থার্টিন রিজন্স হুয়াই…
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

কাহিনী খুব সিম্পল, হানাহ বেকার নামের এক টিনেজার সুইসাইডের আগে কয়েকটি ট্যাপ রেখে যায় যেখানে তার সুইসাইডের কারণ এবং এর জন্যে কে কে দায়ী সেটা উল্লেখ করা আছে। সবার হাত পেরিয়ে টেপগুলো গুলো শেষমেশ ক্লে জেনসেনের হাতে পরে এবং তার পাওয়া ট্যাপ শুনে শুনেই আমরা জানতে পারবো হানাহ কেন আত্মহত্যা করলো। সিম্পল না? হ্যা সিম্পল তবে এখানে রহস্য আছে। সেটা নিজেই দেখে নিবেন।

কিভাবে বাবা-মা বুঝতে পারবে তাদের সন্তান কিছু লুকোচ্ছে, কি কি কারনে কিশোর বয়সী ছেলেমেয়েরা ডিপ্রেশনে ভোগে এবং তাদের বন্ধু বা পরিবার কিভাবে সেটা বুঝতে পারবে? এবং সহ্য সীমানার কোন পর্যায়ে গেলে এই বয়সী কেউ একজন সুইসাইড করতে পারে! এইসব ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে ধরলেও সেগুলোর ঠিকঠাক সমাধান তুলে ধরা হয়নি 13 Reasons Why​ টিভি-শোতে।

 

বিঞ্জ করার জন্যে পুরোপুরি ফিট, তবে আমার কাছে মনে হয়েছে ১৩ এপিসোডের দরকার ছিল না। ৭/৮ টা এপিসোড দিয়ে শেষ করা যেতো। অস্কার পাওয়া স্পট লাইটের ডিরেক্টর টম ম্যকার্থির পরিচালনার কারণে হয়তো শুরুর এপিসোডগুলো ইন্টারেস্টিং ছিল। তবে সিরিজের মাঝপথে আসতেই সে ইন্টারেস্টটা গায়েব হয়ে যাবার অবস্থা হয়েছিল। হয়তো দেখা বন্ধ করবেন না কিন্তু মাঝেমধ্যে বাদ দিয়ে দেয়ার ইচ্ছা হবে।

 

কারো অভিনয় নিয়ে কিছু বলবোনা। হানাহ ক্লে আর টনিকে ভাল লাগবে।অভারওয়েল্মিং অভিনয় নেই কারো। তবে চমৎকার কিছু ট্র্যাক আছে সিরিজটিতে। ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর অসাধারন ছিল। (OST এর ডাউনলোড লিংক দিয়ে দিয়েছি)

 

আর একটা জিনিস। শো দেখার সময় হানাহ’র মায়ের অবস্থা দেখে প্রথমেই আমার কাছে মনে হয়েছিল স্ট্রেঞ্জার থিংগসের কথা ” Kid is gone! And an overly anxious grieving mother! ”

IMDb: 8.5/10
Rotten Tomatoes: 86%

Error: No API key provided.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন