হেল ওর হাই ওয়াটার! ” পরিস্থিতি যাই হোক, যা করার করো “
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

দরিদ্রতা যেন একটা ব্যাধি। আর এই ব্যাধিতে আক্রান্ত মানুষেরাই বুঝে এর যন্ত্রণা।

ট্যানার এবং টবি হাওয়ার্ড নামের দুই ভাইয়ের জন্ম টেক্সাসের এক দরিদ্র পরিবারে। একজন আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, আরেকজন মাত্র এক বছর আগে দশ বছর জেল খেটে বের হয়ে এসেছে।

maxresdefault

ছবি শুরু হয় ছোটখাটো দুইটা ব্যাংক ডাকাতি দিয়ে। নিজেদের রেঞ্চ বাঁচাতে টেক্সাসের মিডল্যান্ড ব্যাংকের দুইটা ব্রাঞ্চ লুট করে ট্যানার আর টবি। লুটের অংক দেখে এফবিআই কেইস নিতে তেমন আগ্রহ না দেখালে কেইসটি চলে যায় দুই প্রবীণ টেক্সান রেঞ্জারদের হাতে। তৃতীয় ডাকাতির পর, পুরোদস্তরভাবে দুই ভাইয়ের পেছনে লাগে এই দুই রেঞ্জার- মারকাস হ্যামিল্টন এবং আলবার্তো পারকার। অপেক্ষা করতে থাকে পরবর্তী ডাকাতির।

Hell or High Water (2016).mkv_snapshot_00.57.54_[2017.01.05_22.51.07]

গতবছর সিকারিও দিয়ে বাজিমাত করার পর এবার আরও একটি অসাধারণ চলচ্চিত্র নিয়ে হাজির হয়েছেন চিত্রনাট্যকার টেইলর শেরিডান। আর চলচ্চিত্র পরিচালনায় ছিলেন ব্রিটিশ চিত্র পরিচালক ডেভিড ম্যাকেনজি।

স্বল্প পরিসরের ছবিতে চেষ্টা করা হয়েছে সামাজিক রাজনৈতিক পটভূমি তুলে ধরার। পুরো ছবি জুড়েই যে কথাটা স্পষ্টভাবে বুঝানো হয়েছে সেটা হল আধুনিক পশ্চিমা সমাজের আসল খলনায়ক হচ্ছে ব্যাংকগুলো। লুট হওয়া প্রথম ব্যাংকের দেয়ালে স্প্রে করে লেখা ছিল “ইরাকে তিনটা ট্যুর অথচ মুক্তি নেই আমাদের মতো মানুষেরও ।” ঋণের কঠিন মারপ্যাঁচে পরে ভূমিহীন সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা বিরক্ত সমসাময়িক ব্যাংকিং ব্যবস্থার উপর। তাই ব্যাংক ডাকাতদের শনাক্ত করতে যেয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে তেমন কোন সহযোগিতা পায়না রেঞ্জাররা; সেই দৃশ্যে এক মধ্যবয়স্ক লোক বলে ” গত ত্রিশ বছর ধরে ব্যাংকইতো আমাদের লুট করে যাচ্ছে”।

Hell or High Water (2016).mkv_thumbs_[2017.01.05_22.08.51]

সিনেমাটি টেক্সাস কেন্দ্রিক হওয়া সত্তেও এর একটা দৃশ্যও ধারণ করা হয়নি টেক্সাসে। তাও ছবির প্রত্যকেটা দৃশ্যের ওয়েস্টার্ন ল্যান্ডস্কেপ গুলো ছিল সজিব এবং প্রাণবন্ত। এতো সুপরিচিত থিম কেন্দ্রিক হওয়ার পরেও ছবির চিত্রনাট্য, সিনেমাটোগ্রাফি এবং শব্দগ্রহন ছিল চমৎকার। ছবিতে ব্যবহার করা হয়েছে চমৎকার সব সাউন্ডট্র্যাক। টেইলর শেরিডানের চিত্রনাট্য তথাকথিত কপট সংলাপের পরিবর্তে মানুষের কথা বলার বাস্তব রূপকে ফুটিয়ে তুলেছে যা কিনা একইসাথে শ্রুতিমধুরও। সংলাপগুলো খুব সাধারণ হয়েও ছিল মনে রাখার মতো অসাধারণ।

Hell or High Water (2016).mkv_snapshot_01.00.22_[2017.01.05_22.48.27]

ছবিটি মুলত চারটি চরিত্রকে ঘিরেই। বাকি চরিত্রগুলো ছিল অনেকটা ক্যামিওর মতো। তবে প্রত্যেকটা চরিত্রের অভিনয়ই অনেক ভালো ছিল। টবি চরিত্রে অভিনয় করেছেন ক্রিস পাইন্স, ইন্ডি ফিল্ম গুলোতে অভিনয় করার ক্ষমতাও যে তার আছে সেই ব্যাপারটা ভালো করে দেখিয়ে দিয়েছেন। ট্যানারের চরিত্রে বেন ফস্টার আর মার্কাসের চরিত্রে জেফ্রি ব্রিজেস অভিনয় ছিল অসাধারণ। আমি বেন ফস্টারকে যতো দেখছিলাম ততই অবাক হচ্ছিলাম, সে আসলেই আন্ডাররেটেড একজন এক্টর। আর ড্যুডখ্যাত জেফ্রি ব্রিজেসের কথা আর কি বলবো! চমকপ্রদ অভিনয়! তিনি আমারিকার চমৎকার অভিনেতাদের মধ্যে একজন, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

 

large_mDsGh5Nez6ahrtCFD9mR7uFl0AD

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Hell or High Water (2016)

ব্যক্তিগত রেটিংঃ ৫/৫
আইএমডিবি রেটিংসঃ ৭.৮
রটেনটোম্যাটোসঃ ৯৮% ফ্রেশ।

ডাউনলোড লিংকস- টরেন্ট / ডিরেক্ট

Hell or High Water (2016)
Hell or High Water poster Rating: 7.8/10 (42,857 votes)
Director: David Mackenzie
Writer: Taylor Sheridan (screenplay)
Stars: Dale Dickey, Ben Foster, Chris Pine, William Sterchi
Runtime: 102 min
Rated: R
Genre: Crime, Drama, Western
Released: 26 Aug 2016
Plot: A divorced father and his ex-con older brother resort to a desperate scheme in order to save their family's ranch in West Texas.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন