হলিউড বক্স অফিস রিপোর্ট ২০১৬ (পর্ব ০১) – বছরের সকল ফ্লপ সিক্যুয়াল মুভি সমূহের লিস্ট… !!!
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

 

hollywood-movies-2016-752x440

 

 

 

 

 

প্রতি বছরের মত গত ২০১৬ সালেও হলিউডে রিলিজ পেয়েছে অগণিত হিট মুভির সিক্যুয়াল যার মধ্যে অধিকাংশই ছিল অপ্রয়োজনীয় যেগুলো শুধু তাদের প্রিকুয়ালগুলোর নামই ডোবায়নি, সেই সাথে বিগ বাজেটের কারণে পরিণত হয়েছে বক্স অফিস ডিজাস্টারে। গত কয়েক বছরের মধ্যে রেকর্ড সংখ্যক সিক্যুয়াল মুভি ফ্লপ গেছে এই বছরে। সব মিলিয়ে ২০১৬ সালটি ছিল আসলে সিক্যুয়াল মুভির জন্য একটি ডিজাস্টার ইয়ার। চলুন দেখে নেয়া যাক, ২০১৬ সালে কোন কোন সিক্যুয়াল মুভি গুলির চরম রূপে ভরাডুবি ঘটেছে…

 

 

 

independence_day_resurgence_ver14_xlg

 

 

 

‘Independence Day: Resurgence’

 

 

১৯৯৬ সালে রিলিজ পাওয়া হলিউডের ইতিহাসের অন্যতম বিগেস্ট এলিয়েন ইনভেশন ব্লকবাস্টার মুভি ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে’ এর ২০ বছর পর এর ২য় পর্ব তৈরীর আসলে কোন প্রয়োজনই ছিল না। তবুও ২০ বছর ধরে বার বার প্ল্যান, কাস্টিং ও রিলিজ ডেট পিছাতে পিছাতে অবশেষে ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে-রিসারজেন্স’ এ বছর রিলিজ পাবার পর ১৬৫ মিলিয়ন বিগ বাজেটের এই দুর্বল গল্প ও উজ্জ্বল ভিএফএক্স এর মুভি সমালোচকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে টেনে টুনে আয় করেছে মাত্র ১০৩ মিলিয়ন। এই ভরাডুবি থেকে শিক্ষা নেবার পরেও পরিচালক ‘রোলান্ড এমেরিক’ এখনো ৩য় পর্ব নির্মাণের আইডিয়া মাথা থেকে ত্যাগ করেননি।

 

 

 

star-trek-beyond-poster-2

 

 

 

‘Star Trek Beyond’

 

 

‘জে জে আব্রামস’ নির্মিত দুর্দান্ত ‘স্টার ট্রেক’ (২০০৯) ও ‘স্টার ট্রেক ইনটু ডার্কনেস’ (২০১৩) এর পর এ বছর ‘জাস্টিন লিন’ পরিচালিত ‘স্টার ট্রেক বিয়ন্ড’ ছিল মূলত সিরিজের সব থেকে দুর্বল গল্প ও দুর্বল ভিলেন সম্মৃদ্ধ মুভি, যার কারণে পুর্বের পর্বের থেকে লাইট টোনে বানানো ১৮৫ মিলিয়ন বিগ বাজেটের এই মুভি সমালোচকদের কাছ থেকে গুড রিভিউ পেলেও ডমেস্টিক বক্স অফিসে মাত্র ১৫৮ মিলিয়ন ও বহিঃবিশ্বে মাত্র ১৮৪ মিলিয়ন আয় করে গোটা বিশ্বে চরম রূপে ব্যর্থ হয়েছে। অবশ্য এই মুভির রিলিজের আগেই ৪র্থ মুভির আইডিয়া নিয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে, তাই এত কিছুর পরেও ৪র্থ মুভি আসছে যেখানে ‘থর’ খ্যাত ‘ক্রিস হেমসওর্থ’কে দেখা যাবে ‘ক্যাপ্টের কার্ক’ এর বাবার ভূমিকায়।

 

 

 

NSYSM-website

 

 

 

‘Now You See Me 2’

 

 

২০১৩ সালের সারপ্রাইজ হিট ‘নাউ ইউ সি মি’ এর গল্প, মেকিং ও দুর্দান্ত এন্ডিং এর পর এই মুভির সিক্যুয়াল তৈরী ছিল অনিবার্য ও বহুল প্রত্যাশিত কিন্তু ‘নাউ ইউ সি মি টু’ পুর্বের পর্বের কোন ম্যাজিকই ক্রিয়েট করতে পারেনি বরং গোঁজামিল দেয়া খিঁচুড়ি মার্কা গল্পের কারণে ৯০ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভি সমালোচকদের কাছ থেকে মিক্সড রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে আয় করেছে মাত্র ৬৫ মিলিয়ন। এত কিছুর পরেও কিন্তু এই সিরিজের যাত্রা থেমে থাকছে না বরং ‘নাউ ইউ সি মি থ্রি’ এর কাজ শুরু হয়ে গেছে যেখানে ২য় পর্বে অনুপস্থিত ‘ইসলা ফিশার’ এর পাশাপাশি নতুন কাস্ট হিসেবে যোগ দিবে ‘বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ’। সেই সাথে চলছে ২য় পর্বের নতুন কাস্ট চাইনিজ অ্যাক্টর ‘জে চু’ কে নিয়ে এ সিরিজের স্পিন অফ মুভির পরিকল্পনাও।

 

 

 

uk_alice_flexherobg_n_618b66dd

 

 

 

‘Alice Through the Looking Glass’

 

 

২০১৬ সালের অন্যতম স্টুপিড ও ইউজলেস সিক্যুয়াল ছিল এই মুভিটি। ২০১০ সালের বিলিয়ন ডলার আয় করা ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ মুভিটির শুধু নামই ডোবায়নি এই মুভিটি বরং চোখ ধাঁধানো স্পেশাল ইফেক্টের ও খুবই দুর্বল গল্পের ১৭০ মিলিয়ন বিগ বাজেটের এই মুভিটি সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে আয় করেছে মাত্র ৭৭ মিলিয়ন, যাকে বলে চরম রূপে ভরাডুবি।

 

 

 

TMNT_2_Teenage_Mutant_Ninja_Turtles_2016_Wallpaper_HD_1920_x_1200_px-1

 

 

 

‘Teenage Mutant Ninja Turtles: Out of the Shadows’

 

 

২০১৪ সালে রিলিজ পাওয়া ‘টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টেল’ মুভির সিক্যুয়াল এ বছর মুক্তি পাওয়া ‘আউট অফ দ্য শ্যাডোজ’ ছিল পুর্বের পর্বের থেকেও চরম মাত্রায় স্টুপিডিটি ও চরম মাত্রায় ব্রেইনলেস গল্পে সম্মৃদ্ধ যার কারণে হাই ভোল্টেজ অ্যাকশন ও স্পেশ্যাল ইফেক্ট বাঁচাতে পারেনি মুভিটিকে। ১৩৫ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভিটি সমালোচকদের কাছ থেকে মিক্সড রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে মাত্র ৮২ মিলিয়ন আয় করে ব্যর্থ হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমত, নির্মাতারা এই মুভি থেকে শিক্ষা নিয়ে ৩য় পর্বের প্ল্যান বাতিল করেছে।

 

 

 

img_0541

 

 

 

‘The Divergent Series: Allegiant’

 

 

‘হ্যারি পটার’, ‘টোয়ালাইট’, ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ এর মত ‘ডাইভারজেন্ট’ সিরিজও হতে পারতো একটি সফল বুক অ্যাডাপ্টেড ফ্যাঞ্চাইজ কিন্তু সিরিজের প্রথম দুটি মুভি ‘ডাইভারজেন্ট’ (২০১৪) ও ‘ইনসারজেন্ট’ (২০১৫) বক্স অফিসে ভাল করলেও মেকাররা সিরিজের শেষ বই ‘অ্যালিজিয়েন্ট’কে ‘হ্যারি পটার’, ‘টোয়ালাইট’ ও ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ এর মত থিউরি অ্যাপ্লাই করে ভেঙ্গে দুই ভাগ করে দুটি মুভি বানাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত ধরাটা খেলো। একেই বলে অতি লোভে তাঁতি নষ্ট, যার কারণে ১১০ মিলিয়ন বাজেটের ‘অ্যালিজিয়েন্ট পার্ট ওয়ান’ সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে আয় করেছে মাত্র ৬৬ মিলিয়ন। এই চরম ব্যর্থতার ফলে মেকাররা এখন শেষ পর্বটি পুনরায় ধরা খাবার ভয়ে টিভি সিরিজ আকারে তৈরী করতে চাচ্ছে কিন্তু এদিকে বেকে বসেছে মুভির প্রধাণ কাস্ট ‘শাইলিন উডলি’, ‘থিও জেমস’ ও ‘মাইলস টেলার’। তারা টিভি সিরিজ আকারে সিরিজ শেষ করার পক্ষপাতী নয় যার কারণে যদি টিভি সিরিজ বানানো হয় তবে তারা ‘ডাইভারজেন্ট’ সিরিজ ত্যাগ করার হুমকি দিয়েছে। সুতরাং সিরিজের ভবিষ্যত এখন পুরাই অনিশ্চিত।

 

 

 

huntman

 

 

 

‘The Huntsman: Winter’s War’

 

 

২০১৬ সালের আরো একটি অন্যতম চরম অপ্রয়োজনীয় সিক্যুয়াল ছিল ২০১২ সালের হিট মুভি ‘স্নো হোয়াইট এন্ড দ্য হান্টসম্যান’ মুভির প্রিকুয়াল এন্ড সিক্যুয়াল ‘দ্য হান্টসম্যান-উইন্টারস ওয়ার’। দুর্বল গল্প, অ্যাকশন ও মেকিং এর কারণে ১১৫ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভিটি সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে মাত্র ৪৮ মিলিয়ন আয় করে মুখ থুবড়ে পড়েছে। ভাগ্য ভাল যে এর আর কোন সিক্যুয়াল প্ল্যান নেই।

 

 

 

Ice-Age-Collision-Course-Poster

 

 

 

‘Ice Age: Collision Course’

 

 

‘আইস এজ’ সিরিজের ৫ম মুভি ‘কলিশন কোর্স’ ছিল মূলত সিরিজের সব থেকে উদ্ভট ও বাজে গল্পের মুভি। ‘আইজ এজ’ সিরিজের এক সময় যে পরিমাণ ভাব-মুর্তি ও সুনাম ছিল এখন তার আর কোনটিই অবশিষ্ট নেই যার পিছনে মূল কারণ প্রতিটি মুভিতে অপ্রয়োজনীয় চরিত্র বাড়ার পাশাপাশি মুভির গল্পে চরম মাত্রায় দুর্বলতা যার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল এবারের ৫ম পর্ব। সমালোচলকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নেগেটিভ রিভিউ পাওয়া ১০৫ মিলিয়ন বাজেটের এবাবের পর্বটি বহিঃবিশ্বে ভাল করলেও নিজ দেশে (উত্তর আমেরিকা/ডমেস্টিক বক্স অফিস) মাত্র ৬৪ মিলিয়ন আয় করে পুরাই মুখ থুবড়ে পড়েছে। আবার এত কিছুর পরেও নির্মাতারা সিরিজের ৬ষ্ঠ পর্ব তৈরীর আইডিয়া নিয়ে কাজ করছেন।

 

 

 

Cu_X-kaXYAE61fr

 

 

 

‘Jack Reacher: Never Go Back’

 

 

‘টম ক্রুজ’ যতই ইন্টারন্যাশনাল হিরো হোক না কেন, ‘মিশন ইমপসিবল’ এর বাহিরে আসলে তার কোন খাওয়া নেই। তার পুর্বের ‘এজ অফ টুমরো’, ‘অবলিভিয়ন’, ‘রক অফ এজেস’, ‘নাইট এন্ড ডে’ সবই ছিল ডমেস্টিক বক্স অফিসে ফ্লপ। একমাত্র ‘মিশন ইমপসিবল’ এর ৪র্থ ও ৫ম পর্বের কারণে তার পায়ের নিচে এখনো মাটি আছে আর ২০১২ সালে রিলিজ পাওয়া ‘জ্যাক রিচার’ যখন টেনে টুনে একটু সাফল্যের মুখ দেখেছিল ও গোটা বিশ্বে ২১৮ মিলিয়ন আয় করতে পেরেছিল তখনই মেকারদের মাথায় ভূত চাপলো এর সিক্যুয়াল বানানোর। যার ফলাফল ‘জ্যাক রিচার’ মুভির সিক্যুয়াল মাত্র ৬০ মিলিয়ন বাজেটের ‘নেভার গো ব্যাক’ ডমেস্টিক বক্স অফিসে আয় করেছে মাত্র ৫৮ মিলিয়ন। দ্যাটস ইট, ‘টম ক্রুজ’ ইজ ব্যাক ইন ফ্লপ… !!!

 

 

 

Inferno

 

 

 

‘Inferno’

 

 

‘ড্যান ব্রাউন’ এর সাড়া জাগানো চরিত্র ‘ররার্ট ল্যাংডন’কে নিয়ে তৈরী ‘রন হাওয়ার্ড’ নির্মিত ও ‘টন হ্যাঙ্কস’ অভিনীত ‘দ্য ডা ভিঞ্চি কোড’ (২০০৬) ও ‘অ্যাঞ্জেলস এন্ড ডেমন্স’ (২০০৯) এর ৭ বছর পর সিক্যুয়াল ‘ইনফারনো’ মুক্তি পেয়েছে এ বছর যদিও মাঝখানে ‘দ্য লস্ট সিম্বল’ বইটিকে উপেক্ষা করেই। ৭৫ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভিটি বরাবরের মতই সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে দুর্ভাগ্যবশত ডমেস্টিক বক্স অফিসে আয় করেছে ৩৪ মিলিয়ন। ‘রবার্ট ল্যাংডন’ ভক্তদের জন্য সত্যিই একটি দুঃসংবাদ।

 

 

 

mechanic-resurrection-film-2016

 

 

 

‘Mechanic: Resurrection’

 

 

২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘জেসন স্ট্যাথাম’ অভিনীত ‘দ্য মেকানিক’ ছিল অ্যাকশন লাভারসদের প্রতি একটি দুর্দান্ত মুভি যার সিক্যুয়াল ছিল সত্যিই প্রত্যাশিত কিন্তু এ বছর মুক্তি পাওয়া সিক্যুয়াল ‘মেকানিক রিসারেকশন’ ছিল দুর্বল গল্পের, প্রেডিক্টেবল ও প্রথম পর্বের তুলনায় কম অ্যাকশন ও সাসপেন্স সম্পন্ন যা পুর্বের পর্বের প্রত্যাশা ও হাইপ পুরণে সম্পুর্ণ ব্যর্থ। যার কারণে ৪০ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভি সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে মাত্র ২১ মিলিয়ন আয় করে ফ্লপ হয়েছে।

 

 

 

Zoolander-2-Cast-Poster-HD-Wallpaper

 

 

 

‘Zoolander 2’

 

 

২০০১ সালের ‘বেন স্টিলার’, ‘ওয়েন উইলসন’ ও উইল ফ্যারেল’ অভিনীত কমেডি হিট মুভি ‘জুল্যান্ডার’ এর ১৫ বছর পর এ বছর সিক্যুয়াল ‘জুল্যান্ডার টু’ মুক্তি পেয়ে তেমন কোনই সুবিধা করতে পেরেনি বরং ৫০ মিলিয়ন বাজেটের এ মুভি সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে মাত্র ২৮ মিলিয়ন আয় করে একদম ধুলায় মিশে গেছে।

 

 

 

bad-santa-2

 

 

 

‘Bad Santa 2’

 

 

২০০৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘বিলি বব থর্নটন’ অভিনীত আমেরিকান ক্রিসমাস ব্ল্যাক কমেডি ক্রাইম হিট মুভি ‘ব্যাড সান্তা’ এর ১৩ বছর পর এ বছর মুক্তি পেয়েছে সিক্যুয়াল ‘ব্যাড সান্তা টু’। কিন্তু ২৬ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভি সমালোচকদের কাছ থেকে নেগেটিভ রিভিউ পেয়ে ডমেস্টিক বক্স অফিসে মাত্র ১৭ মিলিয়ন আয় করে সবাই জানার আগেই পুরাই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

 

 

 

এই ছিল ২০১৬ সালের সকল সিক্যুয়াল ফ্লপ মুভির লিস্ট। রেকর্ড সংখ্যক ১৩টি মুভি ফ্লপ গেছে এ বছর যার মধ্যে ৮০% ছিল বহুল প্রত্যাশিত বিগ বাজেটের মুভি। তবে এ বছর এ গুলো ছাড়া অন্যান্য সিক্যুয়াল মুভি গুলো ছিল কম বেশী ভালোই সফল যেমন, ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা-সিভিল ওয়ার’, ‘ফাইন্ডিং ডোরি’, ‘রোগ ওয়ান-এ স্টার ওয়ারস স্টোরি’, ‘ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান-ডন অফ জাস্টিস’, ‘ফ্যান্টাস্টিক বিস্ট এন্ড হোয়ার টু ফাইন্ড দেম’, ‘ডেডপুল’, সুইসাইড স্কোয়াড’, ‘ডক্টর স্ট্রেঞ্জ’ ও ‘দ্য পার্জ-ইলেকশন ইয়ার’ ছিল বছরের সব থেকে বড় ব্লকবাস্টার/সুপারহিট মুভি। ‘এক্স মেন-অ্যাপোক্যালিপ্স’, ‘কুংফু পান্ডা থ্রি’, ‘লন্ডন হ্যাজ ফলেন’ ও ‘নেইবরস টু-সরোরিটি রাইজিং’ ছিল অ্যাভারেজ হিট। ‘দ্য কনজুরিং টু’, ‘জেসন বর্ন’, ‘রাইড অ্যালোং টু’ ও ‘ওউজা-অরিজিন অফ ইভিল’ মুভি গুলো ছিল হিট কিন্তু এগুলো আয়ের দিক থেকে তাদের পুর্বের পর্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারেনি এবং সর্ব শেষে ‘মাই বিগ ফ্যাট গিক ওয়েডিং টু’, ‘বারবারশপ-দ্য নেক্সট কাট’ ও ‘গডস নট ডেড টু’ এই ৩টি মুভি বাজেট রিকোভার করে মোটামুটি মাপের সফল ছিল। যাই হোক, এ বছর হলিউডের সিক্যুয়াল মুভির মেকাররা ভালই শিক্ষা পেয়েছে যে শুধু পুর্বের পর্বের সুনাম ও আয়কে পুঁজি করে একটা অযথা সিক্যুয়াল বানিয়েই টাকা কামানো যায় না, মুভির ভিতরে কিছু মাল মশলাও থাকতে হয় নইলে দর্শকদের রিয়াকশন এমনই হয়… !!!

 

 

 

বিঃদ্রঃ এখানে এ সকল মুভির শুধু মাত্র ডমেস্টিক বক্স অফিস (উত্তর আমেরিকার) এর আয় দেয়া হয়েছে। বহিঃবিশ্বের আয় দেয়া হয়নি, কারণ কোন মুভি হিট না ফ্লপ তা নির্ধারণ করা হয় উত্তর আমেরিকার আয় দেখে। কোন মুভি বহিঃবিশ্বে যতই আয় করুক না কেন, উত্তর আমেরিকায় যদি ফ্লপ হয় তবে প্রোডিউসারকে বিপুল পরিমাণে লোকসান গূণতে হয় এবং সেই মুভিকে তখন ফ্লপ হিসেবে বক্স অফিস ভারডিক্ট দেয়া হয়। মেকাররা কোন মুভির সিক্যুয়াল নির্মাণ করবে কিনা সেটা নির্ভর করে এই ডমেস্টিক বক্স অফিস আয়ের উপরেই।

 

 

 

তথ্যসুত্রেঃ http://www.boxofficemojo.com/

 

 

 

To Be Continued… !!!


মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন