জেনে নিন একটা মুভি অনলাইনে কত ধরনের প্রিন্টে রিলিজ হয়

গতেবারের পোষ্টে আমরা মুভি কোন প্রকিয়ার মাধ্যমে পাইরেসি করা হয় সেসব জেনেছি। এবার জানবো প্রিন্টর প্রকারভেদ।

১. ক্যাম রিপ (CAM RIP): অনেকেই জানেন যে, একটা মুভি হলে রিলিজ হবার পর তার সে সংস্করনটি অনলাইনে সবার আগে পাওয়া যায়, সেটা হচ্ছে ক্যাম রিপ। হাতে ধরে রেখে ভিডিও করা যায় এমন ক্যাম কর্ডার দিয়ে হলে বসে ভিডিও করে সেটা নেটে ছাড়া হয় বলে এর নাম ক্যাম রিপ। [তাইতো ক্যাম রিপে প্রায়ই দেখা যায় যে, মুভি স্ক্রিসের মাঝখানে দিয়ে এক লোক হেটেঁ যাচ্ছে বা পাশ থেকে হঠাৎ কেউ জোরে হেসে উঠছে] এর প্রিন্ট কোয়ালিটি ভয়াবহ বাজে থেকে খুব ভালো। ক্যাম রিপে মুভির অডিওর অবস্থা যাচ্ছে তাই থাকে। ক্যাম রিপ প্রিন্ট ক্যাটাগরির ভেতর সবচাইতে সুলভ এবং সবচাইতে বাজে।

২. টেলিসিঙ্ক (TS): ক্যাম রিপের একটু আপগ্রেডেড ভাসন হচ্ছে টেলিসিংক। পাথক্য হলো, ক্যামরিপে হাতে ধরা ক্যামেরায় ভিডিও করা হয়। আর টেলিসিংক প্রিন্ট হচ্ছে প্রফেশনাল ভিডিও ক্যামেরা ট্রাইপডে বসিয়ে একটু আয়োজন করে হলের সিনেমাটাই ধারন করে নেটে ছেড়ে দেয়া। আলাদা মাইক্রোফোন ইউজ করা হয় বলে এর অডিও কোয়ালিটি ক্যাম রিপের চেয়ে ভালো।

৩. PDVD: মানে প্রি-ডিভিডি। মানে ডিভিডি রিলিজের আগে যে প্রিন্ট বের হয়। সাধারনত শুধু ইন্ডিয়ান মুভিই এই প্রিন্টে রিলিজ হয়। আদতে এইটা টেলিসিংক বা ক্যামরিপই। সোজা বাংলায়, নতুন বোতলে পুরানা মদ মানে একই জিনিস নতুন নামে বের করে সিডিতে রাইট করে ইন্ডিয়ার রাস্তাঘাটে বেচে।

৪. WorkPrint(WP): সোজা বাংলায় এর মানে হচ্ছে, স্টুডিও থেকে যে মুভিটার এডিটিং এখনো শেষ হয় নাই, সেইটাই কোনভাবে জোগাড় করে নেটে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এই কারনে এই ধরনের প্রিন্টে দেখা যায়, ওয়াটার মাক থাকে বা স্ক্রিনের কোনায় টাইম ইনডেক্স চালু থাকতে দেখা যায়। মুভির হল রিলিজের সাথে এর বিস্তর পাথক্য থাকলেও এর একটা বড় ধরনের লাভ হচ্ছে, শতকরা শতভাগ আনকাট (uncut) মুভি পাওয়া যায় মানে সেনসর বোড বা এমনকি পরিচালকও যে দৃশ্যগুলো মুছে দিয়েছে ফাইনাল রিলিজে, সেগুলোও এই প্রিন্টে পাওয়া যায়। সঙ্গত কারনেই এই ধরনের প্রিন্ট অত্যন্ত দুলভ। সুতরাং, যদি কেউ নামকরা কোন মুভির এই প্রিন্ট পেয়ে থাকেন অনলাইনের কোন চিপায় চুপায়, তাহলে নামাতে ভুলবেন না। আর নিজে যদি নামাতে না পারেন, কষ্ট করে এসে গ্রুপে লিংক দিবেন। নামানোর পাবলিকের অভাব হবে না।

৫. টেলিসিনে (Telecine): এইটা একটা প্রাচীন আমলের প্রিন্ট ফরম্যাট। আগেকার দিনের এনালগ রিল দিয়ে ধারনকৃত কোন মুভিকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করার সময় যে প্রিন্টটি তৈরী হয়, তাকে টেলি সিনে প্রিন্ট বলে। এটাও অত্যন্ত দুলভ কারন টেলিসিনে মেশিন অত্যাধিক ব্যয়বহুল এবং বিশালাকৃতির। টেলিসিনের কোন বেইল আধুনিক যুগে নাই কারন এর প্রিন্ট কোয়ালিটি ডিভিডি রিপের প্রায় সমপযায়ের। কেউ কেউ তো বলেন ডিভিডি রিপ টেলিসিনের চাইতেও অনেক অনেক ভালো।

৬. পে পার ভিউ রিপ (PPVRip): নাম শুনেই বুঝতে পারতেছেন, এর মানে হলো এমন একটা প্রিন্ট যেটা দেখতে হলে যতবার দেখবেন ততবার টাকা দিতে হবে। এ ধরনের প্রিন্ট হচ্ছে একদম নতুন মুভির নতুন রিলিজ হওয়া যার এখনো ডিভিডি বের হয় নাই এবং এর টাগেট কাষ্টমার হচ্ছে হোটেল বা মোটেলে থাকা অথিতিরা যারা পার ভিউতে পে করে। [একটা সময় এই বিজনেস রমরমা ছিলো। এখন অনলাইন মুভি রেন্টাল সাইটগুলো এসে পিপিভিআরের ব্যবসায় লাল বাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে]

৭. স্ক্রিনার (Screener): এইটা একটা দারুন প্রিন্ট ফরম্যাট। কারন এই প্রিন্টটাই বিভিন্ন একাডেমি এ্যাওয়াড দেনেওয়ালা প্রতিষ্ঠান এমনকি অস্কার বোডের জুরিদের কাছেও পাঠানো হয়। এছাড়া, রিভিয়ার এবং সেন্সর বোডের কাছেও এ ধরনের প্রিন্টই পাঠানো হয়। এ ধরনের প্রিন্ট চেনার উপায় হলো, মুভির উপর একটা বাক্য ওভারলে করে দেয়া থাকে “The film you are watching is a promotional copy. If you purchased this film at a retail store please, contact 1-800-NO-COPIES to report it.” [ আমার ছোটবেলায় আগেকার দিনের ভিডিও ক্যাসেটে আমি এইরকমটা প্রায়ই দেখতাম। কিন্তু তখন এর মানে বুঝতাম না।]

মজার ব্যাপার হলো, স্ক্রিনারের প্রিন্ট কোয়ালিটি ডিভিডি রিপের চাইতেও খারাপ। কারন, স্ক্রিনার মানেই হইতেছে মুভিটা অল্প সময় রান করবে। কারন যারা দেখবে তারা সব প্রফেশনাল। মানে বিনোদনের খাতিরে তারা মুভি দেখে না। দেখে পেট চালাইতে। এবং তাদেরকে অল্প সময়ের ভেতর প্রচুর মুভি দেখতে হয়। টেনে টেনে না দেখলে যেটা সম্ভব হয় না। অনেক সময় ঐ ওভারলে করা বাক্যটা ক্রপ করে কেটে স্ক্রিনারকেই ডিভিডি রিপ বলে চালিয়ে দেয়া হয়।

৮. আর ফাইভ বা রিজিয়ন ফাইভ (R5): এই প্রিন্টটা একটা নিদিষ্ট জিওগ্রাফিকাল পজিশনের লোকদের জণ্য ছাড়া হয়। (ভারতীয় উপমহাদেশ, আফ্রিকা, উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া আর মোংগোলিয়ানদের জন্য)। প্রিন্ট কোয়ালিটি ডিভিডি রিপের মতই কারন আর ফাইভ ইটসেলফ খুচরা ডিভিডি ভাসন। যার যার রিজিওনে খুবই সুলভ। আর ফাইভ নিয়ে নেটে বিস্তর লেখা আছে। আমি এত বিতংয়ে যাবো না। শুধু বাকী R দের কথা বলি:
• R0 No Region Coding
• R1 United States of America, Canada
• R2 Europe, including Turkey, Egypt, Arabia, Japan, Israel and South Africa
• R3 Korea, Thailand, Vietnam, Borneo and Indonesia
• R4 Australia and New Zealand, Mexico, the Caribbean, and South America
• R5 India, Africa (except Egypt, South Africa, Swaziland, and Lesotho), Russia and former USSR countries
• R6 Peoples Republic of China
• R7 Reserved for future use, MPAA-related DVDs and “media copies” of pre-releases in Asia
• R8 Airlines/Cruise Ships
• R9 Expansion (often used as region free)

R1 এবং R2 হচ্ছে এই প্রিন্ট ফরম্যাটের মধ্যে সবচাইতে বেষ্ট কোয়ালিটির। [শালার মধ্যপ্রাচ্য আর ইউরোপ আজীবনই দুনিয়ার সবচাইতে বেষ্ট বেষ্ট মালগুলো উপভোগ করে গেলো!]

৯. ডিভিডি রিপ: বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, মুভি পাইরেসির দুনিয়াল এই প্রিন্টটাই সবচাইতে সুলভ এবং সবচাইতে জনপ্রিয়। ব্লুরে রিপের জন্য যতজন না ওয়েট করে, একটা মুভির এই প্রিন্টের জন্য তার চাইতেও শতগুন বেশী পাবলিক ওয়েট করে। এটা হচ্ছে ডিভিডি ফরম্যাটে একটা মুভির ফাইনাল ভাসন। এই ভারসনে একটা মুভির পরিপূণ সবকিছু পাওয়া যায়। মানে উপরে এতক্ষন যা যা প্রিন্ট নিয়ে আলোচনা করেছি, সবগুলোতেই কোন না কোন ঝামেলা ছিলো। কিন্তু ডিভিডি রিপ এমন একটা প্রিন্ট যেটাতে কোন ঝামেলা নাই। হলের পাবলিকরা যেভাবে দেখছে, প্রজেক্টর দিয়ে হুবহু একইভাবে সেটাকে উপভোগ করা সম্ভব। প্রিন্ট বা অডিও কোয়ালিটির তেমন কোন ব্যতয় হবে না। ডিভিডি রিপের ফাইল সাইজ আকারে অনেক বড় হয়, সাধারনত ৪.৩৭ থেকে ৭.৯৫ গিগাবাইট হয়ে থাকে। এই ধরনের প্রিন্টকে শক্তিশালি কোডেক ব্যবহার করে ফাইলসাইজ ছোট (যেমন: ৬০০/৭০০ এমবি) করে নিয়ে আসা যায়।

১০. TVRip: নিশ্চিয়ই অনুমান করতে পারছেন যে, টিভি তে প্রচার করার সময় টিভি কাড বা অন্য কোন পেরিফেরাল ডিভাইস দিয়ে ধারনকৃত যে প্রিন্ট, সেটা হচ্ছে টিভি রিপ। এর ভেতর সবচাইতে জনপ্রিয় হচ্ছে HDTV রিপ। হাই ডেফিনেশন স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোতে যে মুভি প্রচার করা হয়, সেগুলো ধারন করে ডিভিডির চাইতেও চমৎকার কোয়ালিটির প্রিন্ট পাওয়া যায়। এই কারনে এই ফরম্যাটের প্রিন্টগুলো ক্রমেই ডিভিডির চাইতেও বেশী জনপ্রিয়তা অজন করছে। এই প্রিন্ট মাঝে মাঝে এতটাই উন্নত মানের পাওয়া যায় যে, অনেকে প্রায়ই এটা দিয়েই 480i রেজুলশনের প্রিন্ট বানিয়ে মুভির ব্লুরে রিপ হিসেবে চালিয়ে দেয়।

১১. VODRip মানে ভিডিও অন ডিমান্ড রিপ। অন ডিমান্ড সার্ভিস থেকে চুরি করে যেগুলো রেকড করে নেটে ছাড়া হয়, সেগুলো এই কোয়ালিটির প্রিন্ট। ক্যাম রিপ, টেলিসিংক আর স্ক্রিনারের চাইতেও এর কোয়ালিটি অনেক ভালো।

১২. WEB RIP (WR): নেটফ্লিক্স বা হুলুর মতো বিখ্যাত সব মুভি রেন্টাল ওয়েব সাইট থেকে নিজের পিসি বা ল্যাপিতে লাইভ স্ট্রিমিং করার সময় সরাসরি স্ক্রিন ক্যাপচার বা অন্য কোনভাবে যে প্রিন্টকে ধারন করা হয়,. সেটাই এই প্রিন্ট। নেটফ্লিক্সে আমার একাউন্ট ছিলো। তাদের কালেকশন খুবই রিচ। দামও মুটামুটি সস্তাই ছিলো। ৩ ডলার দিয়ে দুইটা নতুন রিলিজ মুভির লাইভ স্ট্রিমিং দেখতে দিতো। সপ্তাহান্তে পুরোন মুভির থেকে নিজের ইচ্ছেমতো ৩ টি মুভি ফ্রি দেখতে দিতো। খারাপ না ওদের সাভিস। হাই স্পিড ইন্টারনেট কানেকশন আর একটা ভালো মানের স্ক্রিন গ্র্যাবিং সফটওয়্যার থাকলে ওদের কাছ থেকে আপনি ব্লুরে মানের প্রিন্ট পাবেন।

১৩. WEB-DL: মুভি আর টিভি শো উভয় ক্ষেত্রেই এই প্রিন্টটি বেশ সুলভ। ধরুন আপনার একটা আপেলের আইটিউনস একাউন্ট আছে। সেইটা দিয়ে সেখানে থেকে একটা মুভি দেখার জন্য ভাড়া করলেন। মানে আইটিউনস আপনাকে মুভিটা ডাউনলোড করতে দিবে। আপনি অন্য দশটা ফাইল যেভাবে ডাউনলোড করেন, সেভাবে এটাও করবেন। ব্যস, তারপর নেটে ছেড়ে দিবেন তাহলে এটার যে প্রিন্ট হবে সেটাকে বলে WEB-DL মানে ওয়েব সাইট ডাউনলোডেড। প্রিন্ট কোয়ালিটি বেশ ভাল কারন এটাকে বাকী প্রিন্টগুলোর মতো রিএনকোডিং করে ছাড়া হয় না। প্রিন্ট কোয়ালিটি বিচার করলে আইটিউনস হচ্ছে আমার দেখা সেরা মুভি রেন্টাল/পারচেজ সাইট যেটার কোয়ালিটি আপনাকে মাথাকে নষ্ট করে দেবার জন্য যথেষ্ঠ। মুভির কোয়ালিটি এত্ত সুন্দর হয়, নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। মুভি তো দূরে, খালি ট্রেইলারগুলো দেইখেন সময় করে একদিন! এর কারন হলো, এ্যাপেলের নিজস্ব একটা কোডেক মুভিতে ব্যবহার করা হয় এবং এরপর .mkv তে রিমাক্সড (remuxed ) করা হয়, মুভির অডিও এবং ভিডিও কোয়ালিটির বিন্দুমাত্র ব্যতয় না ঘটিয়ে।
সাধারনত নেটে পাওয়া যায়।

১৪. ব্লুরে ডিস্ক/ ব্লুরে রিপ: প্রিন্ট ক্যাটাগরির ভেতর সবচাইতে উন্নততর প্রিন্ট। আমার প্রিয় ফরম্যাট। এই ফরম্যাট রিলিজ হবার জন্যই অপেক্ষা করে থাকি। ইনফ্যাক্ট, এইটা ছাড়া আর কোন প্রিন্ট দেখে আরাম পাই না। দেখিও না। আইটিউনস ওয়েব ডিএল অবশ্যই এইটা থেকে বেটার, কিন্তু উচ্চদরে কিনতে হয় বলে আমাদের মতো ছাপোষা মানুষরা পোষাতে পারে না তাই ঐটা বাদ। কিন্তু আপনি যদি ৩/৪ মাস ধৈয্য ধরতে পারেন, তাহলেই একটা নতুন মুভির (মুভি ততদিনে কি আর নতুন থাকে? ] ব্লুরে প্রিন্ট পেয়ে যাবেন।

এইটার একমাত্র সোস হচ্ছে, খুচরা ব্লুরে ডিস্ক। সেগুলো দোকান থেকে কিনে এনে রিপ করে ডিস্কে বাণ করে যে প্রিন্টটা রিলিজ করা হয়, সেটাই ব্লুরে রিপ। হাই রেজুলেশন আর শক্তিশালি কোডেক ইউজ করার কারনে ব্লুরে আর রিপের মাঝে পাথখ্য খুজেঁ বের করা কঠিন। [আমার কাছে তো একই মনেহয়]

একটা কথা বলে রাখি, অনেকেই মনে করেন, ব্লুরে ডিস্ক রিপ (BDRip) আর ব্লুরে রিপ (BRRip) একই জিনিস। কিন্তু এই ধারনাটা ভুল। ব্লুরে ডিস্ক রিপ আসে সরাসরি ব্লুরে ডিস্ক থেকে। মানে মুভির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যে ব্লুরে ডিস্ক রিলিজ করে বানিজ্যিকভাবে, সেটা থেকে। অপরদিকে, BRRip হচ্ছে একটা ১০৮০ রেজুলশনের Bdrip এর এনকোডেড ভাসন। আরেকটা পাথক্য বলি, Bdrip এর সাইজ খুব ছোট হয় সাধারনত ৭০০ এমবি থেকে ১.৪ গিগাবাইট। এবং এনকোড করা হয় Xvid অথবা x264 এ।

BD/BRRips উভয় প্রিন্টই দুটা ভার্সনে বের হয়। একটা আছে মিনি ৭২০পি। যেটা কম্পেস করার পরও দেখা যায় ফাইল সাইজ প্রায় দুই-আড়াই জিবি। অরিজিনাল নন-কোডেড ৭২০পি এর সাইজ ৪-৭ গিগা পযন্ত হতে পারে। বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, এইটাই নাকি ব্লুরে প্রিন্টের ভেতর সবচাইতে বেশী ডাউনলোড হয়। [পাবলিকের ব্যান্ডইউথের কোন অভাব নাই দেখতেছি! অবশ্য সবাই কি আর আমাদের মতো গুনে গুনে ব্যান্ডইউথ হিসাব করে মুভি নামায় নাকি?] আর ১০৮০পি এর কথা নাই বা বল্লাম। একটা অরিজিনাল ব্লুরে ডিস্ক ৫০-৬০ গিগার হয়ে থাকে। কোডেক ইউজ করে কমপ্রেস করেও দেখা যায় ফাইল সাইজ ১০/১২ গিগা হয়! এর চে mHD [Mini High Defination] ভালো। এর কোয়ালিটি ১০৮০পির এর মতই কিন্তু সাইজ অনেক ছোট।

তবে আমার ব্যক্তিগত পছন্দ হচ্ছে, BrRip ৭২০পি। আমার ল্যাপির স্ক্রিন ১৫ ইঞ্চি আর পিসির ২৪ ইঞ্চি। এই দুই সাইজের স্ক্রিনের জন্যই এনকোডেড ৭২০পি মোর দ্যান ইনাফ।

10570567_10152550368670977_462150119_nকালের কন্ঠের ফিচার পাতায় আমার এই লেখাটি ছাপা হয়েছিলো গত ২৩ শে জুলাই।

(Visited 680 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১৯ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. qamark67 says:

    দারুণ পোস্ট। এরা আছে বলেই মুভি দেখে- খেয়ে পরে বেছে আছি। অন্যরকম পোষ্টের জন্য ধইন্না।

    • প্রলয় হাসান says:

      অনলাইনে বাংলা ভাষায় প্রিন্ট নিয়ে কখনো কিছু পাইনি তাই আমার অনেক দিনের পরিকল্পনা ছিলো নিজেই এইটা নিয়ে বিস্তারিত লেখার। গতকাল রাতে হঠাৎ সময় পেয়ে লিখে ফেল্লাম। আপনাকেও ধন্যবাদ। 🙂

  2. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    আরেকটা দারুন উপকারী পোস্ট। জানতে পারলাম অনেক কিছু 🙂

    • প্রলয় হাসান says:

      ওহ আপনি এটাও পড়ে ফেলেছেন? হা হা। অনেক ধন্যবাদ। আমি তো আগের পোস্টে আপনাকে আরো দাওয়াত দিয়ে আসলাম! 😛

    • প্রলয় হাসান says:

      আচ্ছা পোষ্টে সুন্দর করে ছবি আমি কিছুতেই দিতে পারছি না। একদম ছোট ছোট দেখায়। অরিজিনাল রেজুলেশানে পোস্ট করার জন্য কি করি বলুন তো?

  3. শাতিল আফিন্দি says:

    আমি আগে নেটে পরেছিলাম এই জিনিস, তবে বাংলায় পড়ার মজাই আলাদা! 🙂

    • প্রলয় হাসান says:

      সেটাই ভাই, উইকিপিডিয়া থেকে পড়া তো প্রায় সবারই। কিন্তু কষ্ট করে সেগুলো গুছিয়ে বাংলাতে লিখতে পেরেছে কয় জন?  ধন্যবাদ শাতিল ভাই 🙂

  4. সামিয়া রুপন্তি says:

    ভাইয়া ঠিকই বলসেন, পাবলিকের ব্যান্ডউইথের ও অভাব নাই !! আহারে, আমারে কেউ একটা আইটিউন্সের একাউন্ট কিনে দিত!! :/

    যাই হোক, আরেকখানা awesome লেখা!!!

    • প্রলয় হাসান says:

      এখন তো ব্রডব্যান্ডে আনলিমিটেড ব্যান্ডইউথ মানে আনলিমিটেড ডাউনলোড করতে পারবেন। আমার প্রতি মাসে গড়ে দেড়শ জিবি মুভি ডাউনলোড করা হয়। দেশের বাইরে যখন থাকি, তখন এ্যালাউন্স পাই ১.৫ টেরা বাইট। 🙂

      আইটিউন্স একাউন্ট তো ফ্রি। আপনি চাইলে যখন তখন বানাতে পারেন। একটা পয়সাও দেয়া লাগবে না আপেলকে। 🙂

       

      আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ রুপন্তি। ভালো থাকুন। 🙂

  5. ট্রিপল এস ট্রিপল এস says:

    কিছু জিনিস জানা ছিল, তারপরও অনেক কিছু জানলাম। অনেক ধন্যবাদ এমন ইনফরমেটিভ পোস্ট লেখার জন্য… 🙂

  6. কথক says:

    Thanks. Very much informative.

  7. ফেবুতে পড়েছিলাম লেখাটা, খুবই সহজে গুছিয়ে লেখা। ভাল লাগল 🙂

  8. সিরাজাম মুনির সিরাজাম মুনির says:

    চমৎকার একটা পোস্ট। কত মুভি নামিয়েছি না জেনে। মুভি নামাই, ফাইলের সাইজ হয় বড়, কিন্তু কোয়ালিটি ভাল হয়না প্রায়ই। মাঝে মাঝে কিছু ফাইল থাকত ছোট ফাইল কিন্তু দারুণ কোয়ালিটি। আমি এর পার্থক্যটা বুঝতাম না। মনে মনে অনেক খুজেছি কি কৌশলে বুঝা যায় ছোট ফাইলে ভাল মানের প্রিন্ট পাওয়া যায়। ঘটনাক্রমে এইবারের ফিজিক্সের নোবেল যায় Blue LED এর উদ্ভাবকদের মাঝে। এই Blue LED নিয়ে কিছু ঘাঁটাঘাঁটি করে জানলাম ব্লু-রে এর কথা। ব্লু কীভাবে কাজ করে তার ম্যাকানিজম জানা থাকাতে অল্পতে বুঝে গিয়েছিলাম নীল আলোর দ্বারা যে প্রিন্ট তৈরি হবে সে ফাইলের সাইজ তুলনামূলক কম হবে। [আমি ফিজিক্সের ছাত্র]
    সব প্রিন্ট নিয়ে বিস্তারিত জানা ছিল না। এই পোস্ট থেকে জানলাম, 🙂 ধন্যবাদ প্রলয় ভাইকে। এরকম আরও লেখার আশায়।

  9. প্রলয় হাসান says:

    আপনাকেও ধন্যবাদ। ভালো লাগলে আপনার সামাজিক নেটওয়ার্কে লেখাগুলো ছড়িয়ে দিতে পারেন। কারন অনেকেই এসব জানেন না। বা জানলেও পুরোটা বা পরিস্কার করে জানেন না। 🙂

  10. কালের কন্ঠের ফিচার পাতায় আমার এই লেখাটি ছাপা হয়েছিলো গত ২৩ শে জুলাই। 🙂 http://www.kalerkantho.com/feature/techbishaw/2014/07/23/110064

  11. sfialok says:

    ধন্যবাদ আপনাকে। অনেক অজানা তথ্য জানা হলো।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন