Gamer (2009) দেড় ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস
gamerNoFlash
সময়ের সাথে সাথে আমরাও প্রযুক্তি এর দিক দিয়ে অনেক এগিয়ে যাচ্ছি। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট আমাদের আরো অনেক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। দূরবর্তী ভবিষ্যতে প্রযুক্তি আমাদের জীবণ যাত্রাই পাল্টে দিবে। তখন কম্পিউটার আমাদের জন্য অনেক কিছু সহজ করে দিলেও কঠিন করে দিবে অনেক কিছুই। আমরা সবাই কম বেশী গেম খেলতে পছন্দ করি। নানা রকমের গেম নানা ভাবে উপস্থিতি করা হয় আপনার সামনে। সব গুলোই কম্পিউটারে খেলে মজা পাওয়া যায় কিন্তু দূরবর্তী ভবিষ্যতে প্রযুক্তি আপনার সামনে দিয়ে আসবে মাল্টি প্লেয়ার অনলাইন গেমিং পরিবেশ। যেখানে আপনি একজন জ্যান্ত মানুষের মন নিয়ন্ত্রণ করে প্রযুক্তি মাধ্যমে ভিডিও গেম খেলতে পারবেন। বাস্তবতা এবং ভিডিও গেমের মধ্যে কোন পার্থক্যই থাকবে না।
 .
 .
 .
আমরা নিজেরা একটা সমাজে থাকি আর একটা সমাজ আমরা দেখি সেটা হল Society। Society গেমটা আপনাকে কোন রোবটকে নিয়ন্ত্র করতে দিবে না এ গেম আপনাকে একটা জীবিত মানুষকে নিয়ে খেলার সুযোগ করে দিবে। আপনি তাকে চালাতে পারবেন, খাওয়াতে পারবেন, কথা বলাতে পারবেন যেটাই আপনার মনে চায় গেমের মধ্যে একটা মানুষকে দিয়ে করাতে পারবেন। এ প্রযুক্তি তৈরী করেছেন Ken Castle আর এ Society গেম অনেক টাকা খরচ করে আর অনেক ইংকাম করেও সারা পৃথিবীতে অনেক নাম করছে। গেম দুনিয়ায় Ken Castle বিল গেট্যস কেও পিছনে ফেলে দিয়েছে। মাএ ৯ মাস আগেই Ken Castle এর কোম্পানি মার্কেটে একটি নতুন গেম ছাড়ে যার নাম “Slayers” । গেমটা নিয়ে অনেক বির্তক হলেও গেমটা অনেক নাম করছে… যেখানে Society গেম আমাদের জীবনের মজা উপভোগ করতে শিখায় সেখানে “Slayers” এ আমাদের মরণকে কাছে টেনে নিতে হয়। “Slayers” হল জান দেওয়া আর নেওয়ার গেম, যেখানে খেলোয়ারের মাইন্ড যে গেমটি খেলবে সম্পূর্ণ তার হাতে হবে। মনে রাখবেন জান দেওয়া আর নেওয়া মানুষ গুলো কোন রোবট না সেগুলো রক্ত মাংসওলা সত্যিকারের মানুষ। যারা বাস্তবে  মৃত্যুদন্ড দণ্ডিত,  তবে “Slayers” তাদেরকে বাচারবার একটা নতুন সুযোগ দেয়। কেউ যদি ৩০টা মিশর পার করতে পারে তাকে মুক্ত করে দেওয়া হয় কিন্তু সে ৩০টা মিশন পার করার ক্ষমতা নির্বর করে যে গেমটি খেলবে সম্পূর্ণ তার হাতে। এ গেমের একটা খেলোয়ারের নাম হল Kable। সে অনেক কষ্ট করে ২৭টা মিশন পার করেছে মুক্ত হতে আর মাত্র ৩টা মিশর। এখান থেকে মুক্ত হতে পারলেই Kable একটা পুরানো পতিশোধ নিবে তবে এর আগে মিশন শেষ করতে হবে কিন্তু মিশন শেষ হবার আগেই ঘটে এক বিরাট অঘটন।
.
.
.

Kable এর জীবনটাই পুরো উল্টা পাল্টা করে দেয়। এমন কি হয়েছিল যে Kable এর জীবনটা উল্টা পাল্টা হয়ে গেল? কেবলকে কে নিয়ন্ত্রন করছিল? কার জন্য কেবল ২৭টা মিশন পার করেছে যা এর আগে কেউই করতে পারে নাই? কিভাবেই বা মাল্টি প্লেয়ার অনলাইন গেমিং খেলে আর কিভাবেই বা একজন মানুষ অন্য আরেকটা মানুষকে নিয়ন্ত্রন করে? এ সব গোপন প্রশ্নের উওর একটাই সেটা হল  Gamer (2009)

.

.

.

gamer-flash-website-facebook-connectivity1

 

 

 

১ ঘন্টা ৩৫ মিনিটের মুভি বোর হবার কোন চান্সই নাই.. যারা একশন আর গোলাগুলি পছন্দ করেন তাদরে কাছে মুভিটা ভাল লাগবে আর যারা গেম পাগল তাদের কাছে ত আরো বেশী ভাল লাগবে মুভিটা.. Gamer (2009) এমন ভাবে পরিচালনা করা হয়েছে যে আপনি একটি জীবন্ত মানুষের যুদ্ধের গেম খেলা দেখছেন মনে হবে। মুভিটার প্লটটা ভাল তবে অভিনয়, মিউজিক,মেকআপ, লোকেশন গুলো নির্বাচনের জন্য মুভিটাকে আরো সুন্দর করে তুলেছে…

(Visited 128 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন