সংগ্রাম,ব্যর্থতা,সফলতা সব মিলিয়ে ‘দ্য পারসুইট অব হ্যাপিনেস’
মুভিঃ দ্য পারসুইট অব হ্যাপিনেস (The Pursuit of Happyness)
পরিচালনাঃ গ্যাব্রিয়েল মুচিনু ( Gabriele Muccino)
অভিনয়ঃ উইল স্মিথ, থ্যান্ডি নিউটন,জ্যাডেন স্মিথ
রানিং টাইমঃ ১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট
রিলিজ ডেটঃ ১৫ ডিসেম্বর ২০০৬
Film making is easy but Making a film is difficult.যারা ফিল্ম নির্মান করেন তাঁরা এই কথাটা জানেন,যারা জানেন না,তারা অনুভব করেন।আর পরিচালক যে সিনেমাটা নির্মান করতে যাচ্ছেন, তার কাহিনী যদি হয় কোন সত্যি ঘটনা,তাহলে সেই ফিল্ম নির্মান করা আরো বেশি কঠিন হয়ে পড়ে।তেমনই একটি সিনেমা The Pursuit of Happyness.
সিনেমার শুরুতেই স্ক্রিনে একটা লেখা ভেসে উঠে ‘Inspired by a true story.
ক্রিস গার্ডনার(Chris Gardner) সুন্দর একটি নাম,শ্রুতি মধুর।কিন্তু এই সুন্দর নামের ব্যক্তিটির সাথে তার ‘জীবন’ খুবই অসুন্দর,কুৎসিত খেলা খেলে।
১৯৮১ সাল,ক্রিস গার্ডনার তাঁর জীবনের সমস্ত সঞ্চয় বিনিয়োগ করে portable bone density scanners(হাড়ের ঘনত্ব রিড করতে পারে এবং সহজে বহন করা যায় এমন স্ক্যানার)-এর ব্যবসা শুরু করলো।এখানে সেখানে ঘুরে ঘুরে সে এই স্ক্যানার বিক্রি করে,একটা স্ক্যানারের দাম ২৫০ ডলার।
স্ত্রী লিন্ডা (Linda) এবং ৫ বছর বয়সী একমাত্র সন্তান ক্রিস্টোফার (Christopher) কে নিয়ে সে একটা ভাঁড়া করা বাসায় থাকে।ক্রিস গার্ডনারের স্ত্রী লিন্ডা একজন হোটেল পরিচারিকা হিসেবে কাজ করছে।স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই দিনের বেলা কাজ করতে হয় বলে, ছেলে ক্রিস্টোফার’কে ডে’কেয়ারে রাখতে হয়।ভাঁড়া করা বাসা এবং ছেলের লেখাপড়া প্লাস ডে’কেয়ারের খরচ যোগাতে তাকে প্রতি মাসে কমপক্ষে দুটি স্ক্যানার বিক্রি করতে হয়।সাথে আরো একটি স্ক্যানার তাকে বিক্রি করতে হয় সারা মাস ভালভাবে সংসার চালানোর জন্য।কিন্তু এ মাসে তাঁর এখন পর্যন্ত একটি স্ক্যানারও বিক্রি হয়নি।গাড়ী পার্কিং-এর জায়গা না থাকায় পুলিশ এসে গাড়ী থানায় নিয়ে যায়,এদিকে একের পর এক বিল জমা হতে থাকে।কোন বিলই পরিশোধ করা হয় না।
স্ত্রী লিন্ডা গার্ডনারকে প্রতিদিন কাজে যাওয়ার আগে জিজ্ঞেস করে ট্যাক্স পরিশোধ করা হয়েছে কিনা।কাজ থেকে ফিরে অন্য কোন বিলের কথা,সাথে সকালে জিজ্ঞেস করে যাওয়া সেই প্রশ্নও লিন্ডাকে করতে হয়।লিন্ডা খুব ভালো করেই জানে গার্ডনার ট্যাক্স পরিশোধ করেনি,করতে পারেনি।লিন্ডার প্রশ্নে গার্ডনার বারবার একই উত্তর দেয়-‘I am Trying, I am trying’ সে কথায় এখন আর বিশ্বাস হয় না লিন্ডার কারন গার্ডনার এই একই কথা দীর্ঘিদিন যাবত বলে আসছে।এভাবে একদিন দুদিন করে দিন চলে যায় আর ঋণের বোঝা ভারী হয়।
একদিন লিন্ডা প্রচন্ডভাবে রেগেও যায়।রাগ সে প্রতিদিনই করে,কিন্তু এদিন সে গার্ডনারকে হুশিয়ার করে বলে সে বাসা ছেড়ে অন্যকোথাও চলে যাবে,গার্ডনার লিন্ডাকে বুঝানোর চেষ্টা করলে সে আরো রেগে যায়।এতে লিন্ডারও কোন দোষ নেই কারন রাগের সময় শান্তনার বানীকেও লাঠির আঘাত মনে হয়।
লিন্ডার চরিত্র কিছুটা সক্রেটিসের প্রথম স্রী জ্যানথিপির(Xanthiphe) মত।সক্রেটিসের সংসারের প্রতি উদাসীনতা দেখে যেমন তিনি প্রায়ই গালিগালাজ করতেন,লিন্ডাও সেরকমই।পার্থক্য হচ্ছে সক্রেটিস সত্যি সত্যি সংসারের প্রতি উদাসীনতা দেখাতেন,সারাদিন বই পড়তেন আর মানুষকে জ্ঞান দিয়ে বেড়াতেন,কিন্তু গার্ডনার সংসারের প্রতি উদাসীন নয়।
সে চেষ্টা করে পেরে উঠছে না।আর একারনেই সক্রেটিস জ্যান্থিপির গালাগালি সহ্য করলেও,বই পড়ার সময় তাঁর মাথায় পানি ঢেলে দিলেও তিনি একগাল হেসে দিয়ে বলতেন,আমি আগেই বুঝেছিলাম মেঘ যখন গর্জন করেছে কিছুটা বৃষ্টিতো হবেই।কারন সক্রেটিস জানতেন তিনি অলস,করুক গালাগালি কিন্তু গার্ডনার জানে সে অলস নয়।তাই লিন্ডা রেগে যাওয়ায় এবার গার্ডনারও রেগে যায়,রাস্তার মধ্যে স্বামী-স্রী দুজন ঝগড়া করছে,বাংলাদেশে হলে গার্ডনার আর তাঁর স্ত্রীকে ঘিরে মাঝারী সাইজের একটা জটলা সৃষ্টি হতো।সন্তান ক্রিস্টোফার কার সাথে থাকবে এটা নিয়ে ঝামেলা আরো বড় হয়।লিন্ডা যখন চোখের কোনে কষ্ট করে জল আটকে রেখে বলে ‘আমি ক্রিস্টোফারের মা,সে আমার সাথেই থাকবে’ তখন দর্শকদের সবারই গলা শুকিয়ে যাওয়ার কথা।
শেষ পর্যন্ত ক্রিস্টোফার তাঁর বাবার সাথেই থেকে যায়।ছেলে ক্রিস্টোফারের প্রতি বাবা গার্ডনারের কেয়ার দেখে যেকারো তাঁর বাবার কথা মনে হতে বাধ্য।ছেলে ঠিকমত তাঁর ভাষার সব শব্দের স্পেলিং শিখছে কিনা,ডে’কেয়ারে তাকে ঠিকমত যত্ন করা হয় কিনা,অথবা টেবিলে খাবার খেতে খেতে ক্রিস্টোফার যখন খাবার মুখে নিয়ে চেয়ারে বসেই ঘুমিয়ে পড়ে তখন গার্ডনার ছেলেকে ডেকে তুলে খাবার খেতে বলা এবং বাবার ঠোঁটে চুমু দেয়া যে কাউকে শৈশবকালে ফিরিয়ে নিয়ে নস্টালজিক করে দিবে।দিবেই।
লিন্ডা ঠিকই তাঁর কথা মত গার্ডনারের দুর্দিনে গার্ডনারকে ছেড়ে চলে যায় এবং তখনই সবার একটা কথা মাথায় আসবে ‘অভাব যখন দেখা দেয় ভালোবাসা আসলেই জানালা দিয়ে পালিয়ে যায়।লিন্ডা যদিও দরজা দিয়েই চলে গিয়েছিলো।লিন্ডা চলে যায় গার্ডনারও গ্রেফতার হয়।না,গার্ডনারের বিরুদ্ধে লিন্ডা কোন মামলা করেনি।গার্ডনারের গ্রেফতারের কারন পার্কিং ট্যাগেজ।গার্ডনার যে অবস্থায় গ্রেফতার হয় তখন তাঁর শরীরে রঙ লেগেছিল এবং পরেরদিন তাঁর চাকরির ইন্টারভিউ।একবার ভাবুন আপনার জীবনের প্রথম চাকরির ইন্টারভিউ এবং আপনি একদম অপরিচ্ছন্ন জামা পড়ে গেলেন ইন্টারভিউ দিতে।চাকরি হবে?প্রশ্নই আসে না।তাও আবার শরীরে জাস্ট একটা স্যান্ড্রো গেঞ্জি এবং তার উপরে একটা জ্যাকেট যার আবার জিপার খোলা।
গার্ডনার বুঝতে পারে তাকে অবশ্যই এই পোশাক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে,একারনে সে নিজে থেকেই বলে-‘আমি চাইলেই মিথ্যে বলতে পারতাম,একটা গল্প সাজিয়ে বলতে পারতাম কিন্তু আমি তা চাইনা,আমি সত্যি বলছি আমার এই অবস্থার কারন আমি গতরাতে গ্রেফতার হয়েছিলাম পার্কিং ট্যাগেজের জন্য’।বাসা ভাঁড়া পরিশোধ না করতে পারলে যার বাসা ছেড়ে দিতে হবে তাঁর জন্য চাকরিটা কত দরকার,অথচ চাকরি পাবে কি পাবে না সে চিন্তা না করে গ্রেফতার হবার মত লজ্জ্বাজনক সত্যি কথা সে বলে দিলো।এখানে গার্ডনারকে একটা ধন্যবাদ দেয়া উচিৎ কারন তিনি শেখালেন জীবনের কোন পরিস্থিতিতেই কোন ধরনের অজুহাতেই মিথ্যে বলা অনুচিত।তাতে যদি সাময়িক কষ্ট হয় হোক।সত্যের জন্য সাময়িক অপমান সহ্য করাও বীরত্বের।
তিনি যেই কোম্পানিতে চাকরী নিতে যাচ্ছেন সে এক অদ্ভুত কোম্পানি।অনেক জনের মাঝে একজন নিয়োগ হয়।এখানেই শেষ নয়,চাকরি যে আসলেই সোনার হরিণ গার্ডনারের চাকরি পাবার জন্য যে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয় তা দেখে স্পষ্ট অনুমান করা যায়।চাকরি পাবার জন্য মাসের পর মাস বিনা বেতনে ইন্টার্নশিপ করতে হয়।কোম্পানির নানা বিষয়ে জানার জন্য বিনা বেতনে খাটুনির পরও পড়ালেখা করতে হয়।গার্ডনার এই যে কয়েকমাস বিনা বেতনে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে তাতে তার আপত্তি নেই,তাকেই চাকরি পেতে হবে এটাই তাঁর একমাত্র লক্ষ।বাসা ভাঁড়া না দিতে পারায় ঘর ছাড়তে হয়েছে অনেকদিন আগেই।এখন ছেলেকে নিয়ে রাস্তায় দিন কাটছে।টয়লেটের ভেতরে রাত কাটছে।স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছে এই কষ্ট নিশ্চয় ছেলেকে নিয়ে রেল ষ্টেশনের টয়লেটের ভেতর রাত কাটানোর কষ্টের চেয়ে বড় কোন কষ্ট নয়।
টয়লেটের এই দৃশ্যটা আবেগহীন মানুষের চোখেও হয়তো জল এনে দিবে। প্রায় দুই ঘন্টার সিনেমা হাজার হাজার লাইফ লেসনে ভরা।আসলে এটা শুধু সিনেমাও নয় এটা তারচেয়েও বেশি কিছু।
ক্রিস গার্ডনারকে পর্দায় যিনি ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি উইল স্মিথ।উইল স্মিথ সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই।তবে বলার ছিলো তাঁর যিনি রিয়াল লাইফের ক্রিস গার্ডনার।ক্রিস গার্ডনারের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য যখন উইল স্মিথকে সিলেক্ট করা হয় তখন ক্রিস গার্ডনার সংশয় প্রকাশ করেছিলেন উইল স্মিথ’কে নিয়ে।গার্ডনারের ধারণা ছিলো উইল স্মিথ’কে মানুষ জানে তাঁর একশন ধাঁচের মুভির মাধ্যমে।কিন্তু ক্রিস গার্ডনারের মেয়ে জ্যাচিন্থা (Jacintha) বাবাকে শাসন করে বলে ‘বাবা,গ্রেট মোহাম্মদ আলীর চরিত্রে যিনি সাবলীল অভিনয় করেছেন তাকে নিয়ে কোন কথা নয়,উইল স্মিথকে সরাসরি কাস্ট করা হোক এবং আমার বিশ্বাস তিনি খুবই ভালো করবেন’।
মেয়ের কথা ফেলতে পারেননি বাস্তবের ক্রিস গার্ডনার।কারন আমার মনে হয় তিনিও আমার মত বিশ্বাস করেন ‘মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মায়ের শাসন,বৃদ্ধ হবার আগ পর্যন্ত মেয়ের শাসন এবং ছোট বোনের বিয়ের আগ পর্যন্ত তার শাসন হচ্ছে গভীর থেকে গভীরতম ভালোবাসা’।ক্রিস গার্ডনার চরিত্রে অভিনয় করলেন উইল স্মিথ আর বাকীটা ইতিহাস।ক্রিস গার্ডনারের ছেলের চরিত্রে যে যিনি অভিনয় করেছেন তিনিও কম কেউ নন।ছোট্ট বয়সে তাঁর অর্জন অনেক।অর্জন থাকবেই না বা কেনো.!উইল স্লিথ যে তাঁর বাবা।এই মুভিতে যেমন ক্রিস গার্ডনার তাঁর ছেলে ক্রিস্টফার’কে বলে
‘Don’t ever let someone tell you that you can’t do something,Not even me.You got a dream you gotta protect it.When people can’t do something themselves,They’re gonna tell you that you can’t do it.You want something,Go get it’.
‘যার সফল হবার ইচ্ছা আছে,এই কথাটা শোনার পর তাঁর ইচ্ছার জোর অবশ্যই আরো বেড়ে যাবার কথা’
বাস্তবের উইল স্মিথ একথা হয়তো অবশ্যই বলেছেন তাঁর ছেলে জ্যাডেন স্মিথকে।এজন্যই হয়তো জ্যাডেন স্মিথ এত সফল।জ্যাকি চানের সাথে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছেন ‘দ্য কারাতে কিড’ মুভিতে।নোবেল পিস প্রাইজ কনসার্টের মত এত বড় অনুষ্ঠানেও তাকে পারফর্ম করার জন্য ডাকা হয়।
জ্যাডেন স্মিথকে নিয়ে এখন যদিও অনেক ট্রল হয়।তবে একটা বিষয়ই মুখ্য হওয়া উচিৎ। সেটা হচ্ছে শিল্পীর শিল্প দেখা উচিৎ তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নয়।’The Pursuit of Happyness’ মুভিতে জ্যাডেন স্মিথ যে অভিনয় করেছেন তা যেকোন সিনেমা প্রিয় মানুষকেই মুগ্ধ করবে।
সিনেমার শুরুতে ক্রিস গার্ডনার ‘Happyness’ বানান ভুল ধরে।সে বলে ‘Y’-এর বদলে ‘I’ হবে।আসলেও কিন্তু ‘Happyness’ বানানটাতে ‘I’ থাকলেই বেশি সুন্দর দেখায়।কারন জীবনের সব সুখতো নিজেকে দিয়েই।সব সুখ তো সৃষ্টিই করে ‘I’.অন্য কেউ করে দেয় না।
আর এই ‘HappIness’ কে পর্দায় শেষের একটা দৃশ্যে (ক্রিস গার্ডনারের চাকরি পাবার পরের দৃশ্য) এমনভাবে ফুটিয়ে তুলা হয়েছে এরকম সুনিপুণ দৃশ্য পৃথিবীর খুব কম সিনেমাতেই আছে।পরিচালক গ্যাব্রিয়েল মুচিনু/মাচিনু (Gabriele Muccino) কে টুপি খুলে সালাম জানানো যায় শুধু মাত্র এই একটা দৃশ্যের জন্যই।
এই সিনেমা সম্পর্কে বলতে গেলে শুধু বলতেই ইচ্ছে করবে।মানুষ টাইম মেশিনের মাধ্যমে যদি অতি অল্প সময়ে কারো জীবন দেখতে চায়,তাহলে এই সিনেমা হতে পারে সেই টাইম মেশিন।এই সিনেমা মানুষকে জীবনের সংজ্ঞা শিখিয়ে দিবে।আমি এই সিনেমার রিভিউ আর কী লিখবো,বিখ্যাত মুভি ক্রিটিক্স Manohla Dargis(দ্য নিউইয়র্ক টাইমস) এই মুভি সম্পর্কে যা বলেছেন তাঁর পুরোটা জুড়েই রয়েছে শুধু প্রশংসা।
একটা উদাহরন দিয়ে শেষ করি,বাংলাদেশের প্রথমদিকের মুক্তচিন্তার পথিকৃৎ আরজ আলী মাতব্বর।তিনি তাঁর বইয়ে এরকম বলেছেন,মানুষ একটা সময় দেবদেবীর পুজা করতো,পরে ঈশ্বরে মজা পায়।অনেকটা তেমনি,অনেকেই অনেক সিনেমা দেখেন,আমার ধারণা এবার তাঁরা The Pursuit of Happyness- (এবং এধরনের অন্যান্য মুভি) এ মজা পাবেন Not possibly even not probably Its hundred percent sure.
বাস্তবের ক্রিস গার্ডনার ২০০৬ সালে মাল্টি মিলিয়নিয়ার ডলারের মালিক হন।জ্বি হ্যা,টাকার অভাবে স্ত্রী যে ক্রিস গার্ডনারকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো।টয়লেটে যার রাত কেটেছে।যে ক্রিস গার্ডনার দিনের পর দিন না খেয়ে থেকেছে,সেই ক্রিস গার্ডনার।আমার বিশ্বাস সফলতা আজ তাকে পেয়ে খুশি।কারন সফলতা ভাগ্যবানদের চেয়ে পরিশ্রমীদের পেলে বেশি খুশি হয়।
Error: Incorrect IMDb ID.

(Visited 695 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. অসম্ভব সুন্দর একটা মুভি…

  2. অসাধারণ একটা মুভি।

  3. Aman Ullah says:

    মনে আছে দেখে কেঁদেছিলাম।

  4. Shohagh Ali says:

    আমার লাইফ এ সবথেকে বেশি বার দেখা এই মুভি টা যত বার ই দেখি মনে হই যেন আগের থেকে বেশি ভালো লাগে। একটা মাস্টারপিস মুভি।অনেক সুন্দর রিভিউ দিয়েছেন ধন্যবাদ।

  5. Lokman says:

    Exceptional Minhaz review ta por

  6. Mirza Abdur Rabbi says:

    দারুণ একটা মুভি ছিল
    লিখেছেনও দারুণ কিন্তু শেষের দিকে আরজ আলী মাতব্বর এর উদাহরণ না দিলেও পারতেন।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন