রক্ত হিম করা সেরা ১৫ টি ভুতের সিনেমা-
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

যেহেতু হরর আমার প্রিয় একটি জেনর (genre) তাই ভালো হরর মুভি পেলেই সেটা আমি অবশ্যই দেখি। আর রাতের বেলাতেই কানে হেডফোন লাগিয়ে হরর মুভি দেখতে আমি অনেক রোমাঞ্চ এবং সেই সাথে ভয়ও অনুভব করি। তাই নিচে আমার প্রিয় কিছু হরর মুভির একটি তালিকা দেওয়া হল-

১. The Exorcist (1973)

পরিচালকঃউইলিয়াম ফ্রেডকিন

 

MV5BMTgxMjIyNTc5Nl5BMl5BanBnXkFtZTgwMjgwNDgwNzE@._V1_SX640_SY720_
মুভিটিকে গণ্য করা হয় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ হরর মুভি হিসাবে। আমি যখন মুভিটি প্রথম দেখি তখনই উপলব্ধি করেছিলাম এটি কেন all time best classic horror movie। মুভিটি ৭০ দশকের হলেও সেই সময়ে অনেক সিনেমা হলে মুভিটি প্রদর্শনীর সময়ে হলের সামনে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হতো। কারণ মুভিটির ভয়াবহতা সহ্য করতে না পেরে অনেকেই অজ্ঞান হয়ে পড়তো।

কাহিনী: একটি অশুভ অশরীরী আত্মা একটি কিশোরী মেয়ের উপর ভর করে। তখন মেয়েটির মা দুজন তান্ত্রিকের শরণাপন্ন হন মেয়েটিকে বাঁচানোর জন্য। শেষ পর্যন্ত তারা কি মেয়েটিকে অশুভ আত্মার হাত থেকে বাঁচাতে পারেন? উত্তরটি জানতে হলে শেষ পর্যন্ত আপনাদের দেখতে হবে এই অসাধারণ হরর মুভিটি।

মুভিটিতে ভীতিকর কিছু দৃশ্য দেখে আপনাদের সত্যিই ভয়ে গা শিউরে উঠবে। উইলিয়াম ফ্রেডকিনের অসাধারণ পরিচালনায় মুভিটি সর্বশ্রেষ্ঠ হরর মুভির মর্যাদা পেয়েছে। অনেকে এটি পুরাতন মুভি বলে নাক সিটকাতে পারেন। কিন্তু এ মুভির ছায়া অবলম্বনেই পরবর্তীতে অনেক মুভি তৈরি হয়েছে। তাই এটি নিঃসন্দেহে a must watch movie for all horror lovers.

(প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সেবা প্রকাশনীর জন্য “দি একসরসিস্ট” বইটির অনুবাদ করেছিলেন।)

২. Drag Me To Hell (2009)
কোন হরর মুভি দেখে আমি অসংখ্যবার কেঁপে উঠেছি সর্বপ্রথম এই মুভিটি দেখে। মুভিটির অসাধারণ সাউন্ড ইফেক্ট এবং লোমহর্ষক দৃশ্যগুলো দেখে আপনি ভয় পাবেন নিশ্চিত।

পরিচালকঃস্যম রাইমি

index

 

 

কাহিনী: একজন লোন অফিসার একজন বৃদ্ধাকে যখন তার একমাত্র বসতবাটি ছাড়ার নোটিশ দেয় বৃদ্ধার শত অনুনয় সত্ত্বেও; তখন বৃদ্ধাটি লোন অফিসার মেয়েটিকে ভয়ানক একটি অভিশাপ দেয়। এই অভিশাপ মেয়েটার জীবনটিকে দুর্বিষহ করে তোলে। মেয়েটি অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সম্ভবপর সবকিছুই করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি মুক্তি মেলে? সেটি জানতে হলে হলে শেষ পর্যন্ত দেখতে হবে এই মুভিটি। It’s a worth watching for all horror movie lovers.

৩।REC  (2007 )

পরিচালকঃজুমি বালাগৌয়েরো

 

MV5BOTU3OTU2ODc5MF5BMl5BanBnXkFtZTgwNjY3MDY2MzE@._V1_SX214_AL_

ফাউন্ড ভিডিও ফুটেজ নিয়ে এটাই আমার সর্বপ্রথম দেখা কোন হরর মুভি এবং দেখেই যে কতবার আমি ভয়ে কেঁপে উঠেছি তার হিসাব নেই। মুভিটির সাউন্ড ইফেক্ট সত্যিই অনেক ভয়ানক যা শুনলেই পুরো শরীর ভয়ে হিম হয়ে আসবে।

কাহিনী: একজন টিভি রিপোর্টার ও তার ক্যামেরাম্যানসহ একদল দমকলকর্মীদের অনুসরণ করে অন্ধকার বিল্ডিং এ যায় জরুরী ভিত্তিতে এবং সেখানে সকলে আটকা পড়ে যায়। ঘটতে শুরু করে একের পর এক লোমহর্ষক ঘটনা।
পুরো ঘটনাসমূহ জানতে হলে দেখে হবে এই মুভিটি। এটির সিক্যুয়ালও ([Rec] 2 এবং [REC] 3: Genesis) আছে।

৪।Dabbe :Cin Carmpasi(2013)

rBo6fiB
এর আগে কোনো টার্কিশ হরর মুভি দেখি নাই। তাই Dabbe মুভিটি দেখা। Dabbe হরর সিরিজের এটি হলো ৪র্থ মুভি এবং সম্ভবত এটিই সেরা।

কাহিনী: ইব্রু নামের একজন লেডি সাইক্রিয়াটিস্ট সাথে একজন তান্ত্রিক ডক্টরকে নিয়ে যায় তার বান্ধবী কুবরা-কে বাঁচানোর জন্য। যার উপর কিনা একটি অশুভ জিন ভর করেছে। শেষ পর্যন্ত তারা কি পারবে কুবরা-কে অশুভ জিনের হাত থেকে বাঁচাতে? মুভিতে এমন লোমহর্ষক কাহিনী লুকিয়ে আছে যেটি মুভিটিকে অনেক বেশী ভয়ের করে তুলেছে।

৫.Pizza

pizza-mp3-songs-free-download
তামিল কোন হরর মুভি এই আমার প্রথম দেখা এবং দেখেই আমি যে পরিমাণ শকড্‌ হয়েছিলাম তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এত বেশী অসাধারণ মুভিটির মেকিং।

কাহিনী: মুভিটির কাহিনী হলো একটি পিজা ডেলিভারি ছেলেকে নিয়ে। সে একদিন এমন অবস্থার সম্মুখীন হয় যে তার পুরো জীবনটাই পালটে যায়। কিন্তু সত্যের পেছনে সত্যটি জানতে হলে দেখতে হবে এই অসাধারণ মুভিটি।
মুভিটি বেশ কিছু ভাষায় রিমেক ভার্শনও বের হয়েছে। But original is always the best

 

 ৬।লেক মঙ্গো (অস্ট্রেলিয়া, ২০০৮)

পরিচালকঃ জোয়েল এন্ডারসন

অস্ট্রেলিয়ান এই হররটির প্রধান চরিত্র ১৫ বছর বয়সে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া এলিস পালমারের। ঘটনা শুরু হয় যখন এলিসের ছোট ভাই ম্যাথিউ তার মৃত বোনকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে দেখতে পেতে থাকে। এলিসের রেকর্ড করা কিছু পুরনো মোবাইল ভিডিওতে দেখা যায় তার নিজের ভূতই তাকে ধাওয়া করে ফিরছে। এরকম একটা গল্প নিয়েই ডকুমেন্টারী স্টাইলে জোয়েলের এই ছবিটি নির্মিত। ‘দ্যা রিং’ ছবির নির্মাতারা উঠে পড়ে লেগেছে ছবিটির হলিউড রিমেকের জন্য।

 

 

৭। দ্যা অরফেনেজ (স্পেন/মেক্সিকো, ২০০৭)

পরিচালকঃ জে.এ. বায়োনা

2

বায়োনার প্রথম এই ছবির অন্যতম প্রযোজক মেক্সিকান সিনেমার কিংবদন্তী গুইলারমো দেল তরো। মূলত বন্ধু বায়োনার অনুরোধেই ছবিটি প্রযোজনা করতে রাজী হন দেল তরো। গল্পটি লরা, তার স্বামী কার্লোস ও দত্তক নেয়া সন্তান সিমনকে নিয়ে। লরা তার ছোটবেলার এতিমখানাটি কিনে নেয় নতুন করে সংস্কার করার জন্য। কিন্তু ঝামেলা শুরু হয় সেখানেই যখন সিমন মুখোশপড়া থমাসের সাথে বন্ধুত্ত্ব পাতায় এবং একদিন বাড়ী থেকে হারিয়ে যায়। ক্রিটিকাল ও কমার্শিয়াল, দুই ধরনেরই সাফল্য অর্জন করা এই ছবিটির একটি রিমেকও তৈরি হয়েছে হলিউডে।
৮। স্লিপ টাইট (স্পেন, ২০১১)

পরিচালকঃ জমি বালাগুয়েরো

sleep-tight-movie-poster-2010-1020735230

স্প্যানিস এই হরর ছবিটির গল্প অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং কেয়ারটেকার সিজারকে নিয়ে। যার জীবনের একমাত্র উদ্দেশ্যই হল মানুষের ক্ষতি করা। ক্লারা নামের একজন মেয়ের জীবনকে নরকে পরিণত করে সিজার। ক্লারার বয়ফ্রেন্ড মার্কোস যখন গল্পে ঢুকে পড়ে, তখন থেকে ঘটতে থাকে উত্তেজনাপূর্ণ সব ঘটনা। অনেক সমালোচকের মতেই, রাতের ঘুম হারাম হয়ে যেতে পারে বালাগুয়েরোর এই ছবিটি দেখার পর।

৯। মার্টারস (ফ্রান্স/কানাডা, ২০০৮)

পরিচালকঃ প্যাসকেল লগিয়ের

4

নিউ ফ্রেঞ্চ এক্সট্রিমিটির সাথে যারা

পরিচিত তারা জানেন যে এই বিশেষ ধারাটি কিভাবে সামাজিক ট্যাবু, ভায়োলেন্স আর সেক্স এর মত বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেয়। সেই একই ধারার এই হরর ছবিটির গল্পে দেখা যায় দুই বন্ধু- লুসি ও আনাকে, যারা ছোটবেলায় কিডন্যাপ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিল। পনের বছর পর তার প্রতিশোধ নেয়ার জন্য তৈরি হয় ওরা, কিন্তু যাদের বিরুদ্ধে লড়াই, তাদেরকে নতুনভাবে আবিস্কার করে। হলিউডে নতুন করে রিমেকেরও চিন্তা শুরু হয়ে গেছে ছবিটি নিয়ে।

১0। জুলিয়া’স আইজ (স্পেন, ২০১০)

পরিচালকঃ গুইলেম মোরালেস

3

তালিকায় গুইলারমো দেল তরোর তিনটি ছবির মধ্যে এটির কথা আসবে আগে। তার প্রযোজনার এ ছবিটির গল্পে দেখা যাবে জুলিয়াকে, যার চোখের দৃষ্টি ধীরে ধীরে কমে আসছে। অন্ধ যমজ বোন সারা’র অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারন খুঁজতে গিয়ে অনভিপ্রেত অনেক কিছুর মুখোমুখি হতে হয় জুলিয়াকে। তার চারপাশে ঘটতে থাকে মৃত্যুসহ নানা ভৌতিক ব্যাপার। মোরালেসের এই ছবিটি রোটেন টমেটোজ সাইটের ‘৯৪% ফ্রেশ’ বলে মনোনীত।

১১। টুয়েন্টি এইট ডেজ লেটার (বৃটেন, ২০০২)

পরিচালকঃ ড্যানি বয়েল

index

 

জম্বিদের নিয়ে সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে নতুন একটি ধারার প্রবর্তক বয়েলের এই ছবিটি। গল্পে দেখা যায়, সমস্ত বৃটেনে একটা ভয়াবহ প্রানঘাতি ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। ২৮ দিন পর শুধু মাত্র হাতে গোনা কিছু মানুষকে বেঁচে থাকতে দেখা যায়। তারা টের পেতে শুরু করে যে শুধুমাত্র ভাইরাস তাদের জন্য একমাত্র থ্রেট নয়। ‘টুয়েন্টি উইকস লেটার’ নামে ছবিটির একটি সিক্যুয়েলও বের হয়েছে ২০০৭ এ। এম্পায়ার ম্যাগাজিনের ‘ফাইভ হান্ড্রেড গ্রেটেস্ট মুভিজ অফ অলটাইম’ এর ২০০৮ এর তালিকাতেও স্থান করে নিয়েছে ছবিটি।
১২। দ্যা ডিসেন্ট (বৃটেন, ২০০৫)

পরিচালকঃ নেইল মার্শাল

51KYYK6Y2ML

 

অধুনা সময়ে হরর ফিল্মের যতগুলো ওয়াচ লিস্ট হয়েছে সবগুলোতেই উপরের কাতারে ‘দ্যা ডিসেন্ট’। একটা ট্র্যাজিক অ্যাক্সিডেন্টের পর ছয় বন্ধু মিলিত হয় একটা প্রাচীন গুহা আবিস্কারের অ্যাডভেঞ্চারে। ঝামেলা বাঁধে যখন পাথর ধস হয়ে গুহাটা বন্ধ হয়ে যায় আর তারা বুঝতে পারে তাদের বাইরেও অন্য কেউ আছে সেই গুহার ভেতরে। মানুষখেকো কিছু হিউমনয়েডের সাথে পরিচিত হয় ওরা। নিউইয়র্ক টাইমসের মতে, গত কয়েক বছরের মধ্যে সেরা হরর ছবি এটি।

১৩। লেট দ্যা রাইট ওয়ান ইন (সুইডেন, ২০০৮)

পরিচালকঃ থমাস আলফ্রেডসন

1

সুইডিশ এই ক্লাসিক রোমান্টিক হরর ছবিটি ইউরোপের সীমানা ছাড়িয়ে সমস্ত বিশ্বেই আলোচিত ও নন্দিত হয়েছে। ‘লেট মি ইন’ নামে হলিউডে একটি রিমেকও হয়েছে। সুইডিশ ঔপন্যাসিক জন আভিদ লিন্ডভিস্ট এর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিটির প্রেক্ষাপট ১৯৮০ সালের, মূলত গল্পটি ১২ বছরের অস্কার ও তার সমবয়স্ক একজন ভ্যাম্পায়ার এলির সাথে বন্ধুত্ত্বকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। ভ্যাম্পায়ার হওয়ার কারনে

এলিকে দিনের আলো থেকে দূরে থাকা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই করতে হয়। অস্কার তাকে নানাভাবে সাহায্য করতে চায় আর এভাবেই ঘটনা এগিয়ে যেতে থাকে। প্রয়াত সমালোচক রজার এবার্ট ছবিটিকে ‘নসফেরাতু’ ও ‘নসফেরাতু দ্যা ভ্যাম্পায়ার’ এর মত ক্লাসিকের সাথে তুলনা করেছেন।

১৪। দ্যা ডেভিল’স ব্যাকবোন (স্পেন/মেক্সিকো, ২০০১)

পরিচালকঃ গুইলারমো দেল তরো

স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ছবিটির পরিচালক-প্রযোজক দেল তরো হলেও অন্যতম প্রযোজকের তালিকায় আছেন পেদ্রো আলমোদোভার। ১৯৩৯ সালের গল্পটা দশ বছর বয়সী কার্লোসের। ঘটনাচক্রে তার আশ্রয় হয় এক এতিমখানায়; যেখানে সে দেখা পায় কারম্যান ও ক্যাসেরাসের মত বন্ধুসুলভ চরিত্রদের সাথে, অন্যদিকে আছে জাসিন্টো নামের এক রাগচটা মারমুখো কেয়ারটেকার ও একটা অশরীরী আত্মা যে সবাইকে ভয় দেখিয়ে বেড়ায়। সবকিছু ছাপিয়ে দেল তরোর এই ছবিটিকে অনেক বেশী মানবিক একটা ভাবনা বলে মনে হয়।

এবং

১৫। দ্যা আদার্স (যুক্তরাষ্ট্র/ফ্রান্স/স্পেন/ইটালী, ২০০১)

পরিচালকঃ আলেজান্দ্রো আমেনেবার

MV5BMTI3NjM5ODE5Ml5BMl5BanBnXkFtZTYwMzM4OTc4._V1_SX640_SY720_

 

সর্বকালের সবচেয়ে ব্যাবসা সফল হরর ছবির তালিকায় এটি শীর্ষ কাতারে। নিকোল কিডম্যান অভিনীত দুর্দান্ত এই ছবিটির প্রধাণ চরিত্র- এক ক্যথলিক মায়ের, যে তার ছেলে-মেয়ে সহ এক দুর্গম বৃটিশ কান্ট্রি হাউজে বাস করছে, যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মাত্র শেষ। সন্তানদের দুজনেরই বিশেষ এক অসুখ আছে যার কারনে তারা সূর্যের আলোর সামনে যেতে পারেনা। কিছুটা আগন্তুকের মতন নতুন তিনজন কাজের লোক বাড়ীতে আসার পর থেকে ঘটতে থাকে সব ভয়ংকর ঘটনা।

 

এই পোস্টটিতে ৩৭ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Lukman Ahmed says:

    If you like this genre definitely you got a good taste of movie!

  2. Anamul Hoque says:

    Vai koiya dimo television er epesode gola miss kori. Agermoto commedy post r paina ken

  3. genre *জনরা…সংশয় থাকলে গুগল করে দেখেন :3

  4. If U can plz watch “Insidious” Chapter-1,2 n 3…
    U’ll defntly bound 2 add these movies in d list

  5. Golam Maruf says:

    ভাই আপনি নিশ্চয়ই স্টিফেন কিং এর থিনার মুভিটি দেখেননি? এই মুভিটি দেখার পরে নিশ্চিত আপনার সেরা তালিকায় থাকবে।

  6. MK Bappy says:

    সব মুভিগুলো আপনারা এই লিং থেকে দেখতে পারবেন http://latestmoviesweb.com/category/horror/

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন