Imaikkaa Nodigal (পলকহীন মুহূর্ত)
Share on Facebook188Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

অঞ্জলী (নয়নতারা) একজন সিবিআই কর্মকর্তা। শহরে একজন সিরিয়াল কিলারে আবির্ভাব ঘটলে তাকে ধরার দায়িত্ব বর্তায় অঞ্জলি ও তার টিমের ওপরে। কিন্তু কিলার মুক্তিপণের টাকা নেওয়ার পরেও অপহৃত ব্যক্তিদের হত্যা করে ফেলে রেখে চলে যায়, যারা সবাই সমাজের উচ্চ বিত্তের সন্তান থাকে। অপরাধের পর কোন ক্লু বা প্রমাণ কোন কিছুরই কোন ট্রেস পাওয়া যায় না । একেবারে সিবিআই এর নাকের ডগায় একটি ঘটনা ঘটানোর পরে কিলার দাবী করে বসে সে রুদ্রা যাকে অঞ্জলী চার বছর আগে এনকাউন্টারে মেরে ফেলে! সাথে সে তার পরবর্তী টার্গেট কে কিডন্যাপ করার দিনও জানিয়ে দেয়। কিন্তু অঞ্জলী ও তার টিম এর সকল প্রচেষ্টা নস্যাত করে দিয়ে টার্গেট কে কিডন্যাপ করে এবং……………
প্রথমাংশ শেষে অনেকগুলো প্রশ্ন মাথায় আসে আসলে কিডন্যাপার চায় কি?  সে কি আসলেই রুদ্রা? অঞ্জলীর সাথে তার দ্বন্দের জায়গাটা কোথায়? সে সিবিআই কে ডিরেক্ট চ্যলেঞ্জ করছে কেন?
অঞ্জলী চরিত্রে নয়নতারা তার সাবলীল অভিনয় এ পুরোটা সময় মাত করে রেখেছেন।তার আচার আচরণে  সিবিআই অফিসার এর ছাপ ছিল পুরদস্তুর। তবে এই সিনেমায় সবচেয়ে বড় নামটা অবশ্যই অনুরাগ কাশ্যপ। ভদ্রলোক ভিলেন চরিত্রে পুরো একটা বম্বশেল ছিলেন। আকিরার পরে ইমায়িক্কা নদীগাল এ তিনি তার জাত চিনিয়েছেন। শুধু শুধুই তো আর তাকে ক্রাইম থ্রিলার এর গুরু বলা হয় না। আথার্বা মুরালী বিরতির পরে মোমেন্টাম টা ধরে রেখেছিলেন। রাশি খান্না যে টুকু সময় ছিলেন, ওকে। বিজয় সেতুপাথির স্ক্রিনিং টাইম টা আর একটু বেশী হলে মন্দ হত না।  অঞ্জলীর মেয়ের কথা আলাদা করে বলতে হয়, বাচ্চাটার রাগ, মজা, বা অঞ্জলীকে সেভ করা সবকিছু মিলিয়ে একটা দুর্দান্ত প্যকেজ ছিল।

যখন একটা ক্রাইম ঘটে তখন তার পেছনে অবশ্যই কোন না কোন কারণ থাকে। সেটা হতে পারে ব্যক্তিগত বা পারিবারিক বা পেশাদারী কোন ঘটনা থেকে উদ্ভুত।
যদি ক্রাইম থ্রিলার এর ভক্ত হয়ে থাকেন নির্দিধায় দেখতে পারেন। IMDB তে সিনেমাটির রেটিং ৭.৬।

Error: No API key provided.

এই পোস্টটিতে ২ টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন