‘Logan’ (2017) পর্ব ০১ – প্রি-প্রোডাকশন ও ব্যাক স্টোরী… !!!
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

logan_2017___wallpaper__1920x1080__by_metalbr-dammag0

 

 

 

সুপারহিরো কমিক মুভি ইউনিভার্সে সব থেকে দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকা সিরিজের নাম যদি বলতে হয় তবে সর্ব প্রথমেই আসে ‘এক্স-মেন’ সিরিজের কথা যার বয়স ‘মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স’ এর থেকেও বেশী, ১৭ বছর। বার বার টাইমলাইন, গল্প ও ক্যারেক্টার চেঞ্জের মাধ্যমে এই সিরিজটি এত বছর ধরে চলার পরেও একটি চরিত্রের গল্প, টাইমলাইন ও অভিনেতা সর্বদাই ছিল অপরিবর্তিত আর তা হল ‘উলভারিন’। এই চরিত্রটি এতটাই মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিল যে নির্মাতারা কখনোই এই চরিত্রের অভিনেতা ও টাইমলাইন চেঞ্জ করার দুঃসাহস করেনি। এক কথায় বলতে গেলে ১৭ বছর ধরে ‘এক্স-মেন’ সিরিজ চলেনি, বরং ‘উলভারিন’ নিজেই ১৭ বছর ধরে ‘এক্স-মেন’কে নিজের কাধে করে চালিয়ে নিয়ে গেছে, সেই সাথে উপহার দিয়েছে নিজস্ব ৩টি সলো মুভি। আর অবশেষে এ বছর যখন এই চরিত্রটির ইতি টানা হলো, সেই সাথে ইতি টানা হলো গোটা ‘এক্স-মেন’ ইউনিভার্সের।

 

 

 

86e48a8c14589d68343bb6f9ace31d34

 

 

 

২০১৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘উলভারিন’ সিরিজের ২য় সলো মুভি ‘দ্য উলভারিন’ যা পরিচালনা করেছিল ‘কপ ল্যান্ড’, ‘গার্ল ইন্টারাপ্টেড’, ‘৩ঃ১০ টু যুমা’, ‘নাইট এন্ড ডে’ খ্যাত পরিচালক ‘জেমস ম্যানগোল্ড’। ‘দ্য উলভারিন’ রিলিজের পর যখন মুভিটি ক্রিটিক্যালি ও কমার্শিয়ালি সফল হয় তখন ২০১৩ সালের নভেম্বরে ‘টুয়েন্টিন্থ সেঞ্চুরী ফক্স’ ‘জেমস ম্যানগোল্ড’কে নিয়েই ‘উলভারিন’ এর ৩য় সলো মুভি তৈরীর পরিকল্পনা শুরু করে। এরপর অনেক বছর পার হয়ে যায়, মাঝখানে ঘরের ছেলে ‘ব্রায়ান সিঙ্গার’ আবার ঘরে ফিরে আসে ও ২০১৪ সালে নির্মাণ করে ‘এক্স-মেনঃ ডেজ অফ ফিউচার পাস্ট’ ও ২০১৬ সালে ‘এক্স-মেনঃ অ্যাপোক্যালিপ্স’। ততদিনে ‘উলভারিন’ এর ৩য় সলো মুভির আইডিয়া ও প্রস্তুতি আরো ডেভেলপ হতে থাকে। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে রিলিজ পায় ‘এক্স-মেন’ সিরিজের আরেক অ্যান্টি হিরো ‘ডেডপুল’ এর সলো মুভি যা বানানো হয় রেটেড R হিসেবে। ‘ফক্স’ এর এই এক্সপেরিমেন্ট ব্যাপক সফলতা লাভ করে। এদিকে ‘উলভারিন’ এর অভিনেতা ‘হিউ জ্যাকম্যান’ ঘোষণা দেয় যে এটিই হবে তার জীবনের শেষ ‘উলভারিন’ মুভি। সে আর এই মুভির পর এই চরিত্রে ফিরে আসবে না। ‘হিউ জ্যাকম্যান’ এর এই ঘোষনার পর বদলে যায় সিরিজের সকল হিসাব-নিকাশ। শুরু হয় শেষ ‘এক্স-মেন’/’উলভারিন’ মুভি তৈরীর কাজ ও সেই উপযোগী করে গল্প তৈরী। অবশেষে ‘ফক্স’ ঠিক করে ‘ডেডপুল’ এর সফলতাকে কাজে লাগিয়ে ৩য় ‘উলভারিন’ মুভিটিও রেটেড R হিসেবে তৈরী করার ও সেই কারণে মুভির গল্পের ইন্সপায়ারেশন হিসেবে তারা বেছে নেয় ‘এক্স-মেন’ সিরিজের সব থেকে ভায়োলেন্ট কমিক বুক ‘ওল্ড ম্যান লোগান’ স্টোরী লাইনকে। মুভির গল্পের টাইমলাইন শুরু করা হয় ‘এক্স-মেনঃ অ্যাপোক্যালিপ্স’ এর পোস্ট ক্রেডিট সিন ও ‘এক্স-মেনঃ ডেজ অফ ফিউচার পাস্ট’ এর এন্ডিং এর পর থেকে। মুভির কাস্টিং হিসেবে নতুন ক্যারেক্টারের পাশাপাশি পুরনো ক্যারেক্টার হিসেবে থেকে যায় শুধু ‘উলভারিন’ ও ‘প্রফেসর এক্স’/’চার্লস জেভিয়ার’ এবং সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে মুভির নাম ঘোষনা করা হয় ‘লোগান’।

 

 

 

old-man-logan-by-Mark-Millar-and-Steve-mcniven

 

 

 

‘লোগান’ মুভির স্টোরী লাইন ‘ওল্ড ম্যান লোগান’ কমিক বুক থেকে ইন্সপায়ার হলেও ‘ওল্ড ম্যান লোগান’ এর সাথে এই মুভির কোন সম্পর্ক নেই। ‘লোগান’ মুভিটির গল্প সেট করা হয়েছে ‘ডেজ অফ ফিউচার পাস্ট’ এর সুদূর ভবিষ্যত ২০২৯ সালে যখন পৃথিবীতে মিউট্যান্টদের আর কোন অস্তিত্ব নেই ও গত ২৫ বছর ধরে কোন নতুন মিউট্যান্টের জন্ম হয়নি পৃথিবীতে। ‘উলভারিন’ এর শরীর দুর্বল হয়ে গেছে, বয়সও হয়ে গেছে অনেক, কারণ তার দেহের অ্যাডামেন্টিয়ামের বিষক্রিয়ার ফলে তার হিলিং ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমে গেছে। যার কারণে দেহে কোন নতুন ক্ষত হলে তা সারতেও সময় লাগে বেশী ও রয়ে যায় ক্ষতের দাগ। এদিকে ‘চার্লস জেভিয়ার’ এর অবস্থা তার থেকেও কেরোসিন। প্রায় ৯৯ বছর বয়সের ‘প্রফেসর এক্স’ এখন ভুগছে ‘নিউরোডিজেনেরেটিভ ডিজিজ’, ‘ডিমেনশিয়া’ ও ‘আলজেইমারস’ রোগে যার ফলে তার টেলিপ্যাথিক ক্ষমতাও গেছে কমে। ‘লোগান’ ও ‘চার্লস’ এখন মেক্সিকান বর্ডারের কাছে এক পরিত্যক্ত বাড়িতে তাদের আরেক মিউট্যান্ট ফ্রেন্ড ‘ক্যালিবান’ এর সাথে বসবাস করে ও এই ‘ক্যালিবান’ই দেখা শোনা করে অসুস্থ ‘চার্লস’ এর। আর ‘উলভারিন’ তার অতিতের পরিচয়কে ভুলে গিয়ে ‘জেমস হাউলেট’ পরিচয়ে এখন এক লিমো ড্রাইভার হিসেবে সাধারণ জীবন যাপন করছে। এই সময়টিতে পৃথিবীতে এখন মিউট্যান্টরা পরিচালিত হচ্ছে ‘ট্রানসাইন’ নামক এক কোম্পানীর হাতে যারা ‘মিউট্যান্ট’দের ‘ডিএনএ’ ও ‘জিন’ নিয়ে কাজ করে নতুন মিউট্যান্ট ক্লোন তৈরী করে ছোট বেলা থেকে ট্রেনিং দিয়ে তাদেরকে ওয়েপন হিসেবে গড়ে তুলছে। গত ২৫ বছর ধরে পৃথিবী থেকে মিউট্যান্টদের বিলুপ্তির পিছেও এই ‘ট্রানসাইন’ এর তৈরী ভাইরাসের হাত রয়েছে। একসময় ‘ট্রানসাইন’ এর সার্জিক্যাল হেড ও মুভির মূল ভিলেন ‘জ্যান্ডার রাইস’ তৈরী করে ‘উলভারিন’ এর ফিমেল ক্লোন ‘লরা’ ওরফে ‘X-23’কে। অতঃপর যখন ‘ট্রানসাইন’ ফেসিলিটি থেকে পালিয়ে গিয়ে ‘লরা’ সাহায্যের জন্য চলে যায় ‘উলভারিন’ এর ডেরায় ঠিক তখনই সেখানে ‘লরা’কে খুঁজতে চলে আসে ‘জ্যান্ডার রাইস’ এর গুন্ডা বাহিনী ‘দ্য রিভারস’ যার হেড হচ্ছে সাইবোর্গ ‘ডোনাল্ড পিয়ার্স’। অতঃপর ‘রিভার্স’দের হাত থেকে ‘লরা’ ও ‘চার্লস’কে বাঁচাতে নিজের অনিচ্ছা সত্ত্বেও একরাশ বিরক্তি নিয়ে ‘উলভারিন’এর শুরু হয় এক দুধর্ষ রোড জার্নি।

 

 

 

logan-patrick-stewart

 

 

 

এই ছিল ‘লোগান’ মুভির বেসিক স্টোরী লাইন যার ৮০% দেয়া রয়েছে মুভির ট্রেলারেই। এবার আলোচনা করা যাক কিছু ব্যাক স্টোরী নিয়ে যা দেখানো হয়নি মুভিতে। ‘ওল্ড ম্যান লোগান’ কমিক বুক থেকে ‘লোগান’ মুভিতে শুধু মাত্র ৩টি জিনিস নেয়া হয়েছে। প্রথমত, ‘লোগান’ এর দাঁড়ি গোফ সমৃদ্ধ ওল্ড লুক। দ্বিতীয়ত, ‘ওল্ড ম্যান লোগান’ এ ‘উলভারিন’ ও ‘হক আই’ দুজন মিলে এক দীর্ঘ রোড জার্নিতে বের হয়। সেখান থেকে ইন্সপায়ার হয়ে এই মুভিতে ‘উলভারিন’, ‘লরা’ ও ‘চার্লস’ এর রোড জার্নির থিমটি রাখা হয়েছে। এবং তৃতীয়ত, ‘ওল্ড ম্যান লোগান’ এ ‘লোগান’ এর হাতেই তার পুর্বের সকল ‘এক্স-মেন’ সদস্যদের মৃত্যু হয় আর এখানে সেই থিমটি ট্রান্সফার করে ‘চার্লস জেভিয়ার’ এর ক্যারেক্টারের মধ্যে দিয়ে দেয়া হয়েছে, যার কারণে এই মুভিতে পুর্বের মুভির কোন ‘এক্স-মেন’ ক্যারেক্টারদের দেখা যায়নি। এই মুভিতে ‘চার্লস’ যে ‘নিউরোডিজেনেরেটিভ ডিজিজ’ এ ভুগছে তার একটি ভয়ংকর সাইড ইফেক্ট রয়েছে। মাঝে মাঝে সময় মত ওষুধ না খেলে ‘চার্লস’ এর একটি মারাত্বক সিইজার অ্যাটাক দেখা দেয় আর যেহেতু ‘চার্লস’ এর ব্রেন হচ্ছে পৃথিবীর সব থেকে শক্তিশালী ব্রেন যা সকলের সাথে কানেক্টেড, সেহেতু এই অ্যাটাকের ইফেক্ট পড়ে আশে পাশের মানুষদের উপরও। এই ইফেক্টের কারণে মুহুর্তের মধ্যেই সকলে প্যারালাইজড হয়ে যায় ও দীর্ঘক্ষণ অ্যাটাক সকলের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অতিতের কোন এক সময় নিউইয়র্কের ওয়েস্টচেস্টারে অবস্থিত ‘জেভিয়ার’স স্কুল ফর গিফটেড ইয়ংস্টারস’ স্কুলে ‘চার্লস’ এর এই সিইজার অ্যাটাক দেখা দিয়েছিল যার কারণে সাথে সাথে ঘটনাস্থলে স্কুলের ৬০০ স্টুডেন্ট আহত ও ৭ জন ‘এক্স-মেন’ সদস্য মারা যায়। এই ঘটনাটাকে বলা হয় ‘দ্য ওয়েস্টচেস্টার ইন্সিডেন্ট’। নিজের হাতে গোটা ‘এক্স-মেন’ ধবংস হয়ে পড়ায় ‘চার্লস’ এই অপরাধবোধ সহ্য করতে না পেরে স্কুল বন্ধ করে দিয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে চলে যায় যেন তার দ্বারা আর কারো কোন ক্ষতি না হয়। এমন সময় ‘উলভারিন’ এসে ‘চার্লস’ এর দেখাশোনার দ্বায়িত্ব নিজের কাধে তুলে নেয় ও ‘চার্লস’কে সমাজ থেকে অনেক দূরে ম্যাক্সিকান বর্ডারে নিয়ে যায়। এই ঘটনা গুলি মুভিতে দেখানো হয়নি কিন্তু পরিচালক ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ এই ‘দ্য ওয়েস্টচেস্টার ইন্সিডেন্ট’টি মুভিতে রাখার প্ল্যান করেছিল। সে এই দৃশ্যটি মুভির প্রথমেই যোগ করেছিল ঠিক এভাবে, মুভি শুরুর সাথে সাথে প্রথম দৃশ্যেই দেখা যাবে ‘এক্স-ম্যানশন’ এ সকল ‘এক্স-মেন’ সদস্যরা সিইজার অ্যাটাকে আক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষ অবস্থায় পড়ে আছে ও মারা যাচ্ছে। কিন্তু পরবর্তীতে যখন মুভির ফাইনাল স্ক্রিপ্ট তৈরী হয় তখন ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ মুভির স্ক্রিপ্ট থেকে এই দৃশ্যটি কেটে ফেলে দেয়।

 

 

 

4710042-0527373226-5CUcj

 

 

 

২০১৬ সালের জানুয়ারীতে ‘এক্স-মেন অরিজিন্সঃ উলভারিন’ মুভিতে ‘ভিক্টর ক্রিড’/’সেবারটুথ’ চরিত্রে অভিনয় করা ‘লিভ স্ক্রাইবার’ আগ্রহ প্রকাশ করেছিল এই মুভিতে পুনরায় ‘ভিক্টর ক্রিড’ চরিত্রে ফিরে আসার। এমনকি ‘ভিক্টর ক্রিড’ চরিত্রের ফ্যানরাও চেয়েছিল যেন এই শেষ মুভিতে ‘ভিক্টর ক্রিড’ ফিরে আসুক এবং ‘উলভারিন’ চরিত্রের সাথে সাথে তারও একটি সফল এন্ডিং দেয়া হোক। ‘হিউ জ্যাকম্যান’ ও ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ এর সাথে ‘লিভ’ এর এই নিয়ে কথাও হয় এবং ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ তার স্ক্রিপ্টে ‘ভিক্টর ক্রিড’কে যোগ করে এভাবে যে ‘উলভারিন’, ‘লরা’ ও ‘চার্লস’ তাদের রোড জার্নির মাঝে কোন এক জায়গায় ‘ভিক্টর ক্রিড’ এর দেখা পাবে ও ‘ভিক্টর’ তাদেরকে বিপদে সাহায্য করবে। কিন্তু ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ পুনরায় মুভির ফাইনাল স্ক্রিপ্ট থেকে ‘ভিক্টর’ এর সিনটি কেটে ফেলে দেয়।

 

 

 

mister-sinister-183973

‘Nathaniel Essex’ / ‘Mister Sinister’

logan-movie-dr-rice-richard-e-grant

‘Zander Rice’

‘এক্স-মেনঃ অ্যাপোক্যালিপ্স’ এর পোস্ট ক্রেডিট সিনে দেখা যায় কিছু স্যুটেড বুটেড লোক ‘স্ট্রাইকার’ এর গবেষণাগারে ঢুকে ‘উলভারিন’ এর ব্ল্যাড স্যাম্পল নিয়ে চলে যায় ও তাদের ব্রিফকেসের লোগোতে লেখা থেকে ‘এসেক্স’ যা মূলত ‘নাথানিয়েল এসেক্স’ ওরফে ‘মিস্টার সিনিস্টার’ নামক ‘এক্স-মেন’ সিরিজের আরেক সুপার ভিলেনের কোম্পানীর নাম। ‘লোগান’ মুভির গল্প অনুযায়ী এই ‘এসেক্স’ কোম্পানীর সাথে ‘ট্রানসাইন’ এর ব্যাপক সংযোগ রয়েছে যার কারণে সেই ব্ল্যাড স্যাম্পল চলে যায় ‘ট্রানসাইন’ কোম্পানীর সার্জিকাল হেড ‘জ্যান্ডার রাইস’ এর হাতে যার বাবার মৃত্যু হয়েছিল স্বয়ং ‘উলভারিন’ এর হাতেই ‘এক্স-মেনঃ অ্যাপোক্যালিপ্স’ এ ‘স্ট্রাইকার’ এর প্রিজন থেকে ‘উলভারিন’ পালানোর সময়। ‘জ্যান্ডার রাইস’ মূলত ‘উলভারিন’ এর সেই ব্ল্যাড স্যাম্পলটি কাজে লাগিয়েই তৈরী করে ‘উলভারিন’ এর ফিমেল ক্লোন ‘X-23’কে। ‘এক্স-মেনঃ অ্যাপোক্যালিপ্স’ এর পোস্ট ক্রেডিট সিন তৈরীর সময়েই ‘ফক্স’ একটি গ্রিন সিগনাল দিয়েছিল তাদের পরবর্তী কোন পর্বে সিরিজের অন্যতম সুপার ভিলেন ‘নাথানিয়েল এসেক্স’/’মিস্টার সিনিস্টার’ এর আগমণের এবং পরবর্তীতে ‘লোগান’ এর প্রি-প্রোডাকশনের সময় ‘ব্রায়ান সিঙ্গার’ বলে যে ঐ পোস্ট ক্রেডিট সিন সরাসরি যুক্ত হচ্ছে ‘লোগান’ মুভির সাথে অর্থাৎ ‘নাথানিয়েল এসেক্স’/’মিস্টার সিনিস্টার’ হতে যাচ্ছে ‘লোগান’ মুভির মূল ভিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ২০১৭ এর জানুয়ারীতে ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ ‘মিস্টার সিনিস্টার’ এর আগমণের খবরটি নাকচ করে দেয় কারণ ততদিনে সে ফাইনাল স্ক্রিপ্ট থেকে ‘মিস্টার সিনিস্টার’ এর আইডিয়াও ফেলে দিয়েছে ও তার পরিবর্তে যুক্ত করেছে কাল্পনিক কোম্পানী ‘ট্রানসাইন’ যার কোন অস্তিত্ব কমিকে নেই এবং মূল ভিলেন হিসেবে যুক্ত করেছে কমিকের এক অখ্যাত ভিলেন ‘জ্যান্ডার রাইস’কে। অবশেষে পরবর্তীতে ‘এক্স-মেনঃ অ্যাপোক্যালিপ্স’ এর ঐ পোস্ট ক্রেডিট সিনের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মুভির প্রডিউসার ‘সাইমন কিনবার্গ’ বলে যে ঐ দৃশ্যটি সরাসরি সম্পর্কযুক্ত কিভাবে ‘উলভারিন’ এর ব্ল্যাড থেকে ‘লরা’কে তৈরী করা হলো তার সাথে এবং যেহেতু ‘এসেক্স’ কোম্পানীর নাম তারা দেখিয়েছে এর মানে ‘মিস্টার সিনিস্টার’ অবশ্যই আগমণ করবে পরবর্তী কোন ‘এক্স-মেন’ মুভিতে।

 

 

 

 

 

 

এই ছিল ‘লোগান’ মুভির সকল প্রি-প্রোডাকশন ও ব্যাক স্টোরী। এখন ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ কেন তার ফাইনাল স্ক্রিপ্ট থেকে ঐ গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য ও আইডিয়া গুলি কেটে ফেলে দিয়েছে তার পিছনে এই মুভি কেন্দ্রিক তার অসাধারণ কিছু পারসোনাল ভিশন ও ডিফারেন্ট ফিল্ম মেকিং স্ট্রাটেজী কাজ করেছে যার কারণে ‘লোগান’ মুভিটি তথাকথিত সুপারহিরো মুভির ক্যাটাগরি থেকে বের হয়ে পরিণত হয়েছে এক অন্যরকম মাইলফলকে…
(লেখার পরের পর্বে ‘জেমস ম্যানগোল্ড’ এর এই ভিশন ও ফিল্ম মেকিং স্ট্রাটেজী নিয়ে আলোচনা করা হবে)

 

 

To Be Continued… !!!

Logan (2017)
Logan poster Rating: 9.6/10 (2,303 votes)
Director: James Mangold
Writer: James Mangold (story by), Scott Frank (screenplay), James Mangold (screenplay), Michael Green (screenplay)
Stars: Hugh Jackman, Patrick Stewart, Dafne Keen, Boyd Holbrook
Runtime: 135 min
Rated: R
Genre: Action, Drama, Sci-Fi
Released: 03 Mar 2017
Plot: In the near future, a weary Logan cares for an ailing Professor X in a hide out on the Mexican border. But Logan's attempts to hide from the world and his legacy are up-ended when a young mutant arrives, being pursued by dark forces.

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন