Thondimuthalum Driksashiyum(২০১৭)ঃ- এ চোরটাকে মারতে হবে, ভীষণ মারতে হবে একে…
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0
” Thondimuthalum Driksakshiyum ” (2017)- Malayalam
বাংলা উচ্চারণ – (থোন্ডিমুথালুম দৃকসাকশিয়্যুম) 😂
English- ( The mainour and the witness)
– বাসে করে দম্পতি যাচ্ছিল তাদের গন্তব্যস্থানে। মেয়েটার হালকা করে তন্দ্রা লেগে এসেছিল, কে জানতো পেছনে চোর। এই সুযোগে মেয়ের গলার চেইনটি খুবি সুকৌশলে বাগে আনতে যাচ্ছিল চোর। একদম শেষ মূহুর্তে মেয়েটা টের পেয়ে পেছন ফিরে আর অমনি চোর চেইনটা মুখে ঢুকিয়ে গিলে ফেলে ! পাওয়াই যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে পুলিশের কাছে নিয়ে যায়। এত টর্চার এত বেধড়ক মারার পরেও বলে চেইন নেই আমার কাছে। আমি নিই নি। কত কাঠ খড় পোড়ালো কিন্তু চেইন আর পাওয়া যায় না। চোরের সে এক কথা। আবার বাণীও ঝাড়ে,
I won’t give up till the last minute….
That’s my style !!!!!!
এবং বাকি ইতিকথা……… সিনেমা দেখে জানতে হবে।
– ক্রাইম, কমেডি আর থ্রিলের মিশ্রণ। মূলত ব্ল্যাক কমেডি জনরার সিনেমা। ব্ল্যাক কমেডিতে মূলত কিছু ব্যাপার বা সামাজিক ট্যাবুকে একটু লাইটলি হাস্যরসের সাথে উপস্থাপন করা যায়।
দুর্দান্ত কমিক ডায়লগ আর হিলারিয়াস পাঞ্চে ভরপুর প্রথমার্ধ। দ্বিতীয়ভাগে মূলত হাস্যরসের সাথে পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এর ভেতরের রাজনীতি আর দ্বন্দ্বের গল্প ফুটে উঠেছে। পরিচালক হাস্যরসকে উপজীব্য করে এ জিনিসটায় ফোকাস করতে চেয়েছেন। খুব সরল গল্পে একটা জটিল সাব্জেক্টকে বাঁধতে চেয়েছেন পরিচালক – Dileesh Pothan…।
প্রধান তথা চোর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফাহাদ ফাসিল, বাট পর্দায় একে দেখে নাম বেমালুম ভুলে গেছি। চরিত্রের সাথে এতই মানানসই, একদম চোরের চরিত্রটা নিজের মাঝে আতস্থ করে ফেলেছে। জাতচোর যাকে বলে 😜 ! পুলিশের এত মারধর খেয়েও এমন নিরীহ, গোবেচারা লুক মনে হচ্ছে ভাজা মাছ উলটে খাওয়া তো দূর, মাছই চিনে না 😂 ভুক্তিভুগী চরিত্রে Suraj আর Nimisha Sajayan অভিনয় ভালো ছিল। নিমিশার চাহনিতে একটা আলাদা সরলতা আছে, সেটাকে ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছে।
বাকি চরিত্রগুলোর ব্যাকড্রপ এবং স্পেস যথাযথই ছিল। অতিরিক্ত চরিত্র আসে নি।
দারুণ সব সংলাপ আর কমিক পাঞ্চ, সেইসাথে বেশ ভালো একটি চিত্রনাট্য, থিমের সাথে মিলিয়ে পরিমিত আবহসঙ্গীত  এর ব্যবহার ভাল্লাগেছে। চিত্রগ্রহণে প্রথমার্ধকে এগিয়ে রাখবো। দু তিনটে লং শট ছাড়া মিড আর ক্লোজে ভর করে এগিয়েছে। তবে সে জায়গায় দ্বিতীয়ার্ধে সিনেমার ক্রুশিয়াল মোমেন্টগুলোতে দুর্বল চিত্রগ্রহণ পীড়া দিয়েছে। স্টেরিওটাইপ শটে একই আবহ সৃষ্টি করে বাণিজ্যিক আড়ম্বরতা তৈরি করাতে মূল জায়গা সরে যাচ্ছিল মাঝে মাঝে এবং তা দৃষ্টিকটু লাগে। এছাড়া গল্প চলার পথে চড়াই উতরাই এর জায়গাগুলোতে ব্যালেন্সের জায়গাটা খানিক নড়বড়ে ছিল।
তবে গতানুগতিক ক্লিশে সাব্জেক্টগুলোতে দারুণভাবে হ্যান্ডেল করেছেন ডিরেক্টর।

এই পোস্টটিতে ৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন