সুইসাইড স্কোয়াড (অরিজিন স্টোরি) পর্বঃ ১
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

“You’d be amazed, the monsters this world can create”
– Batman (Thomas Wayne, The Flashpoint Paradox)

সম্প্রতি মুক্তি পেলো ডিসি এক্সটেন্ডেড ইউনিভার্সের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ব্যাটম্যান ভার্সাস সুপারম্যানঃ ডন অব জাস্টিস। আর এবছরই আগস্ট মাসে মুক্তি পাচ্ছে ফ্রাঞ্চাইজের তৃতীয় চলচ্চিত্র সুইসাইড স্কোয়াড। ছবির শুটিং শুরু হয়েছিল ২০১৫ সালের এপ্রিল মাসের ১৩ তারিখ এবং ছবিটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে জোকারের  লাইভ একশন অভিষেকের ৫০ বছর পূর্তির দিনে (আগস্ট ৫, ২০১৬)।

12983848_1366495773362817_7532346193742984868_o

 

এবারে কোন সুপারিরো নয়,চলচ্চিত্রের মূল আকর্ষণ হল ডিসি ইউনিভার্সের ভয়ঙ্কর সব ভিলেন, দ্য ওর্স্ট অফ দ্য ওর্স্ট। মূলত সুইসাইড স্কোয়াড হচ্ছে কারাবন্দী কিছু দুর্ধর্ষ অপরাধীদের মুক্তির লোভ দেখিয়ে গঠন করা একটি ক্ষুদ্র দল যার পরিচালনায় রয়েছে অজ্ঞাত এক সরকারী সংস্থার পরিচালক অ্যামান্ডা ওয়ালার। এযাবৎকাল পর্যন্ত সুইসাইড স্কোয়াড নিয়ে ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া এনিমেটেড চলচ্চিত্র “ব্যাটম্যানঃ অ্যাসাল্ট অন আরখাম” বাদে আর কোন চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়নি। আর দ্য সি ডব্লিউ টেলিভিশন নেটওয়ার্কের এরোভার্স যারা ফলো করেন তাদের অবশ্য এরোর অ্যামান্ডা ওয়ালার এবং তার সুইসাইড স্কোয়াড সম্পর্কে ধারণা আছে, তাছাড়া ২০০১ সালে এয়ার হওয়া টিভিশো স্মলভিলের কয়েকটা এপিসোডেও স্কোয়াডের দেখা মিলে। তবে ডিসিইউ এর সুইসাইড স্কোয়াড অন্যগুলো থেকে একটু ব্যাতিক্রম। ডিসি এক্সটেন্ডেড ইউনিভার্সে ভিন্ন টাইমলাইন ফলো করা হচ্ছে। চেষ্টা করবো তাদের উৎপত্তিলো পুরোপুরি তুলে ধরার। আসুন চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক আপকামিং সুইসাইড স্কোয়াডের উপরঃ

 

 


 

ডেডশট

7e2f7ccccff54f3c0b75c63bab96bdfa

শুরু করা যাক বর্তমান স্কোয়াড লিডার ডেডশটকে দিয়ে। পুরো নাম ফ্লয়েড লোটন। একজন অভিজ্ঞ মার্কসম্যান। উপযুক্ত বন্দুক দিয়ে অনেক দূর থেকে লক্ষভেদ করার ক্ষমতা তার অসাধারণ। এছাড়াও হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটে সে অনেক পারদর্শী।

 

তাকে প্রথম পরিচয় করিয়ে দেয়া হয় ‘ব্যাটম্যান #৫৯’ কমিক বইয়ে। ১৯৫০ সালের জুন মাসে বের হওয়া এই কমিক বইয়ের রচনায় ছিলেন বব ক্যেইন, ডেভিড ভার্ন রিড এবং লিউ সোয়ার্জ। তবে ডেডশটের পিছনে সম্পূর্ণ অবদান ডেভিড ভার্ন রিড এবং লিউ সোয়ার্জের। গোল্ডেন এইজের কাহিনীগুলোতে তার অতীত সম্পর্কে তেমন কিছু বলা না হলেও পরে মর্ডান এইজ এবং নিউ ৫২তে তার উৎপত্তি তুলে ধরা হয়।

 

ফ্লয়েড বড়লোক মা-বাবার ছোট ছেলে। বাবার নাম জর্জ লোটন এবং মায়ের নাম জেনেভিভ লোটন। এডয়ার্ড নামে তার এক বড় ভাই ছিল, যাকে সে খুব সমীহ করতো। তাদের বাবা-মা একে অপরকে প্রচন্ড ঘৃণা করতো। আর জর্জের অনবরত দুর্ব্যবহারে, দুই ছেলেরও তার প্রতি ঘৃণা জন্মায়। একসময় জর্জের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে জেনেভিভ দুই ছেলেকে তাদের জঘন্য পিতাকে খুন করতে প্রভাবিত করে । এডওয়ার্ড রাজি হয়ে গেলেও ফ্লয়েড তাতে অসম্মতি জানালে দুর্ঘটনা এড়াতে এডওয়ার্ড ফ্লয়েডকে তাদের বোট হাউসে বন্দী করে রেখে আসে। বড় ভাইয়ের ভয়ানক ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ফ্লয়েড কোন রকমে বোটহাউস থেকে বের হয়ে আসে।একটা রাইফেল জোগাড় করে সে তাদের বাড়ির পাশের এক গাছের ডালে বসে অপেক্ষা করতে থাকে। যাতে এডওয়ার্ড বাবাকে গুলি করার আগে ফ্লয়েড ভাইয়ের হাত থেকে বন্দুকটা গুলি করে ফেলে দিতে পারে। কিন্তু ভাগ্য তার জন্য সেদিন অন্য কিছু নিয়ে অপেক্ষা করছিল। গুলি করার সময় হঠাৎ করে গাছের ডালটি ভেঙ্গে গেলে গুলি লক্ষভ্রস্ট হয়ে এডয়ার্ডের মাথায় গিয়ে লাগে।যে বাবাকে সে প্রচণ্ড ঘৃণা করত, তাকেই বাঁচাতে গিয়ে ভুলবশত প্রিয় ভাইকে মেরে ফেলার ব্যাপারটি সে কখনও মেনে নিতে পারেনি। সেদিনই প্রতিজ্ঞা করে আর কখনও একটা গুলিও সে মিস করবেনা।

 

এই সংস্করণে ফ্লয়েডের য্যয়ি এবং এডওয়ার্ড নামে দুই সন্তান ছিল তবে প্রথমদিকে য্যয়ির অস্তিত্য সম্পর্কে তার কোন ধারণ ছিলনা। ব্যর্থ হওয়া এক পুরনো মিশন তাকে দিয়ে জোর করে শেষ করানোর জন্যে তার এমপ্লয়ি তখনকার অ্যান্সেম ব্রাদার্স গ্যাংকে ভাড়া করে। অ্যান্সেম ব্রাদার্স এডওয়ার্ডকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ছেলেকে মুক্তি করতে ফ্লয়েড অ্যান্সেমদের হেডকোয়ার্টারে হানা দেয়। তবে ফ্লয়েড পৌঁছানোর আগেই অয়েস অ্যান্সেম, এডওয়ার্ডকে অন্যত্র সরিয়ে নেয় এবং তার উপর অমানুষিকভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায় যার এক পর্যায় এডওয়ার্ড মারা যায়। এই ঘটনাটি তার জীবনে আরও একবার প্রচন্ড ধাক্কা দেয়। একসময় সে আত্মহত্যা প্রবণ হয়ে উঠে। তারপর একদিন সে হঠাৎ আবিষ্কার করে য্যয়ি নামে তার একটি মেয়ে আছে যার মধ্যে সে আবার নতুন করে বাঁচার কারণ খুজে পায়।

 

পরবর্তীতে নিউ-৫২তে তার পরিবার এবং উৎপত্তি একটু ভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়। তাতে বলা হয়, ফ্লয়েডের জন্ম গোথামের সঙ্কীর্ণ অঞ্চলের এক দরিদ্র পরিবারে। দুর্ঘটনাক্রমে দুই গ্যাঙের মধ্যকার গুলাগুলির সময় তার মা বাবা এবং ছোট বোন প্রাণ হারায়। প্রতিশোধের নেশায় সে একজন শার্প শুটার হওয়ার প্রশিক্ষণ শুরু করে। অবশ্য পরে আবার বলা হয় যে আসলে পুরোটাই ছিল ফ্লয়েডের মনগড়া কাহিনী এবং তখন মডার্ন এইজের কাহিনীই আবার নতুন করে একটু ভিন্নভাবে তুলে ধরা হয়। তার দুই সন্তানের ব্যপারটি বাদ দিয়ে দেয়া হয়। নতুন কাহিনী অনুযায়ী তার একটি ছেলে রয়েছে যার নাম সুচিন।

 

আততায়ী বা মার্সেনারি হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার আগে কিছুদিন সে লীগ অফ এসাসিনসেও ছিল।পরে এক সময় সে গোথামে ফিরে আসে। ব্যাটম্যানের অবর্তমানে নিজের দক্ষতাগুলো কাজে লাগিয়ে ফ্লয়েড আত্মপ্রকাশ করে একজন ভিজিলান্টে ক্রাইম ফাইটার হিসেবে।এদিকে ব্যাটম্যান ফিরে এসে টের পায় ফ্লয়েড ভালো মানুষের মুখোশ পরে আসলে তলে তলে ক্রিমিনালদের সাথে কাজ করছে। ব্যাটম্যান আর গর্ডন জনসমক্ষে তার আসল রূপ তুলে ধরে এবং তাকে গ্রেফতার করে জেলখানায় পাঠানো হয়।এর বেশ কিছুদিন পর ফ্লয়েড জেল থেকে পালিয়ে যায় এবং ব্যাটম্যানের উপর প্রতিশোধ নিতে সে আবার গোথামে ফিরে আসে।ব্যাটম্যানকে খুন করতে মরিয়া ডেডশট আশেপাশের নিরপরাধ মানুষের তোয়াক্কা না করে ব্যাটম্যানের উপর গুলি চালানো শুরু করে। ব্যাটম্যান আবারো তাকে ধরে জেলে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। ফ্লয়েডকে বেলে রিভে কারাগারে পাঠানো হয়।এবং সেখান থেকেই আমান্ডা ওয়ালার তাকে টাস্ক ফোরস এক্স বা সুইসাইড স্কোয়াডে নিযুক্ত করে।

cats

চলচ্চিত্রে ডেডশট চরিত্রে আমাদের সামনে হাজির হচ্ছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা উইল স্মিথ। ক্যারিয়ারে পাঁচবার গোল্ডেন গ্লোব এবং দুবার অস্কার নমিনেশন ছাড়া তিনি জিতেছেন চারটি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড।আমাদের অনেকেরই প্রিয় অভিনেতার লিস্টে নাম পাওয়া যাবে তার। অতীতে আমাদেরকে পারসুইট অফ হ্যাপিনেস, আই অ্যাম লিজেন্ড, আই রোবট এবং ম্যান ইন ব্লাকসহ আরও অনেক ভালো ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। তাই আশা করছি ডেডশট চরিত্রেও ফাটিয়ে দিবেন।

 


 

হার্লি কুইন

7b77d31eb4add58b369fd3ecb09c4ec0

পুরো নাম হার্লিন ফ্রান্সেস কুইঞ্জেল। হার্লি ডিসি কমিকসের নামকরা চরিত্র আর এর পেছনে কারণ হল সে হচ্ছে জোকারের কুখ্যাত সাইডকিক।হার্লির অভিষেক হয়েছিল ‘ব্যাটম্যান দ্য এনিমেটেড সিরিজ’ দিয়ে। প্রথম সিজনের ২২ নাম্বার এপিসোড ‘জোকার’স ফেভর’এ প্রথম দেখা মিলে হার্লি কুইনের।যদিও সেই এপিসোডে হার্লির উৎপত্তি নিয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে এনিমেটেড সিরিজের কাহিনী অনুসরণ করে বের হওয়া কমিক্স সিরিজ ‘দ্য ব্যাটম্যান এডভেঞ্চারস’এর ম্যাড লাভ ইস্যুতে হার্লির উৎপত্তি সম্পর্কে ধারণা দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে এনিমেশন সিরিজটির চতুর্থ সিজনের একি নামে তৈরি একটি এপিসোডে হার্লির অরিজিন তুলে ধরা হয়।

 

গল্পের শুরুতে দেখানো হয় আরখাম মানসিক হাসপাতালে ডাঃ হারলিন কুইঞ্জেলএকজন শিক্ষানবিস ডাক্তার হিসেবে যোগদান করছে। জোকারের সাথে তার প্রথম দেখা হয় সেখানেই। হার্লির নামের সাথে ইতালিয়ান ক্লাউন হারলেকুইনের মিল দেখে জোকারের তার প্রতি আকৃষ্ট হয়। প্রথম দিনেই কোন একভাবে সে হার্লির অফিসে একটি চিরকুট পাঠায় যাতে লেখা ছিল “Come down and see me sometimes”। জোকারের উদ্ভট সব কার্যকলাপ দেখে তার প্রতি কৌতুহল বাড়ে হার্লির। সে নিজ থেকেই জোকারের চিকিৎসা করার আগ্রহ দেখায়। তাদের বিভিন্ন সেশনে জোকার হার্লিকে নিজের বিষাদময় অতীত এবং পাষণ্ড বাবার দুর্বব্যবহারের বিভিন্ন গল্প শোনাতে থাকে যার ফলে হার্লির মধ্যে জোকারের জন্য সহানুভূতির তৈরি হয়। একসময় জোকারের প্রেমে পরে যায়। একবার জোকার আরখাম থেকে পালিয়ে গেলে ব্যাটম্যান জোকারকে আহত অবস্থায় আরখামে ফেরত নিয়ে আসে। জোকারের এই অবস্থা দেখে বিষণ্ণ হার্লি সেদিনই হার্লেকুইনের কস্টিউম যোগার করে সেই ছদ্মবেশেই আরখামে হাজির হয় এবং জোকারকে মুক্ত করে নিয়ে যায়।

 

এনিমেটেড সিরিজে হার্লি কুইন চরিত্রের এই অরিজিন দেখানো হলেও পরবর্তীতে কমিক সিরিজে চরিত্রটির একটি ভিন্ন অরিজিন স্থাপিত করা হয়। সেখানে বলা হয় হার্লির মা ছিল একজন রুক্ষ স্বভাবের মহিলা যে সবসময় হার্লিকে বকাঝকা করতো। তার বাবা ছিল একজন কন-ম্যান, যে ছিল মহিলাদের ভুলিয়ে ভালিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতে ওস্তাদ।এছাড়া হার্লের এক ছোটভাই ছিল, ছেলেমেয়ে নিয়ে যে মার বাড়িতে থাকতো।হার্লি মাঝে মাঝেই তার ভাইকে মোটা অংকের টাকা দিতো যাতে সে স্বাবলম্বী হতে পারে। কিন্তু প্রত্যেকবারই সে টাকাগুলো অন্যথা নষ্ট করতো।

 

মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়ার সময় হার্লি অদ্ভুত এক যুক্তি খুজে বের করে যে প্রেমে পড়া আর অপরাধ করার মাঝে সামাঞ্জস্যতা আছে। একটা মানুষ ভালবাসার জন্যে কতদূর যেতে পারে সেটা দেখার জন্য সে তার বয়ফ্রেন্ড গাইকে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেয়। গাইয়ের প্রতিক্রিয়া দেখার জন্যে সে তার এক প্রফেসরকে খুন করেছে এমন একটি ঘটনা সাজিয়ে সেখানে গাইকে নিয়ে উপস্থিত হয়। হার্লিকে বাচাতে গাই মৃত প্রফেসর ভেবে এক নিরপরাধ জীবিত ব্যক্তিকে খুন করে বসে। দুর্ঘটনার অনুতপ্ত গাই আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এবং এজন্য হার্লি কাছে সাহায্য চায়। হার্লি ভালবাসার স্বার্থে তাকে খুন করে পুরো ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে চালিয়ে দেয়।

 

এসব ঘটনায় মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হার্লি একসময় তার বয়ফ্রেন্ডের গাইয়ের মতো বিশ্বাস করা শুরু করে যে পৃথিবী আসলেই বিশৃঙ্খল জায়গা। নিজের জীবনের সাথে জোকারের অদ্ভুত মিল খুজে পায় সে। আর জোকারের মন মনমানসিকতা ছিল অনেকটা তার মৃত বয়ফ্রেন্ডের মত। তাই জোকারের সাথে কথা বলার জন্য আরখামে চাকরি নেয় হার্লি। এবং তাদের প্রথম সাক্ষাতেই জোকারকে সে তার জীবনে ঘটে যাওয়া কাহিনীগুলো বলে, যা শুনে জোকারও হার্লির প্রতি আকৃষ্ট হয়।পরবর্তীতে জোকারের সাইডকিক হওয়ার আগ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার সে জোকারকে আরখাম থেকে পালাতে সাহায্য করে।

 

এভাবেই শুরু হয় জোকার এবং হার্লি কুইনের এডভেঞ্চার। একবার জোকারকে জেলে ঢুকানোর জন্যে দায়ী প্রসিকিউটরদের একজনকে খুন করার অপরাধে তাকে গ্রেফতার করে ব্ল্যাক ক্যানারি। তাকেও পাঠানো হয় বেলে রিভে কারাগারে। নিউ ৫২রিবুট অনুযায়ী, বেলে রিভ থেকেই জোর করে হার্লিকে সুইসাইড স্কোয়াডে নিয়ে আসে আমান্ডা ওয়ালার।

 

কোন সুপার পাওয়ার না থাকলেও সুইসাইড স্কোয়াডের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হার্লি কুইন।হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটে তার দক্ষতা অসাধারণ। এছাড়া অনেকদিন পয়জন আইভির সাথে কাজ করায় অনেক মারাত্মক বিষ তার কোন শারীরিক ক্ষতি করতে পারেনা।
Cheeky

চলচ্চিত্রে হার্লির মতো জটিল চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান অভিনেত্রি মার্গট রবি।আমি তাকে প্রথম দেখেছি উলফ অফ ওয়ালস্ট্রিটে এবং পরে উইল স্মিথের সাথে ফোকাস চলচ্চিত্রে।আর কারো কথা বলতে পারবোনা তবে হার্লি কুইন চরিত্রে তাকে ক্যাস্ট করায় আমি অন্তত খুশি। যে তিনটা ট্রেইলার বের হইছে তাতে অবশ্য ভালোই মনে হয়েছে তাই আশা করছি তিনি নিরাশ করবেন না।

 


 

আজ এই দুই চরিত্রই থাক। আসলে সুইসাইড স্কোয়াডের প্রত্যেকটা চরিত্র নিয়ে রীতিমত গবেষণা করার মতো। তাছাড়া এক একটি রিবুটে তাদের অরিজিন সম্পর্কে ভিন্ন কাহিনী বলা হয়েছে। একবারে সবার অরিজিন কাভার করা সম্ভব নয়। তবে চেষ্টা করবো পরের লেখায় আরও বেশি চরিত্র তুলে ধরার।

jared-leto-as-the-joker-in-suicide-squad

Till then, Hello! Goodbye!
You’re all gonna die! (Fake laugh)

Suicide Squad (2016)
Suicide Squad poster Rating: N/A/10 (N/A votes)
Director: David Ayer
Writer: David Ayer, John Ostrander (comic book)
Stars: Margot Robbie, Cara Delevingne, Ben Affleck, Jared Leto
Runtime: N/A
Rated: N/A
Genre: Action, Adventure, Fantasy
Released: 05 Aug 2016
Plot: A secret government agency recruits imprisoned supervillains to execute dangerous black ops missions in exchange for clemency.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন