Mad Max: Fury Road (পর্ব ১ঃ ম্যাড ম্যাক্স দেখব ক্যান???)
Mad Max Film Series

Mad Max Film Series

 

My name is Max. My world is fire. And blood. Once, I was a cop; a road warrior searching for a righteous cause. As the world fell, each of us in our own way was broken. It was hard to know who was more crazy. Me… or everyone else. Here they come again. Worming their way into the black matter of my brain. I told myself… they cannot touch me. They are all dead. I am the one who runs from both the living and the dead. Hunted by scavengers. Haunted by those I could not protect. So I exist in this Wasteland. A man reduced to a single instinct: survive.

আমি সাধারণ ছবির দর্শকদের ভালো ভাবে জানি ও চিনি। তারা ছবির শুরুতে এই কথাগুলো মিস করবেন নিশ্চিত। কিন্তু ৩০ বছর পর জর্জ মিলার কেন ম্যাড ম্যাক্স মুভি সিরিজের চতুর্থ মুভি বানালেন তার জবাব এই কথাগুলোর মধ্যে লুকিয়ে আছে। ১৯৮৫ সালে Mad Max: Beyond the Thunder dome বানানোর পর জর্জ মিলার মনে করলেন যে আরো কিছু বলার আছে ম্যাক্সকে নিয়ে। কিন্তু সেটা কি?

 

অনেকে হয়তো ছবিটাকে নিয়ে শুধুই একটা হাইপ সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন। অনেকে তার প্রমাণ স্বরূপ আগের ছবিগুলোর কথা বলবেন(যারা আগের ছবিগুলো দেখেননি তাদের নিয়ে কিছু বলার নেই) । অনেকের কাছেই ছবিগুলো ভালো লাগেনি। কিন্তু আপনি কি জানেন?? এই ছবিগুলো শুধু হলিউড নয় পুরো বিশ্বব্যাপী ছবির অ্যাকশান দৃশ্যের উপর কতটা প্রভাব ফেলেছে।

আমার নিজের অবজার্ভেশন থেকে কিছু উদাহরণ দেই। আমরা প্রায়ই বাংলা ছবিতে দেখি নায়িকা জংগলের মধ্য দিয়ে দৌড়াচ্ছে আর ভিলেনরা তাকে তাড়া করেছে। ভিলেনদের শুধু পা দেখা যাচ্ছে। ম্যাড ম্যাক্স এর প্রথম ছবিতে এই দৃশ্য আপনি দেখতে পাবেন। আবার দেখবেন ঢালিউড কিংবা বলিউড এর মুভিতে প্রায়ই একটা দৃশ্য দেখা যায়, এমনকি হলিউডের ছবিগুলোতেও দেখা যায়। সেটা হচ্ছে গাড়ি দিয়ে দরজা ভেঙ্গে বেড়িয়ে যাওয়া। এই দৃশ্য ম্যাড ম্যাক্স এর আগে আমি দেখিনি।

আপনি ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস এর কার চেস এর বিরাট ফ্যান। কিন্তু ১৯৭৯ সালে ম্যাড ম্যাক্স এর শুরুতে যে কার চেস দেখানো হয়েছে, সেই লেভেলের সিন এখনকার দিনের অনেক হলিউড মুভিতেও দেখা যায় না। আজকালকার দিনের কার চেসের সিনগুলোতে অনেক কাট, যা ডিরেক্টরদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এটা বাদ থাক। সেই ১৯৭৯ সালে কার ব্লাস্ট। ওহ অসাধারণ!!! না ভাই না সিজিআই না রিয়েল স্টান্ট। আজকালকার এভারেজ অ্যাকশান মুভিগুলায় স্টান্ট বলে কিছু নাই। যেগুলায় আছে সেগুলা দেখলে দুঃখ লাগে। অথচ ওই মুভি গুলায় স্টান্ট গুলো এখনো অনেক আকর্ষনীয়, উত্তেজনা সৃষ্টি করে।

ম্যাড ম্যাক্স পোস্ট এপোক্যালিপ্টি ফিউচার এর ঘটনা নিয়ে বানানো। মানে এক অদূর ভবিষ্যতের ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই মুভিতে। এই কারণেই এই মুভিটাকে সাইফাই জন্রার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই পোস্ট এপোক্যালিপ্টিক ফিউচার ব্যাপারটা জর্জ মিলারই প্রথমবারের মত সার্থক ভাবে ফুটিয়ে তুলেছন। এই কারণেই হয়তো ওনাকে মাস্টারমাইন্ড ডিরেক্টর বলা হয়।

Mad Max: Beyond the Thunder dome হয়তো অতটা ভালো মুভি ছিল না। Mad Max 2: Road Warior একটি অসাধারণ অ্যাকশান মুভি। Mad Max মুভিটা একটি বেশ ভালো রিভেঞ্জ মুভি।

 

ম্যাড ম্যাক্স এর দুনিয়া শুধুই রক্ত আর আগুনের দুনিয়া।( My name is Max. My world is fire. And blood)

ম্যাড ম্যাক্স মানেই ক্রেজিনেস,ইনসেইন, ইনটেন্স মারামারি।( It  was hard to know who was more crazy. Me… or everyone else.) কার চেসিং, কার ব্লাস্ট, ধুন্ধুমার স্টান্ট।

Once, I was a cop; a road warrior searching for a righteous cause. As the world fell, each of us in our own way was broken.

এগুলো যারা ভালোবাসেন ম্যাড ম্যাক্স সিরিজ তাদের জন্যই।

Here they come again. Worming their way into the black matter of my brain………

 Mad Max: Fury Road (পর্ব ২ঃ What an insane movie!!!!)

 

(Visited 173 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন