Inner Senses মুভির ঘটনা গুলো কি শুধুই কাকতালীয় নাকি কোন কিছুর আভাস?
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

Inner Senses ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত হংকং সাইকলোজিকাল হরর ফিল্ম পরিচালনা করেছেন লাও চি-লিউং। এই ফিল্মটি অন্যন্য এভারেজ সাইকলোজিকাল মুভির মতই হওয়ার কথা ছিল। অবশ্য এভারেজ না,লেজলি চিউং এর বরাবরের মত দক্ষ অভিনয়ের জন্য এটাকে Better than Average বলার কথা ছিল কিন্তু এই মুভির রিলিজের কয়েক মাস পর মুভির প্রধান অভিনেতা লেজলি চিউং এর আত্মহত্যার ফলে এটাই হয় তাঁর ক্যারিয়ারের শেষ ফিল্ম এবং এই বিষয়টাই মুভিটাকে বিশেষ করে তোলে। তবে হ্যাঁ,এই বিষয় একমাত্র কারণ নয় যা আপনাকে মুভিটি নিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে। মুভির অনেক বিষয় আছে যা আপনাকে চিন্তায় ফেলে দিবে তবে সেগুলা কি শুধুই কাকতালীয় ঘটনা না কোন কিছুর আভাস তা বলা অসম্ভব।

লেজলি চিউং হংকং এর সবচেয়ে প্রতিভাবান তারকাদের একজন। অভিনয়,গান দুইদিকেই ছিলেন সমান পারদর্শি। লেজলি যেমন অভিনয় করেছেন অস্কার-নমিনেটেড ফিল্ম Farewell.My Concubine (1993).Cannes Film Festival’এ পুরষ্কার জয়ী Happy Together মুভিতে ঠিক তেমনই বের করেছেন Summer Romance ’87,Final Encounter ’89 এর মত অল-টাইম বেস্ট-সেলিং ক্যান্টোনিজ মিউজিক অ্যালবাম। লেজলিকে পুরো এশিয়ার সবচেয়ে ব্রাইটেস্ট প্রসপেক্টের মধ্যে একজন ধরা হতো। কিন্তু বিষণ্ণতায় ভুগে ১ এপ্রিল ২০০৩ সালে আত্মহত্যা করেন লেজলি চিউং।।

অস্কার-নমিনেটেড ফিল্ম Farewell,My Concubine মুভিতে লেজলি চিউং

 

এবার আসা যাক এই মুভির আজব ঘটনা গুলোতে। এই মুভিতে লেজলি চিউং Psychiatrist Dr. Jim Law চরিত্রে অভিনয় করেন। মুভির এক পর্যায় দেখা যায় Hallucination,Depression থেকে অতিষ্ট জিম ল ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। পরের বছর লেজলি চিউং বাস্তবে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মুভিতে কারেনা লামের চরিত্র চিউং ইয়ান একই সমস্যায় ভুগে hallucination, clinical depression, psychological trauma। এক পর্যায় তার মনকে হালকা করার জন্য সাইক্যাট্রিস্ট জিম ল তার মা-বাবার সাথে তাকে দেখা করানোর সিদ্ধান্ত নেন। তার মা-বাবা ডিভোর্সড এবং উভয় দ্বিতীয় বিয়ে করেছে,কারো সাথে চিউং ইয়ানের সম্পর্ক নেই। তাদেরকে সামনে পেয়ে রেগে যান চিউং ইয়ান এবং তাদের সাথে রাগারাগি শুরু করেন এবং মনের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বাস্তব জীবনে লেজলি চিউং এর মা-বাবাও ডিভোর্সড এবং লেজলির সাথে তাঁর মা-বাবার সম্পর্ক ছিল না বললেই চলে। লেজলিকে লালন-পালন করেছেন তাঁর দাদী।

কারেনা লামের চরিত্রের নামে “চিউং” আছে যা লেজলি চিউং এর নামেও আছে।

এগুলো কি কোন কিছুর ইঙ্গিত ছিল নাকি শুধুই কাকতালীয় ঘটনা?? ঘটনা যাই হোক,মূল বিষয় হচ্ছে আমরা লেজলি চিউং এর মত বড় একজন তারকাকে অকালে হারিয়েছি।

লেজলি চিউং এর ক্যারিয়ারের সর্বশেষ দৃশ্য।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন