Movie:wadjda(2012)
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

ছোটবেলায় আমরা অনেকেই নিজের প্রিয় জিনিস কিনতে টাকা-পয়সা জমিয়েছি এবং সেই টাকা নানা’ন উপায়ে জোগাড় করতে হত।কখন কখন সেটি একটু অসত পথ হয়ে যেত।ঠিক এখানেই হাইফা আল-মনসুরের’ওয়াজদা’ ছবির গল্প আমাদের প্রত্যেকের সাথে মিলে যায়।
‘ওয়াজদা’ এগারো-বারো বছরের মেয়ে।তার এক মাত্র খেলার সাথী আব্দুল্লাহ সাথে রিয়াদের রাস্তায় সাইকেল চালাতে চায়।আব্দুল্লাহ কে সে সাইকেল রেসিং এ হারাতে চায়।কিন্তু তার কাছে যে সাইকেল নেই।তার মা ও নতুন সাইকেল কিনে দিতে অস্বীকার করে।তখন ওয়াজদা একটা পথ বার করে।সে টাকা জমাতে শুরু করে।সেই টাকা জোগার করার উৎস গুলো বাৎসল্যসুলভ।ওয়াজদার কাছে সুবর্ণসুযোগটি আসে তার স্কুল থেকে।এক প্রতিযোগিতায়।”কোরান” প্রতিযোগিতার মাধ্যমে।এই প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান আধিকারিক কে ১০০ রিয়াল দেওয়া হবে।ওয়াজদা এই সুযোগ হাতছাড়া করেনি সে অংশ গ্রহণ করে।তবে ওয়াজদা কি প্রতিযোগিতা জিত্তে পারলো?বন্ধু আব্দুল্লাহ সাথে রিয়াদের রাস্তায় সাইকেল চালানোর স্বপ্নের বা কি হল?এই সব প্রশ্নের উত্তর ছবি শেষ হওয়ার সাথে সাথে আমাদের সামনে চলে আসে।
হাইফা আল-মনসুর সাব-প্লটে ওয়াজদার মায়ের জীবন চিত্রায়িত করেছেন।তার চাওয়া-পাওয়া,সুখ-দুঃখ,বেদনা,স্বামীর সাথে তার টানা-পোড়েন এখানে তুলে ধরা হয়েছে।তবে এই টানা-পোড়েন ওয়াজদার জীবনে কী প্রভাব ফেলেছে তা সেভাবে তুলে ধরা হয়নি।স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক সন্তানের উপর প্রভাব ফেলতে বাধ্য।আল-মনসুর এই দিকে একটু নজর দিতে পারত।
‘ওয়াজদা’ সৌদি আরবের প্রথম পূর্ণ দৈঘ্যের ছবি এবং ছবিটি একজন মহিলা পরিচালকের তৈরি করা,জার্মান প্রোডাকশন হাউসের সহয়তায় যারা এর আগে “paradise now”(2005) ছবি প্রযোজনা করেছে।আল-মনসুরের ‘ওয়াজদা’ ছবিতে ইরানীয় ছবির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।কোথাও যেন সামাজিক সমস্যা সৌদি আরব আর ইরান কে এক জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।যেখানে একটা ছবি কে নানা’ন সামাজিক বিধিনিষেধ টপকে মানুষের কাছে পৌঁছাতে হয়।

Error: No API key provided.

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Saddam Bd says:

    এটি ছিল সৌদি আরবের প্রথম মুভি। মুভিটা আমি কয়েক বছর আগেই দেখেছি।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন