সেরা ১০ নিষিদ্ধ হলিউড সিনেমা-

 

হলিউডের সিনেমা বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়। তবে হলিউডের বিতর্কিত সিনেমার সংখ্যাও কম নয়। বিশ্বের সবচেয়ে সফল এই ইন্ডাস্ট্রির এমন অনেক সিনেমা রয়েছে যেগুলো বিতর্কের ঝড় তোলার বিভিন্ন দেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর মধ্য থেকে সেরা ১০ নিষিদ্ধ হলিউড সিনেমা-
১০. এ ক্লকওয়ার্ক অরেঞ্জ (১৯৭১): স্ট্যানলি কুবরিকের এই সিনেমা গ্রেট ব্রিটেনে ২৭ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল। অত্যধিক মারামারি, পাশবিক ধর্ষণের দৃশ্য থাকায় এই সিনেমাকে কিছুতেই গ্রেট ব্রিটেনে দেখানোর অনুমতি দেয়া হয়নি। অবশ্য বেশ প্রশংসিত হয় এই সিনেমা।
Clockwork_orangeA
৯. দ্য বার্থ অব এ নেশন (১৯১৫): সাইলেন্ট মুভি। কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের আক্রমণে করা হওয়ায় মুক্তির পর নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। সিনেমার পরিচালকও পরে স্বীকার করে নেন তার ভুল হয়েছিল।
index
৮. দ্য টিন ড্রাম (১৯৭৯): অস্কারে বিদেশি সিনেমা বিভাগে সেরা পুরস্কার জেতে এই সিনেমা। সিনেমায় দেখানো হয় ১১ বছরের এক বালক ১৬ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে সেক্স করছে। এই জন্য কানাডা ও ফিলাডেলফিয়াতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। বলা হয় এই সিনেমা চাইল্ড পর্নোগ্রাফি ছাড়া বেশি কিছু নয়। কিন্তু সিনে বিশেষজ্ঞরা এই সিনেমাকে বড় নম্বর দিয়ে বলেছেন, সিনেমার বিষয়বস্তু ঠিকমতো বুঝলে এটা নিষিদ্ধ কোনোভাবেই হওয়া উচিত নয়।
index
৭. থ্রি হানড্রেড (২০০৬): যুদ্ধের ওপর তৈরি হওয়া হলিউডের অন্যতম সেরা এই সিনেমা নিষিদ্ধ ইরান ও আরবের কিছু দেশে। রাষ্ট্রসংঘের কাছে এই সিনেমা নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে ইরান বলেছে, থ্রি হানড্রেড তাদের দেশকে অপমান করতে মার্কিনিদের চক্রান্ত।
index
৬. অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (১৯৩০): হিটলার এই সিনেমাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায় ১২ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল এই সিনেমা। এই সিনেমা দেখলে নাৎসি বাহিনীর অত্যাচারের মুখে পড়তে হতো। সিনেমাটি হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ওপর তৈরি।
index
৫. সালো/হানড্রেড টোয়েন্টি ডেজ অব সোডোম (১৯৭৫): চার দুষ্কৃতি অপহরণ করে শিশু ও মহিলাদের। তারপর তাদের ওপর চলে এমন অত্যাচার যা দেখে গা শিউড়ে ওঠে। পাওলো পাসোলিনির এই সিনেমা ইরান, সিঙ্গাপুরসহ পাঁচটি দেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শিশুদের ওপর অত্যাচার, ধর্ষণের দৃশ্যগুলো থাকায় বিভিন্ন দেশে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়।
MV5BMTQyMDQ4NTY2Nl5BMl5BanBnXkFtZTcwMjk2NDQ3MQ@@._V1_UY268_CR4,0,182,268_AL_
৪. দ্য সিম্পসন মুভি (২০০৭): গোটা বিশ্ব তাকিয়ে তাকিয়ে উপভোগ করেছে এই কার্টুন সিনেমা। কিন্তু মিয়ানমারে এক অদ্ভুত কারণে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এই সিনেমাকে। মিয়ানমার সরকারের অভিযোগ এই সিনেমায় হলুদ রংকে প্রচার করা হয়েছে। হলুদ রং মিয়ানমার সংস্কৃতির কাছে নাকি অপমানকর।
index
৩. ব্যাক টু দ্য ফিউচার থ্রি (১৯৮৫): টাইম ট্র্যাভেলের ওপর তৈরি হওয়া মজার সিনেমা। আনন্দের সিনেমা। কিন্তু চিনে এই সিনেমাটি নিষিদ্ধ। কারণ সিনেমায় অনেকসময় ভবিষ্যতে যাওয়া হয়েছে। যা নাকি চিনের সরকারের নিয়ম বিরুদ্ধ। একইসঙ্গে সিনেমাটিকে কুসংস্কারে ইন্ধন দেয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছে। তাছাড়া নাকি সিনেমায় দেখানো হয়েছে বেইজিংয়ের থেকেও থাকার ভালো জায়গা রয়েছে, যা সরকারবিরোধী।
২. দ্য লাস্ট ট্যাঙ্গো ইন প্যারিস (১৯৭৩): সাহসী সিনেমা। ইরোটিক ড্রামা। একাধিকবার নায়িকার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখানো হয়েছে। সিনেমাটি ইতালি ও স্পেনে নিষিদ্ধ। সিনেমায় একটি দৃশ্যে দেখানো হচ্ছে নায়ক মার্লোন ব্র্যান্ডো সেক্সের সময় মাখন ব্যবহার করছে। ইতালি ও স্পেনের পক্ষ থেকে বলা হয় খাবার জিনিসকে এভাবে দেখানোটা আপত্তিকর।
images
১. ক্যানিবাল হলোকাস্ট (১৯৮০): বিশ্বের ৪০টি দেশে নিষিদ্ধ। অনেকেই বলেছেন, সিনেমাটি দেখার পর অসুস্থ বোধ করেছেন। সিনেমাটি একটা ফেক ডকুমেন্টারির ওপর তৈরি। যেখানে ক্যানিবালিজম, গণহত্যা, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনকে অতি জঘণ্যভাবে দেখানো হয়েছে। সিনেমার শুটিংয়ে সত্যিকারের পশু হত্যা করা হয়েছে।
সিনেমাটির পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে অভিনেতা, অভিনেত্রীকেও নাকি সিনেমার সময় খুন করা হয়। অবশ্য সেটা প্রমাণিত হয়নি।
maxresdefault

(Visited 1,951 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ৮ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. সালো/হানড্রেড টোয়েন্টি ডেজ অব সোডোম আর ক্যানিবাল হলোকাস্ট হলিউড সিনেমা নয়।দুটোই ইটালিয়ান সিনেমা ।

  2. Pervez Robin says:

    all quite on the western front হিটলারের বিরুদ্ধে নয়, প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের উপর নির্মিত

  3. কিছু ভুল ইনফরমেশন আছে।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন