আল প্যাচিনো

pachino

বিখ্যাত অভিনেতা, প্রিচালক, প্রযোজক ও স্ক্রিন লেখক আল প্যাচিনো। কে না চেনে তাঁকে। তাঁর অভিনয় মানেই অতুলনীয় কিছু একটা। আমরা তাঁর অভিনয় তো দেখি পর্দায় অবাক হয়ে কিন্তু তাঁর সম্পর্কে জানি কতটুকু। আসুন জেনে নেই মহান এই অভিনেতা সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য।
আমেরিকান এই অভিনেতার পুরো নাম আলফ্রেডো জেমস প্যাচিনো। ৭২ বছর বয়সের এই অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেছিলেন নিউ ইয়র্ক এ ১৯৪০ সালের ২৫শে এপ্রিল। ছোট বেলা থেকেই তার ইচ্ছে ছিল একজন বেসবল খেলোয়াড় হবার। সেই সাথে আগ্রহ ছিল অভিনয়ের প্রতিও। ১৭ বছর বয়সে লেখাপড়ার প্রতি অনাগ্রহ থেকে স্কুল ছেড়ে দেন। এরপর মায়ের সাথে ঝগড়া করে বাড়ি ছাড়েন। তারপর অভিনয়ে পড়াশুনা করার জন্য জীবন যুদ্ধে নেমে পড়েন। অভিনয় নিয়ে পড়াশুনার টাকা সংগ্রহ করার জন্য প্যাচিনো কাজ করেছেন বার্তাবাহক, বাসের কন্ডাকটার, ডাক করণিক ইত্যাদি বিভিন্ন পেশায়।
১৯৬৭ সালে প্যাচিনো তাঁর থিয়েটার ক্যারিয়ার শুরু করেন। দ্যা এ্যাক্টর স্টুডিও তে পড়াশুনার সময় প্যাচিনো আবিস্কার করলেন অভিনয় যে কত আনন্দময়। থিয়েটারে কাজে সাফল্য অর্জনের পর প্যাচিনো তার আত্মপ্রকাশ করেন বড় পর্দায়। ১৯৬৯ সালে তিনি ছোট একটি চরিত্রে কিছু সময়ের জন্য পর্দায় আসেন ‘মি ন্যাটেলি’। তারপর ১৯৭১ সালে ‘দ্যা প্যানিক ইন নিডল পার্ক’ ছবিতে অভিনয়ে খ্যাতি অর্জনের মাধ্যমে তার নিয়মিত যাত্রা শুরু হয় বড় পর্দায়।তারপর তাঁকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য আসে ১৯৭২ সালে ‘দ্যা গডফাদার’ এ অভিনয়ের মাধ্যমে। যদিও ছবিটি তাঁকে কোন এ্যাওয়ার্ড এনে দিতে পারেনি। তবে এর দ্বিতীয় পর্ব তাঁর ক্যারিয়ারে বাফটা এ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেতার পুরস্কার এনে দেয় ১৯৭৪ সালে। ১৯৯১ সালে প্যাচিনো ছিনিয়ে নেন একাডেমি এ্যাওয়ার্ডের সেরা অভিনেতার পুরস্কার ‘সেন্ট অব এ ওমেন’ ছবির জন্য।
প্যাচিনো তাঁর ক্যারিয়ারে একে একে ভালো ছবি উপহার দেয়ার পাশাপাশি ছবি পরিচালনায়ও দক্ষতা প্রদর্শন করেন। ব্যাক্তিগত জীবনে আল প্যাচিনো বিবাহিত না হলেও ৩ সন্তানের জনক।

 

#san_bio_bb

(Visited 56 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন