শৈশবের সিনেমা জগত
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

মুভি খুব একটা দেখা হয়ে ওঠেনা আমার। কারন একটা আড়াই তিনঘন্টার মুভির চেয়ে আমার কাছে একটা নোভেল অনেক বেশি জীবন্ত মনে হয়। যখন নোভেল পড়ি তখন সেই চরিত্রগুলোর সাথে নিজেকে মিশিয়ে ফেলি। তবে তারপরেও মুভি দেখা হয় বা দেখি। আমার মনে আছে মায়ের সাথে সিনেমা হলে গিয়ে দেখেছি মাটির ‘কসম’ এই মুহুর্তে স্টোরি মনে পড়ছে না। তবে মনে আছে ‘ছুটির ঘন্টা’ ঘন্টা মুভিটি সিনেমা হলে দেখতে গিয়ে শো চলাকালিন কান্নাকাটি করে বুক ভাসিয়েছি। আর একটা ব্যাপার সিনেমা হলে গেলে ভয়ে আমার গা ছমছম করতো কারন এইসব সিনেমা হল তৈরি করার সময় তো অনেক বাচ্চাকে ছেলেধরা ধরে নিয়ে এসে মালিকের কাছে বিক্রি করে দিছে এবং তাদের রক্ত দিয়েই তো সিনেমা হল চালু করা হয়েছে, রক্ত না দিলে তো রিল (ফিল্ম) ঘুরবেই না, মেশিন চলবেই না-মায়ের কাছে শোনা এইসব গল্প শুনলে এখন হাসি পায়। আমি একাই সিনেমা হলে গিয়ে প্রথম মুভি দেখি শালমান শাহ অভিনিত ‘অন্তরে অন্তরে’। এক বড় ভাইয়ের কথা শোনার কারনে তিনি আমাকে ছয় টাকার একটা টিকেট কিনে দেন। পরম দুঃসাহস নিয়ে সেই মুভিটি দেখেছি। সেই সময় আমার কাছে সেই মুভিটি মনে হয়েছিল পৃথিবীর সেরা মুভি। শৈশবের মুভি নিয়ে আরো অনেক ঘটনাই রয়েছে সেগুলো পরে আরেকদিন লিখবো…

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন