Man of Steel – Movie Review

MAN OF STEEL

প্ল্যানেট ক্রিপ্টন ধ্বংসের মুখোমুখি। আমলাতন্ত্রে আটকে যাওয়া জর-এল কিছুতেই কাউন্সিলকে রাজি করাতে পারলোনা এই গ্রহ ছেড়ে সরে যেতে, নিজেদের প্রজাতিকে রক্ষা করতে। আজকের এই দুর্যোগের প্রকৃত কারণ, প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় এবং অতিরিক্ত জনসংখ্যা। জনসংখ্যার চাপে স্বাভাবিক প্রজননের মাধ্যমে সন্তানধারণ করা আইনত নিষিদ্ধ। প্রজাতিকে রক্ষা করার জন্য কৃত্রিমভাবে জনসংখ্যার সরবরাহ বজায় রাখা হয়। তবু এর মাঝে জর-এল’এর ঘরে এলো কাল-এল, স্বাভাবিক উপায়ে……… সেই সন্তানকে ক্রিপ্টনের নিয়তির হাত থেকে রক্ষা করতে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দিলো সে। নিজে অপেক্ষা করতে লাগলো জেনারেল জড-এর জন্য !!

manofsteel-finalposter-blog630a-jpg_155919

প্রায় একই গল্প, তবে আগের চেয়ে রিয়েলিস্টিক একটা এপ্রোচ নিয়ে বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে Man of Steel, আজকাল রিয়েলিস্টিকের চল রে ভাই। Reboot হিসেবে স্টোরি-তে বেশি কিছু এড করার ছিলোনা, তাই যতটুকু আছে, মোটের ওপর ঠিকই আছে। তবে Screenplay আমার পছন্দ হয়নাই, সোজাসাপ্টা কথা……… আমার প্রশ্ন, কেন এটার স্ক্রীনপ্লে জোনাথন নোলান করে নাই। কি জিনিসকে কি বানায়ে দিতে পারতো সে, কেন নিজের ভাইকে এই প্রেজেক্টে নিলোনা ক্রিস্টোফার নোলান? কেন ? কেন ? কেন ? সে থাকলে character development-এ এতো ঘাটতি থাকতো না।

হেনরী ক্যাভিলকে সুপারম্যান হিসেবে বেশ ভালো লেগেছে, ব্র্যান্ডন রুথ সবচেয়ে সুদর্শন সুপারম্যান হলেও আরেকটু manly কাউকে দরকার ছিলো, so I liked him. যদিও আমাকে পিক করতে দিলে আমি একটু weird একটা সিদ্ধান্ত নিতাম। Warm bodies এর নায়ককে নিতাম, অবশ্যই তাকে ওজন বাড়াতে হতো, হি হি হি…… Amy Adams was a cute Lois Lane.

1368649062_man_of_steel_fan_poster_2_by_crqsf-d625uuh

Special effect মোটামুটি রিয়েলিস্টিক, উড়াল দেয়ার সিনগুলো বেশ ভালো ছিলো। তবে আমার এবং আমার বন্ধুর মনে হয়েছে, It’s more like a disaster movie, than a superhero movie. যারিদিকে এতো ধ্বংস দেখাইসে, কোনোটা ঠিকমতো “দিল কো ছুঁ নেহি সাকা”

Hans Zimmer এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সিনেমার অন্যতম প্লাস। মাঝে মাঝে অবশ্য মনে হয়েছে, এটাকে overuse করার চেষ্টা করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় ধরাটা আমি খাইসি আসলে সিনেমাটোগ্রাফী-তে। বাকি সব কিছু মোটামুটি মেনে নিতে পারলেও এই একটা জিনিসে একেবারে কইষ্যা মাইনাস। ট্রান্সফর্মার এর প্রথম মুভিটার সিনেমাটোগ্রাফী ছিলো ভয়াবহ (Mitchell Amundsen), দ্বিতীয়টাতে ভজঘট লাগাইসিলো Amir Mokri. এটাতেও সাড়ে সর্বনাশ করেছে সে। কিছু কিছু শট অবশ্য খুবই ভালো ছিলো। ট্রেলার দেখে মাথা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আসল কারণ হচ্ছে, ঐ দৃশ্যগুলোর সিনেমাটোগ্রাফী খুব ভালো ছিলো, but overall, it sucks. আরে ভাই, এতো এতো ক্লোজ শট নেয়ার মানে কি? এটা সুপারহিরো মুভি, I want to see the full picture, not so many close shots. অনেকগুলো সিন আছে, যেখানে কিছুটা distance রেখে শটগুলো নিলে দর্শকের ঘাড়ের (এবং বাকী সব জায়গারও) চুল দাঁড়িয়ে যেতে পারতো…… হইলো quite opposite, it got on my nerves !!

mos-banner

মোটের ওপর, কোন suspense (কি হবে, কি হবে, টাইপ উত্তেজনা) তৈরি করতে পারেনি Man of Steel. সুপারম্যান হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার আগে মানবসমাজে সুপারম্যান নিয়ে গুজব ওঠা আর তার পরিপূর্ণ আবির্ভাবের মাঝে আরো কিছু সময় কাটিয়ে সাসপেন্সটা গড়ে তোলার প্রয়োজন ছিলো। আমার কথা হচ্ছে, যদি তুমি আমাকে পুরনো গল্প বলতে আসো, tell me in a new way so that it can bring something new in the plate. আমি জাস্ট আশা করছি যে এই সিনেমার মধ্য দিয়ে জাস্ট একটা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হলো যাতে পরেরটা আরো অনেক অনেক ভালো করা যায়।

আইম্যাক্স অভিজ্ঞতাঃ
ইয়া বিশাল একটা স্ক্রীন, সিনেমা চলাকালীন সময়ে প্রায় একশ ডিগ্রীর মত ঘাড় ঘোরানো লাগে হলের মাঝখানে বসলে। দিল খুশ হয়ে গিয়েছিলো…… আমি থ্রি-ডিতে দেখিনি, থ্রি-ডিতেও আমার সমালোচনাতে তেমন একটা পার্থক্য হতো বলে মনে হয়না।

(Visited 90 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. aazobchala says:

    sotti kore bolsi movie ta amar khub valo lagse …its include on my favourite movie list

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন