মুগ্ধতায় পিঁপড়াবিদ্যায়
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

1911991_507881925981766_412168756825996581_n

একটা ভিডিও ক্লিপ কে কেন্দ্র করে পিঁপড়াবিদ্যার কাহিনী গড়ে উঠেছে। বেকার মিঠু একটা  MLM কোম্পানিতে জয়েন করার পর অল্প কিছু টাকা পেয়ে একটা ফোন কিনতে যায়। চুরি হয়ে যাওয়া একটা ফোন চোরের কাছ থেকে কম দামে কিনে নেয়। ভিডিও ক্লিপটা এই ফোনেই ছিল। জনপ্রিয় অভিনেত্রী রীমা আর তার বয়ফ্রেন্ড অয়নের অন্তরঙ্গ মুহুর্তের একটা ভিডিও। এই ভিডিও টা নিয়েই চলতে থাকে নানা রকম ব্ল্যাকমেইল। সুযোগ পেয়ে কথা কম বলা চুপ থাকা ছেলেটাও অন্যের জন্য তৈরী করে ফাঁদ। পাল্টা ফাঁদে বদলে যায় অনেক কিছু। কাহিনী মোড় নেয় অন্য দিকে।

 

মুভির শুরুটা অনেক বেশি চমকপ্রদ। বেকার মিঠু যখন চাকরী না পেয়ে “লাকি সেভেন” নামে একটা MLM কোম্পানিতে ঢুকে তখন দর্শক স্বভাবতই ডেসটিনি ডেসটিনি বলে চিৎকার শুরু করে। রাইট হ্যান্ড আর লেফট হ্যান্ডের ব্যাপারগুলো যখন বুঝাচ্ছিল তখন দর্শকের চিৎকার এতই বেড়ে যায় যে ডায়ালোগ ঠিক বুঝাই যাচ্ছিল না। ant-story-hd-theatrical-trailerশুরু থেকেই মুভির পাঞ্চ লাইনগুলো এতই দূর্দান্ত ছিল যে হাসি চেপে রাখা কষ্টকর। মোস্তফা সরয়ার ফারুকী চমৎকারভাবে এটার চিত্রনাট্য লিখেছেন। বিভিন্ন পরিস্থিতে ডায়ালোগ আর সেটা ডেলিভারির টাইমিং দেখে মুগ্ধ হয়েছি। যতটা আশা করছিলাম মুভির প্রথমার্ধ তার চেয়ে অনেক বেশি উপভোগ করেছি। কখনো হাসতে হাসতে খিল ধরে যাওয়া, কখনো ভাবনায় পড়ে যাওয়া। গোলাম মাওলা নবীরের সিনেমাটোগ্রাফী এই মুভির অন্যতম আকর্ষনীয় দিক।

মুভিতে রীমা চরিত্রে অভিনয় করেছেন শীনা চৌহান। বিপিএল’র সময় উনার উপস্থাপনা দেখে মুগ্ধ হয়েছিলাম। উনি যে এত ভাল অভিনয়ও জানেন সেটা জানা ছিল না। রীমা চরিত্রে নিজেকে সুঅভিনেত্রী হিসেবে প্রমান করলেন। ছবিতে কিছু অন্তরঙ্গ দৃশ্য-ডায়ালোগ ছিল, সেগুলোতে তিনি ছিলেন পারফেক্ট। আবার যখন নিজের রাগ প্রকাশ করতেন তখন যেন সব কিছু ছাড়িয়ে যেতেন। পুরো সিনেমায় তার অভিনয়ের পরিমিতিবোধের প্রশংসা করতে হয়। তাছাড়া রীমা ক্যারেক্টার টা যে রকম, সে রকম ক্যারেক্টারে তাকে ছাড়া যেন ভাবাই যায় না। আমাদের দেশের কোন অভিনেত্রী এই চরিত্রটাকে এভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে। রীমা চরিত্রের জন্য শীনা চৌহান ছিল পারফেক্ট চয়েস। তবে পশ্চিমবঙ্গের একজন অভিনেত্রীর এত চমৎকারভাবে বাংলাদেশীয় উচ্চারনে কথা বলাতে মুগ্ধ হয়েছি। ভেরী ওয়েল ডান… 🙂

 

pipra-bidya_1

গল্পটা যাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে সে হচ্ছে মিঠু।  মিঠু চরিত্রে অভিনয়ও করেছেন নতুন অভিনেতা মিঠু। মিঠুর মধ্যে মোশারফ করিমের একটু ছাপ আছে, কথা বলার ধরন অনেকটাই উনার মত। কিন্তু মিঠু একটু বেশিই সাবলীল। পুরো ছবিতে হাস্যরসের নামে একবারও তাকে ভাঁড়ামি করতে দেখা যায়নি। মিঠুর চেহারায় একটা গোবেচারা ভাব আছে যেটা এই ক্যারেক্টারের জন্য পারফেক্ট। দেখলে মনে হয় কিছুই বুঝে না, অথচ মুভির এন্টারটেনমেন্টের অধিকাংশই এসেছে মিঠুর পারফরমেন্স থেকে। তার ডায়ালোগ, এক্সপ্রেশন, হিউমার, টাইমিং সব কিছু মাতিয়ে রেখেছে পুরোটা সময়। শেষ দৃশ্যে তার একটানা পলকহীন চেয়ে থাকার দৃশ্যটা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আবার ভিডিও এর বিনিময়ে সে যখন রীমার কাছে এক ঘন্টা সময় চায়, তার চাওয়ায় ধরন দেখে স্পীচলেস হয়ে যাওয়াটা যেন বাধ্যতামূলক। আবার পূর্ব প্রেমিকা সাথীর স্বামী রিদওয়ানের সাথে মিঠুর কথোপকথনের অংশগুলোও অনেক উপভোগ্য। সুযোগ পেয়ে একজন সহজ সরল মানুষও কিভাবে লোভ আর খারাপের দিকে লিপ্ত হতে পারে তা মিঠু ক্যারেক্টার টা দিয়ে চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে মুভিতে।

 

1000191_526637500705926_1688899227_n

পিঁপড়াবিদ্যায় বেশ কিছু পার্শ্ব চরিত্র ছিল। রীমার বয়ফ্রেন্ড অয়ন চরিত্রে ছিলেন সাব্বির হাসান লিখন। সাব্বিরকে অনেক গুছিয়ে কথা বলার জন্য আমার অনেক আগে থেকেই বেশ পছন্দ। সাব্বির একাধারে রেডিও আরজে, কন্ঠশিল্পী, ডেন্টিস্ট আর অভিনেতা। অভিনয় তেমন করেন না। প্রথম দেখেছিলাম শিহাব শাহীনের “মনসুবা জংশন” টেলিফিল্মে তাহসানের বন্ধুর চরিত্রে। তখনি মনে হয়েছে এই ছেলে ভবিষ্যতে অভিনয় করলে ভাল করবে। হয়েছেও তাই। পিঁপড়াবিদ্যায় অয়ন ক্যারেক্টারটা বেশ স্মার্টলি প্রেজেন্ট করেছেন। মুভিতে শীনা চৌহানের হিরো সাব্বির হলেও পিঁপড়াবিদ্যার হিরো সাব্বির না। সামনে তাকে প্রধান চরিত্রে দেখলে ভাল লাগবে। সাব্বিরের মত স্মার্ট আর গুড লুকিং অভিনেতা বাংলা চলচ্চিত্রে অনেক প্রয়োজন। সাব্বির ছাড়াও সাথী আর রিদওয়ান চরিত্রে মৌ আর ডনও অনেক ভাল করেছে, স্পেশালি গোলাম সামদানী ডন। স্বল্প পরিসরে মুকিত জাকারিয়াও মাতিয়ে গেছেন। সিনেমায় মিঠুর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা মহিলা অনেক ওভার অ্যাক্টিং করেছেন, আসলে ওনার ওভার অ্যাক্টিংটাই ছিল প্রপার অ্যাক্টিং। আমাদের সমাজে টিপিক্যাল মায়েরা কেমন হয় সেটা তিনি সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন।
995634_974060835942438_7310737590374192260_n

মুভিটা দেখার সময় ছোটখাট কিছু ব্যাপার ছাড়া কোন নেগেটিভ দিকই চোখে পড়ে নাই। হয়তো শুরু থেকে দারুন উপভোগ করছিলাম বলেই নেগেটিভ কিছু চোখ এড়িয়ে গেছে। পিঁপড়াবিদ্যার প্রথমার্ধ অনেক উপভোগ্য হলেও শেষার্ধে সেটা ঠিক ধরে রাখতে পারেনি, একটু ঝুলে গেছে। সিনেমার শুরুতে মিঠু চোরাই ফোনটা কিনে চোরকে সিমটা দিয়ে দেয়, তারপরও মোবাইল ট্র্যাকিং করে রীমা মিঠুর নাম্বারটা জেনে যায়। এখানে অনেক দর্শকই ভাবতে পারে পুরান সিম টা ব্যবহার না করার পরও রীমা কিভাবে মিঠুর নতুন নাম্বারটা পেল। মুভিতে মোবাইল ট্র্যাকিং এর ব্যাপারটা একটু ডিটেইলি উপস্থাপন করলে সাধারন দর্শকের জন্য আরেকটু ভাল হত। সিনেমার প্রথমার্ধের পর মিঠু একটা কাপড়ের দোকানে রাতে থাকতো, দোকানের মালিক গালাগালি করে তাকে রাতে থাকতে দিল। কিন্তু দোকানের মালিক কে, মিঠুর সাথে তার কি সম্পর্ক, কতদিনের জন্যেইবা থাকতে দিল বা কেন দিল এই ব্যাপারগুলো পরিস্কার ছিল না। কিছু কিছু জায়গায় সিনেমার কালার গ্রেডিং ছিল বেশ খারাপ, ব্যাপারটা বেশ দৃষ্টিকটু। আর সিনেমার শেষ দিকে তাড়াহুড়ার ব্যাপারটা অনেক চোখে লাগছিল। হুট করেই যেন শেষ হয়ে যাওয়া…

 

10422973_978818798799975_119083258990722991_n

সিনেমার প্রথমার্ধের মেকিং একদম নিখুঁত মনে হয়েছে আমার কাছে। পিঁপড়াবিদ্যার স্ক্রীনপ্লে আর সিনেমাটোগ্রাফি ছিল অসাধারন। চিরকুটের গাওয়া “লেজে রাখা পা” গানটা মনোমুগ্ধকর, লিরিক মিউজিক সবই দূর্দান্ত, চিরকুট আবারো ফাটিয়ে দিয়েছে। ছবিটার শেষে যখন দেখলাম ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরে টকিং টমের আরমান উল হক আর  হৃদয় খানও ছিল তখন বেশ অবাক হয়েছি। হৃদয় খান, আরমান হক আর চিরকুট মিলে চমৎকার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর উপহার দিয়েছে। মুভির লোকেশন আর সেটার পরিমিত ব্যবহার ছিল চোখে পড়ার মত। পিঁপড়াবিদ্যা অনেক উপভোগ্য একটা সিনেমা; যেটা দর্শককে স্তরে স্তরে আনন্দ দেয়, ভাবতে শেখায়, হয়তো কখনো কষ্টও দেয়। কিছুদিন আগে মুরাদ পারভেজের অনেক প্রশংসিত “বৃহন্নলা” সিনেমাটা সময়ের অভাবে দেখা হয় নাই, এটা ছাড়া যদি সব কিছুর পর এক কথায় যদি পিঁপড়াবিদ্যা সম্পর্কে বলতে হয় তাহলে বলবো; “এটা এখন পর্যন্ত আমার দেখা এ বছরের বেস্ট বাংলা ছবি, ইনফ্যাক্ট এটা আমার দেখা সরয়ার ফারুকীর সেরা সিনেমা”।

এই পোস্টটিতে ৩৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. রিফাত আহমেদ রিফাত আহমেদ says:

    থ্রি এস এর আরও একটা ব্লকবাস্টার হিট ব্লগ পোস্ট 😀 :p …ফাটিয়ে দিয়েছেন বস 😀

  2. শাহরিয়ার লিমু শাহরিয়ার লিমু says:

    ফারুকি ভাইয়ের কাজ আমার সবসময়েই ভালো লাগে। স্পেশালি তাত্বিক ব্যাপারগুলো। কিন্তু গতবার টেলিভিশন দেখে হতাশ হয়েছিলাম। মুভির প্লট ভালো, অভিনয় ভালো, শুট ২৫ ফ্রেমে করায় মনে হচ্ছিলো টিভির জন্য বানানো কিছু দেখছিলাম। ফিল্মের সেই ট্রিটমেন্টটা পাইনি। এটার ট্রিটমেন্ট কেমন ছিলো? প্লট- এক্টিং সবই ভালো বুঝলাম, কিন্তু স্বচোক্ষে ট্রিটমেন্টটা একবার দেখা দরকার। :3

    লেখা ভালো হইছে ভাউ, অনেকদিন পর রিলিজমাত্র পোস্ট এসেছে ৩এস এর পকেট থেকে।

  3. আইম্যান আইম্যান says:

    আমার লাইফে এখন পর্যন্ত কোন মুভি দেখতে এরকম হাসিনি। পুরো মুভির প্রতিটা ডায়লগ অস্থির লেভেলের হিলারিয়াস ছিল। হাসতে হাসতে পেট ব্যাথা হয়ে গেছে। 😀 😀 আমার দেখা ফারুকী ভাইয়ের সেরা কাজ এটা। কিছু দর্শক কিছু ডায়লগের পাঞ্চলাইন বুঝতে পারেনি, কিন্তু যারা বুঝতে পেরেছে তারা সিনেমা হল ফাটায় দিছে :v
    নূর ইসলাম মিঠু ছেলেটা একেবারেই ফাটিয়ে দিছে। দারুন ভেলকি দেখাইছে। সম্ভবনা আছে আরো ভাল করবার। সাথে শীনা চোহানও সুপার্ব অভিনয় করছে। আরজে সাব্বির অবশ্য ভদ্রই থেকেছে মুভিটাতে 😛

    পিপড়াবিদ্যায় বিদ্বান হবার পর আমার পেছনে দেখি পিপড়া ভাইয়া AKA অয়ন AKA সাব্বির দাড়িয়ে আছে। মুভির জন্য শুভ কামনা জানিয়ে হ্যান্ডশেক করলাম। সে অবশ্য বুঝতে পারেনি যে তাকে কেউ চিনতে পারবে। কারন ক্যামেরার সামনে তিনি তেমন পরিচিত মুখ নন 😛

    বিনোদনে ভরা এরকম মুভির জন্য বারবার সিনেমা হলে যেতে চাই। 🙂 ফারুকী ভাই আর পিপড়াবিদ্যা টিমের জন্য শুভ কামনা রইল। 🙂

    ট্রিপল এস, গরম গরম রিভিউয়ের এর জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। 🙂

    • ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

      আপনি প্রকাশ করতে না পারলেও আমি বুঝতে পারছি আপনার অনুভূতি কেমন। আপনার কমেন্টের মধ্যেই এক্সাইটমেন্ট টা ধরতে পেরেছি…

  4. ENAMUL KHAN says:

    এই কমেন্টস সেকশনে আমি একজন বড় দুভাগা; যে এখনো মুভিটা দেখতে পারিনি… 🙁

  5. রিফাত স্বর্ণা says:

    দেখার উৎসাহ জাগানিয়া বরাবরের মত চমৎকার রিভিউ (y) =D
    “থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার” দেখে হতাশ হলেও “টেলিভিশন” ভালো লেগেছিল, এবার “পিঁপড়াবিদ্যা”-ই বেস্ট হয়েছে জেনে আরও ভালো লাগল 🙂

  6. সি.এম. তানভীর উল ইসলাম says:

    নেক্সট সপ্তাহে দেখার খুব ইচ্ছে আছে 🙂 ফারুকির আগের কোন মুভি আমার ভাল লাগেনি টেলিভিশন ছাড়া। খুব আশা করছি, পিঁপড়াবিদ্যা দেখে হতাশ হবো না।

    • ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

      আমার কাছে “মেইড ইন বাংলাদেশ” ছাড়া সবগুলোই ভাল লাগছে। এনিওয়ে দেখে জানাইয়েন কেমন লাগলো… 🙂

  7. মুভিকাতুরে says:

    পিঁপড়াবিদ্যা সম্ভবত ফারুকীর সেরা কাজ(এ পর্যন্ত)। এই সিনেমার প্রতিটি সংলাপে দর্শক যে হারে বিনোদিত হয়েছে,রিসেন্ট কোন বাংলা সিনেমায় এমনটা দেখা যায়নি,দেখিনি। শেষদিকে তাড়াহুড়ো ছিল চোখে পড়ার মত। সেখানে আরেকটু যত্নের দরকার ছিল বলে মনে করি।
    অভিনয়,গান,লোকেশন চমৎকার। এই সিনেমা যেভাবে দর্শক টানছে,তাতে চোখ বুজে বলে দেয়া যায় ব্যবসাসফল! 🙂

  8. গ্রীন ড্রিমার says:

    Ei chobita faruki totha bangla chobir itihase onnotomo sera chobi hote parto…kintu finishing ta ektu hotash koreche..aro valo finishing deya jeto…tachara dokaner drissogulo avoid korleu parto….r chobiti too short…..Overall besh upovuggo chilo….seshdike valo thrilling aboho chilo… twist er maddhome jodi natokiyo somapti ghotto…tahole chobitii ekti masterpiece hisebe srikiti peto…Faruki day by day improve korche….tobe sotti kotha bolte chobitir doirgho onek choto r camera-r kaj dekhe etike nichok
    telefilm-i mone hoyeche

    • ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

      ফারুকীর আগের সব কাজ থেকে এটাকে এগিয়ে রাখবো। আমার কাছে অবশ্য এটাকে নাটক টেলিফিল্মের মত মনে হয়নি। মুভিই মনে হয়েছে… 🙂

  9. ন্যাকারু সাব্বির? এই ব্যাটা আমার স্কুল ফ্রেন্ড এন্ড ঈদে রংপুরে আসলে মিটআপ হয়, এর বকবকানীর জ্বালায় টেকা মুশকিল। :-/ .. ফেসবুকে দেখছিলাম টেলিভিশনের প্রিমিয়ামে গেছে বাট জানতাম না অভিনয় করছে.. মুভিটা দেখতে হয় তাহলে।

    • ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

      হাহাহা ন্যাকারু কেন মাস্টার সাব? 😀

    • এই ব্যাটা আদিমকাল থেকেই ন্যাকারু। রাজশাহীতে একই মেসের পাশাপাশি রুমে ছিলাম দু’জনে স্কুল ফ্রেন্ডদের কেউ আর ছিলনা সেখানে। একটা চিরুনী হাতে নিয়ে রাতে Rj এর প্রাকটিস চালাইতে আসত রুমে আর বকবকানীর সাথে গানছিল ফ্রি। তখনও Rj হয়নাই। সেকেন্ড টাইমে মেডিকেলেও চান্স পাইত, লাক ফেভার করে নাই। ন্যাকামী কি করে সেটা দেখতে আড্ডায় আসতে হবে.. বলে বোঝানো মুশকিল! 😛

    • ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

      আপনার কমেন্ট পড়ে মজা পেলাম। মনে হচ্ছে বন্ধুদের কাছে সাব্বির অনেক মজার মানুষ… 🙂

  10. razeeb786 razeeb786 says:

    টংগীর আনারকলি হলে চলছে মুভিটা্।ট্রেলার দেইখা ভাল্লাগে নাই এবং এর আগে ফারুকীর টেলিভিশন প্রত্যাশা পুরন করতে পারে নাই। তাই এইটা দেখার ইচ্ছা ছিলো না। তবে আপনার রিভিউ পড়ে আবার বেলতলায় যাইতে ইচ্ছা হইতাছে!

  11. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    I was expecting a review from you but it would be so quick didn’t expect. 😀 অসাধারন রিভিউ বরাবরের মত। খুব ইচ্ছে দেখার। ভেবেছিলাম বলবো এক্সাথে সবাই গিয়ে দেখ্বো কিন্তু তোমরা অনেকেই দেখে ফেললে। নিজেই দেখে নিতে হবে। আর তোমার রিভিউ পড়ার পর তো আরো দেখার ইচ্ছে বেড়ে গেল।

  12. ট্রিপন এস এর রিভিউ, জিভে জল এনে দেবার মতই, দু চার দিনের ভেতরেই দেখার ইচ্ছে আছে!

  13. আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী says:

    ফারুকী মানেই স্পেশাল কিছু। সেই ব্যাচেলর থেকে শুরু।

    রিভিউ দারুণ হয়েছে।

  14. এনামুল রেজা says:

    দেখলাম গতকাল। বহুদিনপর হলে গিয়ে হেসেছিও অনেক.. ছবিটার প্রতি আমার তিনটি ছোট্ট অভিযোগ.. ১. ফিনিশিং নিয়ে আমি হতাশ ২. সিনেম্যাটিক আবহটা তৈরী হয়নি বেশির ভাগ যায়গায়, নাটক ভাবটা কাটেনি। ৩. সিনেম্যাটিক আবহ তৈরী না হবার কারণ হয়তো আবহ সঙ্গিত। ব্যাক গ্রাউন্ড স্কোর যথাযথভাবে ব্যাবহার হয়েছে, এমন মনে হয়নি.. এ ছাড়া এমন বাংলা ছবি আমরা বানাতে পারছি আজ, গর্ব হচ্ছে, আনন্দও হচ্ছে অনেক…

    ফারুকির থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা করবো সামনে..

    • ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

      ফিনিশিং নিয়ে অনেক দর্শককেই অভিযোগ করতে দেখেছি। তবে ফারুকী প্রায় সব সময়ই তাঁর মুভিতে ওপেন এন্ডেড রাখেন। 🙂

  15. শাতিল আফিন্দি says:

    ফারুকির মুভি অবশ্যই ভালো হবে, দেখবো। পোস্টের জন্য তো আরও আগ্রহ পেলাম। 🙂

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন