স্প্যানিশ ক্রাইম, থ্রিলার মুভি “To steal from a thief” রিভিউ।
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

 

Cien-anos-de-perdon

 

দিন দিন স্প্যানিশ মুভির ভক্ত বনে যাচ্ছি। থ্রিলার মুভিতে এরা অনন্য। ইতোপুর্বে El cuerpo, The hidden face, Wild Cards, Sleep tight এর মত শ্বাসরুদ্ধকর মুভি উপহার দিয়েছে তারা।  সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে একই ঘরনার মুভি “To steal from a thief”. ব্যাংক ডাকাতির ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে এটি। হলিউড ও বলিউডে এ ধরণের মুভি কম নির্মিত হয়নি। গল্প বলার ধরণ, থ্রিল ও কাহিনীতে সেগুলো থেকে সতন্ত্র এটি।

 

El Uruguayo’র নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ভেলেন্সিয়া ব্যাংকে হানা দেয় ৬ সদস্যের ডাকাত দল। একমাত্র প্রবেশপথ লোহার গারদের বিশাল গেটটা বন্ধ করে ভেতরের সবাইকে জিম্মি করে তারা। উদ্দেশ্য, যত সম্ভব সেফটি বক্সের টাকা-পয়সা, গয়না-অলংকার লুট করে ম্যানহোল দিয়ে নিরাপদে কেটে পড়া।

1444860811_436619_81006600_fotograma_2

 

দুর্ভাগ্যক্রমে দিনটি ছিল বৃষ্টি-মুখর। ম্যানহোলের পানির স্তর ক্রমেই বাড়ছে। ঘন্টাখানিকের মধ্যে বেরুতে না পারলে পালানো অসম্ভব।

সরকারী দলের সদস্য Soriano, রাজনৈতিক সন্দেহজনক কর্মকান্ডের গোপন তথ্য সংবলিত হার্ড-ডিস্ক গচ্ছিত রেখেছে ভেলেন্সিয়া ব্যাংকের ৩১৪ নম্বর সেফটি বক্সে। ব্যাংক ম্যানেজার এ সুযোগের ফায়দা লুটার জন্য গোপন চুক্তিতে ডাকাত দলের এক সদস্যকে এ তথ্য জানিয়ে দেয়। হার্ড-ডিস্কের তথ্য ফাঁস হলে ক্ষনিকেই পাল্টে যাবে সরকার, ধুলোয় মিশে যাবে প্রধানমন্ত্রীর সকল যশ, সম্মান।

 

ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিসার খবর পেয়েছে ডাকাত দলের মুল উদ্দেশ্য হার্ড-ডিস্ক চুরি করা। ব্যাংকের সম্মুখভাগে শক্ত অবস্থান নিয়েছে পুলিশ ও সোয়ার্ট বাহিনী। জিম্মিদের কথা ভেবে অপারেশনে যেতে পারছেনা তারা। অন্যদিকে, হার্ড-ডিস্ক উদ্ধারে একশনে যেতে প্রস্তুত প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো বিশেষ বাহিনী।

 

হার্ড-ডিস্কের কথা জানত শুধু ডাকাত দলের নেতা। অন্য সদস্যরা এর কথা জানতে পেরে প্রতারণার অভিযোগে নিজেদের মাঝে তর্কাতর্কি শুরু করে। সময় গড়িয়ে যাচ্ছে…। এদিকে বৃষ্টির পানিতে টইটম্বুর ম্যানহোল। পালানোর একমাত্র পথটি এখন বন্ধ।

Cien_anos_de_perdon-Daniel_Calparsoro-Mediaset_Espana_MDSVID20160112_0147_17

 

জিম্মিদের জীবিত উদ্ধার, ডাকাত দলের টাকাপয়সা নিয়ে কেটে পড়া, প্রধানমন্ত্রীর হার্ড-ডিস্ক ফিরে নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। পরিস্থিতি কোনদিকে গড়াচ্ছে…? কি করে হবে এর সমাধান…?

 

মুভির মেকিংটা ছিল চমকপ্রদ। স্ক্রিনপ্লে ও ক্যামেরার কাজ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। কালারটোন ও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ছিল মানানসই।

প্রত্যেকটি চরিত্র নিজ নিজ জায়গায় সেরা অভিনয়টা করেছে। নজর কেড়েছেন ডাকাত দলের লিডার চরিত্রে অভিনয় করা Rodrigo de la Serna. দেখতে যেমন সুদর্শন তেমনই বুদ্ধিদীপ্ত। তার ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন ছিল প্রশংসনীয়। পুলিশের সাথে নিগোশিয়েশনের সময় আর সঙ্গীর মুখে নিজের প্রশংসা শুনার পর এক্সপ্রেশনটা ছিল একেবারে অমৃত।

 

বড় তারকা Luis Tosar পার্শ্বচরিত্রে থাকলেও নিজের অভিনয় দক্ষতার শতভাগ প্রমাণ দিয়েছেন। ছোট ছোট চরিত্রগুলোর অভিনয় দক্ষতা কাহিনীকে আরো বেশি জোরালো ও উপভোগ্য করে তুলেছে।

 

একটা পর্যায়ে মুভির শেষটা পুর্বানুমিত মনে হলেও, থ্রিল আপনাকে শেষপর্যন্ত ধরে রাখবে। মাঝখানের কাহিনী একটু স্লো তবে প্রথম ও শেষদিকে দ্রুত গতির ছিল। সবমিলিয়ে বেশ উপভোগ্য একটা মুভি। ব্যক্তিগত রেটিং ৮/১০.

ট্রেলার লিঙ্কঃ এখানে দেখুন

অনলাইন লিঙ্কঃ  দেখুন এখান থেকে

 

To Steal from a Thief (2016)
To Steal from a Thief poster Rating: 6.6/10 (604 votes)
Director: Daniel Calparsoro
Writer: Jorge Guerricaechevarría
Stars: Luis Tosar, Rodrigo De la Serna, Raúl Arévalo, José Coronado
Runtime: 96 min
Rated: R
Genre: Crime, Thriller
Released: 03 Mar 2016
Plot: A group of thieves led by a man called El Uruguayo stalk a bank in Valencia to steal as many safety boxes as possible and later flee through a dug tunnel that communicates the building with...

এই পোস্টটিতে ৪ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Znj Jnj says:

    Koek din age dekhi Korean movie er Vokto apni,.abar paltai len

  2. ami shuru korte chaile konta diye shuru kora uchit ?

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন