Hell or High Water: Finish What You Started
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

টেক্সাস। দ্য লোনে স্টার স্টেট। অ্যাঙ্গার, টেম্পরেচার আর কাউবয়দের রাজ্য যেখানে। কিন্তু এই যুগে আর তেমন অ্যাঙ্গরি ইয়ং ম্যান স্টাইলের ঘোড়ায় চড়া কাউবয় তেমন আর না ঘুরলেও, তাদের কাউবয় ন্যাচার রয়েই গেছে।

 

ওয়েস্ট টেক্সাসের এমনই  দুই কাউবয় হঠাতই এক শান্ত সকালে আক্রমণ করে ব্যাংকে। খুবই কম টাকা নিয়েই তারা চলে যায়। আর এর কিছুক্ষণ পরই আবারো একই ব্যাংকের অন্য ব্রাঞ্চে ডাকাতি করে, আবারো কম টাকা নিয়ে চলে যায়। এই দুই ডাকাতকে গ্রেফতারের জন্যে দায়িত্বে আসেন রিটায়ার্ডমেন্টের কাছে চলে আসা টেক্সাস রেঞ্জার এর চিফ।

 

অদ্ভুত দুই ডাকাতের  জীবন আস্তে আস্তে প্রকাশিত হতে থাকে দর্শকদের কাছে। মর্ডান যুগের ওয়েস্টার্ন স্টাইলের মুভি বলতেই মাথায় আসে দুই ভাইয়ের নাম। কিন্তু দুই ডাকাত ভাতৃদ্বয়ের এই মুভি পরিচালক ভাতৃদ্বয় ইথান ও জোয়েল কোয়েনের নয়। যদিও তাদের বেশ ভালো রকমের সিগন্যাচার স্টাইল বহন করা এই ক্রাইম থ্রিলার মুভি পরিচালনা করেছেন ডেভিড ম্যাকেনজি। এর আগেও তার মুভিগুলো বেশ ভালো সুনাম কুড়িয়েছে। তবে এবারই আগে থেকে হাইপ তুলে দিয়ে আশাতীতভাবে এই মুভিটি জুটিয়েছে অস্কারের সেরা চলচ্চিত্রের নমিনেশন।

 

মুভির সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটা ভালো লেগছে, চরিত্রের রিভিলেশন। খুবই যত্নের সাথে দুই ভাই ট্যানার ও টবি হাওয়ার্ড চরিত্র দুইটি আস্তে আস্তে দর্শকদের কাছে প্রকাশিত হয়েছে। এতে যেমন একটা আগ্রহ বেড়ে চলেছে, প্রগ্রেসিভ উপস্থানের সাথে সাথে তেমনি, ভালো লেগেছে দুই ভাইয়ের চরিত্রে বেন ফস্টার আর ক্রিস পাইনের অভিনয়।

 

MV5BMjM1MTkxNjg1NF5BMl5BanBnXkFtZTgwMzUzNjc3OTE@._V1_SY1000_SX1500_AL_

 

বেন ফস্টার তার কাজগুলোতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে তার চরিত্রের আউটকাম দিতে। তবে এবার ট্যানার চরিত্রে তার অভিনয় ছিল ভয়াবহ লেভেলের ভালো। এগ্রেসিভ বড় ভাই এর চরিত্রে তার মাঝে ছিল ছোটো ভাইয়ের প্রতি মমতা আর নিজের খামখেয়ালি জীবনে একটা উদ্দেশ্য খুঁজে পাওয়া। তার অভিনয় পুরোটা সময়ই আলাদা নজর কেড়েছে।

 

তবে, তার চেয়েও বেশি অবাক হয়েছি আমি ক্রিস পাইনকে দেখে। সবসময়ই ক্যারিশম্যাটিক চরিত্র করা ক্রিস পাইনের এবারের চরিত্র তার অন্য চরিত্র থেকে অনেক দূরের। তার সাধারণ চরিত্রগুলো থেকে বেশ বাইরে এসে তার অভিনয় ছিল ‘Too good’। ক্রাইম থ্রিলার মুভিতে ক্রিস পাইন কেমন করবে, এমন সন্দেহটা পুরোটাই সে উড়িয়ে দিয়েছে তার পার্ফর্ম্যান্সে। এবং এই সন্দেহ দূর হওয়াটাতে ভালোও লেগছে তার চমৎকার অভিনয় দেখে।

 

তিন প্রধান চরিত্রের আরেকজন টেক্সাস রেঞ্জার চিফ মার্কাস হ্যামিল্টন চরিত্রে অভিনয় করেছেন লিজেন্ড জেফ ব্রিজেস। ডেপুটিকে সবসময় বকাঝকা করা কিন্তু সহকর্মীর প্রতি আলাদা ভালোবাসা থাকা এই চরিত্রতে তার অভিনয় ছিল স্মুথ কিন্তু ডাইন্যামিক। এই বয়সেও তার এই চরিত্র খুবই ভালো লাগার ছিল। আর শেষে এসে তার কনভার্সেশন ছিল খাবারের শেষের ডেজার্টের মতো। আশাতীতভাবে অস্কারসহ প্রায় সকল বড় অ্যাওয়ার্ডে তিনি পেয়েছেন সেরা পার্শ্বচরিত্রের নমিনেশন।

 

HR6A2779.CR2

HR6A2779.CR2

 

মুভির সবচেয়ে ভালো দিক আগেই বলেছি, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট। চরিত্র এবং কাহিনী চমৎকারভাবে প্রগেসিভ ছিল। ক্রাইম থ্রিলার হিসাবে পর্যাপ্ত অ্যাড্রেনালিন রাশ আর ক্রাইমের আইডিয়া ছিল চমৎকার। ক্যাসিনোর যে নিয়মটা দেখানো হয়, ব্যাপারটা জানা থাকলেও, এবার দেখে আবারও মজা লেগেছে। এছাড়া বেশ লং প্রসেসের প্ল্যানের ঠিক মাঝ থেকে মুভি শুরু করে, আগের কাহিনীও রিভিল করা, পরে কী হবে, সেটা বলার সাথে সাথে; এই ব্যাপারটা আলাদা দাম বাড়িয়েছে মুভির। সেরা অরিজিনাল চিত্রনাট্য হিসেবে অস্কারে তাই এই মুভি পেয়েছে নমিনেশন।

 

মুভির সিনেমাটগ্রাফি প্রশংসার দাবীদার। ভিজ্যুয়াল দিক থেকে আলাদা একটা ফিল দাঁড় করিয়েছে এই কাহিনীর। এছাড়াও কালার গ্রেডিং ছিল চমৎকার। গরমের দিনটা ভিজ্যুয়ালি চমৎকার প্রেজেন্ট করা গেছে।
ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও ছিল দারুণ। ছিল কয়েকটি ওয়েস্টার্ন স্টাইলের গান, যেগুলো আলাদা একটা অবস্থা ক্রিয়েট করেছে সিক্যুয়েন্সগুলোর। এই ব্যাপারগুলো দারুনভাবে সাজানোর জন্যে অস্কারে নমিনেশন পেয়েছে এডিটিং ক্যাটাগরিতে।

 

তবে একটা ব্যাপার একটু চোখে পড়ে, একটা সিনে এফ ব্রিজেস গাড়ি চালায়, ইউ টার্নের পরের সিনেই দেখায় তার ডেপুটি গাড়ি চালায়। এই ব্যাপারটা অড। ব্যাখ্যা যেটা হতে পারে, সিট বদলের সিন দেখায় নি, ব্যাপারটা আসলে সাজে না। কারণ সিনটা এমন, ডাকাতির নিউজ পেয়েই ইউটার্ন নিয়েছে। ইউ টার্নের সিনটাও দেখানো হয়েছে একটা রাশ সিন ক্রিয়েটের জন্যে। কিন্তু তাহলে একটা মিসিং সিনের ব্যাখ্যা থাকার মতো নেক্সট সিন থাকাটা বেশ অডই এই সিক্যুয়েন্সে, যেখানে দুই রেঞ্জারের এই রাশটা আলাদাভাবে ভিজ্যুয়ালি প্রেজেন্ট করতে চাওয়া হয়েছে।

 

 

 

দুর্দান্ত একটা ক্রাইম থ্রিলার কাহিনী, গাড়িতে চড়া কাউবয় আর রেঞ্জারের চোর-ডাকাত খেলার মাধ্যমে এই যুগের একটা ক্ল্যাসিক মডার্ন ওয়েস্টার্ন ফিল্ম তৈরি করেছেন পরিচালক ম্যাকেনজি। ক্রাইম থ্রিলার লাভারদের জন্যে একটা ফিস্ট এই মুভি। আর তা না হলেও, টপ ক্লাস মুভি হিসেবে রিকমেন্ডেড মুভি সবার জন্যে এই মডার্ন ওয়েস্টার্ন।

 

Hell or High Water
Year: 2016

Written by: Taylor Sheridan
Directed by: David Mackenzie

Cast: Jeff Bridges, Chris Pine, Ben Foster, Gil Birmingham

Genre: Crime, Thriller, Western

 

IMDb Rating: 7.7/10
My Rating: 9.5/10
Rotten Tomatoes: 92% Fresh
Box office     $31.9 million/$12 million

 

Accolades:
1. 89 Academy Awards: Nomination for Best Picture, Supporting Actor (Jeff Bridges, Original Screenplay, Film Editing (Jake Roberts)
2. 74th Golden Globes: Nominated for Best Motion Picture (Drama), Supporting Actor (Motion Picture) (Jeff Bridges), Screenplay
3. 70th BAFTA Awards (Pending): Nomination for Best Actor in a Supporting Role (Jeff Bridges), Original Screenplay, Cinematography

Hell or High Water (2016)
Hell or High Water poster Rating: 7.8/10 (42,857 votes)
Director: David Mackenzie
Writer: Taylor Sheridan (screenplay)
Stars: Dale Dickey, Ben Foster, Chris Pine, William Sterchi
Runtime: 102 min
Rated: R
Genre: Crime, Drama, Western
Released: 26 Aug 2016
Plot: A divorced father and his ex-con older brother resort to a desperate scheme in order to save their family's ranch in West Texas.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন