Dude I almost Had You- Happy Birth day Paul Walker
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0


পুরো নাম পল উইলিয়াম ওয়াকার,যিনি আমাদের কাছে পল ওয়াকার নামে পরিচিত।জন্ম ১৯৭৩ সালের ১২সেপ্টেম্বর,ক্যালিফোর্নিয়ার গ্লেন্ড্যাল শহরে।

ছোটবেলা থেকেই মডেলিং এর দিকে ঝুঁকে পরলেও খেলাধুলার প্রতি অধিক মনোযোগী ছিলেন বিশেষ করে সার্ফিং।ছোটকাল থেকেই টিভি কমার্শিয়াল
গুলোতে কাজ করলেও ১৯৮৫ সালে মাত্র ১২বছর বয়সেই টিভি সিরিয়ালে কাজ শুরু করেন এবং এর পরের বছরই অর্থাৎ ১৯৮৬ সালে ১ম সিনেমা জগতে পা রাখেন।কিছুটা কমেডি হরর ধাচের মুভি মনস্টার ইন দি ক্লোজেট এর মাধ্যমে তার সিনেমায় পথ চলা শুরু হয়। তবে এরপর তিনি আবারো টিভি প্রোগ্রাম গুলোতে কাজ শুরু করেন এবং বেশ কিছু কাজের পর তিনি সবার নজরে চলে আসেন।

তবে দীর্ঘদিন বিরতি দিয়ে তিনি আবারও ১৯৯৮ সালে সিনেমায় ফিরে আসেন। পর পর ৩বছরে ৬টি ছবিতে অভিনয় করেন যার অন্যতম ছিল Varsity Blues
ব্যাবসা সফল ছবি versity blues এ লেন্স হারবর চরিত্র টি দিয়ে পরিচিত হয়ে ওঠেন।

তবে পলের জীবনের সবচেয়ে টারনিং পয়েন্ট ছিল ২০০১ সালে ভ্যান ডিজেল এর সাথে বিখ্যাত মুভি সিরিজ ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াসের ১ম পার্টে চুক্তিবদ্ধ হওয়া
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস এর ব্রায়ান ‘ও’ কনার চরিত্র দিয়ে তিনি দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন .ছবিতে গাড়ির বিভিন্ন ধরনের বিপজ্জনক কসরত তিনি নিজেই সম্পন্ন করতেন।
যেটা তার ক্যারিয়ারের এখন পর্যন্ত হিট মুভি এবং এর মাধ্যমেই তিনি খ্যাতির
শীর্ষে পৌঁছেন সেই সময় মুভির আয় ছিল প্রায় ২০০মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এর পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি।একে একে উপহার দিয়েছেন fnf সিরিজের মুভি সহ আরও কিছু একশন, ক্রাইম ঘরানার মুভি যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল Into the Blue, Noel, Running Scared.

Running Scared এর কথা আলাদা করে বলতেই হয়, মুভিটিতে পল
একজন অপরাধ সংঘের সাথে মিলে অপরাধের পর এর প্রমান গায়বের কাজে নিয়জিত থাকেন। fnf সিরিজের পর পলের সবচেয়ে পছন্দের মুভি হল Running Scared
এবং আরেকটা ২০০৬ সালে মুক্তি পাওয়া এডভেঞ্চার ধাঁচের মুভি Eight Below, এই মুভিতে পলের অনবদ্য অভিনয় আপনাকে বাধ্য করবে তার
একজন ভক্ত বনে যেতে। আর এই জন্যই হয়তো ঠিক পরের বছরই তার জায়গা হয় Flags of Our Fathers এর মত মুভিতে।

পল ওয়াকার সান্তা বারবারা, ক্যালিফোর্নিয়ায় বাস করত এবং তার একটি পোষা কুকুর ছিল ।তিনি তার বান্ধবী রেবেকা এবং মেয়ে Meadow থাকত । তার প্রথম আকর্ষণ ছিল সামুদ্রিক জীববিদ্যা।
তিনি ২০০৬ সালে বিলফিশ ফাউন্ডেশনের পরিচালনা বোর্ডে যোগদান করেন। তিনি জীবনে একটি স্বপ্ন পূরণ করেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল এ ‘এক্সপিডিশন গ্রেট হোয়াইট’ সিরিজ একটি চরিত্রে অভিনয় করে, যা জুন ২০১০ সালে প্রিমিয়ার হয়েছিল
এ পর্যন্ত তিনি ৩০টি চলচ্চিত্র এবং ১১টি ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। ২০০৩ সালে তিনি টু ফাস্ট টু ফিউরিয়াস ছবিটির জন্য ‘টিন চয়েস অ্যাওয়ার্ড’ পান। এ ছাড়া তিনি জো রাইড, ইনটু দি ব্লু এবং টাইম লাইন ছাড়াও আরও কয়েকটি ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর জীবনে শেষ দুটি ছবি হলো আওয়ার্স ও ব্রিক ম্যা্নসন


এবার আসি একজন ভিন্ন পল ওয়াকারের কথায়।মানুষ হিসেবেও তিনি ছিলেন বিশাল মনের।তিনি অভিনয় এর পাশাপাশি নিজের একটি হেল্প ফাউন্ডেশন চালাতেন যেটার নাম রিচ আউট ওয়ার্লড ওয়াইড। https://web.facebook.com/reachoutworldwide/

এই প্রতিষ্ঠানের কাজ হলো বিভিন্ন সুবিধা বঞ্চিত মানুষ এর পাশে দাঁড়ানো। ২০১০ সালে হাইতির ভূমিকম্প ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য তার সাহায্য হাত বাড়িয়ে দেন।

আমি এই মানুষ টাকে প্রথম দেখি ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস এর প্রথম পর্বে দেখেই কেন জেন অনেক বেশি ভাল লাগে।সেই থেকে আমি তার একজন ডাই হার্ড ফ্যান হয়ে যাই।নীল চোখ কথা বলার স্টাইল,অদ্ভুত একটা Attitude ছিল।

Santa Clarita, CA – Tyrese Gibson, “Fast & Furious” co-star and friend to Paul Walker breaks down in tears during his emotional visit to the site of the tragic car accident in Santa Clarita. A crowd of media and mourners remained silent as Tyrese paid tribute with flower. He later tweeted, “At least I got to say I love you… #OurLastExchange but our laughs and moments will live forever…”AKM-GSI December 1, 2013To License These Photos, Please Contact :Steve Ginsburg(310) 505-8447(323) [email protected]@akmgsi.comorMaria Buda(917) [email protected]@gmail.com


তবে সামটাইমস লাইফ ইজ সো আনফেয়ার,সবসময় হাসি মুখে থাকা মানুষ টি আমাদের মাঝে নেই আজ চার বছর। আমার কেন যেন এখনো এটা বিশ্বাস হয় না।

তার একটি বিখ্যাত উক্তি ছিল ইফ ওয়ান্ডে স্পিড কিলস মি ডু নট ক্রাই বিকজ আই ওয়াজ স্মাইলিং।সেটাই ভয়াবহ সত্যি হয়ে আসল

২০১৩ সালের ৩০শে নভেম্বর এক সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারান এই হলিউড অভিনেতা।
ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস এ এক সংগে অভিনয়ের শুবাদে ভিন ডিজেলের সংগে খুব ভাল বন্ধুত্ব্ব হয়।তারা ভাই এর চেয়ে কোন দিক দিয়েই কম ছিলেন না।পল এর প্রতি শ্রদ্ধা স্বরুপ তিনি তার মেয়ের নাম রাখেন পলিন

মৃত্যুর আগে তার সর্বশেষ ছবি ছিল Hours আর ২০১৪ এর ২ মে মুক্তি পায় ব্রিক ম্যানশন মুভিটি

দ্বীর্ঘ দিন মনে থাকবে তোমায়।আমার কাছে হয়ত আজীবন।যেখানেই থাকুন ভাল থাকুন।
পল ওয়াকার,হিথ লেজার,সালমান শাহের মত লিজেন্ডরা হারায় না। তারা বেচে থাকে তাদের রেখে যাওয়া অসংখ্য ভক্তের হৃদয়ে।অনেক মিস করি তোমায় পল 🙁

জন্মদিনে রইল অনেক ভালবাসা

Its never goodbye

No matter where you are, whether it’s a quarter-mile away or halfway around the world, you’ll always be with me and you’ll always be my brother <3

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন