লাভ ম্যারেজ একটি স্বার্থক বি গ্রেডের সিনেমা
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

দেখে ফেলেছি কথিত বেঁদের মেয়ে জোসনার রেকর্ড ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দেওয়া বিখ্যাত ছিনেমা লাভ মেরিজ৷
কুরুচিকর পোস্টার, গতানুগতিক ট্রেলার, হাস্যকর নাম এসব দেখে প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম এ ছবি আমার দেখার উপোযোগী নয়! তারপরেও আমি সিনেমা হল পর্যন্ত গিয়েছি এ ছবিটিই দেখতে! আর এ অঘটনের কৃতিত্ব শুধু মাত্র ফেসবুকে বাংলা সিনেমার গ্রুপ পেজ গুলোর কতিপয় ফিল্ম প্রমোটারের৷ আপনারা ক্যামেনে পারেন ম্যান! :O যেভাবে ফেসবুকে বাংলা ফিল্মের গ্রুপ পেজ চালানোকে আপনারা একটা পেশার পর্যায়ে নিয়ে গেছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয় >__<
যাইহোক, টাকা দিয়ে জমি কিনতে না পেরে জমি দখলের জন্য তার সাগরেদদের পাঠায়৷
.
জমিতে শাকিবের বাবার সাইন বোর্ড উঠিয়ে টাটার সাইনবোর্ড লাগাচ্ছিল মিশার গুন্ডারা৷ এমন সময় হেলিকাপ্টারের আওয়াজ৷ হেলিকাপ্টার থেকে নামলো শাকিব খান৷ প্রত্যাশিত ভাবেই ঠোটে হালকা লিপিস্টিক এবং দুই কানে দুল পড়া অবস্থায়৷
তারপর ছবির প্রথম কমেডি থুক্কু এ্যাকশন সিন শুরু আকাশে উড়া উড়ি করে শাকিব হাত পা ছোড়াছোড়ি করছে৷ আর মিশার গুন্ডাদের মুখ দিয়ে পানের পিকের মতো করে রক্ত বেরুচ্ছে!!! এরকম হাস্যকর এ্যাকশন শুধু বাংলা সিনেমাতেই সম্ভব৷ একটা ছবিতে এরকম এ্যাকশন রাখা থেকে আমার মতো না রাখাটাই উত্তম৷
.
মারামারি করে বাড়ি ফিরেছে শাকিব৷ হাত কেঁটে গেছে তার৷ তাই চাকর বাকরদের স্যাভলন আনতে বলে৷ কিন্তু কেউই শাকিবের নির্দেশ শুনছে না৷ শাকিব বিয়ে না করা পর্যন্ত কেউই শাকিবের নির্দেশ শুনবে না৷ কিন্তু শাকিব কিছুতেই লাভ ছাড়া ম্যারেজ করবে না৷
.
তার পরের কাহিনী আপনি যেটা ভাবছেন সেটাই৷ হঠাৎ একদিন রাস্তায় অপু কে দেখে শাকিব৷ স্বাভাবিক ভাবেই দেখেই প্রেমে হাবুডুবু খেতে থাকে৷ শুরু হয় গান৷ তারপর অপুর পেছনে ছোটাছুটি৷ গতনুগতিক চিরচেনা স্টাইলে টিজ করা৷
.
এদিকে অপুর বাবা মিজু আহমেদ, চাঁদাবাজ৷ মিশার প্রধান প্রতিদ্বন্দী৷ কিন্তু বাবার রক্ত চোষা টাকা-পয়সা চায় না অপু বিশ্বাস৷ শুরু হয় বাবাকে ধিক্কার জানিয়ে মেয়ের বাংলা রচনা টাইপ বিশাল ইমোশনাল সংলাপ৷ ব্যাকগ্রাউন্ডে বেজে ওঠে ২০ বছর আগের স্টাইলের ডুডুডুডুুডুটুুুুুুটু টাইপ মিউজিক৷
মেয়ের দিকে চোখ তুলে যে চায় তাক হাত পা গুড়ো করে দেয় অপুর বাবা৷ স্বাভাবিক ভাবেই শাকিবের কথা জানতে পারেন তিনি৷ ফলে তার গুন্ডাদের সঙ্গে শাকিবের কয়েকদফা কমেডি স্টাইলের এ্যাকশন সংঘটিত হয়৷
.
শাকিবের টিজ চলতে থাকে৷ অপু শাকিবকে পাত্তা দেয় না৷ কিন্তু একদিন শাকিবের ইংলিশ শুনে ফিদা হয়ে যায়৷ আবার শুরু হয় গান নাচ৷
.
শাকিব অপুর মিষ্টি মধুর প্রেমের সম্পর্কের এক পর্যায়ে তাদের মাঝে মিশার আগমন ঘটে৷ একদিন অপুর সাথে ধাক্কা খায় মিশা৷ প্রত্যাশিত ভাবেই অপুর প্রেমে হাবুডুবু খেতে থাকে মিশা৷ এবং চিরশত্রু অপুর বাবা মিজু আহমেদকে শ্বশুর বানানোর সিদ্ধান্ত নেয়৷ অপুর বাবাও রাজি হয়ে যায়৷ এবার অপুকে মিশার হাত থেকে কিভাবে রক্ষা করবে শাকিব? এই নিয়ে এগিয়ে যায় ছবির কাহিনী৷
.
গল্প শুনেই বুঝতে পারছেন গতানুগতিক গল্পের ছিনেমা লাভ মেরিজ৷ তার সাথে যোগ হয়েছে যাচ্ছেতাই নির্মান৷ সব মিলিয়ে একটা দুর্দান্ত বস্তাপঁচা সিনেমা৷ পরিচালক কোন রকমে ছবির কাজ শেষ করেছে৷ ছবির ক্ল্যাইমেক্সে একটা ফাইটিং সিকোয়েন্স ছিল যেখানে হেলিকাপ্টার নিয়ে বাড়ির ছাদে লেন্ড করে শাকিব খান৷ তারপর ফাইটিং শুরু হয়৷ ফাইটিংয়ের এক জায়গায় বাড়ির ছাদে হেলিকাপ্টার দেখা যাচ্ছিল এক সেকেন্ড পরের দৃশ্যেই তা উধাও হয়ে যাচ্ছিল আবার কয়েক সেকেন্ড পরেই আবার ফিরে আসছিল৷ বোঝেন এবার পরিচালক কতো দায়িত্বহীন হলে ছবিতে এ ধরনের ভুল করতে পারে৷ আসলে শাহীন সুমনের মতো অশিক্ষিত বুড়ো পরিচালকদের অবসর নেওয়ার এখনই সময়৷ ওনার মতো মূর্খ পরিচালকরাই আজকাল সুন্দর বনে সিংহ আবিষ্কার করে বাংলা সিনেমাকে কলুষিত করছে৷
.
স্বাভাবিক ভাবেই এ ধরনের সিনেমায় ভালো ক্যামেরার কাজ, লোকেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, পোশাক পরিচ্ছেদ ইত্যাদি আশা করা বোকামী৷ আর আমি এসব আশাও করিনি৷
.
তাই সরাসরি চলে আসি অভিনয় প্রসঙ্গে৷
শাকিব ঢাকাইয়া ভাষায় ডায়লগ বলাতে মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন৷ তবে সিনেমায় তার হাবভাব, এক্সপ্রেশন আর পাঁচটা বস্তপচা সিনেমার মতোই ছিল৷
অপুকে অনেক স্লীম ও গ্ল্যামারাস লেগেছে৷ যদিও এর জন্য অনেক কড়া মেকাপের সাহায্য নিতে হয়েছে৷
মিশার লুক ছিল বস্তাপচা৷ তবে শেষের দিকে অপুর প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া অবস্থায় বেশ ভালো অভিনয় করেছে৷ দর্শকও বেশ মজা পেয়েছে৷
বাকি অভিনয় শীল্পীদের মধ্যে কোন বিশেষত্ব ছিল না৷ সবাই আর পাঁচটা বস্তপচা সিনেমায় যেমন অভিনয় করে এ ছবিতে তেমন অভিনয় করেছে৷
.
'ভালোবেসে এই বার আয় কাছে তুই' ও 'কি করে বল' ছবির এই দুটা গান বেশ ভালো ছিল৷ এর মধ্যে ভালোবেসে এই বার গানটির চিত্রায়ন, লোকেশন বস্তাপচা সিনেমা হিসেবে অনেক ভালো ছিল৷
.
আর পাঁচটা বস্তাপচা সিনেমার মতো এই সিনেমাতেও ছিল বিপাশা কবীরের আইটেম গান৷ আসলে একটা সিনেমাকে দেখার অযগ্য করার জন্য বিপাশা কবীরের এমন একটা আইটেম গানই যথেষ্ঠ৷ এখন অনেকেই হয়ত অভিযোগ বলিউড সিনেমার আইটেম গান দেখতে পারলে বিপাশা কবীরের আইটেম গান দেখতে সমস্যা কোথায়? ঐসব কাঁনা, অথর্ব আহম্মকদের বলতে চাই৷ বলিউডের ক্যাটরিনা, কারিনা অার দীপিকাদের গ্ল্যামার, ফিগার আর বিপাশা কবীরের মতো একটা মাঝবয়সী বুড়ির গ্ল্যামারের মধ্যে যে আকাশ পাতাল তফাৎ৷ এই সহজ ব্যাপারটা বোঝার মতো ক্ষমতাও কি তোদের নেই?
.
যাইহোক সবমিলিয়ে শাকিবের ঢাকাইয়া ভাষার ডায়লগ গুলো ছাড়া নতুন কিছুই নেই লাভ ম্যারেজে৷ হলের দর্শক কিছু কিছু ডায়লগ বেশ ভালোই উপভোগ করেছে৷ তাছাড়া কাবিলার কিছু সস্তা কিছু কমেডি ছিল ছবিতে৷ এছাড়া শাকিবের সাঙ্গো পাঙ্গোদেরও কিছু সস্তা কমেডি ছিল৷ এগুলো থেকে আপনি মজা পেলেও পেতে পারেন৷ আসলে মজা পাওয়া না পাওয়ার পুরো ব্যাপারটা নির্ভর করছে আপনার রুচি ও মন-মানসিকতার ওপর৷ এক কথায় অনেকের কাছেই এ ছবি অমৃত মনে হতে পারে আবার অনেকের কাছে জঘন্যও মনে হবে৷ এবং অবশ্যই ছবিটি শিক্ষিত ও উৎকৃষ্ট রুচিবোধ সম্পন্ন দর্শকদের উপযোগী নয়৷ অন্যদিকে রিক্সা ওয়ালা, গার্মেন্টস কর্মী ইত্যাদি পেশার নীরীহ অশিক্ষিত দর্শকদের কাছে এ ছবি অমৃত মনে হতে পারে৷ আর তাদের কাছে সম্ভবত অমৃত মনে হচ্ছেও৷ আর এজন্যই ছবিটি দ্বিতীয় সাপ্তাহেও শতাধিক হলে চলছে!
আসলেও সব দেশের ইন্ড্রাস্ট্রীতেই নিম্নশ্রেণীর দর্শকদের রুচি অনুযায়ী ভিন্নধারার B গ্রেডের ফিল্ম তৈরি হয়৷ দুর্ভাগ্য বাংলাদেশী সিনেমা প্রেমীদের কারন বিভিন্ন কারনে এদেশের B গ্রেডের সিনেমাগুলো আজ মূলধারার সিনেমার আসন দখল করে ফেলেছে৷
.
যাইহোক, যতদূর জানি লাভ ম্যারেজ সিনেমাটি ভালো ব্যাবসা করছে৷ একটা B গ্রেডের সিনেমার জন্য ব্যাবসাটাই আসল৷ সে হিসেবে লাভ ম্যারেজ একটি স্বার্থক B গ্রেডের সিনেমা৷

এই পোস্টটিতে ২৬ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. বাংলা ছি:নেমা দেখার মত অতিমানবীয় সাহস আমার নেই বললেই চলে ! তবে আপনার রিভিউ পড়ে ফেলেছি মাইরি !
    আফসোস !! সত্যি কি আমাদের সোনালী অতীত আর কখনো ফিরে আসবে না ! কেন আমরা এই সকল অযোগ্য ফিল্ম মেকার দের শাস্তি দাবি করিনা ? আমাদের বিবেক মান্দার গাছে উঠে পরেছে নইলে এদের মত গো-পরিচালক এখনো বুক ফুলিয়ে চলে কিভাবে !!!

    • নতুন কিছু মুভি আসছে যেইগুলো নিয়ে দারুণ আশাবাদী…. খোঁজখবর রাখুন মুভিগুলোর।দর্শক আগ্রহ পেলে সোনালি অতীত ফিরে আসবে।

    • ঈদে যেমন লাভ ম্যারেজের মতো ছিনেমা মুক্তি পেয়েছে ঠিক তেমনি পদ্ম পাতার জল, অগ্নি২ এর মতো মানসম্মত মুভিও মুক্তি পেয়েছে৷ এগুলোকে হলে গিয়ে দেখে সাপোর্ট করেন৷ দেখবেন ভবিষ্যতে এরকম আরও অনেক মানসম্মত মুভি তৈরী হবে৷ আর এভাবেই খুব শীঘ্রই পাল্টে যাবে আমাদের সিনেমা৷

    • অগ্নি২ মানসম্মত মুভি…..ও আল্লাহ হেতে কি কয়…আর লেখক ভাই নিম্নশ্রেণীর দর্শকদের রুচি না বলে বলেন কিছু কুরুচি অশিক্ষিত শীল্পী ও পরিচালকদের কারনে দেশের ইন্ড্রাস্ট্রীর আজ এই করুন দশা।

    • S.m. Rasil says:

      আমার এক বন্ধু অগ্নি২ দেখতে গেছিল সে বললো যে ৩০মিনিট দেখার পর হল থেকে বাহির হয়ে যায় আর আমাকে বলে যে দুনিয়ার ফালতু ছবি,,,

  2. hindi nengta chobi dekhar jonno e bangalir jonmo tora bangali namer kolongko fuck hindi movies and grand salute to Bangla film

  3. “অবশ্যই ছবিটি শিক্ষিত ও উৎকৃষ্ট রুচিবোধ সম্পন্ন দর্শকদের উপযোগী নয়৷ অন্যদিকে রিক্সা ওয়ালা, গার্মেন্টস কর্মী ইত্যাদি পেশার নীরীহ অশিক্ষিত দর্শকদের কাছে এ ছবি অমৃত মনে হতে পারে৷ আর তাদের কাছে সম্ভবত অমৃত মনে হচ্ছেও৷”

    আপনার কাছে কি মনে হয় গার্মেন্টসের সবাই অশিক্ষিত আর ক্ষ্যাত?একটু ভাই রেসপেক্ট করেন।এভাবে না বললেও পারতেন।

    • জিজ্ঞেস করে আসেন ভাই তাদের, তাদেরকাছেও এইসব গল্প খুব একটা ভাল লাগেনা তারাও চাও নতুন স্বাদের গল্প হোক …তাহলে সমাজের এই নিম্ন আয়ের মানুষ গুলা আরও বেশি করে হলে আসবে সাথে সাথে মধ্য ও উচ্চ আয়ের মানুষ ও …সর্বোপরি নতুনত্ত যদি গল্পে না আনা যায় তাহলে আদতে কোন লাভ নাই…আমরা যেই তিমিরে ছিলাম সেই তিমিরেই থেকে যাবো তাহলে ।

    • আমিও সেটাই বলতে চেয়েছি।গার্মেন্টস কাজ করার সুবাদে আমি জানি অনেকেই এইসব ছবি পছন্দ করে না। কিন্তু তাদের বিনোদনের অভাবে এইসব ছবি দেখতেই বাধ্য হয়।আমি নিজেই দেখেছি গার্মেন্টস ওয়ার্কারদের ফোনে হিন্দি আর দক্ষিন ভারতের ছবি দিয়ে ভরা মেমরি।
      আমার খারাপ লেগেছে এখনো আমাদের অতি শিক্ষিত সমাজ গার্মেন্টস কর্মীদের অশিক্ষিত আর ক্ষ্যাত ভাবতেই খুশি।
      যা একটু সম্মান পেয়েছিল রানা প্লাজা ধ্বসের পরেই 🙁

  4. Rakib Shoeb says:

    খুব ভালো হয়েছে ।
    এবার পদ্ম পাতার জল এর রিভিও এর জন্য অপেক্ষায় রইলাম

  5. Sojib Hasan says:

    ঈদ বা উৎসবের সিনেমা গুলো কে আমি লিস্টে কাউন্ট করি না কারণ এই সময় যত বাজে ছবিই হোক না কেনো, পাবলিক দেখবে ।

  6. Bioscope Blog
    Apni jokhon Agnni 2 niye 5-6 bar status diyechen .tokhoni facebook bondhura bujhe felese apni ai movie er Somalochona korchen naki Procher korchen.jai hok apni akjon susto dharar manus tai Katrina karina tader 2x dekhen r item song dekhen sobi soman.ami Bipasake supported korina tar sathe Bollywood k o na.Bangladesh errr movie ager theke onek valo hocce .Dhallywood err somalochona korchen naki sakib errr somalochona korcen.Admin akti boro Abal sara kichui na

    • Sojib Hasan says:

      Nillakash Akash আমি লেখকের কেউ না তবে উনার জাগায় আমি হলে আমিও একই রিভিউ লিখতাম, তাই বলছি । আপনি হয়তো দেখেন কিন্তু, আমি সিনেমা দেশ ভক্তির জন্য দেখিনা । একটি বস্তাপচা, আজগুবি, ফালতু সিনেমা আমি কেনো দেখবো ? শুধু মাত্র আমার নিজের দেশের বলে ? একটি সিনেমার মূল লক্ষ দেশ ভক্তি নয়, বিনোদন । দর্শকের বিনোদন এবং একটি সিনেমার পিছনে দর্শক যে অর্থ ব্যায় করছে তার যথাযথ প্রতিদান সেই সিনেমাটি দিতে পারছে কিনা সেটাই মূল বিষয় । দেশপ্রেম কে পুজি করে পয়সা কামানোর ধান্দার নাম বিনোদন শিল্প না । সিনেমাটি কোন দেশে তৈরি, কার তৈরি, কে অভিনয় করছে, কতো টাকা ব্যায়ে তৈরি এইসব আমার কাছে কোন বিষয় না, মূল বিষয় হচ্ছে সিনেমাটি আমাকে বিনোদন দিতে পারছে কিনা ।

  7. Vai Cakip (sakib) kaner kache er cee besi r ki Asa koren?

  8. বাংলা সিনেমা প্লিজ কিছু আসল এবং নতুন কাহিণী নিয়ে আসো …বাণিজ্যিক ছবির গল্প বলার যে ঠং আমাদের এই উপমহাদেশে সেটা একটা মহামারির মত কলকাতা,মুম্বাই,ঢাকা,দক্ষিন ভারত সব জায়গায় মোটামোটি একই গল্প বলে…শাকিবের বেশিরভাগ ছবির কাহিনি লাভ ম্যারেজের মত শুধু বিভিন্ন গান চেঞ্জ হচ্ছে ক্যামেরা একটু এদিক সেদিক করা হচ্ছে…আর যেই লাউ সেই কদু ভাই একটা কথা মুভি বানাইতে হইলে টাকা লাগে কিন্তু গল্প বানাইতে কি টাকা লাগে!!!!!!!! নতুন গল্প পয়দা করতে পারেনা তো ছবি বানায় কেনো ওরা এই টাকা দিয়া এরা নিজেরা ফ্লেট কিন্না ঘুমাই থাকা উচিত আজাইড়া সব মুভি ……এইরকম মুভি বানানো চলতে থাকলে আর নকল করা বন্ধ না হলে বাংলা মুভি কখনোই উন্নতি হবেনা

  9. এই সব কাহিনি তো সেই প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে।নায়ক নাইকার প্রেম আর তার মধ্যে থার্ড পার্টির বাধা দেয়া।চাকিপ কান মানেই এইই কাহিনি।তারপরও ছবির প্রমোশনে দেখবেন বলবে এইই ছবিতা সম্পুর্ন ভিন্নধর্মী গল্পের স্বাদ পেতে যাচ্ছেন দর্শকরা 😛

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন