‘Independence Day: Resurgence’ (2016) চোখ ধাঁধানো স্পেশ্যাল ইফেক্টের আড়ালে এক রাশ হতাশা… !!!
independence_day_resurgence_ver13_xlg
 
হলিউডের কিছু কিছু মুভির সিক্যুয়াল আছে যেগুলোর জন্য সারা বছর তীর্থের কাকের মত বসে থাকতে ইচ্ছা করে আবার কিছু কিছু মুভির সিক্যুয়াল নির্মাণের খবর শুনলেই বিরক্তিতে মেজাজ খারাপ হয়ে যায়। এ বছর হলিউডে মুক্তি পেয়েছে অনেক মুভিরই এমনই প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় সিক্যুয়াল যার মধ্যে ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে-রিসারজেন্স’ অন্যতম। অতঃপর কাল ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’ এ থ্রিডিতে এ মুভিটি উপভোগ করার পর চলুন দেখে নেয়া যাক কেমন ছিল এ বছরের ‘স্বাধীনতা দিবস’… !!!
 
chk_captcha
১৯৯৬ সালে রিলিজ হয়েছিল হলিউডের ইতিহাসের অন্যতম বিগেস্ট এলিয়েন ইনভেশন ডিজাস্টার মুভি ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে’। মুভিটিতে অভিনয় করেছিল হলিউডের বিখ্যাত সব তারকা ‘উইল স্মিথ’, ‘বিল পুলম্যান’, ‘জেফ গোল্ডবাম’ এবং ‘জুড হার্শ’। মুভিটি পরিচালনা করেছিল ‘গডজিলা’, ‘দ্য ডে আফটার টুমরো’, ‘১০০০০ বি সি’ ও ‘২০১২’ এই মাস্টারপিস গুলোর নির্মাতা ‘রোলান্ড এমেরিক’। সেই সময় এই ধরণের বিগ বাজেটের ও বিশাল কনসেপ্ট নিয়ে কাজ করা সত্যিই অনেক প্রসংশার দাবীদার ছিল যার কারণে ৭৫ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভি সারা বিশ্বে আয় করেছিল রেকর্ড পরিমাণ ৮১৭ মিলিয়ন। অতঃপর অনেক বছর কেটে গেছে, মানুষ আস্তে আস্তে ভুলে গেছে এই লেজেন্ডারী মুভিটির কথা। কিন্তু হঠাৎ করেই খবর শোনা যায় যে এই মুভির ২য় পর্ব নির্মাণের। কিন্তু ২০০৪ সালে এসে এই প্রজেক্ট বাতিল হয়ে যায়। অতঃপর ২০০৯ সালে ‘রোলান্ড এমেরিক’ আবারও এ মুভির সিক্যুয়ালের জন্য প্ল্যান শুরু করে। ‘রোলান্ড এমেরিক’ এর প্ল্যান ছিল দুটি সিক্যুয়াল ব্যাক টু ব্যাক নির্মাণের ও ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে’ সিরিজকে ট্রিলজী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার। পরবর্তীতে ‘উইল স্মিথ’কে অফার করা হলে সে দুটি সিক্যুয়ালের জন্য ৫০ মিলিয়ন পারিশ্রমিক দাবী করে কিন্তু প্রোডাকশন কোম্পানী ‘টুয়েন্টিন্থ সেঞ্চুরী ফক্স’ তার এই অফার নাকচ করে দেয় ও তাকে বাদ দিয়েই এই মুভির সিক্যুয়ালের কাজ শুরু হয়। তারপর আবারও একটি বিরতী। অতঃপর ২০১৪ সালে গিয়ে ‘ফক্স’ এ মুভির প্রথম সিক্যুয়াল নির্মাণের জন্য ‘রোলান্ড এমেরিক’কে অবশেষে গ্রিন সিগনাল দেয়। পরবর্তীতে আবারও ‘উইল স্মিথ’কে এ সিক্যুয়ালটির জন্য অফার করা হয়, কিন্তু সেই সময় সে তার ‘সুইসাইড স্কোয়াড’ মুভির শ্যুটিং এ ব্যস্ত থাকায় এ মুভির রোল ফিরিয়ে দেয়। তবে এর আগের পর্বের দুই অন্যতম প্রধাণ চরিত্র ‘বিল পুলম্যান’, ‘জেফ গোল্ডবাম’ ও ‘জুড হার্শ’ যথারীতি ফিরে আসে এ পর্বে নিজ নিজ চরিত্রে। সেই সাথে নতুন চরিত্র হিসেবে যোগ দেয় ‘লিয়াম হেমসওর্থ’, ‘জেসি উশার’ ও ‘মাইকা মনরো’ এবং বিখ্যাত অভিনেতা ‘উইলিয়াম ফিচনার (‘আর্মাগেডন’, ‘পার্ল হার্বার’, ‘ব্ল্যাক হক ডাউন’, ‘ক্রাশ’, ‘টিনেজ মিউট্যান্ট নিনজা টার্টেল’)। ‘জেসি উশার’ এ মুভিতে অভিনয় করেছে প্রথম পর্বের ‘উইল স্মিথ’ এর সেই ছোট্ট ছেলের ভুমিকায় এবং ছেলে এখন বড় হয়ে বাবার স্থান অর্জন করেছে। এ মুভিতে ‘উইল স্মিথ’ অভিনয় না করায় ‘উইল স্মিথ’ এর ‘ক্যাপ্টেন স্টিভেন হিলার’ চরিত্রের রেফারেন্স হিসেবে দেখানো হয়েছে যে প্রথম মুভির ১১ বছর পর একটি এলিয়েন টেকনোলজী পরীক্ষা করতে গিয়ে ‘স্টিভেন হিলার’ এক্সিডেন্টে মারা যায়। এ মুভির নাম রাখা হয় ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে-রিসারজেন্স’ যদিও ‘রিটার্ন্স’, ‘রিটালিয়েশন’, ‘রাইজেজ’ ও ‘রিকুইয়াম’ নাম গুলো প্রথমে ভাবা হয়েছিল কিন্তু পরে ‘রিসারজেন্স’ কনফার্ম করা হয়।
 
the-landmarks-get-it-in-new-posters-for-independence-day-resurgence-independence-day-990459
মুভির গল্প শুরু হয়েছে প্রথম মুভির এলিয়েন ইনভেশনের ২০ বছর পর থেকে। মানুষ প্রথম মুভির এলিয়েন ইনভেশন থেকে শিক্ষা লাভ করে সেই এলিয়েন টেকনোলজীকে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীকে চরম সুরক্ষিত ভাবে নতুন করে গড়ে তুলেছে। তারা চাঁদে স্পেস স্টেশন স্থাপন করেছে এবং পৃথিবীর চারিদিক থেকে যে কোন হামলার মোকাবিলা করার জন্য সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এদিকে প্রথম পর্বে হেরে যাওয়া এলিয়েন প্রজাতীও ২০ বছর ধরে পরিকল্পনা করছে প্রতিশোধ নেবার। অবশেষে ২০ বছর অপেক্ষা করার পর তারা তাদের সর্ব শক্তি দিয়ে আঘাত হানে পৃথিবীর মানুষদের উপর পুর্বের থেকে অনেক বড় আকারে ধবংস লীলা চালাতে থাকে তারা। তাদের উদ্দেশ্য পৃথিবীর ম্যাগনেট কোর দুর্বল করে দিয়ে পৃথিবীকে ধবংসের মাধ্যমে মানুষ প্রজাতীকে বিলুপ্ত করে দিয়ে গোটা সৌর জগতে শুধু মাত্র তাদের আধিপত্য বিস্তার করতে। এভাবে তারা যুগের পর যুগ সৌর জগতের অন্যান্য গ্রহ ও প্রজাতী গুলোকে ধবংস করে এখন টার্গেট করেছে পৃথিবীকে। অবশেষে দেখা যাবে কিভাবে একদম সায়েন্টিস্ট ও একদল তরুন এয়ার ফোর্স সোলজার পৃথিবীকে এত বড় ভয়ংকর একটি বিপদ থেকে রক্ষা করে।
 
independence_day_resurgence_ver9_xlg
এবারের মুভির গল্পে নতুনত্য কিছুই ছিল না। পুরনো মুভির গল্পটাকে ঘষে মেজে একটু নতুন রংচং মাখিয়ে নতুন বোতলে পুরনো মদ খাওয়ানো হয়েছে দর্শককে। সেই সাথে মুভির গল্পের শুরু থেকে যোগ করা হয়েছে একটু ‘২০১২’ টাইপের গাম্ভির্য্য, উত্তেজনা ও টেনশন যে বিশাল কোন দুর্যোগ যেন পৃথিবীকে গ্রাস করতে ছুটে আসছে। এই গাম্ভির্য্যটাই গোটা মুভিকে একটু ডার্ক ইমেজ এনে দিয়েছে এই আর কি। কিন্তু সেই ১৯৯৬ সালের প্রথম মুভির ২০ বছর এত বিশাল একটি টাইম গ্যাপের পর লেট করে বানানো এই সিক্যুয়ালে আসলে এমন কিছুই নেই যে দর্শক তীর্থের কাকের মত হা করে বসে থাকবে এই মুভিটি দেখার জন্য (‘উইল স্মিথ’ থাকলেও একখান কথা ছিল !)। অনেকে তো ইতঃমধ্যে ভুলেই গেছেন যে প্রথম মুভিতে আসলে কিভাবে কি হয়েছিল ও কোন কোন ক্যারেক্টার ছিল। এবারের পর্বটি আগাগোড়াই প্রচুর স্লো ও বোরিং, বিশেষ করে মুভির প্রথম অর্ধেক। মুভির প্রথম অর্ধেকই চলে গেছে শুধু এটা দেখাতে যে, তেনারা আসিতেছেন… !!! কিন্তু আর আসেন না। এদিকে অনেক কষ্টে হাই চেপে ঘুম আটকে তেনাদের দেখার জন্য পর্দার দিকে ঢুলু ঢুলু নয়নে তাকিয়ে আছি। অতঃপর যখন তেনারা এলেন, ততক্ষণে বিরতীর ঘন্টা বেজে গেছে। আগে জানলে এই সময়টা একটা লম্বা ঘুম দিয়ে তারপর বিরতীর পর থেকে তেনাদের তান্ডব দেখা শুরু করতাম। অতঃপর বিরতীর পর তেনারা যা করলেন তা দেখে শুধু হতাশ ছাড়া কিছুই হলাম না। যারা যারা এ মুভির ২/৩টি ট্রেলার ভাল করে দেখে নিয়েছেন ও ভাবছেন (আমার মত) মুভিতে না জানি কি ভয়াবহ তুলকালাম আছে, তাদেরকে বলছি, যা তুলকালাম দেখার তা ট্রেলারেই দেখিয়ে দেয়া হয়েছে, মুভিতে এক্সট্রা আর কিছুই নেই। বাকি যা ছিল তা মূলত প্রথম পর্বেরই কপি পেস্ট। তবে ফিনিশিং এর অ্যাকশনে কিছুটা ভিন্নতা আনার চেষ্টা করা হয়েছে যা দেখে ভালও লেগেছে। বেশ টানটান উত্তেজনা ছিল মুভির শেষে যখন এলিয়েনদের রানিকে ধবংস করতে বেশ ভালই কাঠ খড় পোঁড়াতে হয়েছে। তবে আমার কাছে এলিয়েনদের দৈহিক কাঠামো মোটেও সন্তোষজনক লাগেনি। মুভিটা দেখে মনে হচ্ছিল আমি যেন ‘জেমস ক্যামেরুন’ এর ‘এলিয়েন’ সিরিজ দেখছি। এই মুভিকে অনায়াসেই ‘এলিয়েন ফাইভ’ নামে চালিয়ে দেয়া যায়। আমি একটা জিনিস খেয়াল করেছি, ‘জেমস ক্যামেরুন’ এর ‘এলিয়েন’ সিরিজ নির্মাণের পর হলিউডের অধিকাংশ এলিয়েন সংক্রান্ত মুভি গুলোর এলিয়েন এর দৈহিক কাঠামো মূলত ঐ ‘জেমস ক্যামেরুন’ এর ‘এলিয়েন’ সিরিজ থেকেই নেয়া হয়েছে। ভাল করে দেখলে কিছু না কিছু মিল খুঁজে পাওয়া যাবেই। এ মুভিতেও তার ব্যতিক্রম ছিল না। এই রকম কিম্ভুতকিমাকার পোকা-মাকড়ের মত দেখতে ‘এলিয়েন’ কিভাবে মানুষের থেকে টেকনোলজীতে অগ্রসর হয় আমার মাথায় কাজ করে না।
 
jeff-goldblum-posts-creepily-awesome-teaser-trailer-for-independence-day-resurgence-on-494805
independence-day-resurgence
মুভিতে অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে সব থেকে ভাল লেগেছে ‘লিয়াম হেমসওর্থ’কে। ‘থর’ এর ছোট ভাই এই ইয়াং অভিনেতা আস্তে আস্তে নানান বিগ বাজেট মুভিতে চান্স পাচ্ছে এবং অভিনয়ও বড় ভাইয়ের থেকে কম দুর্দান্ত করে না। এ মুভিতেও সে প্রথম পর্বের ‘উইল স্মিথ’ এর জায়গাটা নিয়ে নিয়েছে। ‘হেমসওর্থ’ এর নায়িকা ‘মাইকা মনরো’ পুরাই মন কেড়ে নিয়েছে আর ‘উইল স্মিথ’ এর ছেলের ভুমিকায় ‘জেসি উশার’ অল্প সময়ের জন্য মোটামুটি ছিল। ‘হেমসওর্থ’ এর সাথে তার বেস্ট ফ্রেন্ড চরিত্রে ‘ট্রেভিস টোপ’ এর হিউমার গুলো ছিল এ মুভির প্রাণ। এ ছাড়াও ‘জেফ গোল্ডবাম’ ছিল প্রথম পর্বের মতই হিউমার ও সায়েন্সের সংমিশ্রনে উজ্জ্বল। আর তার বাবার চরিত্রে ‘জুড হার্শ’ ছিল বরাবরের মতই রসে পরিপুর্ণ। আমেরিকান সিকিউরিটি অধিদপ্তরের জেনারেল চরিত্রে ‘উইলিয়াম ফিচনার’ ছিল পুরাই মারদাঙ্গা। তবে প্রথম পর্বের আমেরিকার সেই ইনস্পায়ারিং প্রেসিডেন্ট ‘বিল পুলম্যান’কে এবারের পর্বে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। কোথায় যেন একটু অবহেলা প্রকাশ পেয়েছে এই শক্তিশালী চরিত্রটির প্রতি এবং মুভির শেষে এই চরিত্রের পরিণতি দেখে সত্যিই মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে। খুব মিস করেছি পৃথিবীবাসীদের প্রতি দেয়া প্রথম পর্বের ‘বিল পুলম্যান’ এর সেই লেজেন্ডারি ভাষনটি যা গোটা পৃথিবীকে একত্রিত করেছিল এলিয়েনদের বিরুদ্ধে লড়তে ও সুচনা করেছিল এক ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে’ এর। আর সব থেকে মিস করেছি যার কথা না বললেই নয়, ‘উইল স্মিথ’কে। মুভির অনেক জায়গায় তার ছবি ও রেফারেন্স দেখে ভালই লেগেছে, এটা দেখে যে ‘উইল স্মিথ’ এ মুভিতে অভিনয় না করলেও পরিচালক তার অনুপস্থিত চরিত্রটির প্রতি যোগ্য সম্মানটুকু দেখিয়েছেন।
 
1464337924-1464239570-ngay-doc-lap-7
Independence-Day-2-Resurgence-Super-Bowl-Ad
অবশেষে, ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে-রিসারজেন্স’ গোটা মুভিতে দেখার মত যদি কিছু থাকে তবে সেটা হচ্ছে প্রচন্ড পরিমাণে স্পেশ্যাল ইফেক্টের ছড়াছড়ি। এ দিক থেকে বরং এ মুভিকে পাস মার্ক দেয়াই যায়। আপনি যদি চরম লেভেলের স্পেশ্যাল ইফেক্ট সম্মৃদ্ধ ডিজাস্টার মুভি দেখতে পছন্দ করেন ও গল্প নিয়ে মাথা না ঘামান তবে এই মুভি আপনাকে মোটামুটি সন্তুষ্ট করতে পারবে। সত্যিই কিছু ভয়ংকর লেবেলের ডিজাস্টার সিন আছে এই মুভিতে যার সাথে শুধু ‘২০১২’ ও ‘সান আন্দ্রিয়াস’ এরই তুলনা দেয়া যায়। সিন গুলো সব থেকে ভাল এঞ্জয় করতে পারবেন যদি আপনি হলে গিয়ে থ্রিডিতে দেখেন তবে। ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’ এর থ্রিডি নয়, রিয়েল থ্রিডি। ‘ব্লকবাস্টার সিনেমাস’ এ ডাকাতের মত টাকা নিয়ে যে জঘন্য মানের থ্রিডি দেখানো হয় এর থেকে ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’ এর থ্রিডি যথেষ্ট উন্নত মানের, আরামদায়ক, সন্তোষজনক ও সাধ্যেরও ভিতরে। সর্বোপরি, ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে-রিসারজেন্স’ প্রথম মুভির সিক্যুয়াল হিসেবে প্রত্যাশা পুরণে একেবারেই ব্যর্থ। এ মুভি দেখে শেষ করার পর আপনি নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করবেন যে এতক্ষণ আসলে কি দেখলাম ? ‘রোলান্ড এমেরিক’ এর মত গুণী পরিচালক এসব টাইম ওয়েস্ট মুভি বানিয়ে যে কেন নিজের মেধার অপচয় করছেন হলিউডের বিবেকের কাছে আজ এই প্রশ্ন। যাই হোক, ইতঃমধ্যে পরিচালক ‘রোলান্ড এমেরিক’ মুভি রিলিজের আগেই ‘এম্পায়ার’ ম্যাগাজিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন যদি এ মুভি ব্যবসায়িক সফলতা লাভ করে তবে খুব শীঘ্রই তারা ২/১ বছরের মধ্যেই সিরিজের ৩য় পর্বের কাজে হাত দিবেন ও এবারের পর্বের গল্প হবে ইন্টারগ্যালাক্টিক জার্নি। অর্থাৎ মহাশূণ্যে এলিয়েনদের সাথে যুদ্ধ হবে এবার যার হিন্টস এ মুভির শেষে দিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে সুসংবাদ নাকি দুঃসংবাদ কিনা জানি না, এ মুভিটি রিলিজের পর সমালোচকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ নেগেটিভ রিভিউ লাভ করেছে। মুভিটি পঁচা টমেটো থেকে মাত্র ৩৪% ফ্রেশ রেটিং ও ‘IMDb’ থেকে ৫.৭ রেটিং লাভ করেছে। ১৬৫ মিলিয়ন বিশাল বাজেটের এ মুভিটি রিলিজের পর এখন পর্যন্ত ৫ দিনে উত্তর আমেরিকায় (ডমেস্টিক বক্স অফিস) আয় করেছে মাত্র ৪৯ মিলিয়ন (যেখানে ৫ দিনে প্রথম পর্বটির আয় ছিল ৯৬ মিলিয়ন) ও সারা বিশ্বে ১৬৫ মিলিয়ন। মুভিটির কপালে দুঃখ আছে সেটা বলে দিতে আর জ্যোতিষ হওয়া লাগবে না। এ বছর একের পর এক অপ্রয়োজনীয় সিক্যুয়াল গুলো ফ্লপ খাচ্ছে, ‘ইন্ডিপেন্ডেন্স ডে-রিসারজেন্স’ও সেই খাতায় নাম লেখালে অবাক হব না। তাই এই সিরিজের ৩য় পর্বের আশা আমাদের ও জনাব ‘রোলান্ড এমেরিক’ এর আপাতত আল্লাহর নামে ছেড়ে দেয়াই উচিত… !!!
Independence Day: Resurgence (2016)
Independence Day: Resurgence poster Rating: 5.9/10 (7,058 votes)
Director: Roland Emmerich
Writer: Nicolas Wright (screenplay), James A. Woods (screenplay), Dean Devlin (screenplay), Roland Emmerich (screenplay), James Vanderbilt (screenplay), Dean Devlin (story by), Roland Emmerich (story by), Nicolas Wright (story by), James A. Woods (story by), Dean Devlin (based on characters created by), Roland Emmerich (based on characters created by)
Stars: Liam Hemsworth, Jeff Goldblum, Jessie T. Usher, Bill Pullman
Runtime: 120 min
Rated: PG-13
Genre: Action, Adventure, Sci-Fi
Released: 24 Jun 2016
Plot: Two decades after the first Independence Day invasion, Earth is faced with a new extra-Solar threat. But will mankind's new space defenses be enough?

(Visited 257 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. শান্তনু চৌধুরী শান্তনু চৌধুরী says:

    আমি মনে করি এই মুভিটি যারা মুভি বুঝে না তাদের জন্য বেষ্ট । মুভিকে পোস্টমার্টম যারা করে তাদের ভালো লাগার কথা না 😉

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন