হলিউডের আকাশে জ্বলে থাকা এক নক্ষত্রের গল্প
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

আজকে বলবো গত তিন দশক ধরে রুপালী পর্দা উজ্জল করে জ্বলে থাকা এক তারকার গল্প। পৃথিবী থেকে অনেক অনেক বেশি দূরে হওয়ার কারনে আকাশের তারার আলো যেমন পৃথিবীতে পৌছায়না, ঠিক সেভাবেই তিনবার করে নমিনেশন পেয়েও অস্কার নামক গ্রহটিকে আলোকিত করতে পারেননি আমার পছন্দের এই অভিনেতা।

দ্বিতীয় জন ক্রিস্টোফার  ডেপ
Johnny Deppজনি ডেপ! আসল নাম ছাড়াও নানা রকম চরিত্রে অভিনয়ের ফলে তার এত পরিচয় তৈরি হয়েছে, আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা তাকে কি নামে পরিচয় করিয়ে দিব! জনি ডেপ, জ্যাক স্প্যারো (আই মিন ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো!) নাকি মিঃ স্টেঞ্চ (ভক্ত এবং প্যাপারজ্জিদের এড়াতে জনপ্রিয় ব্যাক্তিবর্গ হোটেলে উঠার সময় ছদ্দনাম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু জনি ডেপ বিশ্বাসযোগ্য কোন ছদ্দনামের পরিবর্তে  “মিঃ স্টেঞ্চ” নামটি ব্যবহার করেন)

আমার ব্যক্তিগত প্রিয় অভিনেতাদের লিস্টে জ্যাক নিকলসন এবং আল পাচিনোর পর আমি জনি ডেপকেই রাখবো। তাকে প্রথম দেখি ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন মেক্সিকোতে।সিনেমাটিতে তিনি পার্শ্বচরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করে ছবির মূল নায়ক এন্থনিও ব্যান্ডেরাসের উপস্থিতি  ম্লান করে দিয়েছিলেন। ছবিতে তার অভিনয় এতই ভালো লেগেছিল যে সেদিনই তার অভিনয় করা কিছু ছবির ডিভিডি কিনে নিয়ে এসেছিলাম (তখন এখনকার মত  ডাউনলোডের সুব্যবস্থা ছিলনা)। ভাগ্য এতই সুপ্রসন্য, পাইরেটস অভ দ্যা ক্যারিবিয়ানের প্রথম তিনটির সবগুলোই একসাথে পেয়ে গিয়েছিলাম। তবে দুর্ভাগ্যবশত ট্রিলজি শেষ করার পরের কয়দিন আমি বড় চিংড়ি মাছ মুখে নিতে পারিনি। ডেভ জোন্সকে দেখার পর আর চিংড়ি খাওয়ার অবস্থা থাকে? বলেন?

তিনি বর্তমান সময়ের ভার্সেটাইল অভিনেতাদের একজন। অদ্ভুত সব চরিত্রে অদ্ভুত সুন্দর অভিনয় করে জায়গা করে নিয়েছেন দর্শকদের মনে। তার অফিশিয়াল সোশ্যাল পেজ না থাকা সত্ত্বেও ভক্তদের বানানো সোশ্যাল পেজগুলোতে ফলোয়ারদের সংখ্যা দেখলেই বোঝা যায় তিনি কতটুকো জনপ্রিয়।

তার জন্ম ১৯৬৩ সালের ৯ জুন, উত্তর আমেরিকার কেনটাকি প্রদেশে। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। বাবা, জন ক্রিস্টফার ডেপ একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং মা স্যু পাল্মার ছিলেন একজন ওয়েট্রেস।

 

তার স্ক্রিপ্ট সিলেকশন নিয়ে প্রায়ই  দর্শকদের অভিযোগ শোনা যায়। তবে স্ক্রিপ্ট সিলেকশন যাই হোক না কেন, জনির অভিনয় প্রতিভা নিয়ে কারো কোনো সংশয় নেই। অভিনীত প্রত্যকটি চলচ্চিত্রে তার অভিনয় প্রশংসনীয়।  তিনি ‎পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ানে ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রটি এত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যে তার পরিবর্তে সেখানে কাউকে কল্পনা করাই অসম্ভব। এই চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমেই তার পরচিতি আর ভক্তদের সংখ্যা কয়েক গুন বেড়ে যায়।

জনপ্রিয়তার তুলনায় তার পুরষ্কারের ঝুলি খুব হালকাই বলা যায়। তার বেশ কিছু চরিত্র সমালোচকদের কাছে ব্যপকভাবে প্রশংসিত হওয়া সত্তেও তিনি কখনও অস্কার জিততে পারননি।সুইনি টড: দ্য ডিমন বার্বার অফ ফ্লিট স্ট্রিটে মুল চরিত্রে অভিনয় করে জিতেছেন গোল্ডেন গ্লোবস এবং স্ক্রিন অ্যাক্টর্স গিল্ড পুরস্কার জিতেছেন পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান: দ্য কার্স অফ দ্য ব্ল্যাক পার্ল চলচ্চিত্রের ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো চরিত্রের জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের পিপল ম্যাগাজিন তাকে ২০০৩ এবং ২০০৯ সালে সেক্সিয়েস্ট ম্যান এলাইভ নির্বাচিত করে। তার অভিনীত বেশ কয়েকটি চরিত্রেই তাকে দেখা যায় কিম্ভুতকিমাকার রুপে।

 

তার উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হচ্ছেঃ ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো (দ্য পাইরেটস অফ দ্যা ক্যারিবিয়ান ), টন্তো (দ্য লোন রেঞ্জার ), দ্য ম্যাড হ্যাটার (এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড), উইলি ওয়ঙ্কা (চার্লি অ্যান্ড দ্যা চকোলেট ফ্যাক্টরি), এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ড (এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ড), স্যোয়েনি টড (স্যোয়েনি টডঃ দ্যা ডিমন বার্বার অফ ফ্লিট স্ট্রিট) এবং বার্নাবাস কলিন্স (ডার্ক শ্যাডো) প্রমুখ।

1-horz-vert

এবং উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো হলঃ দ্য পাইরেটস অফ দ্যা ক্যারিবিয়ান সিরিজ, এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ডস , ফাইন্ডিং নেভারল্যান্ড, পাবলিক এনেমিস,  ব্ল্যাক ম্যাস, ট্রানসেন্ডেন্স,সুইনি টডঃ দ্যা ডিমন বার্বার অফ ফ্লিট স্ট্রিট, স্লিপি হলো, ব্লো, দ্যা নাইন্থ গেইট, ডার্ক শ্যাডো দ্য লোন রেঞ্জার, এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড, চার্লি অ্যান্ড দ্যা চকোলেট ফ্যাক্টরি,  র‍্যাংগো, দ্য টুরিস্ট,  দ্য রাম ডায়েরি , সিক্রেট উয়িন্ডো, ডনি ব্রাস্কো  এবং হোয়াটস ইটিং গিলবার্টস গ্রেইপ্স।

 

(খুব সম্ভব) যেসব তথ্য আপনি এই অভিনেতার ব্যাপারে জানেন না:

  • ফ্লোরিডার মিরামারে বেড়ে উঠলেও তার বাল্যকাল কেটেছে ২০টি ভিন্ন শহরে। রকস্টার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠা জনির গানবাজনার প্রতি আগ্রহ দেখে বারো বছর বয়সেই তার মা তাকে একটি গিটার কিনে দেন।
  • তার শৈশব খুব একটা সুখময় ছিলনা। খুব অল্পবয়স থেকেই নানা রকম পারিবারিক সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় মাত্র বারো বছর বয়সেই তিনি সিগারেট এবং বিভিন্ন ড্রাগ ব্যবহার শুরু করেন।সারাদিন নিজেদের গ্যারেজ তালাবদ্ধ করে সেখানে পড়ে থাকতেন এবং গিটার প্র্যাকটিস করতেন। এক সময় নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে কাটাকাটি শুরু করেন যার কিছু চিহ্ন আজও রয়ে গেছে। ১৯৯৩ সালের এক ইন্টার্ভিউতে তিনি বলেন “একটি দৃষ্টিকোণ থেকে আমার শরীর হচ্ছে একটা জার্নাল; অনেকটা নাবিকরা যেমন করত, প্রতিটা উল্কির একটা আলাদা মানে থাকত, জীবনের কিছু কিছু সময়ে ছাপ পরে যায় নিজের উপরে, নিজের কারণে, সেটা ছুরি দিয়ে নিজে নিজে হোক কিংবা পেশাদার ট্যাটু আর্টিস্ট দিয়ে”।   তার পনের বছর বয়সের সময় তার মা বাবার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।
  • ষোল বছর বয়সে স্কুল পালিয়ে তিনি ‘দ্যা কিডস’ ব্যান্ডে যোগ দেন। যদিও দুই সপ্তাহ পর আবার তিনি স্কুলে ফিরে গিয়েছিলেন। তবে স্কুলের প্রিন্সিপাল তাকে পুনরায় ভর্তি করেননি, বরং তাকে তার স্বপ্ন পূরণের জন্য উৎসাহিত করেন।
  • ১৯৮৩ সালে বিশ বছর বয়সে তিনি তার ব্যান্ডের বেস প্ল্যেয়ারের পঁচিশ বছর বয়সি বোন লরি এলিসনকে বিয়ে করেন। লরি ছিলেন একজন মেকআপ আর্টিস্ট। আঞ্চলিক সাফল্যের পর ওই বছরই রেকর্ড কন্টাক্টের লক্ষ্যে জনি তিনি ‘দ্য কিডস’ এর মেম্বারদের নিয়ে লস আঞ্জেলেসের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান।
  • দ্য কিডস একবার কিংবদন্তী পাঙ্ক রকার ইগি পপের কনসার্ট ওপেনার হিসেবে পারফর্ম করলেও সফলতার জন্যে তাদের অনেক কষ্ট করতে হয়। রাতে স্টেজ মাতিয়ে বেড়ালেও, জিবিকা টানে দিনেরবেলা তাকে বিভিন্ন ছোটখাট কাজ করতে হত। ব্যান্ড মেম্বারদের সাথে তিনি বেশ কিছুদিন কলম বিক্রি করে বেড়ান।
  • জনিকে অভিনয়ে নিয়ে আসার জন্যে ধন্যবাদ দিতে হবে নিকলাস কেইজকে। লস আঞ্জেলেসে আসার পরের বছর লরি (জনির স্ত্রী) তার প্রাক্তন প্রেমিক নিকলাসের সাথে জনিকে পরিচয় করিয়ে দেন। প্রতিভাবান অভিনয় ক্ষমতা দেখে নিকলাস জনিকে অভিনয় শুরু করার পরামর্শ দেন। এবং তাকে হলিউডের এক এজেন্টের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
  • নিকলাসের উপকারের কথা জনি কখনও ভুলেননি। ২০০৭ সালে একবার নিকলাস আর্থিক সমস্যায় পড়েন, তখন পুরনো কথা মনে করে কৃতজ্ঞতার স্বরূপ জনি নিকলাসকে তার ঋণ পরিশোধ করতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
  • ১৯৮৫ সালে তার ব্যান্ডটি ভেঙ্গে যাওয়ার পর লরির সাথেও তার ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। এর কিছুদিন পর জেনিফার গ্রে’র সাথে তার বাগদান হয়। তবে সেটা বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। মাঝে অবশ্য শেরলিন ফেন (১৯৮৫–১৯৮৮), উইননা রাইডার (১৯৮৯-১৯৯৩), তাজানা প্যাটিটজ (১৯৯৩), কেইট মসের (১৯৯৩-১৯৯৮) এবং অভিনেত্রী/গায়িকা ভ্যানিসা প্যারডিসের (১৯৯৮-২০১২) সাথে তার  সম্পর্ক ছিল। জনি এবং ভানিসার সম্পর্কটি দীর্ঘদিন স্থায়ি ছিল। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে, লিলি রোজ ডেপ এবং তৃতীয় জ্যাক জন ক্রিস্টফার ডেপ। ভ্যানিসার সাথে ব্যবচ্ছেদের পর ২০১৫ সালে জনি এম্বার হার্ডকে বিয়ে করেন। এম্বার হার্ডের সাথে তার পরিচয় হয় ‘দ্য রাম ডায়েরি’র সেটে।
  • ১৯৮৩ সালে “এ নাইটম্যেয়ার অফ এল্ম স্ট্রিটে” তিনি চলচ্চিত্র জীবনের প্রথম মৌলিক কোন চরিত্রে অভিনয় করেন। তবে তার পরিচিতি বৃদ্ধি পায় সালে ২১ জাম্প স্ট্রিট দিয়ে। ১৯৮৭ সালে ২১ জাম্প স্ট্রিটে টমি হ্যানসন চরিত্রে জেফ ইয়াগের পরিবর্তে জনি ডেপকে নেয়া হয়। এরপর  তিনি বেশ কিছু টিন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এবং পরে ১৯৯০ সালে এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ডস চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রসংশিত হন। এই চরিত্রে অভিনয় করার পর জনি ঠিক করেন তিনি কখনও একি ধরনের চরিত্রে দ্বিতীয়বার অভিনয় করবেন না।
  • এডওয়ার্ড সিজরহ্যান্ড চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক টিম বার্টনের সাথে জনির সখ্যতা তৈরি হয়  পরবর্তিতে বেশ কিছু চলচ্চিত্রে তাদেরকে একসাথে কাজ করতে দেখা যায়। এখন পর্যন্ত তাদেরকে ৮টি চলচ্চিত্রে একসাথে কাজ করতে দেখে গেছে।
  • মজার ব্যপার হচ্ছে, তিনি সবচেয়ে বেশি ভয় পান নাচকে। জীবনে কখনও তিনি কোন অনুষ্ঠান নাচেন নি। শুধু মাত্র একটি চলচ্চিত্রে তাকে কোরিওগ্রাফ অনুযায়ী নাচতে দেখা যায়।
  • ২০০৭ সালে তার মেয়ে একবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে, যার জন্যে তার মেয়েকে বেশ কিছুদিনের জন্যে হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল। মেয়ে সুস্থ হবার পর কৃতজ্ঞতা দেখাতে তিনি জ্যাক স্প্যারো চরিত্রের কস্টিউম পড়ে একদিন সেই হাসপাতালে ঢুকে পড়েন। ভেবেছিলেন বাচ্চাদের সারপ্রাইজ দিয়ে বের হয়ে যাবেন। সেটা আর হয়নি, তিনি সেখানে দুই থেকে তিন ঘন্টা অবস্থান করেন। সেটা ছিল তার জীবনের এক মজার অভিজ্ঞতা।
  • ১৯৯৩তে হোয়াট’স ঈটিং গিলবার্ট গ্রেইপ এর শুটিঙের সময় তিনি সহশিল্পী লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওকে একটা পচা পিকল্‌ড এগ এর গন্ধ নেবার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন। ডিক্যাপ্রিও সেটা করার পর তাঁকে তিনি ৫০০ ডলার দিয়েছিলেন।
  • একি সালে এরিজোনা ড্রিমে শুটিঙের সময় অভিনেত্রী ফায়ে ডানয়ে বলেন তার ট্রাম্পোলিনে লাফানোর খুব ইচ্ছা ছিল। এই কথা শুনে শুটিং এর এক ব্রেকে জনি তার বন্ধুকে নিয়ে আশি মাইল গাড়ি চালিয়ে স্পোর্টসের দোকান থেকে একটি ট্রাম্পোলিন কিনে নিয়ে আসেন।
  • তিনি সেই সময় যৌথ মালিকানায় লস এঞ্জেলেসে দ্যা ভাইপার রুম নামে একটি নাইটক্লাব খুলেন। মালিকানাধীন থাকা অবস্থায় তিনি প্রায়ই ক্লাবের বাইরে গৃহহীন মানুষদের ৫০-১০০ ডলার করে দিতেন।
  • ২০০৮ সালে হিথ লেজারের মৃত্যুর পর, দ্য ইমাজিনারিয়াম অফ ডক্টর পারন্যাসাসে  যে তিনজন অভিনেতা আয়নার ওপাশের টনি চরিত্রে অভিনয় করেন, জনি তাদের মধ্যে একজন। জনি তার এই চলচ্চিত্রের পারিশ্রমিক হিথের মেয়ে মাতিলদাকে দিয়ে দেন।
  • তার শরীরে মোট ১৩টি উল্কি রয়েছে। এর মধ্যে একটি তার বুকের বাম পাশে  তার মেয়ে লিলির নাম। বাম  বাহুতে তার মায়ের নাম। এবং তার ডান হাতে একটু চড়ুই “জ্যাক” (ছেলের নাম) শব্দটি নিয়ে উড়ে যাওয়ার উল্কি রয়েছে।
  • অদ্ভুত ব্যপার হচ্ছে তিনি বিশ্বাস করেন তার আদিপুরুষরা নেটিভ আমেরিকান ছিল। তিনি বলেন “আমার মধ্যে কোথাও কিছুটা নেটিভ আমেরিকান ব্যাপার আছে। আমার গ্রেট গ্র্যান্ডমাদার বেশ খানিকটা নেটিভ আমেরিকান ছিলেন, তিনি বেড়ে উঠেছিলেন চেরোকী নয়ত ক্রীক ইন্ডিয়ান হিসেবে। এতে অবাক হবার কিছু নেই, কারণ তিনি কেন্টাকির মানুষ। ওখানে চেরোকী আর ক্রীক প্রচুর আছে।”
  • তিনি হলিউডের সবচেয়ে দামি অভিনেতাদের একজন। দ্য পাইরেটস অফ দ্যা ক্যারিবিয়ান সিরিজ  এত বেশি সফল হয়েছিল যে ২০১১ সালে আরেকটি সিকুয়েল করার জন্যে প্রডিউসার জনিকে ৫০ মিলিয়ন ডলার অফার করেন। তার অভিনীত চলচ্চিত্রেগুলো যুক্তারাজ্যে আয় করেছে ৩.১ বিলিয়ন ডলার এবং সারাবিশ্বে প্রায় ৭.৬ বিলিয়ন ডলার।তার নেট আয় ৩৫০ মিলিয়ন ডলার। ২০১২ সালে হাইয়েস্ট পেইড এক্টর হিসেবে গিনেস বুকে তার নাম উঠে যায়।
  • জনি তার মেয়েকে প্রচন্ড ভালবাসেন। তার মেয়েকে নিয়ে তার একটি উক্তি রয়েছে “Anything I’ve done up till 27 May, 1999 was kind of an illusion, existing without living. My daughter, the birth of my daughter, gave me life.”
  • খুব সম্ভব শিগ্রি তিনি অভিনয় থেকে অবসর  নিবেন। ২০১২ সালে বিবিসি এর এক ইন্টার্ভিউতে তিনি বলেন “বলছি না আমি যেকোনও মুহূর্তে ছেড়ে দেবো। কিন্তু সেটার মনে হয় খুব দেরীও নেই। যখন চিন্তা করি প্রতিবছর নিজের থেকে অন্যের লেখা কথাই বেশি উচ্চারণ করেছি তখন সেটা আর সাভাবিক মনে হয়না।”

আশা করবো তার অবসর যাতে নিকটভবিষ্যতে না আসে। আরও অনেক বছর  তিনি আমাদের আরও অসাধারণ কিছু চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে যাবেন।

তার কতিপয় উক্তি

The only creatures that are evolved enough to convey pure love are dogs and infants.


I don’t pretend to be captain weird. I just do what I do.


With any part you play, there is a certain amount of yourself in it. There has to be, otherwise it’s just not acting. It’s lying.


I pretty much try to stay in a constant state of confusion just because of the expression it leaves on my face.


Life’s pretty good, and why wouldn’t it be? I’m a pirate, after all.


I am doing things that are true to me. The only thing I have a problem with is being labeled.


There’s a drive in me that won’t allow me to do certain things that are easy.


The only gossip I’m interested in is things from the Weekly World News – ‘Woman’s bra bursts, 11 injured’. That kind of thing.


Am I a romantic? I’ve seen ‘Wuthering Heights’ ten times. I’m a romantic.


Anything I’ve done up till 27 May, 1999 was kind of an illusion, existing without living. My daughter, the birth of my daughter, gave me life.


এই পোস্টটিতে ২ টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন