Children of War- যুদ্ধশিশু

মুক্তিযুদ্ধের ছবি মনে করে খুব আশা নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম। ছবি শুরু হতেই বর্তমান প্রজন্মের একজন "বাঙাল"(বাংলা নয় কিন্তু) ভাষায় কিছুক্ষণ আযাদি চাইল। (গণজাগরণ মঞ্চকে ফুটিয়ে তোলার প্রচেষ্টা।) তারপর ছবি ফ্ল্যাশব্যাক করে চলে গেল ১৯৭১সালের ২৫মার্চ রাতে; যেখানে বঙ্গবন্ধু নিজ অফিসে বসে তার নিজস্ব রেডিও দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন। (পরিচালক মৃত্যুঞ্জয় দেবব্রত এই ইতিহাস কোথায় পেল কে জানে!) এরপরই ইন্দ্রনীল-রাইমার সংসারে ফোকাস। ছবির তিনমিনিটের মাথায়ই বেশ ইনিয়েবিনিয়ে ২৫মার্চ কালরাতে তাদের চরম মাত্রার আদর-সোহাগের দৃশ্য; যা সাধারণত কোলকাতার এডাল্ট আর্টফিল্মেই থাকে। রাইমার সাথে ইন্দ্রনীলের পালা শেষ হতেই পাকিস্তানি ক্যাপ্টেনের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ এবং রাইমার সাথে আরেক দফা হাডুডু খেলা। ছবির এই পর্যন্ত দেখে রাগে উঠে যাব ভাবছিলাম। কিন্তু টাকার মায়ায় উঠতে পারলামনা। যাই হোক, ছবির ফার্স্ট হাফ দেখে কিছুতেই বলা যায় না এটা একটা মুক্তিযুদ্ধের ছবি। মোট ছবিতে রেপ সিন আছে প্রায় ৫টা। প্রত্যেকটিই বেশ ইলাবোরেটেড! তাছাড়া সম্পুর্ণ ছবি জুড়ে "বাঙাল" ভাষা শুনতে শুনতে মেজাজ খিঁচড়ে যাবে মাস্ট।
ছবির সেকেন্ড হাফ বেশ ভাল। কাহিনীতে গতিশীলতা আছে। তবে আর যাই হোক তুলনায় এটাকে বাংলাদেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের ছবিগুলোর নখের কাছেও আনা যায় না। আমার সাজেশন- কেউ মাগনা দেখাইতে নিয়ে গেলে আর হাতে নিতান্তই করার মত কোন কাজ না থাকলে তবেই এই ছবি দেখা যায়।
10329230_10201345617000918_6808274241518561906_n

(Visited 90 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন