Papillon (1973) : স্বাধীনচেতা সত্তাকে কি কারাগারে আটকে রাখা যায়?

——- মুভি রিভিউ ও বাংলা সাবটাইটেল ——-

 

 

খুনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ‘প্যাপিলন’ নামের এক আসামিকে ফ্রেঞ্চ গায়ানা দ্বীপ-কারাগারে নেয়ার পথে পরিচয় হয় ‘ল্যুই ডেগা’ নামের আরেক আসামির। আর তখনই সে সিদ্ধান্ত নেয় জেল থেকে পালানোর। শুরু হয় একের পর এক ব্যর্থ চেষ্টা। কয়েকবার পালাতে সক্ষম হলেও আবার ধরা পড়েন। শিকার হন কিছু মানুষের প্রতারণার। কিন্তু এভাবে কি প্যাপিলনের স্বাধীনচেতা স্বত্বাকে কি আটকে রাখা সম্ভব? জানতে হলে দেখতে হবে মুভিটি।

 

 

*** স্পয়লার অ্যালার্ট ***

 

জেল থেকে পালিয়ে এভাবে বারবার ধরা পড়ে অতিরিক্ত শাস্তি হিসেবে নির্জন কারাবাসে দুইবছর কেটে যায়। ঘটনাচক্রে হারিয়ে ফেলেন ল্যুই ডেগাকে। আবারো পালানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে নির্জন-কারাবাসে পাঁচবছর কাটিয়ে ছাড়া পান। কিন্তু কোনো শাস্তিই তাঁকে পালানোর মনোবল থেকে সরাতে পারেনি। তারপর তাঁকে নির্বাসিত করা হয় নির্জন ছোট একটি দ্বীপে, সেখানে দেখা পান পুরনো বন্ধুর। এই দ্বীপের চারপাশে হিংস্র হাঙরের অভয়াশ্রম। কোনো আসামী মারা গেলে এখানেই ফেললে মুহূর্তেই সাবাড় করে ফেলে ক্ষুধার্ত হাঙরের দল। ফলে সাগরে নামলেই আছে হিংস্র হাঙরের আক্রমণের শঙ্কা। কোনো বাঁধাই যে প্যাপিলনকে আটকানোর জন্য যথেষ্ট নয়। 

 

 

স্টিভ ম্যাককুইনেই বিরাট ভক্ত হয়ে গিয়েছিলাম ‘দ্যা গ্রেট এস্কেপ’ এ দুর্দান্ত পার্ফরমেন্স দেখার পর। এখানেও দেখিয়েছেন অভিনয়ের অসাধারণ কারিশমা। ১৯৭৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মুভিটি পরিচালনা করেন অস্কারবিজয়ি ফ্রাঙ্কলিন জে. স্ক্যাফনার, যার কাছ থেকে পেয়েছি ‘প্যাটন (১৯৭০) এর মতো মাস্টারপিস মুভি। আর হ্যাঁ, সাথে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা ডাস্টিন হফম্যান। স্টিভ ম্যাককুইন আর ডাস্টিন হফম্যানের রসায়নটা জমেছিলো বেশ। একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে কী পরিমাণ ডেডিকেশন থাকে তা এই দু’জনকে দেখলেই উপলব্ধি করা যায়।

 

 

বাংলা সাবটাইটেল ডাউনলোড- প্যাপিলন (১৯৭৩)

 

 

বাংলা সাবটাইটেল সহ কিছু দৃশ্যের স্ক্রিনশট-

aa aaa aaaa aaaaa aaaaaaaaa aaaaaaaaaa

 

Error: No API key provided.

(Visited 424 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন