দেখবেন নাকি তিন গোয়েন্দা টিভি পর্দায় ???

 

হ্যাল্লো কিশোর বন্ধুরা
আমি কিশোর পাশা বলছি অ্যামিরিকার রকি বীচ থেকে।

জায়গাটা লস অ্যাঞ্জেলসে, প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে।

হলিউড থেকে মাত্র কয়েকমাইল দূরে।

যারা এখনও আমাদের পরিচয় জানো না,

তাদের বলছি আমরা তিন বন্ধু একটা গোয়েন্দা সংস্থা খুলেছি। নাম
তিন গোয়েন্দা।
আমি বাঙালি, থাকি চাচা-চাচীর কাছে। দুই বন্ধুর একজনের নাম মুসা আমান। ব্যায়ামবীর, অ্যামিরিকার নিগ্রো, আরেকজন রবিন মিলফোর্ড, আইরিশ অ্যামিরিকান, বইয়ের পোকা।
একই ক্লাসে পড়ি আমরা।
পাশা স্যালভিজ ইয়ার্ডে লোহা-লক্কড়ের জঞ্জালের নিচে পুরোন এক মোবাইল হোম-এ আমাদের হেডকোয়ার্টার

 

প্রধান চরিত্রসমূহ

কিশোর পাশা
কিশোর পাশা তিন গোয়েন্দা সিরিজের প্রধান চরিত, গোয়েন্দা প্রধান। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। বাবা জাহেদ পাশা। মাত্র ৭ বছর বয়সে এক ঝড়ের রাতে গাড়ি দুর্ঘটনায় তার মা-বাবা দুজনেই মারা যান। চাচা রাশেদ পাশা ও চাচী মেরিয়ান পাশার (কিশোরদের ‘মেরি চাচি’) কাছেই সে মানুষ। চাচা রাশেদ পাশার একটি স্যালভিজ ইয়ার্ড আছে, নাম “পাশা স্যালভিজ ইয়ার্ড”। কিশোর পাশার কোঁকড়া চুল, গভীর কালো দুচোখে বুদ্ধির ঝিলিক! ক্ষুদ্র জিনিসও তার চোখ এড়ায় না। যে জিনিস একবার দেখে সেটা মনে থাকে দীর্ঘদিন। কিশোর পাশা একজন চমৎকার অভিনেতাও বটে। ছোটবেলায় একটি কমেডি সিরিযে একটা হাসির চরিত্র করেছিলো বলে এখনও সে বেশ লজ্জাবোধ করে। ইলেকট্রোনিক্সের কাজে সে বেশ পটু, তাই তাকে “ইলেক্ট্রোনিক্সের যাদুকর”ও বলা হয়। তার মুদ্রাদোষ হলো: গভীর চিন্তামগ্ন অবস্থায় সে ক্রমাগত নিচের ঠোঁটে চিমটি কাটতে থাকে। তাছাড়াও সময় নাহলে কখনোই কাউকে কোনো কিছু বলতে চায় না! কোনো বইতে তার ‘বাঘা’ এবং ‘টিটু’ নামে দুটি কুকুরের নামও পাওয়া যায়। “থ্রি ইনভেস্টিগেটরস”-এ কিশোর পাশার প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো জুপিটার জোনস

মুসা আমান
মুসা আমান তিন গোয়েন্দা সিরিজের দ্বিতীয় চরিত্র, গোয়েন্দা সহকারী। আফ্রিকান বংশোদ্ভূত। বাবা-মায়ের সাথে থাকে। বাবা রাফাত আমান হলিউডের বড় টেকনিশিয়ান এবং মা মিসেস আমান গৃহিনী। মুসাকে ঘরবাড়ি পরিষ্কার করা, লনের ঘাস ছাটা এসব কাজ প্রায়ই করতে হয়। নিয়মিত ব্যায়াম করে আর পেশিশক্তিতে সবল। প্রয়োজনে প্রচন্ড শক্ত মাথা দিয়ে শত্রুর পেটে আঘাত করতে তার জুড়ি নেই। তার মাঝে মাঝেই নানারকম বাতিক জাগে। কিছুদিন পর তা মিটে গেলে আরেকটা শখে মন চলে যায়। তার মুদ্রাদোষ হলো: কথায় কথায় “খাইছে” কিংবা “ইয়াল্লা” বলা। সে একটু ভোজনরসিকও বটে। কিছুটা ভীতু প্রকৃতির, ভূতে তার যত ভয়। তবে বিপদের মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি সাহসী হয়ে উঠে মুসা। মুসা মোটামুটির দক্ষতার সাথে বিমান চালাতেও পারে। তবে মুসা বই পড়তে অপছন্দ করে। “থ্রি ইনভেস্টিগেটরস”-এ মুসা আমানের প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো পীট ক্রেনশো (Pete Crenshaw)

রবিন মিলফোর্ড
তিন গোয়েন্দার নথি গবেষক হিসেবে পরিচিত রবিন মিলফোর্ড। আয়ারল্যান্ডের বংশোদ্ভূত। বাবা মিস্টার মিলফোর্ড একজন সাংবাদিক এবং মা মিসেস মিলফোর্ড গৃহিনী। রবিনের কাজ হচ্ছে তিন গোয়েন্দার সকল কেসের রেকর্ড রাখা বা নথি সংরক্ষণ করা। পাহাড়ে চড়ায় সে ওস্তাদ; কয়েকবার পাও ভেঙেছে একারণে। বই পড়তে খুব ভালোবাসে আর বইয় থেকে দ্রুত উদ্ধৃতি দিতে পারে বলে সে “চলমান জ্ঞানকোষ” হিসেবে পরিচিত। তিন গোয়েন্দার সবার মধ্যে সবচেয়ে কেতাদুরস্ত আর দেখতেও সুন্দর। রবিন রকি বীচ লাইব্রেরীতে একটি খন্ডকালীন চাকরীও করে। কিছুদিন অবশ্য একটি ব্যান্ডের দলের সঙ্গেও কাজ করেছে। তাছাড়া রবিনও বিমান চালাতে পারে, তবে সে অতোটা দক্ষ নয। দলের অন্যান্য সদস্যের মতো সে কারাতে-তে বেশ দক্ষ। “থ্রি ইনভেস্টিগেটরস”-এ রবিন মিলফোর্ডের প্রতিসঙ্গী চরিত্র হলো রবার্ট বব এনড্রিউয (Robert Bob Andrews)

 

কিশোর বয়সের সেই দিন গুলোর কথা মনে পরে গেল ।
টিফিন এর টাকা জমিয়ে তিন গোয়েন্দার ভলিউম কিনতাম

রকিব হাসান এর তিন গোয়েন্দা কে নিয়ে একবার নাটক করার কথা  শেষ পর্যন্ত সেটা আলোর মুখ দেখে নাই
তাই বলে কি আমরা তিন গোয়েন্দা টিভি  দেখব না ?? অবস্যই দেখব । যদিও সেটা আমরা যে রকম চাই সে রকম হবে না তবু সেটা তিন গোয়েন্দা
তিন গোয়েন্দার প্রথম এডভেঞ্চার টেরর ক্যাসেল এবং কঙ্কাল দীপ এই দুটি নিয়ে ২টি মুভি করা হয়েছে
যারা জানেন না তাদের বলছি তিন গোয়েন্দা রকিব হাসান এর নিজস্স সৃষ্টি নয়
বিদেশী কাহিনী থেকে নেয়া
অরিজিনাল লেখক এর নাম রবার্ট আর্থার

গল্প নিয়ে আর কি বলব ?? বলার তেমন কিছু নাই
তবে এটা  বলে রাখি মুভির  কাহিনীর সাথে রকিব হাসান এর কাহিনীর অনেক তফাত আছে |

The Three Investigators and the Secret of Terror Castle (2009)

Download Link

The Three Investigators and the Secret of Skeleton Island (2007)

Download Link

(Visited 211 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন