কৃষ্ণপক্ষ- একটি আশা জাগানিয়া নির্মিতি
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

krishnopokkho1

“কৃষ্ণপক্ষ” কালজয়ী কথাসাহিত্যিক , নাট্য ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ূন আহমেদের একটি বহুল পঠিত উপন্যাস। নিজে এই পাঠকদের দলে ছিলাম না, এই উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রটি আয়েশ করে  দেখার খায়েশেই সপ্তাহ দু’য়েক আগে উপন্যাসটি পাঠ করি। পড়ে অবশ্য বিশেষ ভালো লাগে নি, কাহিনীপ্রবাহের  সহজ অনুমেয়তা (প্রেডিক্টেবিলিটি) আর দু’একটি চরিত্রের কর্মকাণ্ড, পরিণতি দেখে কিছুটা রাগ-ই হয়েছিল বলা যায়! তখন তো ভেবেই বসলাম, যে উপন্যাস মনে ধরে নি, তার চিত্রায়ন কী দেখতে যাওয়া উচিত? পরে আবার মনে হল, মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্তের চিরায়ত সুখ-দুঃখ বা কল্পনা,  দুঃখ বিলাসিতা- এসবকে উপজীব্য করেই যেভাবে ধারাবাহিকভাবে অজস্র সৃষ্টিকর্ম করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ- নিয়মিত তার পাঠককুলের চাহিদা পূরণ করেছেন , চলচ্চিত্র ও নাট্যাঙ্গনেও রেখে গেছেন অবিস্মরণীয় প্রভাব-  সে ক্ষেত্রে তার সবই যে সব পাঠক বা দর্শকের হৃদয়গ্রাহী হবে না সেটাই তো অত্যন্ত  স্বাভাবিক! আমি না হয় হলুদ পাঞ্জাবি পরা, অপেক্ষায় অধীর নায়িকা রূপা-কে ঠিকমত পাত্তা না দেয়া হিমু টাইপের চরিত্র পছন্দ করি না, তাই বলে নিজের ক্ষুদ্র ব্যক্তিগত পছন্দের মাঝে বন্দী থেকে আকাশ না দেখাও ঠিক হবে না! সাথে চলচ্চিত্র নির্মাতা- এই নতুন পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করা অভিনেত্রী মেহের  আফরোজ শাওনের সাক্ষাৎকার পড়লাম- পড়ে মনে হল তিনি একটি সীমাবদ্ধ সময়ের মাঝে বেশ চেষ্টা  করেছেন জনপ্রিয়  উপন্যাসটিকে নিজের আঙ্গিকে চিত্রায়ন করার জন্য- যেখানে আছেন হুমায়ূন আহমেদের বিভিন্ন নাটক- চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ রিয়াজ, ফেরদৌস, তানিয়া আহমেদ প্রমুখ আর বাণিজ্যিক ছবির নায়িকা হিসেবে পরিচিত মাহিয়া মাহি [‘অগ্নি’দেখার সময় তার ছোটখাটো ফ্যান ছিলাম, এখনো ভুলি নি! :p ] । তাই সব দ্বিধা-সংশয় কাটিয়ে সেই প্রচেষ্টার ফলাফল “কৃষ্ণপক্ষ” দেখতে গমন ও অবশেষে হলো দর্শন 🙂

krishnopokkho2

বহুল পঠিত উপন্যাস – তাই অরু-মুহিবের কাহিনী নিয়ে নতুন করে কিছু বলার কিছু নেই, তবে হ্যাঁ- চলচ্চিত্রে কিন্তু  বেশ নতুনত্ব আছে! কারণ অরু-র সাথে রিকশাওয়ালার কথোপকথনের  বদলে ছবিটি শুরু হয়েছে জেবা-র বিয়ে আর তারপর তার ছোট ভাই মুহিবের সাথে তার সম্পর্ক উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে। এভাবে  পুরো চলচ্চিত্রের মাঝেই বোঝা যায়, উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হলেও নির্মাতা বেশ কিছু জায়গায় নতুনত্ব আনার, স্বকীয়তা উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন এবং তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।

এবার মোটামুটিভাবে আবির্ভাবের ক্রম অনুযায়ী চরিত্রগুলোর অভিনয় নিয়ে আলোচনা করা যাক!

krishnopokkho3

ছোট জেবা চরিত্রে পূজা চেরি– খুব অল্প বয়সে অভিনয় শুরু করে এখন সে রীতিমত পাকা অভিনেত্রী, ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজ করবে সেটাই প্রত্যাশা। “কৃষ্ণপক্ষ” ছবিতে তার সংক্ষিপ্ত উপস্থিতি নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই- ভালোই, তারপরও মনে হল, “অগ্নি” ছবিতেই তার অভিনয় সেরা ছিল!

krishnopokkho4

মুহিব চরিত্রে রিয়াজ- তিনি যেমন সিদ্ধ অভিনেতা, শুধু বাণিজ্যিক ছবি তো নয়, বিভিন্ন নাটক ও উপন্যাস ভিত্তিক চলচ্চিত্রে নিজের অভিনয় মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। এই চলচ্চিত্রেও তার অভিনয় নিয়ে বিশেষ প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই- কমেডি দিয়ে দর্শকদের হাসিয়েছেন,পারদর্শী অভিনয় আর গানের চিত্রায়নেও দেখা গেছে চিরচেনা কিছু লুক। তবে একটা ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়িয়েছে বয়স, সাথে কিছুটা মুটিয়েও গেছেন । সব মিলিয়ে দুইটি গানের দৃশ্যায়ন আর দু’একটি দৃশ্য বাদে অরু-র সাথে মুহিব , মুহিবের সাথে অরু-র অর্থাৎ মাহিয়া মাহি-র কোথায় যেন একটা অসহজতা, কোথায় যেন একটু ব্যবধান রয়েই গেছে।

krishnopokkho5

অরু চরিত্রে মাহিয়া মাহি- তিনি তো কমার্শিয়াল মুভির নায়িকা, তাকে হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নিয়ে বানানো ছবি-র নায়িকা করা কেন? এই নিয়ে বোধকরি অনেক কথাই উঠেছে। অথচ “ম্যাজিক মামনি” দেখতে দেখতে অনেকেই হয়তো ভুলে যাই, তার পূর্বসূরি শাবনুর-পূর্ণিমারা বাণিজ্যিক নাচ-গান নির্ভর  ছবি-র নায়িকা হয়েও উপন্যাস নির্ভর বা বিকল্প ধারার ছবি-তে নিজেদের অভিনয় নৈপুণ্য দেখিয়েছেন।  বয়স, গেটআপ আর স্বল্প মেকআপ মিলিয়ে “কৃষ্ণপক্ষ” ছবিতে মাহিয়া মাহি-কে কিন্তু “অরু’ চরিত্রের জন্য যথাযথ-ই মনে হয়েছে। কিন্তু … একটু “কিন্তু”টা থেকে যায় অভিনয়েই! কখনো তিনি মাহিয়া মাহি,  কখনো অরু, কখনো একদম অরু কখনো আবার  মাহিয়া মাহি – তেমনটাই মনে হয়েছে। আর অরু-মুহিব- এর সম্পর্ক রূপায়নে কেমিস্ট্রি আর সহজতা-র খানিকটা অভাবের কথা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে।  অনেকেই হয়তো মাহিয়া মাহি-র ভালো প্রস্তুতি আর অভিনয় উন্নতির কথা বলবেন, তবে কিছু জায়গায় যখনই তিনি “অরু” হয়ে উঠেছেন, তার কাছাকাছি  কিছু দৃশ্যে কিঞ্চিত মেকিভাব স্পষ্ট হয়েছে।

krishnopokkho6

আবরার চরিত্রে ফেরদৌস– লং শট দেখে মনে হল, সংক্ষিপ্ত চরিত্রের জন্য হলেও বেশ অভিনয় প্রস্তুতি  নিয়ে এসেছেন। পরে বুঝলাম, লং শটেই ভালো দেখায়, কারণ  ক্লোজ শটে দেখা গেল- তিনি ‘মোটামুটি’ মানে বেশ মুটিয়ে যাওয়া ফেরদৌস। তার উপর  অরুকে মুহিবের ব্যাপারে আর হাতে আংটি না থাকা নিয়ে  প্রশ্ন করার সময় মুখে এমনভাবে প্রচণ্ড রাগীভাব ফুটিয়ে তুললেন, মনে হল- অরু-রূপী মাহিয়া মাহি তার কোন নিকটাত্মীয়কে খুন করে ফেলেছে, আর তিনি পুলিশ হয়ে সেসবের  জিজ্ঞাসাবাদ করছেন! অবশ্য পরের দৃশ্যেই আবার সহজ হয়ে হাসি-হাসি মুখ করেছেন :p

krishnopokkho7

জেবা চরিত্রে তানিয়া আহমেদ– প্রথম দিকের একটি দৃশ্যে পরিণত জেবা যখন তার প্রিয় পাখিদের খাবার দিচ্ছিল, একটু অন্যমনস্ক- অন্ধের মত মনে হচ্ছিল সে অভিনয়। সেই দু’একটি  দৃশ্য বাদ দিয়ে পুরো মুভিতে সবচেয়ে শক্তিশালী অভিনয় পাওয়া গেছে তানিয়া আহমেদের কাছ থেকে। উপন্যাস পড়লে যদি মনে হয়, সেটা ছিল অরু-র জীবন-কাহিনী, অরু-র “কৃষ্ণপক্ষ”, চলচ্চিত্রটি দেখলে মনে হবে- শেষ দৃশ্যে  কোনক্রমে জেবা-র উপস্থিতি দেখিয়ে দিলে  এ তো জেবা-র “কৃষ্ণপক্ষ” হয়ে যেত! এটা নির্মাতার বড় ধরনের মুন্সিয়ানাও বটে- উপন্যাসের আদল পাল্টে প্রথমেই অরু-র বদলে জেবা-র ওপরে ফোকাস করা  হয়েছে, এতে পুরো কাহিনী জুড়ে জেবা চরিত্রটির প্রচ্ছন্ন প্রভাব থেকে গেছে, এমন প্রভাবশালী চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার জন্য ভরসা করেছেন অভিজ্ঞ অভিনেত্রী তানিয়া আহমেদের ওপর, আর তানিয়া আহমেদও তার পরিণত অভিনয়ের মাধ্যমে সার্থক প্রতিদান দিয়েছেন  – বাহ!

krishnopokkho8

এছাড়া জেবার স্বামী শফিকুর রহমান চরিত্রে আজাদ আবুল কালাম চরিত্র অনুযায়ীই  রাশভারী ভারিক্কি  অভিনয় করেছেন , অরুর বড় বোন মীরু চরিত্রে মৌটুসি বিশ্বাসও দর্শকদের বিনোদিত করেছেন। আরফান, ওয়াহিদা মল্লিক জলি সহ হুমায়ূন আহমেদের নাটক-চলচ্চিত্রের বেশ কিছু পরিচিত মুখ নিজ  নিজ চরিত্রের স্বল্প পরিসরে মোটামুটি ভালো বা বেশ ভালোই ছিলেন।

সব মিলিয়ে নগণ্য দর্শক দৃষ্টিতে কৃষ্ণপক্ষ-এর কিছু  ভালো-মন্দ :   

krishnopokkho9

কিঞ্চিৎ সমালোচনা দিয়ে শুরু হোক!

১] ২-১ টি সিম্বোলিক দৃশ্য থাকলে বেশ হত। ধরা যাক, জেবা ও পাখি-র দৃশ্যটি হুট করে শেষ না করে পাখি ও আকাশের প্রতীকী দৃশ্যায়নের মাধ্যমে জেবার মনের অস্থিরতা-র রূপক চিত্রায়ন করতে পারত। তেমনি জেবার স্মৃতিচারণার সময় ধারাবর্ণনার সাথে অতীতের ফ্ল্যাশব্যাক থাকলে  হয়তো আরো  হৃদয়গ্রাহী হয়ে উঠত।

২] কয়েকটি দৃশ্য হুট করে শুরু ও শেষ হয়েছে, একটু সময় নিয়ে হলে আরও ভালো হত। যেমন- মুহিবের সাথে অরু-র বৃষ্টিভেজা গান হল, তার পরের দৃশ্যেই দেখা গেল- ঘুমন্ত মুহিবের সাথে অরু কথা বলছে, তারপর  সকালে উঠে মুহিব বাসর রাতে জেগে না থাকার জন্য মাফ চাইছে। তাই বৃষ্টিভেজা গান-নাচ-টা যে অরু-র নিছক কল্পনা ছিল, ব্যাপারটা স্পষ্ট করলে ভালো হত।

৩] ক্যামেরার কাজ বেশ- তবে কয়েকটি দৃশ্যে চরিত্রগুলো সংলাপ দেয়ার সময় অত লং শট না নিয়ে একটু ক্লোজ শট নিলে ভালো হত- কারণ ব্যাকগ্রাউন্ডে কোন সিম্বলিক অবজেক্ট না থাকলে সংলাপের সাথে সচরাচর চরিত্রগুলোর মুখভঙ্গি-এক্সপ্রেশনের ওপর দর্শকের চোখ থাকে। [অবশ্য ফেরদৌসের এনট্রান্সের সময় দূর থেকে নেয়া শট-ই ভালো ছিল J]

৪] মিউজিক বেশ ভালো-  শুধু ২-১ বার  মিউজিক একটু দেরীতে শুরু হয়েছে মনে হল।  সাথে হুমায়ূন আহমেদ এর লেখা গানগুলো জায়গামতই বসেছে, দৃশ্যায়নও মোটের উপর চমৎকার।

৫] ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় করতে চাই না- তারপরও বলি, হাসপাতালের দৃশ্যে বজলু-র স্ত্রী রওশন  আরা প্রথম দিকে যেভাবে দাঁড়িয়েছিলেন, মনে হয়েছিল- বজলু-র সাথে তার বিস্তর ব্যবধান/ পার্শ্ববর্তী বন্ধুটিই তার মনপ্রাণ (মানে স্বামী) :p

এবার হোক সব ভালো আলোচনা ! 

krishnopokkho10

মুভির বেশ কিছু দৃশ্যের কাজ সত্যিই অসাধারণ হয়েছে। প্রথমেই বলি, মুহিবের এক্সিডেন্টের দৃশ্য- চমৎকার বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে-বাংলা চলচ্চিত্রে দেখা সেরা এক্সিডেন্ট দৃশ্য-ই মনে হয়েছে । এমন আরও কিছু প্রাণবন্ত দৃশ্য-

মুহিবের এক্সিডেন্টের সময় অরু-র দেখা এক ভৌতিক স্বপ্ন…

ভেতরের ঘরে জেবা আর তার স্বামী-র কথোপকথনের সময় ব্যালকনি ঘেঁষে চমৎকারভাবে চাঁদ দেখা গেল…

মুহিবের এক্সিডেন্টের খবর শুনে অরু-র  প্রতিক্রিয়া-র প্রতিবিম্ব যেভাবে পাশের আয়নায় চিত্রায়িত হল- হুট করে দেখে মনে হয়, পাশের ঘরে আরেক অরু বসে আছে!

অরু-র আর্তনাদ ঠিক হৃদয়বিদারক মনে না হলেও আইসিউ-তে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণের এক রহস্যময় আবহ ফুটিয়ে তোলার প্রচেষ্টাটিও প্রশংসনীয় ছিল। তাছাড়া বর্তমান সময়ের সাথে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা,  উপন্যাসের মত পরিণতি না টানা-র নতুনত্বও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় বলে মনে হয়েছে।

 

krishnopokkho11

সব মিলিয়ে বলতে পারি, “কৃষ্ণপক্ষ” উপন্যাসটি পড়ে ঠিক মনে না ধরার পরও  মুভি দেখেই বেশি তৃপ্ত  হয়েছি। আরও ন্যাচারালিটি থাকলে, সার্বিক অভিনয়ে আরও বিশ্বাসযোগ্যতা থাকলে হয়তো চোখ ছলছল করতেও পারত! এখানেই চলচ্চিত্রের নবাগত নির্মাতা-পরিচালক মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রগ্রাহক ও অন্যান্য কলাকুশলীদের অনেক বড় সার্থকতা।  কারণ “কৃষ্ণপক্ষ” একটি আশা জাগানিয়া চলচ্চিত্র- যে  ছবিটি দেখিয়ে দেয়, বাংলাদেশের চলচ্চিত্র প্রচলিত ফর্মুলা-গুটিকয়েক নাচ-গান-ভালোবাসা- চটকদার নকল গল্পের খোলসে বন্দী থাকার নয়। মৌলিক গল্পের সুনির্মিতি-র নান্দনিকতা সত্যিই মন জয় করে নিতে পারে, “কৃষ্ণপক্ষ” শেষে শুক্লপক্ষের আভাস দিতে পারে। আর এমন সব চলচ্চিত্র দেখতেই, এ ধরনের প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাতেই প্রেক্ষাগৃহে গমন করা বাংলা চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য বাঞ্ছনীয়! 🙂

krishnopokkho12

আমার প্রদেয় রেটিং- ৮.৫/ ১০ 🙂

 

 

 

Krishnopokkho (2015)
Krishnopokkho poster Rating: N/A/10 (N/A votes)
Director: Meher Afroz Shaon
Writer: Humayun Ahmed (novel), Lutfar Rahman Nirjhar (dialogue)
Stars: Mahiya Mahi, Riaz, Ferdous Ahmed, Moutushi Biswas
Runtime: N/A
Rated: N/A
Genre: Drama, Family, Romance
Released: 13 Nov 2015
Plot: N/A

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. আকর্ষণীয় ডিজাইনের চশমা ও সানগ্লাস ঘরে বসে পেতে চাইলে ক্লিক করুন ড্রিমারস অনলাইন শপ

    ফেসবুক পেজ থেকে বেছে নিন পছন্দের চশমা বা সানগ্লাস আর অর্ডার করুন ফেসবুক থেকেই। সরাসরি পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়। পন্য হাতে পেয়ে মুল্য পরিশোধ করুন।
    পেজটিতে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন এবং বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ধন্যবাদ ।

    ভিসিট করুন https://www.facebook.com/dreamersdreambd

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন