মনসুবা জংশনঃ একটি অনন্য সাধারণ প্রেম কাহিনী!

নাটকঃ মনসুবা জংশন

পরিচালকঃ শিহাব শাহীন

গল্প ভাবনাঃ শিহাব শাহীন ও মেজবাহউদ্দিন সুমন

অভিনয়েঃ তাহসান, তিশা, তানিয়া, আর জে সাব্বির, মম আলী প্রমুখ।

 

পিয়াল ও নিলা। প্রথম দেখা ধাক্কা থেকে! রেল স্টশনে তাড়াহুড়া করে ঢোকার পথে দুজনের সেকি ধাক্কা। তারপর পাত্তা না দিয়ে স্টেশনে যাওয়া। বান্ধবীর সাথে গল্প। বন্ধুদের সাথে কথা বলা। আবার চোখাচোখি। ভাললাগা। ওমা! কিছুক্ষন পর নিলা ট্রেনে উঠে স্টেশন থেকে প্রস্থান। যাওয়া সময় মিস্টি হাসি। আর পিয়ালের হৃদয় ভাঙ্গা। এ গেল প্রথম দৃশ্য। তন্মধ্যে ড্রীম গার্লের ছবি একে ফেসবুকে দিয়ে খোঁজ করা “কেউ কি আমার ড্রীম গার্লকে চেনো?” কেউই খোঁজ দিতে পারল না (খোঁজ দিতে না পারার একটা কারন বলে মনে হয় পিয়াল নিলার যে ছবিটা একেছে ওটা একেবারেই মিলেনি নিলার সাথে!)। একদিন শপিং মলে। ফেন্সি মোমের খোঁজ করছিল নিলা। পিয়ালের সাথে দেখা হয়। পিয়াল ওর পরিচয় দেয় কিন্তু নিলা না চেনার ভান করে। ঐ মলে ফেন্সি মোম নেই বলে পিয়াল নিলাকে না জানিয়ে অন্য কোথাও যায় এই মোম আনতে (হাও রোমান্টিক!) কিন্তু বেচাড়া পিয়াল। ততক্ষনে হাওয়া নিলা।

তারপর। চারটি বছর কেটে গেছে। আবারও দেখা। কিন্তু এবার আর মিষ্টি হাসির পালা শেষ। বান্ধবী অরিনের বাগদান অনুষ্ঠানে দেখা ওদের। আর সেই বাগদত্তাই হচ্ছে পিয়াল (সো স্যাড)। বেশি স্যাড হয়ার কিছু নাই কারন ততদিনে নিলাও খুজে নিয়েছে ওর মনের মানুষকে। নাম শুভ্র। কিন্তু বেচারী নীলার কপালটাই খারাপ। শুভ্র এডিক্টেড ছেলে। ড্রাগ দেখলে ওর আর কিছু খেয়াল থাকে না। নিলা অনেক বুঝিয়েছে কিন্তু লাভ হয় নাই। শুভ্রকে একবার এডিক্টেড অবস্থায় ধরে ফেলে নীলা ও পিয়াল। তখনি পিয়াল বুঝতে পারে নীলা ভাল নাই। যদিও নীলা কখনই পিয়ালের হাতে ধরা দেয় না যে ও পিয়ালকে চিনতে পেরেছে। যতই হোক বান্ধবীর ফিয়ান্সে বলে কথা। কিন্তু পিয়াল বেচাড়া তো কাইত। অনেকদিন পর আবার নিলার সাথে দেখা হল। নিলার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। ওদিকে ওরিন মেয়েটা একটু ‘খারুজ’ টাইপের। পিয়ালকে সেরকম ডমিনেট করে। বেচাড়া পিয়াল এই ডমিনেশন থেকে বাঁচতে চায়। 🙁

একদিন শুভ্র নিলাকে নিয়ে বেড়াতে যায়। কিন্তু ঐখানেও সে নেশার গন্ধ পেয়ে একদল নেশাখোরের সাথে নেশায় মত্ত হয়ে যায়। নেশাখোররা আবার নীলার দিকে খারাপ ভাবে তাকায়। নিলা কাদতে বসে, ঐ অবস্থা থেকে ওকে উদ্ধার করে পিয়াল। ব্রেক আপ হয় শুভ্র আর নিলার।

তারপর থেকেই মূলত কাহীনির শুরু। কিন্তু আর তো কাহিনী বলব না!  🙂  এবার কাহিনী জানতে হলে দেখতে হবে টেলিফিল্মটি। পিয়াল কি অরিনের হাত থেকে মুক্তি পাবে? আর বান্ধবির ফিয়ান্সেকে কিভাবে-ইবা নিলা এক্সেপ্ট করবে? এই দ্বিধান্বিতার মধ্য দিয়ে গল্প এগিয়েছে। আজকে যারা দেখেন নি তারা অবশ্যই ডিভিডি কিনে দেখে নিবেন।

গত ঈদের ‘মন ফড়িংয়ের গল্প’ হিট করার পর তাহসান ও তিশা জুটির “মনসুবা জংশন” নাটকটিও এবার নিঃসন্দেহে হিট। আর হ্যা ঢাকা বিমানবন্দর রেল স্টেশনকে যে ‘মনসুবা জংশন’ বলে তা তো আগে জানতাম না। 😉

(Visited 87 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন