মুভি রিভিউ | বস টু
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

বোরিং বস টু এ উপভোগ্য নূসরাত ফারিয়া 

–  রমিজ, ২৮/০৬/১৭

বস টু স্টাইলিশ ভাবে বানানো বানিজ্যিক ছবি। তবে এর গল্প  খুবই বোরিং। অনেকটা সুন্দর ভাবে সাজানো বিস্বাদ ডিস যেমন।

 

গল্প ও চিত্রনাট্য 

বোরিং গল্পে চিত্রনাট্যও সাদামাটা। তবে সেকন্ড হাফে নূসরাত ফারিয়ার এন্ট্রির পর চিত্রনাট্য বেশ খানিকটা উপভোগ্য হয়ে উঠে। কিন্তু ক্লাইমেক্সে আবার সেই বোরিং টুইষ্ট। নূসরাত ফারিয়ার ক্যারেক্টারকে আরো স্পেস দিলে চিত্রনাট্যটা কিছুটা হলেও ইন্টারেষ্টিং হতে পারতো। তারপরও বস্তাপঁচা বাংলা ছবির চেয়ে কিছুটা ভাল এ ছবির চিত্রনাট্য। প্রাপ্তি এই টুকুই।

নূসরাত ফারিয়া আল্লাহ্‌ মেহেরবান

বস টু ছবির নায়িকা নূসরাত ফারিয়া

মেকিং স্টাইল 

বাংলা ছবি হিসেবে তো অবশ্যই বেশ ভাল। মূলত বস টু নবাব থেকে মেকিং এর দিক থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে। একশন দৃশ্য গুলো বেশ স্টাইলিশ। সিনেমাটোগ্রাফী এবং এডিটিং মোটামুটি ভালই।

তবে গল্প বোরিং হওয়ায় মেকিং স্টাইলে মন ভরে না।

 

স্টার পারফরমেন্স্‌

জিতকে দেখতে রনবির কাপুরের মতো সুদর্শন লেগেছে। আগের চেয়েও জিত বেশী হ্যান্ডস্যাম হয়েছে। তবে অভিনয়ে রনবির কাপুরের মতো অতোটা ন্যাচারাল অভিনয় সে অন্তত এ ছবিতে দেখায় নি। বানিজ্যিক বাংলা ছবিতে এই এক সমস্যা। অভিনয় করার সময় এক্সট্রা লাউড, অনেকটা ওয়ান্নাবি হয়ে যায় প্রায় সব নায়ক। শুধু জিতের সমস্যা না এটা। দুই বাংলার বানিজ্যিক ছবির ক্ষেত্রে এটা কমন সমস্যা।  এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেছি আমি আমার ভিডিও রিভিউ এ … নিচের লিঙ্কে গিয়ে দেখে নিতে পারেন =>>

শুভশ্রীর করার মতো তেমন কিছু ছিলো না। বরং ছোট্ট রোলে নূসরাত ফারিয়া দারুন। নূসফার এন্ট্রির পরই মুভি কিছুটা হলেও জমে উঠে। তার উচ্চারনে এখনও কিছুটা সমস্যা আছে তবে আগের চেয়ে অনেকটা ইম্প্রুভড্‌। তবে তার এক্সপ্রেশন, বডি লেঙ্গুয়েজ আর গ্লাম্যার একশন নায়িকা হিসেবে দারুন। আল্লাহ্‌ মেহেরবান গানে তার পারফরমেন্স্‌ ে ছবির অন্যতম হাই পয়েন্ট। বাকিরা সবাই নিজ নিজ জায়গায় ভালই করেছেন। তবে রুদ্রনীল ভিলেইন চরিত্রে আরো অনেক ভাল করতে পারতেন। মূলত রুদ্রনীল বা অমিত হাসান; ভিলেইন হিসেবে দুজনেই ডিসেপ্পয়েন্টিং।

 

অন্যান্য দিক 

বস টু মাস অডিয়েন্স এর জন্য নির্মিত। সে হিসেবে এ ছবির একশন এবং ডায়লগ মাস অডিয়েন্সের হয়তো ভাল লাগবে। আমি ব্যাক্তিগত ভাবে অপ্রয়োজনীয় একশন বা ডায়লগ কোনটাই পছন্দ করি না। বিশেষ করি আমি অমুক, আমি তমুক, আমি এটা করি, আমি সেটা করি; এই টাইপের ডায়লগ আমার কাছে জঘন্য লাগে।

ছবিতে  গান আছে তিনটি। আল্লাহ্‌ মেহেরবান গানটি ছাড়া বাকি দুটো গান গতানুগতিক এবং বিরক্তিকর। আল্লাহ্‌ মেহেরবান গানে লিরিকস্‌ এ সমস্যা থাকলেও গানটি শুনতে এবং দেখতে দারুন ছিলো। গানটি বোরিং বস টু কে হঠাত কিছু সময়ের জন্য এক্সাইটিং করতে সক্ষম হয়েছিলো।

 

সবমিলিয়ে, বস টু স্টাইলিশ মেকিং- এ বোরিং গল্পের ছবি। নূসরাত ফারিয়ার এন্ট্রির পর ছবি কিছুটা জমে। তবে তাও অল্প সময়ের জন্য। ভিলেইনরা পুরো ছবিকে বোরিং করে ফেলেছে। ফালতু ভিলেইনদের  স্পেস না দিয়ে নূসরাত ফারিয়াকে আরো কিছুটা স্পেস দিলে ছবিটা খানিকটা উপভোগ্য হতেও পারতো।

তারপরও বস্তাপঁচা বাংলাদেশী ছবির সাথে তুলনা করলে এ ছবি মোটামুটি বলা যায়।

আমি ছবিটিকে  দিচ্ছি ২.৫/৫* অর্থাৎ ৫০% মার্ক্স্‌ বা গ্রেড B

 

ঈদের দুই ছবি নবাব এবং বস টু এর সংক্ষিপ্ত রিভিও ভিডিওতে দেখুন নিচের লিঙ্কে গিয়ে

এই পোস্টটিতে ৪ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. thanks for your honest review 😊 but dui movier e grading same..ekta kom-besi hobe vabchilam

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন