আর মাত্র ২৫ দিন, তারপর সব ধ্বংস
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

আমি ভিনদেশী সিরিজ বেশি দেখি। ইউরোপ আর ল্যাতিন আমেরিকা ঘুরে এসে এবার ভারতে এলাম মানে ভারতীয় টিভি সিরিজে নজর দিলাম। দেখে ফেললাম সেক্রেড গেমস। এক কথায় অসাধারণ ভারতে এমন সিরিজ হবে কল্পনায় ছিলো না। এরকম থ্রীলিং ক্রাইম সিরিজ স্পেন মেক্সিকো ইতালী ফ্রান্স এ দেখতে পাওয়া যায়। আর বস আনুরাগ কাশাপ ক্যাশপ আর নেটফ্লিক্স যখন এক সুতোয় গাথা হলো তখন ভালো না হয়ে আর কি উপায় আছে। ভালো হতেই হবে। নওয়াজউদ্দীন রাধিকা আর সাইফ আলী খান তিন স্টারের অভিনয় এক্সপ্রেশন প্রশংসা করার মতন।

এটা নিয়ে বেশি বিশ্লেষণ করতে চাই না। কারন টিভি সিরিজে অনেক পর্ব থাকে । সব পর্বে সমান এক্সপ্রেশন থাকে না। আর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ও ভালো ছিলো। তবে প্লট যেহেতু মুম্বাই তাই মুম্বাইয়ের কিছু অতীত ঘটনাও দেখানো হয়েছে যার কারনে আদালতের নজরে চলে গেছে। লেখক বিক্রম চন্দ্রের ২০০৬ সালে ৯২৮ পৃষ্ঠার লেখা একটি উপন্যাস। তৎকালীন সময়ে প্রকাশের সাথে সাথে বইটি প্রচুর সাড়া তোলে এবং ২০১৪ সালে নেটফ্লিক্স ঘোষণা দেয় বইটিকে প্রথম ভারতীয় সিরিজ হিসেবে অনলাইনে রিলিজ করার। জনপ্রিয়ও হলো। তবে ভাড়তের সিরিজে সেক্স সিনস দেখবো মাথায় আসেনি আর সিরিজ তো সেন্সর করার ঝামেলা নাই। যাক টিভি সিরিজে ভারত এবার প্রাপ্ত বয়স্ক ।

তবে নওয়াজ আর অন্য মেয়দের নগ্ন দেখানো হয়ছে ঠিক আছে কিন্তু ওই কুক্কুর নগ্ন না দেখালেও পারতো  । ঐটা আমার ভালো লাগেনি। আর গালি গালাজ তো আছেই।


পুলিশ অফিসার সারতাজ কে তার বসরা সব সময় অপমান করে। কারন সে তাদের কথা মত অসৎ উপায়ে কাজ করে না। প্রায়ই খুব আপসেট থাকে। তার বাবাও ছিলো সৎ অফিসার। হটাত করে তার মোবাইলে ফোন আসে।

এক অচেনা লোক তার ছোট বেলা ও সন্ত্রাসী হয়ে উঠার গল্প শুনায়। এক সময় বিরকত হয়ে যায়। পরিচয় জানতে চায়। তখন শুধু একটাই কথা আরসিএন নাম্বার ২১৫৫৭৮, ১৮ ডিসেম্বর ২০০৬। ঘাবরে গেলো সারতাজ। সমস্ত ফাইল ঘেটে বের করলো। গ্যাংস্টার গাণেশ গায়তোন্ডে।

১৫৮ মার্ডার করা আসামী। দীর্ঘদিন পলাতক থাকে। কিন্তু হটাত কেন মুবাই তে ?? সিরিজে দেখানো হয় সামান্য গরীবের ঘরে ছেলে থেকে অসামান্য হয়ে উঠা এক গ্যাংস্টার ও ড্রাগস লর্ড গাণেশ গায়তোন্ডেকে। পুলিশ অফিসার সারতাজ ২৫ দিন সময় দিলো। তারা পর মুম্বাই ধ্বংস হয়ে যাবে। তাকে বাচাতে হবে মুম্বাইকে। সবাই মারা যাবে বেচে থাকবে শুধু ত্রিভেদী। কে এই ত্রিভদী ?? কি করবে এখন পুলিশ অফিসার সাতরাজ ?? সমাজে রক্ষকদের হাতে বন্দী পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তারা তাই অনেকটাই বেকায়দায় পুলিশ অফিসার রাতরাজ। আর এত বড় অফিসারার থাকতে কেন সাতরাজের মত ছোট অফিসারকে ফোন দিলো?

পুরো সিরিজটাই হচ্ছে অপরাধের সাথে অপরাধের খেলা, রাজনীতির সাথে রাজনীতির খেলা। । গাণেশ গায়তোন্ড সুইসাইড করে বেকায়দায় ফেলে দেয় যাদের সাথে তার এক সময়ের যোগসূত্র ছিলো। শালা মরে গিয়েও সবাইকে কেমনে নাচিয়ে যাচ্ছে।

 

হাতে সময় ২৫ দিন । সাতরাজ শত বাধা বিপদ মোকাবেলা করে শুধু একটাই ক্লু বের করার চেষ্টা কেন তাকে ফোন করা হলো আর কোথায় ত্রিভেদী। কি তার পরিচয়। আর ২৫ দিন পর কি হতে যাচ্ছে। এক দিকে অফিসের বসদের সাথে তার দ্বন্দ অন্যদিকে এক গ্রুপ সন্ত্রাসী তার পিছে লাগে। তাকে সাময়িক ভাবে সাস্পেন্স করা হলেও ঝুকি নিয়ে নিজের উদ্যোগে এই কেসের দায়িত্ব নেয়। কিন্তু শেষ হয়ে আসছে ২৫ দিন……।। কি করবে…


আমার মতে গাণেশ গায়তোন্ড খারাপ খুব খারাপ কিন্তু সমাজের ঐ রক্ষক ভক্ষকরা হলো পিচাষ। এই পিচাষরা কাওকে বা সমাজকে ভালো হতে দেয়না।
প্রফেসর ও বার্লিন, লিবানিজ, ডন সিয়েত্র, পাবলো স্কবার, যুলিমা, স্পেডিনো , উমব্রে পর পছন্দের ভিলেইন তালিকায় গাণেশ গায়তোন্ডকে যোগ করলাম।

Error: No API key provided.

এই পোস্টটিতে ১৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. ভাই দেখার পরে একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম যে কি দেখলাম।। 💖💖

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন