষ!! হাজার হাজার মানুষের ঢল(লাখ লাখ লিখতে ইচ্ছে করছে)। মনে হচ্ছিল ঢাকা শহরের সব তরুন তরুনী চলে এসেছে। পরিচালক নিজেও ভীড়ের জন্য ঢুকতে পারছিল না। তারপর বলা শুরু করলো “ভাই,আমাকে কি একটু ঢুকতে দিবেন?আমি এই মুভিটা বানিয়েছি।” কিন্তু কয়েক জন দর্শক কেবল ঢুকতে পেরেছে,সেই সৌভাগ্যবানদের মধ্যে আমি একজন। যারা ঢুকতে পারে নাই, তারা অডিটোরিয়াম ভেঙ্গে ফেলার মতো অবস্থা শুরু করল। যাইহোক অবশেষে ছবি শুরু হলো।

phire-esho-behulaতরুন পরিচালকের ১ম এই ছবিটা নিয়ে খারাপ কিছু বলবো না। তবে গল্পটা খুবই ভাল ছিল; বেহুলা লক্ষীন্দরের কাহিনীর সাথে বর্তমান সময়ের বেহুলার কম্বিনেশন অনেক ভাল লেগেছে। আমাদের সমাজে একা একটা মেয়ে যে কতটা অসহায় তা পরিচালক অনেক ভাল ভাবে তুলে ধরেছেন। ছোট কিছু চরিত্রে অনেক বড় মাপের অভিনেতারা অভিনয় করেছেন দেখে ভাল্লাগলো। গানগুলোও বেশ ভাল ছিল,বিশেষ করে আবিদার গানটা। কিছুকিছু জায়গায় মুভিটা স্লো (এই যে না চাইতেও সমালোচনা শুরু হল) মনে হলেও ওভারঅল ভাল লেগেছে।  ছবি শেষে ঘটলো এক ভয়াবহ ঘটনা, আমি সামনে গিয়ে চেয়ারের সামনে দাড়াঁলাম। হঠাৎ লাইট জ্বলে উঠলো, দেখি ঠিক আমার সামনের চেয়ার থেকে গোলাপী রঙ্গের জয়া আহসান আমার মুখোমুখি দাঁড়াল (আমি “থ”)। একটু পর দেখি আরেক অভিনেত্রী তানিয়া আমার পাশ দিয়ে আসছে। তানিয়া আর জয়া আহসান হাগ দিলো (আমাকে না, একে অপরকে) আমার ঘাড়ের ঠিক উপর,আমি বজ্রপাত পড়া মানুষের মত দাঁড়িয়ে রইলাম। (জয়া আহসান!! উফ!! পারফিউমের গন্ধে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছিলাম।)

403911_307324452642663_1369582438_nঅভিনয় করেছেন__ জয়া আহসান, হুমায়ুন ফরিদী, ইন্তেখাব দিনার, তৌকির আহমেদ, মামুনুর রশীদ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রাইসুল ইসলাম আসাদ, স্মৃতি, শতাব্দী ওয়াদুদ, শহিদুজ্জামান সেলিম, অশোক বেপারী সহ আরও অনেকেই।

(Visited 110 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন