এটি একটি নিছক ব্যাংক ডাকাতির কাহিনী না!!
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

মুভিঃ Dog day afternoon (1975)
imdb rating: 8/10

সবাই এখন অস্কারের মুভি নিয়ে ব্যস্ত,আমি একটু পুরান দিনে ফিরে যেতে চাই।একটি সাক্ষাতকারে এই মুভিটার নাম এবং প্রশংসা শুনেই দেখার ইচ্ছা হল,তার উপর আল পাচিনো বলে কথা!!
যাই হোক দেরী না করে দেখে ফেললাম Dog Day Afternoon মুভিটি।কেন যে এতদিন দেখা হয় নাই এইটাই বুঝলাম না!!
এটি একটি নিছক ব্যাংক ডাকাতির কাহিনী না!!প্রত্যেক অপরাধী তার অপরাধের পিছনে লজিক দাড় করানোর চেস্টা করে।কিন্তু এইখানে যে লজিক দেখানো হয়েছে তা হয়ত অনেকেরই ভালো নাই লাগতে পারে কিন্তু তা আসলেই অনেক মানবিক একটি কারণ।ভাবতে অবাক লাগে পশ্চিমা দেশের মানুষ গুলো কত আগে থেকেই চিন্তা ভাবনায় কত এগিয়ে,অনেক স্বাধীনভাবে তারা চিন্তা করতে পারে,শুধু তাই না তার স্বার্থক চিত্রায়নও করতে পারে।বলে রাখা ভালো মুভিটি একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে।
images
পুরা কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ব্যাংক ডাকাতি এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে জিম্মি কাহিনীকে কেন্দ্র করে।এতে জড়িয়ে পড়ে পুলিশ বাহিনী এবং মিডিয়া।সেই সময় তাদের মিডিয়া যে এত্ত এডভান্স ছিল এইটা আমার জানা ছিল না,লাইভ টেলিকাস্টও ছিল!!যাই হোক মিডিয়া সম্প্রচারের কারণে মানুষ জন ও উৎসুক হয়ে উঠে ব্যাংকটিকে ঘিরে।
আমেরিকার মানুষ জন যে কত অদ্ভুত হতে পারে তার একটা ছোট্ট নমুনা এই মুভিতে দেখা যায়।ডাকাত দলের প্রধান আল পাচিনোর নানা রকম বক্তব্যে উৎসুক জনতা তো তারে পুরা হিরো বানায় ফেলে।তাকে ঘিরে শুরু করে নানা রকম উন্মাদনা!! আল পাচিনো এই ফাকে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তার নানা রকম দাবী দাওয়া জানায় দেয়।যেহেতু তারা পেশাদার অপরাধী নয় তাই জিম্মিদের প্রতি তাদের বিশেষ করে আল পাচিনোর আচরণ ছিল যথেষ্ট মানবিক।
যাই হোক মিডিয়া যে মাঝে মাঝেই মনগড়া তথ্য দেয় তাও উঠে এসেছে এই মুভিতে!!
maxresdefault

আর অভিনয় নিয়ে বলার তেমন কিছুই নাই,সবার অভিনয় ছিল সাবলীল। জন কেজেলের অভিনয় পুরাই অন্য লেভেলের!!আর আল পাচিনোর কথা কি বলব,পুরা মুভিটি তাকে কেন্দ্র করে, তার দুর্দান্ত অভিনয়ই মুভিটিকে এত উপভোগ্য করে তুলেছে।
dog-day-afternoon

অপরাধীর অপরাধের পিছনে যতই মানবিক, লজিকাল কারণ থাক তার দাবী দাওয়া যতই ভালো হোক এর জন্যে কি তার অপরাধ মাফ পেয়ে যাবে??জানতে হলে দেরী না করে দেখে ফেলুন মুভিটি।আশা করি নিরাশ হবেন না,পুরা মুভিটির দুর্দান্ত গতি আপনাকে টেনে নিয়ে যাবে একেবারে শেষ পর্যন্ত।
পুনশ্চঃ একটি তথ্য জেনে খুব অবাক হলাম আল পাচিনো মাত্র একবার অস্কার পাইছে,তাও ১৯৯৩ সালে আইস্যা ক্যেম্নে কি ???!!!


মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন