নাটক “আজ রবিবার”রিভিউ
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

MV5BNzdhN2IwNTgtZmMxMS00M2IzLWE5NDgtY2Y2MDA4MjE0OWFkXkEyXkFqcGdeQXVyNjA3OTI5MjA@._V1_UY268_CR3,0,182,268_AL_
নেট সার্ফিং করতে করতে হঠাৎই সে স্মৃতিকে খুঁজে পাওয়া । সেই”আজ রবিবার” নাটকের কথা বলছি ।কিছুটা নস্টালজিক হয়ে ঘরের কনিষ্ঠ সন্তানকে দেখালাম । এই নাটকের কথা সে কখনো শুনেনি , দেখা তো দুরের কথা । ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যান খেলা প্রজন্ম থেকে এর বেশি কিছু আমি আশাও করি না । সৌভাগ্য ক্রমে আমি সে সৌভাগ্যবানদের দলে পড়ি যারা ৯০ এর দশকে জন্ম গ্রহণ করেছে । সামাজিক প্যাটার্ন চেঞ্জের সে মহেন্দ্রক্ষণের পরিবর্তন  আমার প্রজন্ম যা দেখেছে তা হয়তো পরবতী প্রজন্মের বোধের বাহিরে।  সিদ্ধান্ত  নিলাম সে স্মৃতি বিরজিত নাটক”আজ রবিবার”কে লিখতে বসবো । স্মৃতিগুলোকে ছোট ছোট শব্দে টুকে নিবো । ফেসবুক ব্লগে প্রকাশ করবো যেন নূন্যতম বেসিক ধারণাটা যেন এই প্রজন্মের থাকে । এই ভাবেই শেষ হলো নাটক “আজ রবিবার” এর রিভিউর ভূমিকা ।

নাটক “আজ রবিবার” রিভিউ : (ফুল স্পয়লার এলার্ট)

AAJ ROBIBAR
৭ পর্বের এই ধারাবাহিক নাটকটি হুমায়ুন আহমেদের মেয়ে শীলা আহমেদের উপস্থাপনায় সার্থক সুন্দর সূচনা হলো । যেখানে গল্পের চরিত্রই গল্পের ছলে বলে দিচ্ছে আমরা নাটক করছি । নাটকের চরিত্রগুলো হলো আবুল খায়ের, আবুল হায়াত , আলী যাকের , সুবর্ণা মুস্তাফা , জাহিদ হাসান , মেহের আফরোজ শাওন , শীলা  আহমেদ , ফারুক আহমেদ এবং অন্যান্য । পরিচালনায় মিনহাজুর রহমান । IMDb রেটিং 9.1/10

এটি একটি একান্নবর্তী পরিবারের কাহিনী । যার হেড অফ দ্যা ফ্যামিলি হলো দাদাজান । তার  তিন ছেলে  । মেঝ ছেলের দুই মেয়ে । কাজের লোক দুজন মতি ও ফুলি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে সিট না পাওয়া এক ছেলে আনিস সহ মোটেমাটে ৯ জনকে নিয়ে এই পরিবার ।

eVSRjNw
☆ দাদাজান (আবুল খায়ের) বয়সের কারণে ঝুঁকে পড়েছেন তবু তার তেজ কমেনি ।ঘরের সবাই তাকে ভীষণ ভয় পায় । উনি এখন কবরের ডিজাইন নিয়ে ব্যস্ত।

CVnVvxu
☆ বড় ছেলে ডাঃ এস আসগর (আলী জাকের)পি এইচ ডি প্রাপ্ত একজন বিখ্যাত মানসিক রোগের চিকিৎসক ।উনি মোটামুটি সবাইকে মানসিক রোগী মনে করেন ।এই কারণেই আড়ালে পরিবারের অনেকে তাকে পাগলই মনে করে ।তার বিশেষ বিশেষত্ব হচ্ছে তার দরজায় একটি ছোট ফুটো আছে যা তিনি কখনোই বন্ধ করেন না । আর কেউ যদি সে ফুটো দিয়ে তাকায় তাহলেই হয়েছে । তার কপালে খারাপীই আছে।

YjBqDhb
☆ মেজ ছেলে জামিল একজন বিখ্যাত আর্কিটেক্ট । ইদানিং কাজে মন নেই , উনি নাটক লিখায় মন নিবেশ করেছেন এবং উনি ১৭ বছরের বিপত্নীক ।

hqdefault

☆ ছোট ছেলে তুহিন । একজন হিমু । খালি পায়ে হাঁটেন । বিকট শব্দে খুলি করেন আর কাজের লোক মতিকে তার ইচ্ছে পুরণের সাহায্যের জন্য কুয়াতে ফেলে দিতে চান ।

YYiMeeK
☆ কংকা ও তিতলী (শীলা আহমেদ ও মেহের আফরোজ শাওন) মেঝ ছেলে জামিলের দুই মেয়ে । মা হীন ভাবে বড় হয়ে উঠায় তাদের মাঝে কিছুটা অস্বাভাবিকতা আছে । দুজনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসকে খুব ভালোবাসে । তবে কংকা তার ভালোবাসাকে লুকিয়ে রাখতে সামর্থ্য হয়েছে ।

vZMstZH
☆ আনিস একজন মোটা চসমা পড়া ব্রাইট স্টুডেন্ট । এসএসসি ও এইচ এস সিতে স্ট্যান্ড করা ছেলে । তবে হলে সিট পাননি বলে এই ঘরে পেয়িং গেস্টের মত থাকে । তার প্রতি কংকা ও তিতলির ভালোবাসাকে আনিস বুঝে না । সে তাদের কংকা ভাইয়া, তিতলী ভাইয়া বলে সম্মোধন করে ।

4Vv1OKE
☆ মতি ও ফুলি কাজের লোক । একে অন্যকে ভালোবাসে তবে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য স্বাভাবিক বিষয় হয় । মতি প্রায়শ কুয়াতে ঝাঁপ দিতে চায় আর ফুলি বাসন ভাঙ্গতে চায় ।

এই বিচিত্র এই চরিত্র নিয়েই নাটক এগিয়ে গেছে ।


¤ পর্ব ০১ –

5fahR2Dআনিস তার চসমা হারিয়ে ফেলেছে । তিতলি গিয়েছে আনিসের সাথে কথা বলতে । ভালোবাসার অনুভূতিগুলো বুঝাতে । কিন্তু চসমাহীন আনিস তাকে সাইন্স বুঝাতে লেগে গেলো । বহুক্ষণ পর তিতলী বুঝতে পারলো আনিস এতক্ষণ তাকে কংকা ভেবে কথা বলছিলো । আনিসের কাছের সব মেয়ের গলা নাকি একই রকম লাগে । চিকন । তিতলী পারলো না ফুলের টব তার মাথার উপর ফেলতে । এদিকে কংকা বড় বোনের দুঃখ বুঝে তাকে “জলে ভাসা পদ্ম আমি” গানটি গাইতে বলে । আনিস নিশ্চিত তার অভিমান ভাঙাতে রুমে চলে আসবে । তিতলী দরদ দিয়ে গাইলো । আনিসও ঘরে  এলোও বটে । তবে গান থামাতে । তার পড়ার ডিস্টার্ব হচ্ছে । রাগে ক্ষোভে মেয়ে দুটো তার বিছানায় প্লাস্টিকের সাপ ছেড়ে দেয় । সকালে আনিস তাকে সত্যকারের সাপ মনে করে বেহুশ হয়ে যায় । পুরো ঘর অস্থির হয়ে গেলো । দাদাজান এই কাজ কে করেছে বলে ঘর মাথায় তুললেন । বড় ছেলে যথারীতি মনে করছেন আনিস পাগল হবার শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে । মেঝ ছেলে হতভম্ব ।এই নিয়ে কংকা ও তিতলী খুব মজা পাচ্ছে ।

PfHP57l
“আজ রবিবার” লিখা এক টুকরো কাগজ । মিরা (সুবর্ণা মুস্তফা)জামিল সাহেবকে মনে করিয়ে দিলো আজ তাদের বিয়ের দিন । তবে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত হলো তারা বিয়ে করবে না । মিরা চায় জামাল সাহেবের ঘরে যাওয়ার আগে তার পরিবারের সদস্য সম্পর্কে সে জানুক । তাই একজন গভার্নেস হিসেবে সে এই বাড়িতে উঠতে চায় । এইভাবে তার এন্ট্রি দিয়ে শেষ হলো ১ম পর্ব ।

¤ ২য় পর্ব –

aB8FU7b

মিরা এসে তো হাজির তবে কারো মন পেয়ে উঠছেন না। প্রথমেই ঘরে হিমুর সাথে দেখা । সে এক পলক তাকিয়েই চলে গেলো । মেয়েরাও পাত্তা দিলো না । দাদাজান কিছুটা সন্দেহ করলেও পরে মিরাকে পছন্দ করে নিলেন । বড় ভাই মিরার ইন্টেলিজেন্ট টাইপের উত্তর শুনে অবাক হয়ে হয়ে তাকে বিবাহের চিন্তা শুরু করলে মেঝ ভাই জামিলের হস্তক্ষেপে সরে আসলেন । এদিকে মিরাকে শাস্তি দিতে কংকা হিমু চাচাকে অনুরোধ করে একটা নির্বিষ সাপ এনে দিতে । কিন্তু হিমু তো হিমুই সে গোখরা সাপ এনে দেয় । আর কংকা ভুলে সে সাপ হারিয়েও ফেলে । যা যথারীতি ঘুরে ফিরে আনিসের কাছে গিয়ে পড়ে । প্রথমে আনিস ভাবলো হ্যালুসিনেশন । এরপর যা হবার তাই হলো , বেহুশ । কিন্তু সাপ আবার গায়েব । এরই এত ঝামেলার মাঝে মিরা দুই বোনের কাছাকাছি চলে এলো ।

¤ পর্ব ৩ –

Kothai_Keu_Nei_02

ঘরে ৩ পুত্রের সাথে দাদাজানের গুরুত্বপূর্ণ মিটিং হচ্ছে । দাদাজান চান মৃত্যু পরবর্তী তার চল্লিশা, তার কুলখানি এখনি করে ফেলতে চান । তার পুত্রদের উপর তার ভরসা নেই । এবং সবচেয়ে বড় কথা তিতলী ও কংকা দুজনের বিয়েই এক সাথে ও একই দিনে করে ফেলতে চান । মতি মিয়া আড়ি পেতে সব শুনে ফেলে আর সবাই খোদার কসম খাইয়ে জানিয়ে ফেলে । ব্যস ঘরে আরেক নতুন নাটকের অবতারণা হল । দাদাজান কয়েকজন পাত্রও দেখে ফেলেন । কংকা ও তিতলী মিরার দ্বারস্থ হয় । মিরা বিয়ের ব্যাপারটা তিনি দেখবে বলে তাদের আশ্বস্থ করেন । ওদিকে বড় পুত্র ডাঃ এস আসগর পিতার ভীমরতি ছাড়ানোর জন্য তার মৃত্যুভীতি দুর করানোর জন্য কফিন কিনতে যান । তিতলী ও কংকার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে এই তথ্যে আনিসের কোন ভ্রুক্ষেপ নেই জেনে তিতলী রাগে আনিসের সব বই ছিড়ে ফেলে । কিন্তু ডাঃ এস আসগর সাহেবের  কথায় আনিস ভাবে পড়ালেখার চাপ সইতে না পেরে সাইকোলজিক ব্রেকডাইনের কারঢে সে নিজের অজান্তেই সব কাগজ ছিড়ে ফেলেছে । এদিকে কংকা ও তিতলী বিয়ের আগে শেষবারের মত ঘুরতে বেরিয়েছে । হঠাৎ দেখে বাকের ভাইকে (সে সময়ে বাকের ভাইয়ের জনপ্রিয়তা নিয়ে আশা করি কিছু বলতে হবে না) । পরে জানা যায় তিনি দেখতে কেবল বাকের ভাইয়ের মত তার আসল নাম ফরহাদ হোসেন (আসাদুজ্জামান নুর) । দু বোন তাকে তার বাসায় আসার জন্য দাওয়াত করে ।

0

এদিকে আনিসের ট্রিটমেন্ট করার জন্য ডাঃ আসগর তাকে কফিনের ভিতর ঢুকতে বলে আর ডালা আটকে যায় । যা কোনভাবেই খুলে না । আনিসের প্যানিক দুর করতে ডাঃআসগর লাশকাটা ঘরের কবিতা আবৃত্তি শুরু করলো । এইভাবেই শেষ হয় পর্ব -৩ ।

☆ পর্ব ৪-

hqdefault

মেকানিক এসেছে । তবু কফিনের ডালা খোলা যাচ্ছে না । আনিসের মরণপণ দশা । ঘরের  সবাই উপস্থিত । সাথে আছেন দাওয়াত রক্ষা করতে আসা ফরহাদ হোসেন  । আনিসের এই দুরাবস্থা দেখে দাদুজান ৩ মাস বড় ছেলে আসগরের মুখ দর্শন করবেন না বলে ঘোষণা দিলেন । বহুকষ্টে আনিসকে এই কবর সাদৃশ্য কফিন থেকে উদ্ধার করা হলো । আনিস কোন ক্রমে রুমে গিয়ে ওয়াদা করলো সে আর এই ঘরে থাকবে না দরকার হলে ভার্সিটির মেঝেতে শুয়ে থাকবে । পরের দিন কংকার জন্মদিন । তবে গত ১৭ বছরে কেউ এই দিন পালন করেনি।  কারণ এই দিনেই কংকাকে জন্ম দিতে গিয়ে তাদের মা মারা যান । শোকের চাদরে ঢাকা থাকে পুরো পরিবার । মিরা এই শোকের চাদর সরিয়ে ফেলার  ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় । এই প্রথম বাড়িতে কংকার জন্মদিন পালনের উদ্যোগ নেওয়া হল । কেক লুকিয়ে রাখার দায়িত্ব দেওয়া হল মতিকে । মতি ভুলবশত সে কেক কুয়াতে ফেলে দেয় । কি করবে বুঝতে না পেরে সারাদিন কুয়ার পাশে বসে থাকে । এরপর পালিয়ে যায় । কাজের মেয়ে ফুলী ভাবে সে কুয়াতে পড়ে গেছে । বড় ছেলে ডাঃ আসগর রমনা থানার ওসিকে  ডাকেন ডেড বডি উদ্ধারের জন্য । কিন্তু কুয়ার ভেতর বডি পাওয়া যায় না । মতিকে হত্যার অভিযোগে ওসি দাদাজানকে বাদ দিয়ে  ঘরের সবকটা পুরুষ সদস্যকে থানায় নিয়ে যায় । সাথে ছিল ফরহাদ হোসেনও । এদিকে দাদাজান বড় ছেলের উপর ক্রোধে  হিতাহিতবোধশূন্য হয়ে ঘর ছেড়ে অজানার উদ্দেশ্য চলে যান।মাঝ রাতে মতি ফিরে আসে ।

¤ পর্ব ৫ –

MODphcL

মতিকে ঘিরে সবাই বসে আছে । মতিকে কি শাস্তি দেওয়া যায় সেটাই আলোচ্য বিষয় । তবে মিরার হস্তক্ষেপে মতি রক্ষা পায়।  আনিস ভার্সিটি চলে যাবে তাই সবার থেকে বিদায় নেওয়া শুরু করলো । এই জন্য তিতলী ও কংকার মন খুব খারাপ । শত অনুরোধে আনিস তার সিদ্ধান্তে অটুট । ওদিকে দাদাজানকে খুঁজে বের করার জন্য তার বড় পুত্র ডাঃ আসগর একটি অভিনব পদ্ধতি বের করেছেন । মাইকিং।  আসগর সাহেব জানেন এতে তার আব্বা আসবেন না , তাই মাইকিং এ ভাষাই এমন হয়েছে যেন তার আব্বা তাকে গালাগালি করার জন্য হলেও ঘরে আসেন।  তার উপর আজ তিতলী ও কংকাকে দেখার দিন । তাই পাত্রের পিতা আসবেন । ঘরের  নানান ঘটনায় আনিস ভার্সিটি থাকার সিদ্ধান্ত বাতিল করে ।রাতেই দাদাজান পিস্তল হাতে বড় ছেলেকে খুন করার জন্য ঘরে আসেন । মেঝ ছেলে জামাল খালি গায়ে ঘর ছেড়ে পালায় । বড় ছেলে লুকিয়ে পড়েছে । গোলাগুলির আশংকায় পাত্রের পিতা কোথায় লুকাবেন বুঝতে না পেরে কফিনে আশ্রয় নেন। ঘরের এই অবস্থা দেখে মিরা প্রায় দিশেহারা । এই অদ্ভুত পরিবারকে আর সামলাতে পারছেন না।  বহু কষ্টে দাদাজানের হাত থেকে পিস্তল কেড়ে নিলেন । দাদাজান হাসলেন । পিস্তল খালি । উনি কেবল তার বড় ছেলে শাস্তি দিবার জন্য এমনটা করেছেন । মিরা পিস্তল লোডেড কিনা বুঝার জন্য ট্রিগার চাপলেন । বিকট শব্দে গুলি বেরুলো । গুলি আরেকটুর জন্য সদ্য ঘরে ঢুকা ফরহাদ হোসেনের গায়ে লাগলো না । কিছুক্ষণ পর জানা গেলো কফিনে একজন মৃত ব্যক্তির লাশ আছে ।


¤ পর্ব ৬-

0

ফরহাদ সাহেবের কপাল সবসময় খারাপ । যখনই তিনি এই বাড়িতে আসে কিছুনা কিছু ঘটতেই থাকে । এই দফাতেও তাই হয়েছে । আপাতত তাকে রাখা হলো হিমু চাচার ঘরে । দাদাজানের ঘুম ভাঙ্গার অপরাধে দাদাজান পিস্তল হাতে  বেরিয়েছেন আনিসকে গুলি করার জন্য । আনিস লুকিয়েছে খাটের তলায় । এই বুঝি গুলি খেলো । পরিস্থিতি শান্ত হলে ফরহাদ সাহেব ঘরের সবাইকে দাওয়াত দিলেন । ডাঃ আসগর  সাহেব ঠিক করেছেন তিনি এই অশান্তির ঘরে শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিয়ে করবেন । পাত্রী মিরা । বাধ সাথে জামাল । তিনিও তো মিরাকে বিয়ে করতে চান । জামাল সাহেবের বিয়ের ইচ্ছের কথা  জানতে পারে তিতলী ও কংকা । মায়ের জায়গায় অন্য কাউকে দেখতে হবে দেখে অভিমানে পালিয়ে যায়।  তিতলির খোঁজ না পেয়ে আনিসও তাদের খুঁজতে বের হয় । কারণ সে তিতলীকে ভীষণ পছন্দ করে । তিতলী ও কংকাকে হিমু চাচা খুঁজে আনলেও পরদিন পতিতার দালাল হিসেবে আনিসের ছবি উঠলো পেপারে।  তিতলী ও কংকা আনিসকে বোকা থেকে চালাক মানুষ বানিয়ে ফেলার জন্য বড় চাচা আসগর সাহেবকে ধরলেন । আসগর সাহেব ওয়াদা করলেন আনিসকে চালাক মানুষ বানিয়ে দিবেন ।

mqdefault

¤ পর্ব ৭ –

mqdefault1

মিরা চলে যাবে । এটা জানতে পেরে দাদাজান ঠিক করেছেন মিরাকে এই ঘরে ধরে রাখবেন । তাই তাকে বিয়ে দিবেন । পাত্র হিসেবে তার বড় ছেলে মেঝ ছেলেকে তার পছন্দ না তাই তিনি বিয়ে করাতে চান ফরহাদ সাহেবের সাথে । ফরহাদও এই ব্যাপারে মত দিয়েছেন । এই ব্যপারটা জানতে পেরে জামাল সাহেবের মাথা খারাপ হয়ে গেলো। সারা দুনিয়া যেন মিরাকে বিয়ে করানোর জন্য পাগল হয়ে গেছে।  এইদিকে আনিসকে হিপনোনিসের সাহায্যে তিতলীর প্রতি তার ভালোবাসার জাগিয়ে দেওয়ার জন্য ডাঃ আসগর সাহেব তাকে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছেন । কিন্তু আনিসের ঘুম ভাঙ্গছে না । তবে দেরীতে হলেও ঘুম ভাঙ্গলো । আর সে একজন প্রেমিক পুরুষে পরিণত হলো । সমস্যা হলো এই আনিসকে তিতলী ভালোবাসে না ।

 আকাশে আজ সুন্দর চাঁদ উঠেছে । সবাই জ্যোৎস্না বিলাসের জন্য ছাদে উঠলো । মিরা জামালের কাঁধে মাথা রেখে জানালো “আজ রবিবার” । ফরহাদ সাহেব তুহিন রুপী হিমুর চাচার কাছে এলেন । জানালেন তিনিও হিমু হতে চান। হিমু পাঞ্জাবি খুলে দিলেন।  তিনি হিমুর অভিশাপ আর বহন করতে পারছেন না তিনি তুহিন হতে চান । তুহিন চাচা গাইলেন

 – বাওলা কে বাইলো রে
হাসান রাজা কে বানাইলো রে ?

Aaj-Robibar-300x113

সমাপ্ত ।
ইউটিউব লিংক

https://www.youtube.com/watch?v=yxOQ3bU601s&list=PLzDYfjAb73KH9pu0Do_WBwUgQmZbcptEn

Aaj Robibar (1999–)
Aaj Robibar poster Rating: 9.2/10 (183 votes)
Director: N/A
Writer: N/A
Stars: Abul Khair, Abul Hayat, Aly Zaker, Faruk Ahmed
Runtime: N/A
Rated: N/A
Genre: Comedy
Released: N/A
Plot: A simple story in a family presented extraordinarily through comedy.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন