ডুবঃ আহা পারতাম, যদি পারতাম, ফারুকী সাবকে কিছু কথা বলতাম!
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

সিনেমার শুরুতেই পর্দায় ডিসক্লেইমার ভেসে উঠলো- ‘এই সিনেমার সব চরিত্র কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার সাথে মিল পাওয়া গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয়’। পুরো সিনেমা দেখা শেষে সিট থেকে উঠে দাঁড়ানোর পর এই ডিসক্লেইমারের কথা মনে পরে প্রচন্ড হাসি পেলো। হায়রে ফারুকী সাব, সামাণ্য কয়টা টাকার ব্যবসার জন্য আমাদের সবার প্রিয় গল্পের জাদুকরকে নিয়ে নোংরামিটা করার কি খুব বেশি প্রয়োজন ছিলো আপনার?

 

উপরের লাইনগুলো পড়ে অনেকেই ভাবা শুরু করেছেন যে, আরেকটা নেগেটিভ রিভিউ পড়তে যাচ্ছেন।কিন্তু সত্যটা হচ্ছে, ডুব আমার কাছে ভালো লেগেছে! কিছু কিছু জায়গায় অনেক বেশিই ভালো লেগেছে। মেড ইন বাংলাদেশ, টেলিভিশনের পর পরিচালক ফারুকীর কাজে আমি আবার মুগ্ধ হয়েছি। তারপরেও, সিনেমা শেষে অনেকগুলো আক্ষেপ সঙ্গী, আর সঙ্গী ব্যাক্তি ফারুকীর ক্রমাগত মিথ্যাচারের জন্য উনার প্রতি সীমাহীন রাগ।

 

আয়নাবাজি, ভুবন মাঝি, ঢাকা অ্যাটাকের পর এই সিনেমাতেও চমৎকার সিনেমাটোগ্রাফি মুগ্ধ করেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থেকে শুরু করে ঘরের ভেতরের দৃশ্যসহ প্রতিটি দৃশ্যের ফ্রেমিং বারবার মুগ্ধ হতে বাধ্য করেছে। এমন চমৎকার কাজের জন্য সিনেমাটোগ্রাফার শেখ রাজিবুল ইসলাম একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য। আবহসঙ্গীত দুর্দান্ত। বরাবরের মতোই চিরকুটের গান কানের জন্য শান্তিদায়ক। ‘আহারে জীবন আহা জীবন’ গানটা একটু বেশিই ভালো হয়েছে।

 

অভিনয় নিয়ে কথা বলার মতো ধৃষ্টতা দেখানো উচিত হবে না। প্রত্যেকটা চরিত্রেই অসাধারণ নামকরা সব অভিনেতা, অভিনেত্রী ছিলেন এবং তারা প্রত্যেকেই নামের প্রতি সুবিচার করেছেন। ইরফান খানের ভাঙা ভাঙা বাংলা কানে লাগার কোনো সু্যোগ উনি দেন নি চোখের এক্সপ্রেশানে মন্ত্রমুগ্ধের মতো স্ক্রিনে আটকে রেখে। অসম্ভব গ্ল্যামারাস পার্ণো মিত্র আমাদের দেশের লোকাল ভাষায় বেশ মানিয়ে অভিনয় করেছেন, উনাকে পর্দায় আরো বেশি সময় দেখা গেলে ভালো লাগতো। রোকেয়া প্রাচী নিজের চরিত্র অনুযায়ী সাবলীল অভিনয় করেছেন। তবে, উপরের সবাইকে ছাপিয়ে সমস্ত মনোযোগ কেড়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। তাহসানের নাটকের ন্যাকা তিশা দেখে যারা বিরক্ত তারা এই সিনেমায় তিশার অভিনয়ে চমকে যাবেন। জাত অভিনেত্রী বোধহয় একেই বলে!

কি ভাবছেন- সবকিছু এতো পজিটিভ হওয়ার পরেও আক্ষেপ কেন? কারণ একটাই- সিনেমার গল্প। নির্মাতা এখনো ভাঙা ক্যাসেট বাজানোর মতো সব জায়গায় বলে বেড়াচ্ছেন , এটা মৌলিক গল্পের সিনেমা। কিন্তু, এই সিনেমার মূল ঘটনা থেকে শুরু করে প্রায় প্রতিটি দৃশ্যই চিৎকার করে বলছে এটা প্রয়াত লেখক হুমায়ূন আহমেদের জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায়ের গল্প। উনার জীবনের গল্পটাকে মূল রেখে নির্মাতা স্রেফ নিজের মতো করে কাট-ছাট করেছেন। বায়োপিক বানান নি এ কথা সত্য কিন্তু বিভিন্ন ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার জিতে দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনা একজন সুপরিচিত নির্মাতা কেন ‘এটা মৌলিক গল্পের সিনেমা’- এমন মিথ্যাচারের আশ্রয় নেবেন? মূল আক্ষেপটা সেখানেই।

সিনেমাবোদ্ধা অনেকেই নেগেটিভ রিভিউর প্রতিউত্তরে বলেছেন, এই সিনেমার অন্তর্নিহিত অভিপ্রায় বুঝতে হলে তারেক মাসুদ, আলমগীর কবির, জহির রায়হান, ঋত্বিক কুমার ঘটক, সত্যজিৎ রায়, ঋতুপর্ণা ঘোষ, আব্বাস কিয়ারোস্তামি, জঁ লুক গদার, মোহসেন মাখমালবাফ, রোবের ব্রেসোঁ, ফেদেরিকো ফেলিনি, ফ্রাংক কাপরা, রোমান পোলানস্কিদের কাজের সাথে পরিচয় থাকতে হবে। হ্যাঁ, উপরে উল্লেখিত সবার কাজের সাথে আমার কম-বেশি পরিচয় আছে এবং তারপরেও ‘ডুব’ সিনেমায় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী তার সিনেমার অন্তর্নিহিত অভিপ্রায় ফুটিয়ে তুলতে ব্যার্থ হয়েছেন বলে মনে করি আমি। পার্সিয়ান সিনেমার আদলে উনার গল্প বলার ধরণ, অসাধারণ ফ্রেমিং সেন্স, দৃশ্যে মেটাফোরের চমৎকার ব্যবহার, সহজবোধ্য সুন্দর সাবলীল সংলাপ – এতোসবের পরেও উনার গল্প বলাটা সম্পূর্ণ হচ্ছে না, খাপছাড়া খাপছাড়া লাগছে। উনি একের পর এক অসাধারণ দৃশ্য তৈরি করছেন কিন্তু সবগুলোকে জোড়া দিয়ে একটা মাস্টারপিস তৈরি করতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন। এখানেই অন্য সব বিখ্যাত পরিচালকের সাথে উনার পার্থক্যটা। এই সিনেমার ক্ষেত্রে উনার গল্পটাই ছিলো অসম্পূর্ণ। স্পয়লার হয়ে যাবে বলে সে বিষয়ে এখানে কিছু উল্লেখ করছি না। কিন্তু, এমন পক্ষপাতদুষ্ট দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প বলাটাকে আর যাই হোক, উচ্চমানের শিল্পের তকমা দিতে পারবো না।

 

সিনেমাবোদ্ধা নই, সাধারণ দর্শক। তাই, কোনো রেটিং দেওয়ার ঝামেলায় যাচ্ছি না। একটা কথাই বলবো- ভুল-ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও ভিন্ন ধরণের কাজের চেষ্টার জন্য পরিচালক ফারুকীর জন্য ভালোবাসা আর মিথ্যাচারের জন্য ব্যাক্তি ফারুকীর প্রতি একরাশ ঘৃনা।

এই পোস্টটিতে ১২০ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. ভালো জিনিসের সমালোচক থাকবেই 😃

  2. Khan Mahfuj says:

    নষ্টামি করলে দোষ নাই, উন্মোচন করলে দোষ

  3. হুমায়ুন আহমেদের সাথে অনেক কিছুই মিলে গেলেও হুবহু কিন্তু না। এমন কাহিনী আমার বাবার সাথেও কিছুটা হয়েছিলো। তবে কি আমি এখানে আমার বাবার বায়োপিক দাবি করতে পারি?

    • অনেক কিছুই? গল্পের কাঠামো ছিলো হুমায়ূন আহমেদের জীবনের একটা অংশ। সেটাকে নিজের মতো করে ইম্প্রোভাইজ করেছেন নির্মাতা। আপনি বোধহয় সিনেমাটা দেখেন নি কিংবা হুমায়ূন আহমেদের জীবনী ভালোভাবে ঘাটেন নি। 🙂

    • আমার ঘেটে কাজ নেই। এখানে আমি সাধারণ দর্শক হিসেবে পরিতৃপ্ত কিনা সেটাই দেখার বিষয়।

    • আপনি পরিতৃপ্ত, আমি নই। কেন নই সেটা বলেছি রিভিউতে। 🙂

    • আপনি রিভিউতে সবকিছুই ভালো বলেছেন, প্রশংসাও করেছেন বেশ। আর খারাপ দিক তুলে ধরতে হুমায়ুন আহমেদের বায়োপিকই তুলে ধরেছেন।

    • উহু, সিনেমা সংশ্লিষ্ট আরো অনেক কিছুই বলেছি। আপনি খেয়াল করেন নি। 🙂

    • শ্রোতের বিপরীতে চললে, সমালোচনা করলে, নেগেটিভ রিভিউ দিলেই প্রমাণ হয় না, আপনি জ্ঞানী মানুষ। এগুলো মূর্খরাও করে থাকে না বুঝে। ভালো অনেক দিকই আছে সেগুলোও বলে আপনি শেষ করতে পারবেননা। B+

    • আপনি রেগে যাচ্ছেন, পয়েন্ট থেকে দূরে সড়ে ব্যাক্তিগত আক্রমন করছেন। ভালো থাকবেন। 🙂

    • eito ekta bolda marka kotha bollen.apnar baba ki humayun ahmed ar moto bikkhato?apnar baba k ki shobai chene?tar jibon shomporke ki shobai jane?jodi hoi tahole apni ta oboshshoi dabi korte paren,na hoi apni ekta pure bolod

    • R M TahZiz says:

      তৌফিক আহমেদ কোন অন্যায় কে সাপোর্ট দেয়ার আগে সাধারণ সেন্স রেখে কথা বলাই ভালো। একজন হুমায়ুন আহমেদ কে দেশের কতোজন মানুষ বুকে লালন করে আছে সেটার ক্ষুদ্রতম ধারনাও আপনার থাকার কথা না। উনি যে পর্যায়ে তাকে নিয়ে সে পর্যায়েই আলচনা সমালোচনা হবে হবে। কিন্তু জীবনী নিজে মজা করার মতো কোন পারসোনালিটি উনিনা, ব্যবসার জন্য ওনা।
      আপনার বাবা যে পজিশনে আছে উনকে নিয়ে আপনার পরিবার বা পরিচিত জনই শুধু ফাতরামি করবে, ফারুকি সাহেবের ঠেকা পড়েনাই অন্তত। আশা করি বুঝবেন আপনি।

    • Wahid Islam says:

      বিক্ষাত মানুষ লুচ্চামি করলে সেটাও সমাজে এখন কিছু মানুষের আদর্শে পরিণত হয় দেখছি ৷৷ হাহাহা ৷

  4. 3 person singular number আর পিপড়া বিদ্যা দেখেছি। প্রথমটা যা একটু ভাল লেগেছে পরেরটা খুব বাজে মনে হয়েছে। আমার মনে হয়েছে উনি আসলে দর্শকদের ধোকা দেন,আর এটা করেন অহেতুক যৌনতা ডুকিয়ে। সিংগুলার এ তিশা আর তপুর অংশ বা পিপড়াতে সেই নায়কের সাথে মডেলের ঘটনা দুটোই অহেতুক Freudian aspect এর ব্যবহার খুব ভাল লাগেনি আমার। জানি না ডুবে আবার কি দেখব।

  5. এক কথায় একটা বাজে ছবি

  6. এমন কাহিনী অনেকের সাথে মিলে যাবে তাই বলে …….
    অদ্ভুত লাগে এই সব আলচনা

    • অনেকের সাথে মিলে যাবে? আরেকজন মানুষের সাথে মিলিয়ে দেখান হুমায়ূন আহমেদ ছাড়া 🙂

    • রাফকাত তানিল খুব বেশিদূর কি যেতে হবে। আসিফ নজরুল কিংবা সুবর্না মুস্তফার দিকে তাকালেই ত প্রায় এই রকম ঘটনা পেয়ে যাচ্ছি।

    • মোটেই না। আসিফ নজরুল/সুবর্না মোস্তফার বিয়ে মেয়ের বান্ধবীর সাথে হয় নি, রিসোর্ট নেই, দখিন হাওয়ার আদলে বাড়ি নেই, মেয়ের কাছে মিস্টি পাঠিয়ে ফিরে আসার কথা নেই, মৃত্যুর পর দাফন নিয়ে ঝগড়া নেই, পেছনে দুই হাত দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো হাঁটা নেই। 🙂

    • মিললে সমস্যা কোথায়?
      মেয়ের বান্ধবীর সাথে প্রেম হতে পারলে, সেই অসাধারণ কাহিনী নিয়ে ছবি হলেই বা সমস্যা কি?

    • সমস্যা হচ্ছে, এই প্রেমের পেছনের গল্পটার আসল সত্যটা পর্দায় তুলে ধরছেন কিনা নির্মাতা সেটা এবং বিশ্বজুড়ে এমন সিনেমা করলে আগে গল্প সংশ্লিষ্ট মানুষের অনুমুতি নেওয়াই ভদ্রতা। মানহানির মামলা করলে জরিমানা দিয়ে কূল পাবে না।

    • KZ Juhi says:

      Apner dite hbe ble mne hoy na.nishichit thaken

  7. that’s the point..
    ফারুকীর মিথ্যাচার আর শাওনের বিবৃতির সত্য-মিথ্যা খুঁজতে গিয়ে আমরা হলে হুমড়ে পড়েছি।।
    ঘটনাগুলোর রিদম ছিলো না,তাই পূর্ণ আবেগটা অপ্রকাশিতই ছিলো।।
    তবে ‘আহার জীবন”গানের কথাগুলো মনে আলোড়ন জুগিয়েছে…

  8. Jharna Baroi says:

    Vai ekta cinema re cinema hisebei dekhen, biopic khujte jan keno…?

  9. এই রিভিউটা পুরোপুরি নেগেটিভ ওয়েতে করা হয়েছে। মনে হচ্ছে ওনার সাথে ফারুকীর কোন সমস্যা আছে। প্রকৃত সমালোচনাতে ভাল মন্দ দুই থাকে।

    • না মানে ইয়ে, আপনি রিভিউ পুরোটা পড়েছেন তো ভাইয়া? 🙂

    • পড়েছি। আপনি নেগেটিভ মানসিকতা নিয়ে রিভিউ লিখেছেন।
      না হলে আপনি এটা বলতেননা ফারুকীকে গ্রামে কয়জনে চিনে। ফারুকি আর্টফিল্ম করে ডিসুম ডিসুম বাণিজ্যিক সিনেমা করে না। ঐ মানসিকতার মানুষ গ্রামেও আছে শহরেও আছে। বলতে শহরে তুলনামূলক বেশি।

    • ফারুকী আর্টফিল্ম করে!!!

    • যেই ফিল্মই করুক। ফারুকীকে মফস্বলের মানুষ খুব কমই চিনে। হুমায়ূন আহমেদের মতো জনপ্রিয় নন, সে কথা বুঝাতে কথাটা বলা হয়েছে ভিন্ন কমেন্টের রিপ্লাইয়ে।

    • ভাই, আপনি উত্তেজিত হয়ে আছেন। এটা বায়োপিক নয়। তাই আপনি এটাকে হুমায়ুন আহমেদের সাথে মিলাতে যান কেন। এটা হুমায়ুন আহমেদের বা কারো জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হতে পারে। লেখক হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয়তা তুলনা করার জন্য বাংলাদেশে কাউকে পাই নাই। এমন কথাশিল্পী অতুলনীয়।
      একটা পজিটিভ বিষয় দেখেন বাংলাদেশের একটা চলচিত্র পৃথবীর তিনদেশে একসাথে চলে।

    • হয় আপনি সিনেমা দেখেন নি। নয়তো, হুমায়ূন আহমেদের জীবন সম্পর্কে ধারনা নেই। কিংবা, আপনি অন্ধ ফারুকী ফ্যান। 🙂

    • তারমানে আপনি বলতে চান আপনি ফারুকী বিদ্বেষী? অবশ্য আপনার লিখায় যথেষ্ট বিদ্বেষী ভাব আছে। আর আমি একটা লেখকের বই কিনার জন্য বইমেলায় যেতাম। হুমায়ুন আহমেদের অসম বয়সের প্রেমকে কেউ প্রশংসা করে কেউ ঘৃণা করে। কিন্তু এটা সত্য। আপনি হুমায়ুন আহমেদের ভক্তের চরিত্রে ফারুকী বিদ্বেষ ছড়াচ্ছেন। আজও স্টার সিনেপ্লেক্স ফুল গেছে। আপনার জন্য এক বালতি সমবেদনা। @রাফকাত তানিল

    • আপনি কি বলছেন আপনি নিজেও জানেন না। খাপছাড়া কথা বলছেন, পয়েন্ট থেকে অনেক দূরে সড়ে গিয়ে। আমার রিভিউতে স্পষ্ট পয়েন্ট উল্লেখ করে বলা আছে কোন জায়গাটা ভালো হয়েছে, কোন জায়গাটা খারাপ- এবং কেনো। আপনার এ নিয়ে কিছু বলার থাকলে স্পেসিফিকলি বলুন। আমি উত্তর দিবো। এর বাইরে কথা বলতে ইচ্ছুক না আপনার সাথে। 🙂

    • আর হ্যাঁ, আমি ব্যাক্তি হুমায়ূন ভক্ত এ কথা কোথাও বলি নি। ব্যাক্তিগত ভাবে উনার দ্বিতীয় বিয়ে আমার পছন্দ নয়। কিন্তু সেটা এখানে বিবেচ্য নয়। সিনেমা পুরোপুরি দেখে মনে হয়েছে, হুমায়ূনের জীবনের একটা অংশকে কেন্দ্র করে গল্প আবর্তিত হয়েছে এবং সেটা আমি নই, যারা দেখেছেন তারা প্রায় সবাই বলছেন। রিভিউতে বলেছি কেনো সেটা অস্বীকার করাটা নোংরামির পরিচায়ক ছিলো নির্মাতার জন্য। লেবু আর কচলাতে পারছিনা ভাই। 🙂

  10. ফারুকীর পাকনামী কিন্তু চলছেই ….

  11. Eduen Jeem says:

    কোন বিদেশি লোক এই ছবিটা দেখলে আগা মাথা কিছুই বুঝবে না । আমরা কাহিনীটা জানি বলেই বুঝতে পেরেছি ।

  12. ভাই এখানে হুমায়ূন আহমেদ স্যারের চরিত্র নিয়ে কথা হয় কেন…উনি বিয়ে করেছিলেন, বছরের পর বছর লিভ টুগেদারও করেন নি আর পোলাপাইনদের লিটনের ফ্লাট চিনান নি।।।

  13. Neela Ahmed says:

    if we donot know humayan ahmed’s life,audience didnot understand the movie

  14. Doob dekhar agei vabchilam movie ta amon e hobe. Thank you ekta oshadharon review er jonno. 👏👏

  15. 100% agreed with this review.
    All we know,
    Truth be told & truth is always bitter.
    Thanks for ur bravery review.

  16. Suter Pranto says:

    নিন্দুক হওয়াটাও একটা অসাধারণ গুণ।লেখক বেশ একপেশি চিন্তায় মগ্ন আছে।

  17. Kabir Ahmed says:

    নিদারুণ সময় অপচয়! 🙁
    থ্যাংকিউ ভাই তেলে ডুব দিয়ে তেলবাজি না করার জন্য <3
    #ভালো_কাজের সমালোচনা হবেই #বাঙালি এই মুভি বোঝবে না বলে যারা বোদ্ধা হয়ে গেছেন তাদের জন্য করুণা :3

  18. ফারুকী কে জবাবদিহি করা উচিত
    তার এতোবড়ো সাহস হয় কি ভাবে

  19. আসলে এটা ছিল কৌশল! এখানে ছবিটা ব্যবসাসফল করার জন্যই ফারুকী- শাওন নাটক চলেছিল!

    বায়োপিক যে হুমায়ুন আহমেদের তা বলার অপেক্ষায় নেই! এটা ক্যাম্পেইন বলা যেতে পারে!

  20. Rahi Xubayer says:

    Bhai apnar page unlike korlam.. movie valo na kharap sei judgment krar kaj apnk k dise??? Dorshok hol-a jay Na r apni aro Na jaowar jonno politics kortesen! Sorry

  21. Sahin Sujon says:

    ভাই অসাধারণ লিখছেন. . <3
    সত্য সবসময় অপ্রিয় ই হয় 🙂

  22. uni toh faruki non uni hossen ক্রিস্টোফার সরোয়ার স্পিলবার্গ ফরুকি:v….গাধা মানব…uni vaben amra dorshok shob unar motw ghash khai😡

  23. Valo ebong jothartho bolechen.. farooki khuub e chalak… janten esob hoichoi hobe… TRP baratey help hobe.. odik e “kalponik” kotha likhe ekti faka o rekhe diyechen palanor jonno!

    Thanks for your more clear and to the point review.. 🙂

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন