ঈদ উল আযহার সেরা ১৫টি নাটক ও টেলিফিল্ম
Share on Facebook857Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

                                    ★★★ঈদের সেরা ১৫টি নাটক ও টেলিফিল্ম নিয়ে সাজানো হয়েছে পোস্ট টি★★★

ঈদ উল আযহায় আয়োজিত নাটক ও টেলিফিল্ম গুলোর মধ্যে এবারে প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো ছবিয়াল টিমের আয়োজিত ভাই-ব্রাদার্স এক্সপ্রেসের নাটকগুলো। অনলাইনেও রিলিজ হয়েছে দারুণ কিছু কন্টেন্ট নির্ভর কাজ। এছাড়াও বেশ কিছু নাটক আলোচিত কিংবা তুলনামূলক আড়ালে পড়ে যাওয়া দারুণ কিছু কাজ আছে। এগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত পছন্দ। বিশেষজ্ঞ বা পছন্দের বিচারে এতে দ্বিমত থাকতেও পারে। তবুও আমার পছন্দের সেরা কাজগুলো আপনাদের মাঝে পরিবেশনের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র।

(১) “আমার নাম মানুষ”
শাফায়েত মনসুর রানা পরিচালিত গল্পটিতে ফুটে উঠেছে বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার অনিয়মে পিষ্ঠ মানুষেরা মুখ বুঝে কেবল সব অন্যায় সহ্য করে যায়। সোচ্চার হওয়ার আওয়াজ ও সেথায় আন্দোলনে মুখরিত হতে পারে ঐক্যতা; কিন্তু ন্যায়ের জয়ধ্বনি পথের পথিক বরাবরের মতোই একাই লড়তে হয় নিজ অধিকারের লড়াই। তাই বলে কি মোরা সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে রবো কোণঠাসা হয়ে?? নৈতিকতা রক্ষার্থে অধিকার আদায়ে যদি সোচ্চারিত নাই বা হতে পারি কি আমাদের পরিচয়??

এটি এই ঈদের সবচেয়ে সেরা কাজ। ছাত্র আন্দোলনকে দূর্দান্তভাবে ট্রিবিউট দেওয়া হয়েছে গল্পের অর্থবহতার আঙ্গিকে।

মূল চরিত্রে থাকা জন কবির, অপর্ণা, ইরফান সাজ্জান, শাফায়েত সহ আরো অনেকে প্রত্যেকে স্ব-স্ব চরিত্রে দূর্দান্ত কাজ করেছে।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=RkuKr9HYw1k&feature=youtu.be

(২) “কলি ২.০”
তরুণ পরিচালক আবরার আতহারের পরিচালনায় নির্মিত ক্রাইম ড্রামা ধাঁচের নাটকটি চমৎকার সব ক্যামেরার শট আর দারুণ কালার গ্রেডিং সহ ডার্ক থিমে গল্প পরিবেশনের স্টাইল চমকপ্রদ। অস্থির সব লোকেশানের সাথে মানিয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের ব্যবহার ও দূর্দান্ত।

এক কথায় নিখুঁত একটি কাজ। খুব বেশি ভালো লাগছে।

মূল চরিত্রে তিশা, ইরফান সাজ্জাদ সহ আরো অনেকে কাজ করেছেন। প্রত্যেকের কাজ খুবই ভালো হয়েছে।

অনলাইনে সরাসরি দেখতে চাইলেঃ-
https://www.bioscopelive.com/en/watch?v=I3AYykInf30

(৩) “আয়েশা”
“দূরে গ্রহে ভাবছি তোমার কথা,
এতটা দূরে যে ভাবাও যায় না ভালো।”

ন্যায়-অন্যায়ের বিভীষিকাময় যন্ত্রণায় চিরকাল ঘ্রাস হতে হয় অপার মহিমায় দন্ডায়মান অপেক্ষার। কেননা অপেক্ষা নামক শব্দটি আদতে ৩ বর্ণের মিলিত রূপে সংক্ষেপিত কিছু দৃশ্যমান হলেও; শব্দটির অর্থবহতা জানা-অজানা নানান রঙের মানুষকে করে তুলেছে দুর্বিষহ মর্মবেদনার আর্তকথা। হয়তো বা সে দূরহ অবসানের কোন পরিসীমা নেই। তবুও অশ্রুজলের শোভিত ব্যক্তির মন; ঠিকই তার জীবনের সাথে জড়িত লোকটির জন্য চিরকাল মনে লালন করে বন্ধুর পথের পথিক হতেও রাজি।

দীর্ঘ সময় পর মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী ভাই আনিসুল হকের আয়েশামঙ্গল গল্প অবলম্বনে নির্মাণ করেছে “আয়েশা” নাটকটি।

গল্পে বর্ণিত হয়েছে স্বামী জয়নালের খোঁজে দুর্বিষহ অপেক্ষার পথের পথিক রূপে আয়েশা নামের এক গৃহিণীর আত্মকথা। গ্রামীণ পরিবেশের অন্য সব সম্পর্কের মত, তাদের সম্পর্ক না চাওয়া বা চাওয়ার মধ্যে শুরু হলেও পরে তা মধুরতায় ভরে উঠে। স্বামী জয়নালের কাজের সুবাদে ঢাকায় পাড়ি জমায় জয়নাল ও আয়েশা দম্পতি। কিন্তু আকষ্মিক এক ঘটনার জের ধরে জয়নালকে আটক করা হয়। আয়েশার সরল আর্তনাদেও তার ফরিয়াদ আইনের কান পর্যন্ত পৌঁছালেও তা নিয়মের বর্হিভূত কারণ প্রদর্শিত গ্রাহ্যতা পায়নি। তবুও আয়েশা তার স্বামীর ফিরে আসার পথ চেয়ে রয়।

ফারুকী সাহেব ফিরেছেন রাজকীয় ভাবে বলা যায়। অসাধারণ সব ক্যামেরা শট ছাড়াও, ব্যাকগ্রাউন্ডের কাজ, কালার গ্রেডিং এবং গল্পের সিকোয়েন্স অনুযায়ী প্রবাহধারা দূর্দান্ত ছিল।

অভিনয়ে তিশা ও চঞ্চল দুজনেই বাজিমাত করেছেন। তবে তিশার স্ক্রিন প্রেজেন্স চরিত্রানুযায়ী বেশি ছিল। এমনকি তিনি শতভাগ ফুটিয়ে তুলেছেন চরিত্রকে তার অমায়িক অভিনয়ের নৈপুণ্যে। গল্পের মর্মকথার সাথে তার অভিনয় গল্পের শেষাংশে এমনকি নানান স্তবকে আপনার চোখে জল আনতে বাধ্য করবে।

নিঃসন্দেহে এটি এই ঈদে সবচেয়ে সেরা কাজগুলোর মধ্যে এগিয়ে থাকবে।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=_S849rIsYjI

(৪) “সোনালী ডানার চিল”
“তোমার কান্নার সুরে বেতের ফলের মতো তার ম্লান চোখ মনে আসে!
পৃথিবীর রাঙা রাজকন্যাদের মতো সে যে চলে গেছে রূপ নিয়ে দূরে;
আবার তাহারে কেন ডেকে আনো?
কে হায় হৃদয় খুঁড়ে;
বেদনা জাগাতে ভালোবাসে!”

প্রত্যাশায় উচ্ছ্বসিত মানুষের মধ্যকার অভিপ্রায়কে কখনো দমিয়ে রাখা যায় না, এই কথা আমরা প্রত্যেকে বিশ্বাস করি। আদৌ কি ন্যায়ের জয়রথি তার প্রবাহধারার জানান সর্বদা দিতে পারে কি?? প্রায়শ তার বলি হয়, অন্যায়ের বিভীষিকাময় অন্ধকারের কাছে। যেথায় ন্যায়ের চাদরে মোড়া নির্লিপ্ত হাহাকার কর্ণ পর্যন্ত পৌঁছালেও তা কখনোই মনের ঘরে বাসা বাঁধতে পারে না। যার ফলে নৈতিকতার বলি হচ্ছে কদমে কদমে। এক্ষেত্রে অন্যকে খুন না করে হতে হয়, আপন প্রত্যাশার খুনী। যার জলধারায় অবলীলায় রক্তঝরা স্রোতের মতোই হারিয়ে যায় প্রত্যশিত সকল অভিলাশের মৃত্যু।

সমাজের বেড়িবাঁধে আমরাও বাঁধা। যেখান থেকে মুক্তির উপায়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মন ও অনেকসময় বারবার হতাশায় ধরাশায়ী হওয়ার দরুণ কম্পিত হয়ে উঠে পোক্ত আত্মবিশ্বাসী মনোভাব। যে পরিস্থিতি থেকে মধ্যকার উত্তোরণের উপায়ে মোরা হারিয়ে বসি এক রাজ্যের হাহাকার ময় মর্মবেদনা সুর। সে সুরের বেদনায় কেবল আশার নয় সর্বস্ব বিলিয়ে যায় শূণ্যের কৌটা জানান দিয়ে জর্জরিত শরীরটা।

গল্প বেড়ে উঠে একজন নীতিবান শিক্ষকের ছোট পরিবারকে ঘিরে। যার স্বপ্ন তার মেয়ে রুমকিকে একদিন ডাক্তার হিসেবে দেখতে। রুমকিও তার বাবার স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন হিসেবে মনে লালন করে, নিজেকে প্রস্তুত করে তুলছে স্বপ্নপূরণের অপ্রতিরোধ্য যোদ্ধা হিসেবে। কিন্তু রুমকি মায়ের কথা প্রশ্ন অনৈতিক উপায়ে কিনে হলেও তার মেয়ের স্বপ্নকে পূরণ করা লাগবেই। এতে বাঁধা-বিপত্তি দাঁড়ায় বাবা-মেয়ের অপ্রতিরোধ্য নৈতিকতা। নির্মম বাস্তবতা যায় না খন্ডন। রুমকি মেডিকেলে চান্স পায় না। অথচ তারই বান্ধবী যোগ্যতায় অনেক পিছিয়ে থেকেও ছলচাতুরীর দরুণ চান্স পেয়ে যায়। নীতির পথে চলা রুমকির বাবাও মেয়ের হতাশায় নিজেকে ঘ্রাস করে ফেলা পরিস্থিতি থেকে দুশ্চিন্তায় পড়ে। এরপর শুরু হয় ন্যায়-অন্যায়ের টানাপোড়নে অনিশ্চয়তাকে নিশ্চিত করার হতাশাগ্রস্ত নেশা।

শেষটা নাটকীয় অনেকেই ভেবেছেন। জীবন কি নাটকীয়তার চেয়ে কোন অংশে কম নয়। কেননা পলকের মধ্যে ছোট ই জীবনে কোন অঘটন কিংবা সুখকর মুহূর্ত এমন সময়ে এসে তার জানান দিয়ে যাবে; তখন হয়তো আপনি নিজেও ততটা প্রস্তুত থাকবেন না পরিস্থিতি মোকাবিলার সময়ে।

আশফাক নিপুণের পরিচালনায় গল্পটি উঠে এসেছে আমাদের বর্তমান সমাজ ব্যবস্থার একটি অন্ধকার চিত্র হিসেবে। কারো অনিয়মের সুখের জন্য এভাবেই প্রতিনিয়ত বলি দিতে হয়, শত শত প্রাণচঞ্চল প্রত্যাশায় উজ্জীবিত তরুণ/তরুণীদের। এমন সাহসী কাজ নিয়ে পরিচালক আবারো হাজির হওয়ায়, উনার সে সাহসের স্বদিচ্ছা এবং সুকৌশলে সাবলীল ভঙ্গিতে পরিবেশনের জন্য অবশ্যই কড়তালির যোগ্য দাবি রাখেন।

মূল চরিত্রে অভিনীত রাইসুল ইসলাম আসাদ উনাকে কিংবদন্তী অভিনেতা হিসেবে সম্মানিত করা হয়। উনাকে এমন বড় পরিসরের কাজে দেখে সত্যি দর্শক হিসেবে আপনি কতটা গর্বিত হবেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়াও অন্য ২টি বিশেষ চরিত্রে মেহজাবিন ও সাবেরী আলম দুজনেই মুগ্ধ হওয়ার মতোই কাজ করছেন। বিশেষত মেহজাবিনের অভিনয়ের গ্রাফটা সত্যি দিনকে দিন আরো বিকশিত হচ্ছে, এই ধরনের কিছু দূর্দান্ত স্ক্রিপ্টের নাটকে। অন্যান্য অভিনয়শিল্পীরাও তাদের স্বল্প পরিসরের স্কোপে সাবলীল কাজ করেছেন।

নাটকের শেষাংশের গানটি অর্থবহতা আপনার বুক চিরে অশ্রুজলে সিক্ত করে তুলবে।

“সকাতরে ঐ কাঁদিছে সকলে
শোন শোন পিতা
কহো কানে কানে
শুনাও প্রাণে প্রাণে
মঙ্গল-বারোতা।”

আমিও কেঁদেছি হয়তো বা আপনাকেও কাঁদাবে। নিঃসন্দেহে এটি এই ঈদের অন্যতম সেরা কাজগুলোর মধ্যে শীর্ষের দিকেই থাকবে।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=YXWkF3UWTXY

(৫) “লালাই”
“রাস্তায় আমার বসত আজি
সমাজ আমায় ডাকছে পাজি
আভাব আমায় দিচ্ছেনা ছাড়
দারিদ্রতা ছাড়ছেনা ঘাড়।”

কোরবানীকে কেন্দ্র করে আমরা প্রায় প্রত্যেকেই মেতে উঠি ঈদের পূর্ব মুহূর্তে গরু কেনার নানান পরিকল্পনা। কিন্তু গরু বিক্রেতা সেই কৃষক যদিও তার আর্থিক অনটন কিংবা সামান্য লাভের কথা ভেবে তার স্নেহের গরুটিকে বিক্রি করতে প্রস্তুত; সে কি আদৌ মন থেকে সুখী হতে পারে কি??? তাদের হাহাকারের শব্দ প্রায়শ ভেসে উঠে সরল আর্তনাদের মধ্য দিয়ে। তখন অবুঝ নিরীহ পশুটিও মালিকের বেদনায় অশ্রুজলে ভেসে উঠে; গড়িয়ে পড়ে অশ্রু। চোখ থেকে সমগ্র মুখমন্ডল ব্যাপী। এই দৃশ্যের দর্শক আমরা অনেকেই হয়েছি। তবুও কি আমরা কখনো চিন্তা করতে পারি কি, সামান্য পশুর সাথে কিভাবে এত একাত্বতা কাজ করতে পারে কোন মানুষের??? যদি এতই বা টান থাকে, তাহলে তার আদরের পশুকে কেনই বা বিক্রি করতে এতটা উদগ্রীব হয়ে আছে???

মেয়েটার অসুখ তাই বলে কি পারতো না কোন সাহেবের শরণাপন্ন হতে!!! তা নিয়ে কবিতার কিছু চরণ মনে পড়ে।

“আমার মেয়েটার অসুখ,
সাহেব যদি পারেন,
দশটা টাকা বেশি দিয়েন।”

সাহেব রাগে গর্জে উঠেন বলে-
“রাখো মিয়া ওই সব চুতিয়া আলাপ,
ভাওতাবাজির জায়গা পাওনা আর!
শালা আবার ভদ্র ভাষায় কথা বলে!”

কৃষকের সাথে তার লালিত পশুর সম্পর্কটা হয়তো বা মুখরোচিত অনেকের জানা। অথবা আপনারা গুটিকতক লোকেরা স্ব-চোক্ষে সে যাত্রার পথিক ছিলেন। আসুন আপনাদের দারিদ্রতায় জরাজীর্ণ জীবনের মধ্য দিয়েও গরুর সাথে তার মালিকের জীবনচিরতের চিত্র প্রদর্শিত করবো।

কালু পরিচয়ে একেবারে সাদামাটা একদম চুপচাপ সহজ-সরল স্বভাবের কৃষক। দীর্ঘদিন কোমড়ে ব্যাথার কারণে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারে না। কিন্তু তার রোগ ব্যধি কিংবা পারিবারিক কোন মায়া তাকে মোটেও অমনোযোগী হতে দেয়নি তার লালাইয়ের অমায়িক দেখাশোনার কাছ থেকে। এসবে ভীষণ আপত্তি তার বউ কলির। কেননা তার মতে, লালাই তো সামান্য গরু। সে গরুর এতোই বা কিসের যত্ন নিতে হবে যে তার নিজের শরীর অথবা পরিবারের কথা বাদ দিয়েও তার কথা ভেবে চলতে হবে। কালুর মেয়ে খুশীর দীর্ঘদিন জ্বরে থাকার পর, চিকিৎসার অভাবে বড় রোগ দেখা দেয়। এতে অনেক টাকার প্রয়োজন পড়ে। পরিবারের মত থাকলেও কালু কোনমতেই রাজি নয় তার লালাইকে বিক্রি করায়। সে যেভাবেই হোক মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করার ব্যবস্থা করবে।

বান্নাহ ভাই পরিচালিত নাটকটি গল্পধারায় ফুটে উঠেছে এমনই লাখো লাখো কৃষকের মর্মকথা। তিনি তার নির্দেশনার শৈলীতে তা দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন গল্পের আলোকে।

প্রত্যেকটি সিকোয়েন্সে আপনার কেবল হৃদয় ব্যথিত হবে না, সেই সাথে বেদনার করাল ঘ্রাসে অশ্রুজল আপনা-আপনি চোখ গড়িয়ে পড়তে থাকবে। সত্যি ইমোশানগুলো যতই চেষ্টা করেন, তা আর দমিয়ে রাখা যাবে না৷ কারণ প্রদর্শিত চরিত্র কালু অন্য কেউ নয়, আমি-আপনি বা আমাদের পরিচিত কোন লোকের জীবনচরিত। এই কান্না কিসের জানেন!!! আনন্দের বা বেদনার নয়। এটি আমাদের অসহায়ত্বতার জানান রূপে ফুটে উঠেছে। গল্পটির সংস্পর্শতা  উপলব্ধি করার দরুণ, সত্যি পাথর হৃদয় ও যেন মোমের মত গলে বেদনার কান্না স্বরুপ নীরব হাহাকারের সৃষ্টি করবে।

মূল চরিত্রে থাকা নিরীহ প্রাণীর ব্যবহারটা ক্যামেরা কাজ বা গরুটিকে প্রদর্শিত করার ভঙ্গি লা-জবাব। আফরান নিশো কালু চরিত্রে এভাবেই মিশেছেন যেন তিনি তার অভিনয়ের মধ্য দিয়ে জানান দিয়েছে স্ব-ঘোষিত কৃষক সম্প্রদায়ের অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে চরিত্রালোকে। তার নানান এক্সপ্রেশন কিংবা ডায়ালগ ডেলিভারি এমনকি তার বডি পোর্শান সত্যি প্রশংসিত। নিশোর হাহাকারের বেদনায় দর্শক বাধ্য হাজারো চেষ্টায় জমিয়ে থাকা অশ্রু জল হয়ে গড়িয়ে পড়ার। তানজিন তিশার কাজ ও যথেষ্ট ভালো ছিল। নিশো-তানজিন তিশার মধ্যকার মধুর-রিক্ততার সম্পর্ক দারুণভাবে ফুটে উঠেছে; তাদের মধ্যকার রসায়নের মাধ্যমে।

“দারিদ্রতা বুঝি, প্রভুর প্রিয় অতি,
সানন্দে সঁপে দেয়, প্রিয়তম প্রতি।
ধৈর্য চেয়ে বড় দান, নাহি কিছু আর,
তাই প্রভু খুলে দিলো, মুক্তির দ্বার।”

নিঃসন্দেহে এই ঈদের অন্যতম সেরা কাজ। এমনকি বান্নাহ ভাই পরিচালিত এবারের সেরা কাজ ও বটে।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=NAY5UDHbmeI

(৬) “পাতা ঝরার দিন”
ঝড়ে পড়া দিনের মতোই আমাদের স্মৃতি ও লোপ পেতে বয়সের বার্ধ্যকতায়। সত্য ঘটনা অবলম্বনে বাবা-মেয়ের মধুর সম্পর্কে হৃদয়বিদারক এক গল্প।

অনেক দিন পর রেদোয়ান রনি আবারো ফিরেছেন বীরদর্পে। দূর্দান্ত এক গল্পের সু-কৌশলী পরিবেশনের মাধ্যমে।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=ZpDrRI8AcaA

(৭)  “মর্ডান টাইমস”
আদনান ও নবীনের পরিচালনায় ভাই-ব্রাদার্স এক্সপ্রেসের এবারের ঈদের প্রথম নাটক মর্ডান টাইমস।

আধুনিক যুগের সময়টা আমাদের কতটা তার বেড়িবাঁধে ঘ্রাস করে নিচ্ছে, তার আলোকচিত্র রূপে ফুটে উঠেছে প্রধান চরিত্রের আলোকে রচিত নাটকটির গল্পকথা।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=SBgQ6nflAIc&feature=youtu.বে

(৮) “জুনিয়র আর্টিস্ট লতিফ”
জুনিয়র আর্টিস্ট!! নামেই যেন ছোট শ্রেণীর কাউকে সম্বোধন করা হচ্ছে। আদতে জুনিয়র আর্টিস্টের ভিড়েও থাকে সোনাস্বরুপ নিখুঁত মানের অভিনেতা। যারা টাকা কামাতে নয়, ইন্ড্রাস্টিকে কিছু দিতে এসেছে।

জুনিয়র আর্টিস্টের সিনেমার উন্মাদ নেশাকে ঘিরে সুমন আনোয়ারের দূর্দান্ত একটি নির্মাণ এই নাটকটি।

মূল চরিত্রে নিশো দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। এছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে আছেন এক ঝাঁক তারকাশিল্পীরা।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=blyLtuCRCb4

(৯) “সব গল্প রূপকথা নয়”
জীবনের গল্পে সুখের ভেলায় গমন করিতে চাইলে দুঃখকেও হাসিমুখে গ্রহণ করিবার প্রত্যয় থাকা উচিৎ। উচ্চাশার ইচ্ছেপূরণের স্বাদ হয়তো বা প্রায়শ হইবে নাকো পূরণ। তবুও মানব মনে আশার আলো নিভু হইতে দেওয়া যাবে না৷

গল্পটি নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর দম্পতির। স্ত্রীর ছোট-বড় আশাপূরণে স্বামী নানান গল্পকথাতে বহিতে থাকে তার বহমান ধারা। গল্পের পেছনের মানুষটির আর্তনাদের হাহাকার কখনো মুখশ্রীপানে হতাশার স্থানস্বরূপে স্থায়ীত্ব লাভ করতে পারে না।

হিমেল আশরাফ পরিচালিত গল্পটি সত্যি মনকে নাড়া দিয়ে উঠবে। এই ঈদের খুব সুন্দর একটি কাজ।

(অনলাইনে এখনো আপলোড হয়নি। হলে অবশ্যই পোস্টে এড করে দিবো।)

(১০) “সিনেমা সিনেমা খেলা”
সিনেমা!!! দর্শকের কাছে বিনোদনের খোরাক হলেও কিছু মানুষ আছে, যাদের নিকট সিনেমা কেবল বিনোদন নয়। বরং সিনেমা তার জীবনের এমন প্রতিপাদ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, যেথায় পার্থিব কোন মায়াও সে নেশা তাড়াতে ব্যর্থ হয়ে পড়ে। সিনেমার অন্তজালে জড়িয়ে পড়া মানুষগুলো ও তখন হয়ে পড়ে সিনেমার পদচালনায় জীবন্ত নানান চরিত্র।

ঢাকা শহরে বছরের পর বছর সিনেমায় নিজের পদচারণা করার প্রচেষ্টায় ব্যর্থ তরুণ হতাশায় বারবার ধরাশায়ী হলেও সিনেমার নেশা কখনোই তাকে ছাড়তে পারেনি। আর্থিকভাবেও সে টানাপোড়েনের এক পর্যায়ে তার বাড়িওয়ালা বাসা ভাড়া নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে। সেও জানে এই তরুণের বাসা ভাড়া দেওয়া সম্ভবপর নয়। তাই তার সামনে অদ্ভুতুড়ে শর্ত রাখে। সিনেমা তো প্রায়শ বাস্তব গল্পের প্রতিচ্ছবি হয়ে থাকে। তরুণ তুমি যদি প্রমাণ করতে পারো, জীবন থেকে যেমন সিনেমায় হয়। ঠিক তেমনি সিনেমা থেকেও জীবন হয়। তাহলে এই সিনেমা বানাতে যত বছরই লাগুক সব টাকা আমি দিবো, সেই সাথে বাড়ি ভাড়াও মাফ।

কি অদ্ভুতুড়ে শোনাচ্ছে না??? এ ও কি সম্ভব!!!! সিনেমা জীবনের এই ফ্যান্টাসিতে তরুণ পরিচালক কি জয়ী হবে???

Mahmud Didar পরিচালনায় এমন ইউনিক কন্সেপ্টের গল্প পরিবেশন করেছেন দর্শকের মাঝে। তার নির্দেশিত গল্পে প্রতিনিয়ত ভড়কে যাওয়ার মত কাজ পাই। এ কি আদৌ সম্ভব!!! কি দেখছি এসব?? কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যে?? এরূপ নানান প্রশ্নে প্রশ্নবিদ্ধ হতে থাকে মস্তিষ্কে। দর্শকের কাছে আদতে গল্প সরল রৈখিক মনে হলেও তার প্রদর্শিত গল্পের লেয়ারে সত্যি মুগ্ধ নাহয়ে উপায় থাকে না।

এই ঈদের খুব ভালো মানের ভিন্ন ধাঁচের আকর্ষণীয় একটি কাজ।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=g96zO7ETBx8

(১১) “কানামাছি ভোঁ ভোঁ”
কুয়াশার চাদরে লুকিয়ে পড়া রহস্য যতই তার ধুম্রজালে ভ্যাবাচেকা বানিয়ে ফেলুক না আমাদের। তার উন্মোচনের প্রফুল্লতা মনে সুখকর ফোয়ারা নিয়ে এলেও প্রায়শ তা অন্ধকার অমানিশার মতো আড়ালে থাকলেই সম্ভবত মোদের বিদঘুটে বর্বরতার স্বাক্ষী হতে হতো না।

অপরাধ বিজ্ঞান নিয়ে আমেরিকা ফেরত জেমস বাংলাদেশে আসে ২২বছর আগে ঘটে যাওয়া তার পিতৃহত্যার রহস্যভেদ করতে। সন্দেহের তীর তার বাবার ঘনিষ্ঠ বন্ধুর দিকে হলেও বহু আগেই তিনি এই কেস থেকে ছাড়া পেয়ে যান। ভাগ্যের পরিহাস সেদিনই এই খুনের একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী পূর্বা তার মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। জেমস নানান আঙ্গিকে পূর্বার মধ্য দিয়ে রহস্যভেদের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হতে থাকে। মূল রহস্যটা কোথায়???

Ashfaque Nipun আবারো সমাজের এমন এক ইস্যু নিয়ে গল্প পরিবেশনের সাহসিকতা দেখিয়েছেন, যা নিয়ে অনেকেই মুখ ফুটে কথা বলার সাহস পর্যন্ত পায় না। বরাবরের মতো তার এই কাজটি সুনিপুণ ভাবে পর্দায় ফুটে উঠেছে, লাখো অব্যক্ত মানুষের সুস্পষ্ট ভাষ্য হিসেবে।

অভিনয়ে অপি করিম এমন এক চ্যালেঞ্জিং চরিত্রেও নিজের সুদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তার এক্সপ্রেশন আর বডি লেঙ্গুয়েজ অস্থির ছিল চরিত্রানুযায়ী। এছাড়াও জন কবির, বাশার দম্পতির দুজনে সাবলীল কাজ করেছেন।

এই ঈদের আরেকটি খুবই ভালো মানের কাজ। অবশ্যই আলোচিত হওয়ার যোগ্য দাবিদার।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=8r-_bf9Alk8&feature=youtu.be

(১২) “দ্যা অরিজিনাল আর্টিস্ট”
সৎ মানুষের প্রতীকি অবলম্বনে আনুষ্ঠানিকতার দুর্নীতির চিত্র রূপকভাবে প্রয়াসের সাহসিকতার জন্য কড়তালির যোগ্য দাবি রাখে।

নাবিলার অভিনয় বরাবরের মতোই নিখুঁত ও একেবারে ন্যাচারাল। দেখতে যেমন মিষ্টি, তেমনি অপূর্ব তার অভিনয়। কামরুজ্জামানের অভিনয়েও মুগ্ধ।

মাহমুদুল ইসলাম পরিচালিত নাটকটির কন্সেপ্ট আর পরিবেশন আমার খুব ভালো লেগেছে।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=tZMcR9K-fqk

(১৩) “লায়লা তুমি কি আমাকে মিস করো”
নির্লিপ্ত জমে থাকা গভীর প্রণয়ের অনুরাগ একটি সময়ে প্রিয়জনকে কাছে না পাওয়ার বেদনায় চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে পড়ে। বাস্তবতা যদিও এগিয়ে চলার নামই জীবন বলে। তবে সর্বহারা নিঃস্ব প্রণীত মন আদৌ রয়ে যায়, সময়ের সে ফেলে আসা চক্রে। যার দরুণ লাঈলী-মজনুর অমর প্রেম আজো পৃথিবীতে সদর্পে রাজ করছে ব্যক্তি মানবের প্রগাঢ় ভালোবাসায়।

“লায়লা তুমি কি আমাকে মিস করো?” নামের মধ্যেই প্রেমিকের যে হাহাকার শোনা যাচ্ছে। তা সদর্পে পর্দায় রূপায়িত করেছেন পরিচালক আশফাক নিপুণ।

নাটকের গল্পে হয়তো বা দেখে আসা গল্পের ছায়া উঠে আসবে৷ তবে পরিবেশনে রয়েছে নিপুণের নৈপুণ্যতা। যদিও মুখ ফুটে অসাধারণ শব্দটি হয়তো বা উচ্চরিত হচ্ছে না৷ তবে গল্পের প্রবাহের আলোকে ডায়ালগের মোহনায় সত্যি নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম। শেষটা রূপক হলেও পজিটিভ আঙ্গিকে সোশাল ম্যাসেজের বার্তা দারুণভাবে বুনেছেন, দূর্দান্ত সব ডায়ালগের গাঁথুনিতে।

অভিনয়ে নিশো-মেহজাবীন জুটির রসায়ন সত্যি মুগ্ধ করার মত।

যারা নাটকটি দেখতে চান, বায়োস্কোপ লাইভে ডুকলেই দেখতে পাবেন।

বায়োস্কোপের অনলাইন লিনকঃ-
https://www.bioscopelive.com/en/watch?v=hOFuEtUT4h3

(১৪) “পাসপোর্ট”
ছোট এই জীবনে নানান স্বপ্নের বিভোরে মোরা প্রতিনিয়ত স্বপ্ন বুনতে থাকি। হয়তো বা রাঙা স্বপ্নের পথচলা কখনো বড় কিংবা ছোট হয়। কিন্তু তাতেও নিজেদের সদা প্রস্তুত করতে মরিয়া আনন্দ লুফে নিতে মত্ত মানুষেরা। স্বপ্নপূরণের সে হাতিয়ারে নিজের আকাঙ্ক্ষা হয়তো ঠিকই পূরণ হচ্ছে বা নিশ্চিত ভবিষ্যত গমনের পথিক হওয়া যাবে। তাতে কি আমাদের মায়াডোরে বেঁধে মানুষটির অন্তর আপনাকে দূর হতে দেখে মন কেঁপে উঠবে নয় কি???

গ্র‍্যাজুয়েশান শেষে বিদেশ যাত্রায় লাগাতার চেষ্টা করেই যাচ্ছে মায়ের একমাত্র যুবক ছেলে। অথচ আর্থিকভাবে স্বচ্ছল, তবুও বিদেশের স্বপ্নে বিভোর তরুণের ইচ্ছে প্রাশ্চাত্য দেশ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে ফেরার। কিন্তু প্রতিবার ভিসা কনফার্ম হলেও পাসপোর্ট ঠিকই হারিয়ে যায়। এই রহস্যের কূল খুঁজে পায় না সে। প্রায়শ কাজের লোককে সন্দেহ করে আবার কখনো নিজের বাগদত্তাকে। আসল রহস্যটা কোথায়???

Kajal Arefin Ome পরিচালিত নাটকটির গল্প যেমন ফ্রেশ ঠিক তেমনি তার প্রদর্শিত ভঙ্গি। খুবই হৃদয়বিদারক বাস্তব ঘটনা হলেও, তার পরিবেশনের স্টাইল দেখে বিন্দুমাত্র বোর হওয়ার অবকাশ নেই। বরং আপনি বিমোহিত হবেন নাটকের অনাবিল প্রবাহধারায়।

মুনিরা মিঠুর অভিনয় নিয়ে কি বলবো!!! উনি অনবদ্য সবসময়। সেটা গল্পের যেই সিকোয়েন্স হোক না কেন। তৌসিফ ও সাফা কবিরের কাজ ও যথেষ্ট ভালো ছিল। এছাড়াও আরেকটি চরিত্রে পলাশের কাজ ও দারুণ।

সবমিলিয়ে এই ঈদের আরেকটি গোছানো খুব ভালো মানের কাজ।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?feature=youtu.be&v=nh4oKQI5NyM

(১৫) ” ওগো বধূ সুন্দরী”
বিয়ের সম্পর্কের দীর্ঘকাল যতই বাড়তে থাকে, প্রায়শ ক্ষেত্রেই দেখা যায় কপোত-কপোতির মধ্যকার বোঝাপড়াটা অনেকটা ফিকে হয়ে যায়। হয়তো বা দায়িত্বের বোঝায় নুইয়ে পড়ে পরস্পরের মধ্যকার সম্পর্ক।

গল্প ঠিক এইভাবে এগিয়ে যায়, বিয়ের প্রায় ১০ বছর পর স্বামী তার স্ত্রীর নিকট থেকে জানতে পারে ২টি সন্তানের মধ্যে একটি তার নয়।

হিমেল আশরাফের পরিচালনায় খুব সুন্দর একটি কাজ। গল্পটিও একেবারে ফ্রেশ।

মাহফুজ ও মেহজাবিনের মধ্যকার বয়সের পার্থক্যটাও ঢাকা পড়ে গেল দুজনের মধ্যকার দারুণ রসায়নে।

অবশ্যই দেখার মত খুব ভালো একটি কাজ।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=3wNGOTAsFO0

***”বিনি সুতোর টান”
অপূর্ব তার পুত্র আয়াশ বাস্তব জীবনের বাবা-ছেলে পর্দায় ও এসেছিলেন বাবা-ছেলে রূপে।

গল্পটি খুবই হৃদয়স্পর্শী। খুব চেনা গল্প। তবুও গল্পটির সিকোয়েন্স গুলো সত্যি মনের গহীনে বড় জায়গা করে নেয়।

শিহাব শাহিনের পরিচালনায় নাটকটি খুব উপভোগ করেছি।

নাটকটির ইউটিউব লিনকঃ-
https://m.youtube.com/watch?v=YObYEeEHRxY

এছাড়াও উল্লেখযোগ্য কিছু কাজ আমার বেশ ভালো লেগেছিলো। তন্মধ্যে বেডসিন, ছেলেরাও কাঁদে, কলুর বলদ ২, চাঁদের আলোয়, রঙিন খামে ধুলো পড়া স্মৃতি, টানাপোড়ন, দানব ও বৃত্ত অন্যতম।

ভাঁড়ামি আর ফাত্রামির বাহিরে ভালো গল্পের নাটক ও হয় আমাদের। দেখুন আমাদের নাটক। আড্ডা জমুক, তর্ক জমুক আমাদের নাটক নিয়ে। পরবর্তী তে আরো কিছু ভালোলাগার ঈদ নাটক নিয়ে হাজির হব। আশা করছি আমার মত আপনাদের প্রত্যেকের ই নাটকগুলো খুব ভাল লাগবে।

এই ঈদের সেরা কাজগুলোর মত, আগামী ঈদেও আপনাদের মাঝে আনার পছন্দের সেরা কাজগুলো নিয়ে হাজির হওয়ার চেষ্টায় থাকবো।

এই পোস্টটিতে ১৯ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Rukaiya Tuli says:

    রবিউল আলম লুইপা 😜😜😜

  2. Samira Hossain Tanwisamira
    Tasnuva Tarintasnuva
    Bonnie Fatema Kaniz

  3. Shakib ভাই নিও তো।
    এবার কথা রাখার চেষ্টা করব😍

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন