Interstellar: Review and Explanation
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

 

স্পয়লার এলার্ট এর আগ পর্যন্ত এটি পুরোপুরি পার্সোনাল এবং স্পয়লার ফ্রি রিভিউ

ছোটবেলা থেকেই সাইন্সের প্রতি একটা আলাদা আকর্ষণ ছিলো। বাচ্চাকালে অ্যাস্ট্রনমির উপর একটা বই প্রায় মুখস্থ করেছিলাম, সিক্সে থাকতেই  এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ টাইম ছিলো ফেভারিট। নাইনে উঠার পরে নিজের পড়া বাদ দিয়ে প্রায়ই আপুর কলেজের ফিজিক্স বইয়ের মডার্ন ফিজিক্স পার্টটা পড়তাম। বন্ধের সময় অসংখ্য মুভির পাশাপাশি সাইন্সের উপর প্রচুর ডকুমেন্টারিও দেখতাম। তাই যখন শুনলাম আমার মোস্ট ফেভারিট ডিরেক্টর ক্রিস্টোফার নোলান এই অ্যাস্ট্রোফিজিক্স নিয়েই মুভি বানাবেন, নড়ে চড়ে বসলাম। যমুনায় ব্লকবাস্টার সিনেমা তে আসার পর যত দ্রুত সম্ভব দেখতে গেলাম। সত্যি কথা, ডিরেকশন-অ্যাকটিং-স্কোর-সিনেমাটোগ্রাফি প্রত্যেকটাতে ১০/১০ রেট করতে কার্পণ্য করবো না। তাছাড়া প্রয়োজনীয় জায়গায় অসম্ভব নিখুঁত ডিটেইলস, অ্যাকুরেসির সাথে সাথে মুভির স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় জায়গায় কমপ্লেক্স সাইন্স টেনে না আনা বা ফিকশনের সাহায্য নেওয়া এসব শুধু নোলানের পক্ষেই সম্ভব। হলে সাউন্ড মিক্সিং এর সমস্যা ও সাবটাইটেল ছাড়া দেখে কিছু কী পয়েন্ট মিস করেছিলাম যার জন্য পরদিনই হল প্রিন্টে আবার দেখি, দেখে ঠিকঠাক ভাবে বুঝতে পেরে বুঝলাম কি একটা মাস্টারপিস নোলান সৃষ্টি করেছেন !

 

 

মুভিটাকে সাই ফাই হিসেবে বুঝার চেষ্টা না করে ড্রামা হিসেবে দেখলেই বেশি এনজয়েবল হবে। কারণ এখানে হিউম্যান ইমোশনকে অনেক ক্ষেত্রেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এমনকি কিছু কিছু ক্ষেত্রে নোলান ড্রামার স্বার্থে সাইন্স অগ্রাহ্য করে গেছেন। তাই শেষ পর্যন্ত ইন্টারস্টেলার সাই-ফাই এর চেয়ে বেশি একটি ড্রামা, যা ভালবাসা সম্পর্কে অনেক রোমান্টিক মুভির চেয়েও সুন্দর মেসেজ দেয়। পুরো মুভিতে যতগুলো শক্তিশালী ডায়ালগ আছে, আমার কাছে অন্যতম সেরা মনে হয়েছে এটি…

I’m in love and want to follow my heart. But maybe we’ve spent too long trying to figure all this out with theory. So listen to me when I say that love isn’t something we invented. It’s observable, powerful. It has to mean something. Love has meaning, We love people who have died. Where’s the social utility in that? None.

Maybe it means something more — something we can’t yet understand. Maybe it’s some evidence, some artifact of a higher dimension that we can’t consciously perceive. I’m drawn across the universe to someone I haven’t seen in a decade who I know is probably dead. Love is the one thing that we’re capable of perceiving that transcends dimensions of time and space. Maybe we should trust that, even if we can’t understand it.

 

মুভির সাউন্ডট্র্যাক নিয়ে কিছু না বললেই নয়। কিছু কিছু মিউজিক মানুষের ইমোশন নিয়ে খেলা করে, একই সাথে বিভিন্ন ধরনের ফিলিংস আনতে পারে, স্নায়ুর উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এমনই এক স্কোর হল অস্কার জয়ী কম্পোজার হ্যান্স জিমার এর করা ইন্টারস্টেলারের মিউজিক যিনি আগেও নোলানের সাথে কাজ করেছেন ইনসেপশন, ডার্ক নাইটে এবং আপনাদের অবশ্যই মনে আছে কি ভয়াবহ সুন্দর এক সৃষ্টি ছিলো সেই মিউজিকট্র্যাক :)

 

ইন্টারস্টেলারের কাস্ট আমাকে এর ব্যাপারে আরও উৎসাহিত করে তুলেছিলো। ট্রু ডিটেকটিভের রাস্ট চরিত্রে ডুবে থাকতে থাকতেই ম্যাথিউ হাজির হল কুপার চরিত্রে, সাথে আমার অন্যতম ফেভারিট অ্যান হ্যাথাওয়ে কে নিয়ে :) আর ম্যাকেঞ্জি ফয় কে আগে না দেখলেও এই কিউটনেসের ডিব্বা যে বড় হয়ে আমার আরেক ক্রাশ জেসিকা চ্যাস্টেইনে পরিণত হবে সেটা তো ধারণা করাই যায়! 😀

 

 

Cast of Interstellar with director Christopher Nolan

Cast of Interstellar with director Christopher Nolan

 

 

নোলানের ডিরেকশন নিয়ে কিছু বললেও তাকে ছোট করা হবে। তার চেয়ে সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে বলি। অসম্ভব ভালো লেগেছে ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল গুলো। স্পেশালি ভেহিক্যাল এ মাউন্টেড ক্যামেরা সিন গুলো দেখতেই ভালো লাগে। আর ডকিং সিন এ ক্যামেরার কাজ ও মিউজিক যদি আপনার গায়ের সবগুলো রোম দাঁড় করিয়ে না দেয়, ঘাম ছুটিয়ে না দেয় তাহলে মুভিটা কতটুকু অ্যাপ্রিশিয়েট করতে পারবেন বলতে পারবো না 😛

 

তারপরও বেশ কিছু অ্যাসপেক্ট সায়েন্স বেজড হওয়ায় অনেকে পারসিভ করতে পারেননি। এখানে মুভির প্লট এর আমি নিজে থেকে যতটুকু বুঝতে পেরেছি এরকম একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হল। :)

 

স্পয়লার এলার্ট!!! যেহেতু পুরো কাহিনীর ব্যাখ্যা, অবশ্যই গারগান্টাম লেভেলের স্পয়লার থাকছে, মুভি দেখা না হয়ে থাকলে পড়ার আগে দেখার জন্য পরামর্শ দিবো 

 

নোলানের মুভি সিম্পল লিনিয়ার হবে এমন আশা করাটাও মনে হয় ভুল :p ইন্টারস্টেলার আমার কাছে প্যারালেল নন-লিনিয়ার মনে হয়েছে (যদিও এই নামে কিছু আছে কিনা সন্দেহ 😛 ) কিছু কিছু ঘটনা আগে ঘটে, আর কিছু কিছু একই সাথে ঘটে। লিনিয়ারলি ঘটনাটা বর্ণনা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো।

 

মানুষ ডেভেলপড হতে হতে এমন এক অবস্থায় পৌছে যখন তারা ৪ ডিমেনশনাল বিইংস থেকে ৫ ডিমেনশনাল বিইং এ পরিণত হয়। ৫ডিবি রা টাইমকে একটা মাত্রা হিসেবে দেখতে পায় সো তারা যেকোন সময়ে নেভিগেট করতে পারে। এই ৫ ডিমেনশনাল হিউম্যান বিইংরাই হলো THEY!

 

( ৫ ডিমেনশন ব্যাপারটা অনেকটা এমন। মানুষের যেকোন ঘটনার সকল অবস্থা জানার জন্য জানতে হয় তিনটা স্পেস কো-অর্ডিনেট (কোথায়) আর একটা টাইম কো-অর্ডিনেট (কখন)। এজন্য মানুষ (এবং সকল প্রানী) ৪ডিবি। তারা স্পেসের যেকোন পয়েন্টে নেভিগেট করতে পারলেও শুধুমাত্র প্রেজেন্টে সীমাবদ্ধ, তারা টাইমের অতীত বা ভবিষ্যৎ এ নেভিগেট করতে পারে না।

 

কিন্তু ৫ডিবি দের কাছে টাইমও একটা ফিজিক্যাল ডিমেনশন। It’s like you can see all the events laid out in front of you, you can see your birth, your school life, your marriage, your death.. সো ৫ডিবি রা শুধু বর্তমানে সীমাবদ্ধ না, তারা যেকোন টাইমে নেভিগেট করতে পারে। দেখুন Neil Degrasse Tyson এর ব্যাখ্যা।)

 

মানুষ যতদিনে ৫ডিবি হয় ততদিনে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়, তাই তারা অন্য কোন গ্যালাক্সী তে অবস্থান করে। কিন্তু তারা এই অন্য গ্যালাক্সী তে আসতে হলে কোন একটা ওয়ে লাগবে যেই ওয়ে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগ পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নাই। তো এখন পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার আগেই যাতে মানুষ অন্য কোন গ্যালাক্সী তে আশ্রয় নিতে পারে তাই ফিউচার ৫ডিবি মানুষ টাইম নেভিগেশনের মাধ্যমে সাহায্য পাঠায়। এই সাহায্য হলো ওয়ার্মহোল, ব্ল্যাকহোলের টেসার‍্যাক্ট, ইত্যাদি ।

 

ওয়ার্মহোল হলো এক ধরনের কোয়ান্টাম অ্যানোমালি। কোয়ান্টাম লেভেলে দেখা যায় ইলেক্ট্রন কোন সময় অতিক্রম না করেই এক জায়গা থেকে অনেকটা লাফ দিয়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে পারে। এই কনসেপ্টটাকেই ওয়ার্মহোল বলে। ওয়ার্মহোল ম্যাসিভ আকারে সৃষ্টি করা সম্ভব হলে আলোকবর্ষ দূরবর্তী দুই স্থান প্রায় কোন সময় ব্যাতিরেকেই অতিক্রম করা সম্ভব।

 

Wormwhole

 

 

আর টেসার‍্যাক্ট টা একটু কমপ্লেক্স জিনিস। কাগজের উপর আকা একটা স্কয়ার কে থ্রিডি তে কনভার্ট করলে যেমন কিউব হয়, তেমনি কিউবকে ৪ডি তে কনভার্ট করলে হয় টেসার‍্যাক্ট)

Tesseract

 

 

ওয়ার্মহোল সৃষ্টি আর স্ট্যাবল রাখতে যেই হিউজ পরিমাণ এনার্জি এবং ডার্ক এনার্জি প্রয়োজন তার জন্য এটা ন্যাচারালি সৃষ্টি হওয়া সম্ভব না। কিন্তু ৫ডির মানুষ ওয়ার্মহোলকে স্ট্যাবল করার ওয়ে আবিষ্কার করেছে। এবার তারা একটা ওয়ার্মহোল সৃষ্টি করে ওয়ার্মহোলের এক এন্ড আমাদের সৌরজগতে শনির কাছাকাছি, অপর এন্ড ফিউচার মানুষ যেখানে থাকবে সেই গ্যালাক্সী তে স্থাপন করে।

 

তো এবার লাগবে পৃথিবীর মানুষ গুলোকে নতুন জায়গায় ট্রান্সফার করা। এর জন্য তারা বেছে নেয় মার্ফ কে। মার্ফ এর বাবা কুপার একজন নাসা ইঞ্জিনিয়ার ও পাইলট, মার্ফও এক্সেপশনালি বুদ্ধিমান।

 

পুরো জিনিসটা একটা প্যারাডক্স। অনেকটা গ্র‍্যান্ডফাদার প্যারাডক্সের মত। যদি কোনভাবে আপনি পাস্টে গিয়ে আপনার বাবা জন্মের আগেই দাদা কে মেরে ফেলেন, তাহলে তো আপনার দূরের কথা, আপনার বাবারই জন্ম হচ্ছে না। তাহলে আপনার দাদাকে মারল কে? অনেকটা এরকমই, ফিউচার মানুষ পাস্টে এসে এমন কাজ করছে যা না করলে ফিউচার মানুষ হতো না। ব্যাপারটা ‘ব্যাক টু দ্য ফিউচার’ দেখে থাকলে স্পষ্ট হওয়ার কথা। যখনই স্পেস-টাইম কন্টিনিউয়াম ডিসরাপ্ট হচ্ছে তখনই ঘটনাটা অন্য একটি মালটিভার্সে স্থানান্তর হচ্ছে। তাই যতক্ষণ স্পেস-টাইম কন্টিনিউয়াম ঠিক রেখে সব কাজ করা হচ্ছে ততক্ষণ কোন ডিজাস্টার হচ্ছে না। ব্যাপারটা স্টিফেন হকিং তার ক্রনোলজি প্রোটেকশন কনজেকচার থিওরী তে বলেছেন। আর মুভিটিতে আরেকটি বিশেষ বিষয় দেখানো হয়েছে। লিনিয়ারলি চিন্তা করলে আগে ঘটনা ঘটছে, পরে কারন ঘটেছে। কিন্তু যদি ৫ম ডিমেনশন হিসেবে চিন্তা করা হয়, তাহলে দেখা যায় এখানে স্পেস আর টাইম একত্রে বাধা নেই। সকল ঘটনা একই সাথে ঘটছে, প্যারালেল ভাবে। তাই কোন ঘটনা যেই সময়েই ঘটুক না কেনো, এর ফাংশন হিসেবে অতীত বা বর্তমান যেখানেই অন্য কোন ঘটনা রয়েছে তা চেঞ্জ হচ্ছে।

 

মার্ফের বুকশেলফ থেকে মোর্স কোডে সংকেত আসে ‘STAY’ যা পাঠায় মার্ফের বাবা কুপার, ফিউচার ৫ডিবি হিউম্যান এর সৃষ্ট এক ৫ডি টেসার‍্যাক্ট থেকে। কেননা কুপার টেসার‍্যাক্ট এ ঢুকে প্রথমেই ভাবে সে এখানে চিরজীবনের জন্য আটকা পড়ে গেছে এবং যদি পাস্ট কুপার এই মিশনে বের না হতো তাহলে কিছুই হতোনা। এরপর কুপার বুঝতে পারে টেসার‍্যাক্ট এর ক্ষমতা। টেসার‍্যাক্ট টা একটা ৫ডি মডেল, সো সে যেকোন টাইমে নেভিগেট করতে পারবে। তাছাড়াও সে টার্স এর সাথে কন্টাক্ট করতে পারছে। পুরো টেসার‍্যাক্ট টা স্ট্যাবল করার জন্য ইনফিনিট এনার্জি প্রয়োজন, তাই তা ব্ল্যাক হোলের ভিতরে সৃষ্টি করেছে ৫ডি মানুষ। টার্স ব্ল্যাক হোল থেকে গ্র্যাভিটি ইকুয়েশন সলভের জন্য সিংগুলারিটির সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন পেয়েছে, যা সে কুপারকে মোর্সে কনভার্ট করে দিচ্ছে আর কুপার মার্ফকে দেওয়া ঘড়ির সেকেন্ডের কাঁটা নিয়ন্ত্রণ করে পাঠাচ্ছে। (শার্লকের ডিডাকশন, “Beats like digits. Every beat is one, every rest is zero. Binary Code এর মতই Morse Code. Every beat is dot, every rest is dash)

 

(এজায়গায় বলা দরকার, গ্র‍্যাভিটি একমাত্র ফোর্স যা স্পেস-টাইম ফ্র‍্যাব্রিক বেন্ড করতে পারে এমনকি স্পেস-টাইম কন্টিনিউয়াম অতিক্রম করে এক ডিমেনশন থেকে অন্য ডিমেনশন এ প্রভাব ফেলতে পারে। স্পেস-টাইম কন্টিনিউয়াম মাল্টিভার্স থেকে থাকলে আমরা কখনো অন্য ইউনিভার্স দেখতে পারবো না তবে গ্র‍্যাভিটেশনাল পুল ডিটেক্ট করতে পারবো। এজন্যই কুপার কন্ট্যাক্ট এর জন্য গ্র‍্যাভিটিকে ইউজ করে।

TARS- You’ve seen that time is represented here as a physical dimension. You have worked out that you can exert a force across space-time.

COOPER- Gravity to send a message. Gravity… can cross the dimensions, including time.)

 

 

মার্ফ কুপারের কাছ থেকে সিংগুলারিটির ডাটা আর রোমিলির ব্ল্যাক হোল এর ডাটা সব মিলিয়ে গ্র‍্যাভিটি ইকুয়েশন সলভ করে, যা প্রফেসর ব্র‍্যান্ড শুরু করেছিলো। গ্র‍্যাভিটি ইকুয়েশনের মাধ্যমেই গ্র‍্যাভিটি কে কাজে লাগিতে ম্যাসিভ ওজনের কুপার স্টেশন আর পৃথিবীর মানুষ কে পৃথিবী থেকে মানুষের নিউ হোম এর দিকে যাত্রা শুরু করে।

 

এদিকে যেই মাত্র কুপার মার্ফকে গ্র‍্যাভিটি ইকুয়েশনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ইনফো পাঠানো শেষ করে সেই মাত্র টেসার‍্যাক্টের উদ্দেশ্য পূর্ণ হয় আর ৫ডি রা টেসার‍্যাক্ট ক্লোজ করে দেয় এবং কুপার ও টার্সকে ওয়ার্মহোল দিয়ে শনির কাছে ফেরত পাঠায়। (কুপার ওয়ার্মহোল অতিক্রম করার সময় ‘দ্যা ফার্স্ট হ্যান্ডশেক করে :p)

 

COOPER- Did it work?

TARS- I think it might have.

COOPER- How do you know?

TARS- Because the bulk beings are closing the tesseract.

COOPER- Don’t you get it yet, TARS? They’re not “beings.” They’re us. What I’ve been doing for Murph, they’re doing for me. For all of us.

TARS- Cooper, people couldn’t build this.

COOPER- No. No, not yet. But one day. Not you and me. But people. A civilization that’s evolved past the four dimensions we know.

 

 

আর মার্ফরা কুপার স্টেশন নিয়ে শনি অতিক্রম করার সময় রেঞ্জার রা কুপারকে খুজে পায় ও উদ্ধার করে :)

 

বলে রাখা ভালো, ওয়ার্মহোল এখন পর্যন্ত শুধু কোয়ান্টাম লেভেলেই সম্ভব। ব্ল্যাক হোল আবিষ্কার হলেও এর ইভেন্ট হরাইজনের ভিতরের কোন ইনফরমেশন পাওয়া সম্ভব হয়নি। এন্ডিং এর টেসার‍্যাক্ট পার্ট যে পুরোপুরি ফিকশন এটা মে বি না বললেও চলে। ৫ ডিমেনশন এখন পর্যন্ত শুধু থিওরীতেই রয়েছে। স্ট্রিং থিওরী ৯ ডিমেনশনের কথাও বলে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন কিছুই সায়েন্টিফিক্যালি প্রুভড না। হয়তো ‘তারা’ এসব প্রশ্নের জবাব দিবে :3

 

কুপার-মার্ফের বয়স নিয়ে সমস্যাঃ

 

যখন সে পৃথিবী ছাড়ে তখন ৪৪

শনি পর্যন্ত যেতে ২ বছর (মোট ৪৬)

মিলার’স প্ল্যানেটে ২৩ বছর (মোট ৬৯)

এডমান্ড’স প্ল্যানেটে যাওয়ার সময় গারগানচুয়া দিয়ে স্লিংশট করতে ৫১ বছর (মোট ১২০)

 

মোট হিসাবটা পৃথিবীতে অতিক্রান্ত সময়। কিন্তু যেহেতু কুপার ম্যাসিভ অবজেক্ট (গারগানচুয়া ব্ল্যাক হোল) এর গ্র্যাভিটেশনাল পুল এ পড়েছিলো, তাই সময় তার জন্য স্লোলি অতিক্রম হয়েছে থিওরী অফ রিলেটিভিটি অনুযায়ী রিলেটিভ ভেলোসিটি বা ম্যাসিভ ম্যাস উভয়েই স্পেস-টাইম ফ্যাব্রিক বেন্ড করতে পারে।)

তাই মিলার’স প্ল্যানেটে যেখানে পৃথিবীর হিসেবে (বা গারগানচুয়ার প্রভাব মুক্ত এন্ডুরেন্স, যেখানে রোমিলি রয়ে যায় গবেষণার জন্য) ২৩ বছর কেটেছে সেখানে তার জন্য মাত্র ৩ ঘন্টা অতিক্রম হয়েছে, একই ভাবে গারগানচুয়ার স্লিংশটের সময় তার মাত্র ৭ ঘন্টা লেগেছে অথচ পৃথিবীতে তখন ৫১ বছর কেটেছে। অর্থাৎ তার বয়স (৪৪+২) বা ৪৬ বছর যখন সে কুপার স্টেশনে পৌছে, কিন্তু মার্ফের বয়স (১২+২+২৩+৫১) বা ৮৮ বছর।
(এডিটঃ পোস্ট পাবলিশের পরে রিয়েলাইজ করলাম, গারগানচুয়ার স্লিংশটের জন্য সময় মিলার’স প্ল্যানেটের চেয়ে বেশি লেগেছে মনে হয়নি, কমই মনে হয়েছে। সে হিসেবে মিলার’স প্ল্যানেটে ~৩ ঘন্টা আর গারগানচয়ার স্লিংশটে ৭ ঘন্টা হওয়া উচিত না। আসলে হয়েছেও তাই, গারগানচুয়ার ক্ষেত্রে পুরো ব্যাপারটিতে বেশি হলে ১ ঘন্টা লেগেছে, সে হিসেবে গারগানচুয়ার কাছে প্রতি ঘন্টা পৃথিবীর হিসেবে ~৫১বছর! থিওরী অফ রিলেটিভিটি অনুযায়ীই এটি ঠিক আছে। কোন অবজেক্ট এর ম্যাস (বা ভেলোসিটি) যত বেশি হয়, তা স্পেস-টাইম ফ্যাব্রিক তত বেশি বেন্ড করতে পারে। আবার অবজার্ভার ম্যাসিভ অবজেক্টের যত কাছে থাকবে (অর্থাৎ অবজার্ভারের উপর ম্যাসিভ অবজেক্টের গ্রাভিটেশনাল পুল যত বেশি হবে), অবজার্ভারের জন্য টাইমও তত বেশি ধীরে চলবে। Into The Universe with Stephen Hawking এর দ্বিতীয় এপিসোড, টাইম ট্র্যাভেলে এই ব্যাপারটা খুব সুন্দর করে দেখানো হয়েছে। দেখুন এখানে। )

 

 কিছু সাধারণ প্রশ্নঃ

ড. ম্যান কেনো কুপার কে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিলো?

– ম্যানের কথা থেকে বুঝা যায় সে প্ল্যান এ যে সফল হবে না বা সফল করা সম্ভব না তা ধরেই নিয়েছিলো। কিন্তু অন্যরা প্ল্যান এ কেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছিলো। এমন অবস্থায় যদি অন্যদের ইমোশন কে প্রশ্রয় দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে হয়তো প্ল্যান বি-ও ফেইল হবে। তাছাড়া ড. ম্যানের প্লানেট সারভাইবেবল না, এখানে ক্যাম্প করে লাভ হতো না। সে চেয়েছিলো এমব্রায়ো গুলো নিয়ে এডমান্ড’স প্ল্যানেটে যেতে। কিন্তু কুপার চেয়েছিলো ম্যানের প্ল্যানেটে ক্যাম্প সেট করে পৃথিবীতে ফিরে যেতে এবং তা করলে এডমান্ডের প্ল্যানেটে প্ল্যান বি এক্সিকিউশন সম্ভব হতো না। স্বাভাবিক ভাবেই সে ফর দা গ্রেটার গুড কুপার কে মেরে ফেলতে চেয়েছিলো

 

– ব্ল্যাক হোলে কি এমন সিঙ্গুলারিটি ইনফরমেশন রয়েছে যা গ্র্যাভিটি ইকুয়েশনের জন্য দরকার?

– ব্ল্যাক হোলের একদম সেন্টার কে সিঙ্গুলারিটি বলা হয়। ব্ল্যাক হোলের ইভেন্ট হরাইজনের অভ্যন্তরে কি রয়েছে তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। ধারণা করা হয় ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরে ফিজিক্সের চিরায়ত সূত্র ফেল করে। এমনকি এমন ধারণাও করা হয় যে ব্ল্যাক হোলের অভ্যন্তরে অন্য ইউনিভার্স থাকতে পারে। ভিতরে কি আছে জানা গেলে এবং তার পিছনের ফিজিক্স জানা গেলে গ্র্যাভিটি কিভাবে কাজ করে বা গ্র্যাভিটি কে কিভাবে হার্নেস করা সম্ভব জানা যেতে পারে। তবে ইন্টারস্টেলারে ব্ল্যাক হোলের ভিতরে যা দেখানো হয়েছে তা সবই ফিকশন। সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যা না খুজাই ভালো :)

 

 

 

আমার অন্যতম ফেভারিট মুভি স্ট্যানলি কুবরিকের ‘২০০১: আ স্পেস অডিসি’ (১৯৬৮)। ইন্টারস্টেলার বেশ কিছু দিক থেকেই এর থেকে অনুপ্রাণিত, আবার বেশ কিছু ক্ষেত্রে ট্রিবিউট প্রকাশও করেছে। ২০০১ যেমন কুবরিকের লিগ্যাসি, আমার ধারণা ইন্টারস্টেলারও নোলানের লিগ্যাসি হয়ে থাকবে! হ্যাপি ওয়াচিং :)

 

 

 

written by- Shaer Ahmed

View original post

 

Interstellar (2014)
Interstellar poster Rating: 9.4/10 (7,757 votes)
Director: Christopher Nolan
Writer: Jonathan Nolan, Christopher Nolan
Stars: Matthew McConaughey, Anne Hathaway, Wes Bentley, Jessica Chastain
Runtime: 169 min
Rated: PG-13
Genre: Adventure, Sci-Fi
Released: 07 Nov 2014
Plot: A group of explorers make use of a newly discovered wormhole to surpass the limitations on human space travel and conquer the vast distances involved in an interstellar voyage.

এই পোস্টটিতে ৯ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. ইন্টারস্টেলার মুভিটি নিয়ে অনেক সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যাই পড়েছি। আপনার লেখা এই পোস্টটি হচ্ছে এখন পর্যন্ত পড়া সবচে সুন্দর ও গোছানো সায়েন্টিফিক ব্যাখ্যা। অসাধারণ লিখেছেন। ৩ বার দেখেছি। আরও কম করে হলেও ১৫ বার দেখবো সিনেমাটি। আপনি সায়েন্সকে খুব সুন্দর করে বোঝাতে পারেন, এই জিনিসটা সবার মাঝে থাকে না। আপনি চালিয়ে যান। :) আরও দারুণ দারুণ লেখা লিখে যান।

  2. Barney says:

    আপনার কাছে আরো এমন চমৎকার লেখা পাবো আশা করি… :)

  3. mahabub123mahabub123 says:

    টেক্সই যুক্তিপূর্ণ লেখা।
    মুভিটা দেখেছি কিন্তু পুরো ব্যাপারটা ধরতে পারিনি। বাংলা সাবটাইটেল সহ দেখলে হয়তো বুঝতে পারতাম।
    তবুও আপনার রিভিউ পড়ে অনেক বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে।

    দারুন লেখার জন্য দারুন একটি ধন্যবাদ :p

  4. অনেক ভালো লাগছে রিভিউটা পড়ে ৷ অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া৷ আমি এটা শেয়ার দিছি , ব্রেকেটে আপনা্র নাম লিখে দিয়েছি৷

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন