the hobbit the desolation of smaug এডভেঞ্চার জগতে নতুন সংযোজন
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

কাজিনের সৌজন্যে দেখে ফেললাম The Hobbit: The Desolation of Smaugমুভি নিয়ে আর কিছু বলার আগে একটা কথা বলে নেই। হবিট লর্ড অফ দা রিংস না। তার প্রিকুয়েল। এটা মাথায় রাখবেন। লর্ড অফ দা রিংস লেখা হয়েছে হবিটের বহু পরে, আর স্বাভাবিক ভাবেই লর্ড অফ দা রিংস হবিটের চেয়ে বেশি জোস। পিটার জ্যাকসনের উপর আমার একটা রাগ আছে হবিটের আগে লর্ড অফ দা রিংস বানানোর জন্য। কিন্তু এজন্য তাকে বাহাবা ও দেই যে হবিট কে লর্ড অফ দা রিংসের সাথে টেক্কা দেয়ার উপযোগী করার জন্য। হবিট যাদের পড়া আছে তারা জানেন বইটা আসলে কত বড়। প্রথম যখন শুনেছিলাম হবিট আসছে আর এ নিয়ে ৩টা মুভি হবে ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি, এ কাহিনী নিয়ে ৩টা মুভি কি ভাবে হয় কিন্তু তিনি  সফল ভাবেই ২টা মুভি বানিয়েছেন। এবং সত্যি কথা হল আমার ধারনা ছিল না যে এ মুভি দুটো লর্ড অফ দা রিংস এর  মতই হবে। কিন্তু মুভি দেখে আমি ইম্প্রেসড।

 

এ মুভি সেখানে শুরু যেখানে  The Hobbit: An Unexpected Journey

শেষ হয়। বিল্বো আর তার দল চলেছে এরোবরের পথে ডোয়ার্ভ দের হোমল্যান্ড নিষ্ঠুর ড্রাগন স্মাগের হাত থেকে উদ্ধার করতে। কিন্তু কাজটা অত সহজ নয়। তাদের জীবনের পিছনে হাত ধুয়ে পরে আছে একদল অর্ক। বন্ধুর পথ, আর সে পথে বিশ্বাস যোগ্য বন্ধুর খুব অভাব। হাতে সময় ও খুব কম। এর মাঝে আবার শোনা যাচ্ছে ভয়ঙ্কর সব গুজব। যাত্রার মাঝপথেই তাদের কোন অজানা কারনে রেখে চলে যায় তাদের এক মাত্র ভরসা জাদুকর গ্যান্ডফ। কি হবে তাদের? তারা কি শেষ পর্যন্ত পৌঁছুতে পারবে তাদের স্বপ্নের এরোবরে?

গল্পটা তে অনেক কিছুই যোগ করা হয়েছে, যা অসাধারন ভাবে ভাল লেগেছে। আর

মুভিটার মাঝে বেশ একটা মজা মজা ভাব ছিল। যা মুড টাকে কখনই খুব বেশি সিরিয়াস হতে দেয়নি। আবার কখনও কাতুকুতু দেয়ার ও চেষ্টা করে নি। সোজা কথায় কমিক রিলিফ গুলো ভাল লেগেছে

 

মুভির ডিরেকসন, অভিনয় কিছু নিয়েই কিছু বলার নেই। পিটার জ্যাকসন নামটাই তার কাজের গ্যারান্টি। আর অভিনয়ের কথা নাই বলি, তার বিচার আপনারা করে নিবেন। তবে এতোদিন পর অরলান্ডো ব্লুম কে সেই লেগোলাস চরিত্রে দেখে কি যে ভাল লাগল বলে বোঝাতে পারবো না। মুভির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক নিয়ে কিছু বলার নেই, শুধু মিউজিক দিয়েই যে একটা মুহূর্ত কে বর্ণনা করা যায় তার প্রমান আবার পেলাম।

 

এখন আসি মুভির সবচেয়ে যে দিকটা চরম লেগেছে স্পেসাল ইফেক্ট।  এ সিরিজ থেকে যা আশা করেছিলাম তার চেয়ে ঢের বেশি পেয়েছি, এটা হয়ত থ্রিডি তে দেখার ফল হতে পারে, কিন্তু সত্যি বলছি অনেক ভাল লেগেছে।     

 

আর কিছুই বলব না, বলতে গেলে একটু স্পয়লার খাইতে পারেন, তবে এই স্পয়লারটা মনে হয় ট্রেইলার দেখার সময়ই খেয়ে ফেলছেন, তাই বলেই দেই। পড়তে না চাইলে আর সামনে না যাওয়াই ভাল

 

 

 

 

মুভি দেখার সময় স্মাগের গলা খেয়াল কইরেন, আর মনে রাইখেন এইটা স্মাগ দা ড্রাগন খান নুনিয়ান সিং না, আর নেক্রোমেঞ্চার টা কইলাম শারলক না

এই পোস্টটিতে ৪ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. আইম্যান আইম্যান says:

    আগেরটার চেয়ে এটা বেশি ভাল হইছে বলেই মনে হচ্ছে। ব্লুরে পাব শীঘ্রই… পেলেই দেখে নেব। :cool

  2. ডেস্পেরাডো says:

    yes it is better than the last one

  3. রিফাত আহমেদ রিফাত আহমেদ says:

    লেখা ভালো হইছে

  4. প্রলয় হাসান says:

    ভালো লিখেছেন। আমি এই ট্রিলজির প্রথম পর্বটা নিয়ে লিখেছিলাম। http://bioscopeblog.net/proloy-hasan/24209

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন