রমনী চুল বাধে, ড্রাগস ডিলও করে

যে রাধে সে চুল বাধে কিন্তু চাইলে সেই সাথে ড্রাগ লিডও করতে পারে। যার হাতে হয়ত ফুল শোভা পাওয়ার কথা সেই হাতে কিনা  নামীদামী ড্রাগস। শুধুই কি  ড্রাগস?  না,  ড্রাগস সাম্রাজ্য।

ড্রাগস ডিল করতে হবে। ২৩ টা ছোট ছোট প্যাকেটে আছে সেটা পানি দিয়ে গিলে খেয়ে নিলো তারপর রওনা হলো তেরসা। সাথে ডনা কেমেলিয়ার  সহকর্মী। ঘন্টা খানিক পানি বা কোন কিছু খাওয়া যাবে না। কারন সেগুলো পেট থেকে বের করতে হবে । প্লেনে যেতে হবে। ইমিগ্রেশন ক্রস করলো। পুলিশ কর্মকর্তারা বড় বড় চোখে তেরসার দিকে তাকিয়ে…।।

আরেক ভয়ংকর অভিযানেও সফলতা দেখিয়ে দিলো তেরেসা যেটা কেউ ভাবতেই পারেনি এমনকি কেমেলিয়াও না। ধীরে ধীরে নিজেকে পরিবর্তেনের চেষ্টা , না আমাকে পারতেই হবে। ড্রাগস ডেলিভারী আর টাকা নিয়ে আনার মত মৃত্যু  ঝুকি কাজ করতে থাকে তেরেসা। আর বিশ্বাষযোগ্যতা অর্জন করতে থাকে কেমেলিয়ার। মাঝে মাঝে রহস্যের মাঝে হারিয়ে যায়। সেই বইয়ের রহস্য। বলছি তেরেসা মেন্দজা এর কথা । সাউথের রানী তাকে বলা হয়ে থাকে যে কিনা বিশাল ড্রাগস সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী বা রানী।  অনেক আগের কথা  আমেরিকায় চলে আসে সাধারন এই মেয়েটি। হটাত রাস্তায় ড্রাগস কেনার সময় পরিচয় হয় গিউয়েরো এর সাথে। আর পরিচয়ের পর থেকে প্রেম। গিউইয়েরো এর  গড ফাদার ছিলো ডন এপিফানিও যিনি ড্রাগ লর্ড ।

একদিন তেরসা তার বাসায় আসে। আধিপত্য নিয়ে  গিউয়েরো পরিবারে একটা ঝামেলা হয় সেটা জানতে পারে তেরসা। ডন এপিফানিও আর তার স্ত্রী ডন এমেলিয়ার মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে থাকে যার অন্যতম মূল কারন তেরেসা। বয় ফ্রেন্ড মারা যাওয়ার আগে একটা বই দিয়েছিলো তেরেসাকে যেটা নিয়ে ডনের কাছে যাওয়ার কথা কিন্তু গিয়েই বিপদে। পালিয়ে আসলো আর বইটা লুকিয়ে রাখলো। কি ছিলো সেই বই ?? কিন্তু ডন এপিফানিও স্ত্রীর লোকজন ধরে ফেললো। ডন কেমিলিয়া এপিফানিওর স্ত্রী। দিনের পর দিন আটকে থাকে কেমিলিয়ার বন্দিশালায়। আর সেখান থেকেই তার ড্রাগস ডিল শেখা। কি করে ড্রাগস বাহিরে ও দেশে মার্কেটিং আর ডিল করতে হয়।  তেরেসার একটাও লক্ষ থাকে সেই বইয়ের সব রহস্য বের করা ।

কি সেই রহস্য যে কিনা নিজেই এক রহস্যা হয়ে গেছে।  এতো কষ্ট পাওয়ার পরও তেরেসা  সুযোগ পেয়েও কেমেলিয়ার কাছ থেকে সরে যায়নি কিন্তু কেন ?? তেরেসা নিজের ভবিষ্যতের ছবিটা প্রায়ই দেখতে পায়। সেই ভবিষ্যত গড়তেই হয়ত তার এতো কষ্ট। একদিকে পুলিশ আরেক দিকে ডন  এপিফানিও যে কিনা তেরেসাকে খুন করতে মরিয়া।  আরেকদিকে কেমেলিয়া এই ত্রিভুজ ঝামেলার ঝুকি নিয়ে কি করে নিজেকে অনেকে ড্রাগ স্মাগ্লারদের লর্ড বানায় সেই কাহানী নিয়েই এই টিভি সিরিজ। পদে পদে রিয়েছে মৃত্য ঝুকি আর বিপদ। কিন্তু তেরসা তো তেরেসাই……………।। ভয় পেলে কি আর রানী হওয়া যায় ??? আর সেই বই…।।  এই ড্রাগস বিজনেসে কখনও শত্রুকে বন্ধু বানাতে হয় কখনো বা কোন বন্ধু বা প্রিয় জিনিষকে কোরবান দিতে হয়। ডু অর ডাই।

নারীর ক্ষমতায়নকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যে নারী নির্যাতিত হয়ে হোঁচট হোঁচট খেতে খেতে যখন সামনে এগিয়ে যায় তার হাতেই হয় বিশ্ব জয়। সেই হাতে এক সময় চলে আসে ক্ষমতা। ক্রাইম ড্রামা সিরিজটা খারাপ লাগার মতন নয়।

Queen Of the South, Country : USA
season 3 episode 39

Error:

(Visited 372 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন